Colorgeo

Classroom of Money and Wisdom for Earth Science

Spread the love

যে কারণে গান্ধী কে হত্যা করা হয়েছিল

মহাত্মা গান্ধী ছিলেন একজন গনমানুষের নেতা। যে কারণে গান্ধী কে হত্যা করা হয়েছিল তা সত্যি বিস্ময়ের । তার অহিংস নীতির জন্য তিনি সমস্ত পৃথিবী ব্যাপী বিখ্যাত হয়ে আছেন। নাথুরাম গডসে তাকে হত্যা করে। কিন্তু কেন তারা হত্যা করেছিল নাথুরাম গডসে তা জানুন।


বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিল পত্র (১ম খণ্ড- ১৫তম খণ্ড) সমস্ত ইতিহাস একসাথে

যে কারণে গান্ধী কে হত্যা করা হয়েছিল জানতে এই ভিডিও টি দেখুন।

গান্ধী

 


চেঙ্গিস খান: ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ংকর বিজেতার জীবন কাহিনী

১৪-১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ; নেপথ্যে মর্মান্তিক ঐতিহাসিক সত্য


মহাত্মা গান্ধী: একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি

মহাত্মা গান্ধী একজন বিশ্বব্যাপী ঐতিহ্যবাহী নেতা যার প্রভাব আমাদের সবাই চেয়ে বেশি উপভোগ করেছে। তার মহান কর্মযাত্রার মাধ্যমে স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছেন এবং সামরিক প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেছেন। তাঁর জীবন এবং দর্শন একটি অদ্যাবধিক সংঘর্ষময় যাত্রার মধ্যে প্রবেশ করেছে।

জন্ম ও শিক্ষা

মোহনদাস করমচন্দ গান্ধী ২য় অক্টোবর, ১৮৬৯ সালে ভারতের পোরবী পোরব প্রান্তিক প্রদেশে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম করমচন্দ গান্ধী এবং মাতার নাম পুতলিবাই। 

আন্দোলন ও আদর্শ

মহাত্মা গান্ধীর জীবনের অবধি সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে একটি দ্বি-পরিস্কারতা চিহ্নিত করে উঠেছিল – অহিংসা ও সত্য। তিনি সামরিক আন্দোলনে গতি দেন এবং গাড়ি অপহরণ, আঁচল বন্ধন, অপরাধী বিচ্ছেদ এবং স্বাধীনতার প্রতিষ্ঠানে অবিচ্ছিন্ন চেষ্টা করেন।

স্বতন্ত্রতা সংগ্রাম

মহাত্মা গান্ধীর সবচেয়ে বৃহত্তর কাজ হলো ভারতের স্বাধীনতা লাভ করা। তিনি একটি অলৌকিক অভিযান চালায়েছিলেন যার মাধ্যমে স্বাধীন ভারতের স্বপ্ন পূর্ণ হয়েছিল। অভিযানের একটি শীর্ষস্থানীয় বিষয় ছিল সাত্যাগ্রহ আন্দোলন, যার মাধ্যমে তিনি জনগণের সঙ্গে আলোচনা ও বিচারের মাধ্যমে আন্দোলনকে নিরাপদ ও সম্মানজনক করেছিলেন।

মহাত্মা গান্ধীর প্রভাব

মহাত্মা গান্ধীর কর্মক্ষেত্রে আদর্শগুলি আমাদের জীবনে একটি প্রভাব ছাড়িয়ে দেয়। তিনি শিক্ষাপ্রদ পরামর্শ দিয়েছিলেন যা আমাদের অন্যান্য আদর্শগুলিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সাত্য, অহিংসা, বিনয়, আত্মশাস্ত্র ও সহিষ্ণুতা – এগুলি মহাত্মা গান্ধীর উদাহরণের মধ্যে অবস্থান করে এবং আমাদের পরিচিত হয়ে উঠেছে।

মহাত্মা গান্ধী বিশ্বের একটি অন্যতম সংগঠিত স্বাধীনতা আন্দোলনের মহাপুরুষ ছিলেন। তাঁর অন্যতম উপসংহার হলো অহিংসা ও সত্যের মাধ্যমে আদর্শগুলি জীবনে প্রতিষ্ঠা করা। মহাত্মা গান্ধীর বোধগম্য উদাহরণ আমাদের মধ্যে একটি জ্ঞানবান প্রেরণা ছাড়িয়ে দেয়, যার মাধ্যমে আমরা পরিবর্তন এবং পরিবর্তনের প্রত্যাশায় অগ্রসর হতে পারি।

