Colorgeo

Classroom of Money and Wisdom for Earth Science

ঝুঁকি কি কত প্রকার হ্রাস ও ব্যাবস্থপনা

Spread the love

Table of Contents

ঝুঁকি কি?

ঝুঁকি কত প্রকার ও কি কি ?

ঝুঁকি কিভাবে হ্রাসকরা যায়

ঝুঁকি ব্যাবস্থপনা কি?

ঝুঁকি কি?

প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট কোনো আপদের কারণে জানমালের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কাই হলো ঝুঁকি। ঝুঁকির সঙ্গে জড়িত আছে তিনটি বিষয়, তা হলো আপদ, বিপদাপন্নতা ও সক্ষমতা। আবার ঝুঁকির মাত্রা নির্ভর করে ব্যক্তির বিপদাপন্নতা ও সক্ষমতার ওপর। আপদের ফলাফলকে মানুষ যদি তার সক্ষমতার সাহায্যে খাপ খাইয়ে নিতে পারে, তাহলে তার কাছে বিষয়টি আর ঝুঁকি থাকবে না ।

একই দেশে একই মাত্রার আপদে বিপদাপন্নতা ও সক্ষমতার নিরীখে ধনী ও দরিদ্র ব্যক্তির মধ্যে ঝুঁকির তারতম্য হতে পারে। যেমন কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া দ্বীপে একই সাইক্লোনে একজন দরিদ্র ও একজন ধনী ব্যক্তির মধ্যে ঝুঁকির মাত্রা দুই রকম হবে। বিষয়টি একটি সমীকরণের মাধ্যমে উপস্থাপন করা যেতে পারে।

ঝুঁকি=আপদ বিপদাপন্নতা/সক্ষমতা।

এক্ষেত্রে সক্ষমতা ও বিপদাপন্নতার মান বসাতে হবে।

 

ঝুঁকি কি আপেক্ষিক? এটার একটি উদাহরণ

ধরি, এগুলোর মান ১ থেকে ৫ পর্যন্ত। এখানে ১ এর মান সবচেয়ে কম এবং ৫ হলো সর্বোচ্চ। দরিদ্র ফুলবিবি-যাঁর ঘরবাড়ি খুবই জীর্ণ এবং দুর্বল অবকাঠামো, সঞ্চয় নাই, অক্ষরজ্ঞানহীন এবং সামাজিক অবস্থা নিম্ন তাঁর বিপদাপন্নতা ৫ হলে ধনী রহিম মোল্লার

বিপদাপন্নতা ১ হবে। কেননা তাঁর আর্থিক অবস্থা ভালো, ঘরবাড়ি, মজবুত, তিনি শিক্ষিত ও সামাজিক মর্যাদাসম্পন্ন। আবার সেই অনুযায়ী ফুলবিবির সক্ষমতা ১ এবং রহিম মোল্লার সক্ষমতা ৫। উভয়ক্ষেত্রেই আপদকে ৫ হিসেবে ধরা হচ্ছে (কেননা সকল ক্ষেত্রেই দুর্যোগের মাত্রা একই হয়)। সুতরাং রহিম মোল্লার

ঝুঁকি=৫×১/৫ =১ ফুলবিবির ঝুঁকি = 5×5/1=25 অর্থাৎ

আপদের মাত্রার ওপর নয় বরং বিপদাপন্নতা ও সক্ষমতার মাত্রার ওপরই মানুষের ঝুঁকি নির্ভর করে।

ঝুঁকি কি নিরূপন করা যায়?

ঝুঁকি নিরূপন হচ্ছে এমন এক পদ্ধতি, যার দ্বারা সম্ভাব্য আপদের আশঙ্কা, প্রকৃতি ও বিস্তার নিরূপণ করা হয়ে থাকে। এই পদ্ধতিতে বিপদাপন্নতার বর্তমান প্রকৃতিও নিরূপণ করা যায়, যা সম্ভাব্য আপদের আশঙ্কা সম্পর্কে ধারণা দেয়। যেমন বিপদাপন্ন জনগোষ্ঠীর জীবন, সম্পদ, পরিবেশের ওপর সম্ভাব্য আপদ কতটুকু প্রভাব সৃষ্টি করতে সক্ষম ইত্যাদি ঝুঁকি নিরূপণের মাধ্যমে জানা যায় ।

