ইসলাম
-
এক নজরে 101 টি কবীরা গুনাহ
এক নজরে ১০১ টি কবীরা গুনাহ কবীরা গুনাহ বলা হয় ঐ সকল বড় বড় পাপকর্ম সমূহকে যেগুলোতে নিন্মোক্ত কোন একটি বিষয় পাওয়া যাবে। যে সকল গুনাহের ব্যাপারে ইসলামে শরীয়তে জাহান্নামের শাস্তির কথা বলা হয়েছে। যে সকল গুনাহের ব্যাপারে দুনিয়াতে নির্ধারিত দণ্ড প্রয়োগের কথা রয়েছে। যে সকল কাজে আল্লাহ তায়ালা রাগ করেন। ১. মহান আল্লাহ বলেন:إِن تَجْتَنِبُوا كَبَائِرَ مَا تُنْهَوْنَ عَنْهُ نُكَفِّرْ عَنكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ وَنُدْخِلْكُم مُّدْخَلًا كَرِيمًاযেগুলো সম্পর্কে তোমাদের নিষেধ করা হয়েছে যদি তোমরা সেসব বড় গোনাহ গুলো থেকে বেঁচে থাকতে পার। তবে আমি তোমাদের (ছোট) গুনাহ সমূহ ক্ষমা করে দেব এবং সম্মান জনক স্থানে তোমাদের প্রবেশ করাব। (সূরা নিসা: ৩১) ২. রাসুলুল্লাহ সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন:الصلوات الخمس .…
-
এসতেগফার বা তওবার 25টি উপকারিতা ও ফজিলত
এসতেগফার বা তওবার ২৫টি উপকারিতা ও ফজিলত: পবিত্র কোরান ও হাদীসের আলোকে এসতেগফারের অসংখ্যা উপকারিতা রয়েছে। তার মধ্যে ২৫টি উপকারিতা ও ফযিলত বর্ণনা করা হলো। তওবা এবং এস্তেগফার প্রায় একই, তবে পার্থক্য শুধু এতটুকু যে, এস্তেগফার হলো জবান বা মুখ দ্বারা ক্ষমা চাওয়া আর তওবা হলো অন্তর দিয়ে ক্ষমা চাওয়া।এস্তেগফারের জন্য গোনাহ হওয়া বা গোনাহ থাকা জরুরি নয়। নবী রাসুলরা প্রত্যহ অসংখ্যবার আল্লাহর কাছে এস্তেগফার করতেন, অথচ তাদের কোনো গোনাহ ছিল না। তারা নিষ্পাপ তথা মাসুম ছিলেন। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) দোয়ায় বলতেন, ‘হে আল্লাহ আমার ছোট-বড়, ইচ্ছায়-অনিচ্ছায়, গোপনে-প্রকাশ্যে, শুরুতে ও শেষে কৃত সব গোনাহ ক্ষমা করে দাও।’ (মুসলিম)। বান্দা তওবা ও এস্তেগফারের সমন্বয় করে দোয়া…
-
রোজার কাযা ও কাফফারা 10
রোজার কাযা ও কাফফারা কি রমজান মাসে যারা অসুস্থ বা পীড়িত, অতিশয় বৃদ্ধ, যাদের দৈহিক ভীষণ দুর্বলতার কারণে রোজা পালন করা খুবই কষ্টদায়ক হয় এবং যারা ভ্রমণে থাকার কারণে সিয়াম পালন করতে পারে না, তাদের জন্য রোজার কাজা, কাফফারা ও ফিদ্ইয়া ইত্যাদি বদলা ব্যবস্থা স্থির করে ইসলামি শরিয়তে সুনির্দিষ্ট বিধিবিধান রয়েছে। এ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘নির্দিষ্ট কয়েক দিনের জন্য তোমাদের মধ্যে কেউ পীড়িত হলে বা সফরে থাকলে অন্য সময় এ সংখ্যা পূরণ করে নিতে হবে। এটা (সিয়াম) যাদের অতিশয় কষ্ট দেয়, তাদের কর্তব্য এর পরিবর্তে ‘ফিদ্ইয়া’ অর্থাৎ একজন অভাবগ্রস্তকে খাদ্য দান করা। যদি কেউ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সৎ কাজ করে, তবে তা তার পক্ষে অধিক কল্যাণকর। ‘যদি তোমরা উপলব্ধি করতে…
-
সুরা ফাতিহা সকল রোগের শিফা