FAQs:

গান্ধীর সন্তান

মহাত্মা গান্ধীর বিয়ের পর তাঁদের একজন পুত্র ও চার কন্যা ছিলেন। তাঁর পুত্রের নাম হলো হরিলাল, এবং তাঁর চারজন কন্যারা ছিলেন মনমোহিনী, লক্ষমিবাই, রামাবাই এবং স্নেহলাতা। গান্ধীর পরিবার বাড়িতে একটি উন্নত ও সুশিক্ষিত পরিবেশ ছিল।

গান্ধীর স্ত্রীর নাম

মহাত্মা গান্ধীর স্ত্রীর নাম ছিলেন কস্তুরবাই। তিনি গান্ধীর পরিবারের মধ্যে একজন গৃহমহিলা ছিলেন এবং পরিবারের মাঝে একটি গুরুর ভূমিকা পালন করেছিলেন। কস্তুরবাই মহাত্মা গান্ধীর জীবনে একটি অপূর্ণিত বৈদেশিক সাহসিকতা ও বিশ্বাসের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য ছিলেন।

গান্ধীর পিতার নাম

মহাত্মা গান্ধীর পিতার নাম ছিলেন করমচন্দ গান্ধী। তিনি একজন উদ্যোক্তা ছিলেন এবং পরিবারের মাধ্যমে তিনি আর্থিক স্থাবরতা নিশ্চিত করেছিলেন। গান্ধীর পিতার উদাহরণ দেখে তিনি জীবনের প্রাথমিক শিক্ষা, সমাজকর্ম ও আদর্শগুলির মাধ্যমে সমাজকে পরিবর্তন করার প্রতিষ্ঠান করেছিলেন।

গান্ধী কিসের জন্য বিখ্যাত ছিলেন গান্ধী কত বছর বয়সে বিয়ে করেন? গান্ধিজী কত সালে জন্মগ্রহণ করেন? মহাত্মা গান্ধীকে কে গান্ধী বলে অভিহিত করেন

গান্ধী কিসের জন্য বিখ্যাত ছিলেন

মহাত্মা গান্ধী বিশ্বজন্য ভাবে বিখ্যাত হন অহিংসা ও সত্যের জন্য। তিনি একজন অহিংসা আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন এবং সত্যের পথে এগিয়ে চলার সঙ্গে সঙ্গে তিনি বিশ্বের অন্যতম মানবিক আদর্শ হিসেবে পরিচিত হন। তাঁর নেতৃত্বে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন শক্তিশালী ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন হিসেবে পরিণত হয়েছিল।

গান্ধী কত বছর বয়সে বিয়ে করেন?

মহাত্মা গান্ধী বয়সে ১৩ বছর বয়সে বিয়ে করেছিলেন। তিনি ১৮৮৩ সালে কস্টাবা মেডিকেল কলেজে চান্দরববী প্রদেশে গন্ধী পরিবারে বিয়ে করেছিলেন।

গান্ধিজী কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

মহাত্মা গান্ধী ১৮৬৯ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি ভারতের পৌরাণিক প্রদেশে পোরবন্দর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

মহাত্মা গান্ধীকে কে গান্ধী বলে অভিহিত করেন

মহাত্মা গান্ধীকে তাঁর গারো দেশবাসীরা “গান্ধী” বলে অভিহিত করেন। এটি তাঁর শুভ্র পরিবেশনা এবং সত্যের পথে চলার অনুপ্রেরণামূলক জীবনধারার জন্য একটি সম্মানজনক খ্যাতি। তাঁর গান্ধী বলা হয়েছে অত্যন্ত সম্মানিত ও সম্মান্য বোধগম্য। গান্ধীকে গান্ধী বলে অভিহিত করা হয় তাঁর মহান কার্যক্রম, নৈতিকতা, শান্তি প্রচার ও মানবিকতার বিশ্বস্ত প্রতীকত্বের কারণে।