colorgeo.com

Disaster and Earth Science

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে যে সব খাবার বাদ দিতে হবে

cigarettes

করোনা ভাইরাস বাংলেদেশে মহামারি আকার ধারণ করতে পারে। এজন্য এখনি সবাই কে সচেতন হতে হবে। কিছু কিছু বিভ্রান্তকর পরামর্শ চারিদিকে ছড়িয়েছে। খাবার সম্পর্কিত। তবে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া খুবই গুরুত্ব পূর্ণ। এখন সময় এসেছে আমাদের সবার পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ জীবন যাপন করা।

করোনা ভাইরাস মূলত আমাদের ফুসফুসে আক্রমণ করে। তাই আমাদের ফুসফুস যাতে সতেজ থাকে সে সব খাবার খেতে হবে। যেহেতু করোনা ভাইরাসের কোন ওষুধ নাই। তাই প্রতিরোধ ই এখন প্রধান পন্থা। ফুসফুস কে সতেজ রাখে ও আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি কররে এমন খাবার গুলো নিচে দেয়া হলেো।

যে সব খাবার খেতে হবেঃ

সবজি: করলা (বিটা ক্যারোটিনসমৃদ্ধ), পারপেল/লাল পাতা কপি, বিট, ব্রোকলি, গাজর, টমেটো, মিষ্টি আলু, ক্যাপসিকাম, ফুলকপি।
২. শাক: যেকোনো ধরনের ও রঙের শাক।
৩. ফল: কমলালেবু, পেঁপে, আঙুর, আম, কিউই, আনার, তরমুজ, বেরি, জলপাই, আনারস
৪. মসলা: আদা, রসুন, হলুদ, দারুচিনি, গোলমরিচ।
৫. অন্যান্য: শিম বিচি, মটরশুঁটি, বিচিজাতীয় খাবার, বার্লি, ওটস, লাল চাল ও আটা, বাদাম।
৬. টক দই: এটি প্রোবায়োটিকস, যা শ্বাসযন্ত্র ও পরিপাকতন্ত্র সংক্রমণের ঝুঁকি প্রতিরোধ করে। অন্যদিকে শাকসবজি, ফল, বাদামজাতীয় খাবার শরীরে নিউটোভ্যাক্স ভ্যাকসিনের অ্যান্টিবডি প্রক্রিয়াকে উন্নত করে, যা স্টেপটোকোক্কাস নিউমোনিয়া প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা রাখে।
৭. চা: গ্রিন টি, লাল চায়ে এল-থেনিন এবং ইজিসিজি নামক অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট থাকে, যা আমাদের শরীরে জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অনেক যৌগ তৈরি করে শরীরে রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে।
৮. এ ছাড়া ভিটামিন বি-৬, জিংক–জাতীয় খাবার (বিচিজাতীয়, বাদাম, সামুদ্রিক খাবার, দুধ ইত্যাদি) শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির কোষ বৃদ্ধি করে। তাই এ ধরনের খাবার বেশি খেতে হবে।
৯. উচ্চ মানের আমিষজাতীয় খাবার (ডিম, মুরগির মাংস ইত্যাদি) বেশি করে খেতে হবে।
১০. অ্যান্টি–অক্সিডেন্টের খুব ভালো কাজ পেতে হলে খাবার রান্নার সময় অতিরিক্ত তাপে বা দীর্ঘ সময় রান্না না করে প্রয়োজনীয় তাপমাত্রায় রান্না করতে হবে। সূত্রঃ প্রথমআলো।

অনেকে বলে থাকেন যে থানকুনির পাতা, নিসিন্দা পাতার রস, রসুন একটি ভাল ভেজস গুন সমৃদ্ধ খাবার এগুলো নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে।

গুজব উঠেছে যে বাসা বাড়ির যে কোন ফ্রিজ ভেঙ্গে ফেলতে হবে এবং অনেক তাই করছে। ফ্রিজে রাখা জিনিস খেয়ে নাকি করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। এটা সম্পূর্ণ একটা কুসংস্কার। ফ্রিজের ঠাণ্ডা জিনিস করোনার ভাইরাসের আক্রমণ ঘটায় না। তবে যাদের ঠাণ্ডার সমস্যা আছে তাদের ফ্রিজের থেকে সরাসরি ঠাণ্ডা খাবার পরিহার করা উচিত।

করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে যে সব খাবার বাদ দিতে হবেঃ

যে কোন ধরনের সফট ও হার্ড ড্রিংস।

তামাক দিয়ে পান।

বিড়ি বা সিগারেট।

জর্দা।

সাদাপাতা, খয়ের।

যেকোনো ধরনের নেশা দ্রব্য।

চিনি।

আইসক্রিম।

চিনির তৈরি যেকোনো খাবার পরিমিত খাবার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

এসব জিনিস আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ এ বাধা দিয়ে থাকে।

যাদের ডায়াবেটিস ও হার্ট ও কিডনির সমস্যা আছে তাদের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসারে খাদ্য তালিকা করে সে অনুসারে প্রতিদিনের খাবার মেনু তৈরি করা যেতে পারে।

বাইরে থাকা অবস্থায় কখন ও হাত দিয়ে নাক মুখ চোখ স্পর্শ করবেন না। মাস্ক পড়ুন। সামাজিক দূরত্ব বজায়ে রাখুন। হাসি কাশি থেকে ১ মিটার দুরে থাকুন। বাইরে থেকে এসেই ভাল করে ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান দিয়ে দুই হাত পরিষ্কার করুন। তার পর নাক মুখ স্পর্শ করুন। সুস্থ থাকুন।

Please follow and like us:
error0
fb-share-icon
Tweet 20
fb-share-icon20