সুরা ফাতিহা সকল রোগের শিফা হাদীসে উল্লেখ রয়েছে যে, সুরা ফাতিহা সকল রোগের শিফা। তবে মুফাস্সীরগণ এই আমলের ওয়াদা পূরণের জন্য দুইটি শর্ত আরোপ করছেনঃ (১) যেই ব্যাক্তি এই সুরার দ্বারা আল্লাহ্ থেকে রোগমুক্তি নিবেন তার এই সুরার ওপর দৃঢ় বিশ্বাস থাকতে হবে। (২) যিনি ফুঁক দিবেন ঐ মুখটি আল্লাহর নিকট প্রিয় হতে হবে। এই দুইটি শর্ত যদি পূর্ণ হয় তবে সুরা ফাতিহার দ্বারা ইনশাআল্লাহ রোগমুক্তি হবে উদাহরণস্বরুপ একটি হাদীস, যেখানে সাহাবা আজমাঈন (রাঃ) আমল রয়েছেঃ- আবূ নু’মান (রহঃ) আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর একদল সাহাবী কোন এক সফরে যাত্রা করেন। তারা এক আরব গোত্রে পৌঁছে তাদের মেহমান হতে চাইলেন। কিন্তু তারা তাদের…
-
সূরা আল ফাতিহার বৈশিষ্ট্য ও ফজিলত
সূরা আল ফাতিহার বৈশিষ্ট্য ও ফজিলত কুরআন শরীফের গুরুত্বপূর্ণ সূরা ফাতিহা। এ সূরার মাধ্যমেই সূচনা হয়েছে পবিত্র কুরআনের। সূরাটিকে আল কুরআনের সার সংক্ষেপও বলা হয়। এ সূরা নাজিল হয়েছে মানুষের সার্বিক কল্যাণ মুক্তি ও পথপ্রদর্শক হিসেবে। সূরাটি ফজিলত ও বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে অন্য সব সূরার আলাদা। সূরা আল ফাতিহার বৈশিষ্ট্য: ১) এই সূরা কুরআনের সর্বাধিক মর্যাদাপূর্ণ সূরা। তাওরাত, জবুর, ইনজিল, কুরআন কোনো কিতাবে এই সূরার তুলনীয় কোন সূরা নেই। বুখারি, মিশকাত :২১৪২ ২) এই সূরা এবং সূরায়ে বাকারা’র শেষ তিনটি আয়াত হল আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত বিশেষ নূর, যা ইতিপূর্বে কোনো নবীকে দেওয়া হয়নি। মুসলিম শরীফ :৮০৬ ৩) যে ব্যক্তি নামাজে সূরা ফাতিহা পাঠ করল না, তার সালাত অপূর্ণাঙ্গ। রাসূলুল্লাহ…
-
সূরা আল ফাতিহা ও তাঁর অর্থ
সূরা আল ফাতিহা ও তাঁর অর্থ ফাতিহা শব্দটি আরবি “ফাতহুন” শব্দজাত যার অর্থ “উন্মুক্তকরণ”। এটি আল্লাহ্ এর পক্ষ থেকে বিশেষ প্রতিদান স্বরূপ। সূরা ফাতিহা অন্যান্য সূরার ন্যায় বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম দিয়ে শুরু হয়েছে। আল ফাতিহা সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে বিধায় মক্কী সূরা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ। بِسْمِ ٱللَّٰهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِবিসমিল্লাহির রাহ্ মানির রাহিম১: পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহের নামে। ٱلْحَمْدُ لِلَّٰهِ رَبِّ ٱلْعَالَمِينَআলহামদুলিল্লা-হি রাব্বিল আ-লামীন।২: সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্যে। ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِআর রাহ মা-নির রাহীম।৩: অনন্ত দয়াময়, অতীব দয়ালু। مَالِكِ يَوْمِ ٱلدِّينِমা-লিকি ইয়াওমিদ্দীন।৪: ন্যায় দিবসের মালিক। إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُইয়্যা-কা না’বুদু ওয়া ইয়্যা-কানাছতা’ঈন।৫: আমরা শুধু আপনারই দাসত্ব করি এবং শুধু আপনারই নিকট সাহায্য কামনা করি। ٱهْدِنَا ٱلصِّرَاطَ ٱلْمُسْتَقِيمَইহদিনাসসিরা-তাল মুছতাকীম।৬: আমাদের সরল…




