colorgeo.com

Disaster and Earth Science

শৈলকুপায় শ্রী শ্রী রাধারমণ মন্দিরের উদ্বোধন

Radharaman1-1

গত  ১৮ ডিসেম্বর ২০২০ সাল শুক্রবার ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা থানার করুণাকর গ্রাম নিবাসী বাবু রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস এর গৃহে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করা হয়। এই উপলক্ষে ভাগবত আলোচনা ভজন কীর্তন এবং ভগবানের প্রসাদ বিতরনের  ও সেবার আয়োজন করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে ৮ নম্বর ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান ও শৈলকুপা উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক মতিয়ার রহমান বিশ্বাস ও শৈলকুপা উপজেলা আওয়ামী লীগের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ ও ক্রিস্টিয়ান পরিষদের  (শৈলকূপা) সম্মানিত সদস্যও বৃন্দ।

অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয় ইসকন মাগুরা এবং করুণাকর গ্রামবাসীর সার্বিক সহযোগিতা ও তত্ত্বাবধানে। উক্ত অনুষ্ঠান ভোর 4:30 মিনিটে মঙ্গল আরতি মাধ্যমে শুরু হয় এবং বৈদিক হোম যজ্ঞ দুপুর 12 টা 45 মিনিটে শুরু হয় এবং ২ ঘণ্টাব্যাপী বৈদিক যজ্ঞ সুসম্পন্ন করতঃ ভক্ত অনুরাগী ভক্তদের এবং দূরদূরান্ত থেকে আগত ভক্তদের মধ্যে ভগবানের প্রসাদ নিবেদন করা হয়।

 বৈদিক হোমযজ্ঞ শেষে ভক্ত বৃন্দের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ ও ক্রিস্টিয়ান পরিষদের  (শৈলকূপা) সম্মানিত সদস্য, করুনাকর গ্রাম নিবাসী নীলকমল, সনাতন, রমন কুমার বিশ্বাস। তারা বলেন এই শ্রী শ্রী রাধারমন মন্দির অত্র গ্রামের ভক্ত বৃন্দের দীর্ঘদিনের আশা পূর্ণ করেছে এই মন্দিরকে কেন্দ্র করে তারা বিভিন্ন সামাজিক কাজ যেমন শীতবস্ত্র বিতরণ, দুস্থদের সাহায্য, সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করে যাবে । এ জন্য সম্মানিত চেয়ারম্যান মহোদয়ের সার্বিক সাহায্য ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

প্রসাদ বিতরণ শুরু হয় বিকাল ৪ টা থেকে ভগবানের নিবেদন শেষে ১২ প্রকারের বাহারি প্রসাদ প্রস্তুত করা হয়। ইস্কন লাঙ্গলবাঁধ এর প্রভুদের একনিষ্ঠ সাহায্যার্থে প্রসাদের স্বাদে বৈচিত্র্য আনে। সমস্ত ভক্ত মণ্ডলী ভগবানের প্রসাদ পেয়ে সুখ্যাতি গেয়েছেন। উক্ত অনুষ্ঠান কীর্তন পরিবেশন করেন ইসকন মাগুরা কৃষ্ণ ভক্ত এবং করুণাকর গ্রাম নিবাসী করুনাকার তমাল সংঘের কীর্তনীয়া বাবু রঞ্জিত মন্ডল এবং রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস ও তার দল।

উক্ত অনুষ্ঠানে শ্রীশ্রী রাধারমণ মন্দির উদ্বোধন করা হয় এবং প্রত্যহ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রাত্যহিক পূজা অর্চনার কল্পে অনুষ্ঠান সমাপ্ত করা হয়। শ্রী শ্রী রাধা রমন মন্দির উদ্বোধন শেষে অত্র অঞ্চলের শীতার্ত বৃদ্ধ ও দুস্থ পরিবারের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয় এবং ভক্তবৃন্দের মধ্যে গীতা দান করা হয়।

Please follow and like us:
%d bloggers like this: