বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার কারীদের সংখ্যা বাড়ছে হু হু করে

এক পরিসংখানে দেখা যায় ২০১৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল মোট জন সংখ্যার ১৩.২% বা ২ কোটি ১৪ লক্ষ । এখন ২০১৯ সাল পর্যন্ত সেটা ৯ কোটি ৩ লক্ষ। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারের ব্যাপক বিস্তার। 2000 সালে মাত্র ৯৩ লক্ষ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করতো যা মোট জন সংখ্যার ০.১ %।

কেন অতীতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী কম ছিল বাংলাদেশে?

যে কারণ গুলো দায়ী তার মধ্যে ১। গ্রাম অঞ্চলে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগের অভাব। ২। অধিক মূল্য। ৩। বাংলাভাষায় কন্টেন্ট এর অপ্রতুলতা। ৪। ইন্টারনেট সেবার মান তুলনা মূলক খারাপ। ৫। অবকাঠামো অভাব । ৬। অনেক বেশি ইন্টারনেট প্রভাইডার ও ছোট মার্কেট। ৭। নিরক্ষরতা । ইত্যাদি কারণে ১০ বছর আগেও ইন্টারনেট ব্যবহার কারী কম ছিল।

২০১৬ সাল পর্যন্ত এক হিসাবে দেখা যায় বাংলাদেশ পৃথিবীর সব কয়টি দেশের মধ্যে ২৮ তম অবস্থানে রয়েছে। বর্তমানে ২০২০ সালে আরও অনেক উন্নতি হয়েছে। বাংলাদেশে অধিক শিক্ষিত জন্যগণ ভাল মানের ইন্টারনেট সেবা কম মূল্য অবকাঠামো উন্নয়ন বাংলাভাষায় অধিক কন্টেন্ট থাকার জন্য মানুষ বেশি বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার এ ঝুঁকে পড়ছে।

ইন্টারনেট ব্যবহারে ফেসবুকের ভূমিকাঃ

বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়ার ক্ষেত্রে মার্ক জাকারবারগ কে প্রশংসা করতে হয় কারণ ফেসবুক ব্যবহারের জন্য এখন মানুষ বেশি বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু করেছে।

পৃথিবীতে বর্তমানে সবথেকে বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার করে চীনের মানুষ তার পর ইন্ডিয়া ৩য় অবস্থানে আমেরিকা।

ইন্টারনেট এর মাধ্যমে আয় করা যায়। তাছাড়া বর্তমানে ইন্টারনেট এ অনলাইন ক্লাস থেকে শুরু করে যাবতীয় গুরুত্ব পূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। তাই মানুষ এখন ইন্টারনেট এর প্রতি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে।

Please follow and like us:

Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

যেভাবে তৈরি হয় ক্ষতিকর গ্যাস

Sat May 23 , 2020
মিথেন গ্যাসকে সাধারণত non-toxic গ্যাস বলা হয় যদিও এ গ্যাস শ্বাস প্রশ্বাস রোধক হিসেবে এবং বিস্ফোরক হিসেবে ক্ষতিসাধন করতে পারে। মিথেন গ্যাস সাধারনত পরিবেশের খুব বেশি ক্ষতি সাধন করে না কিন্তু এই গ্যাস একটি গ্রিন হাউস গ্যাস যা বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে। গ্যাস ক্ষেত্র থেকে পাওয়া প্রাকৃতিক গ্যাস এর মধ্যে […]
মিথেন গ্যাস