Risk at Different Sectors বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঝুঁকিসমূহ

দুর্যোগের ঝুঁকিসমূহকে ৩টি ক্ষেত্রে ভাগ করা যায়ঃ

  1. Infrastructural Sector (অবকাঠামোগত ক্ষেত্র)

অবকাঠামোগত ক্ষেত্র বলতে বোঝায় ঘরবাড়ি, দালানকোঠা, রাস্তাঘাট, সড়ক, সেতু, কালভার্ট, রেলপথ ইত্যাদি। আবার জনগুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, যেমন – বিদ্যুৎকেন্দ্র, খাদ্যগুদাম, বিমানবন্দর, শিল্প-কারখানা ইত্যাদি। এ ছাড়া কৃষিক্ষেত্রে অবকাঠামোগত/ ভৌত সুবিধাদি, যেমন পানি সরবরাহ স্থাপনা, পাম্প স্টেশন, স্লইস গেট, বন্যা প্রতিরক্ষা বাঁধ ইত্যাদি।

  1. Risk in Social Sector (সামাজিক খাতে ঝুঁকিসমূহ)

 

সামাজিক পর্যায়ে ঝুঁকির ক্ষেত্রসমূহ হচ্ছে- বিপদাপন্ন জনগোষ্ঠী, বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মানুষ, যেমন মহিলা, শিশু, প্রতিবন্ধী ইত্যাদি। জীবনধারনের উপায় ও উপকরণসমূহ যেমন কর্মসংস্থানের উপায়, পেশা, আয়ের বিভিন্ন উৎস ও উপায়সমূহ এছাড়াও বসবাসের পরিবেশ, ঝুঁকি ও দরিদ্রের সম্পর্ক সংক্রান্ত, দৃষ্টিভঙ্গি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত স্থায়ী প্রতিষ্ঠান, স্বেচ্ছাসেবী ও সেবাধর্মী উদ্যোগসমূহ ইত্যাদি।

  1. Economic Sector (অর্থনৈতিক ক্ষেত্র)

ঝুঁকিসমূহকে ২ ভাগে ভাগ করা যায়ঃ

ক. পরিমাণযোগ্য/ দৃশ্যমান ক্ষতি।

খ. পরোক্ষ ক্ষতি/ যে ক্ষতি প্রত্যক্ষভাবে পরিমাণ করা যায় না ।

পরিমাণযোগ্য/ দৃশ্যমান ক্ষতিসমূহকে অর্থনৈতিকভাবে পরিমাণ করা যায়। এ ধরণের ক্ষতিকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ দুই ভাবে ভাগ করা যায়। প্রত্যক্ষ ক্ষতির মধ্যে উল্লেখ করা যায়ঃ সরকারি ভবনের ক্ষতি/ধ্বংস প্রাপ্তি, বসতভিটার ক্ষতি, সম্পদহানি, পশু-পাখি/গরু-ছাগলের ক্ষতি, ফসলহানি, মৎস্য সম্পদহানি, বিভিন্ন ধরণের অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি ইত্যাদি। যে সকল ক্ষতি প্রত্যক্ষভাবে/সুস্পষ্টভাবে পরিমাণ করা যায় না, এর মধ্যে রয়েছে: অসুস্থতা, স্বাস্থ্যহানি, পুষ্টিহীণতা, ক্ষুদ্রস্ফীতি, মূল্যবৃদ্ধি, হতাশা, মনস্তাত্ত্বিক নৈরাশ্য ইত্যাদি।

Risk Assessment Model (ঝুঁকি নিরূপণ মডেল)

বাংলাদেশে কিছু বৈজ্ঞানিক মডেল আছে যেগুলো ঝুঁকি নিরূপণ প্রক্রিয়াকে সহায়তা করতে পারে। যেমন – কৃষি বিপদাপন্নতা বিশ্লেষণের মডেল

টেকসই পরিবার চর্চা ভূমি

উপকূলীয় বলয় বন্যা মডেল

ঝুঁকির পরিবেশ নির্ধারণ ও পুননির্ধারণ করার উপাদানসমূহ

কারিগরি ও প্রথাগত ঝুঁকি বিশ্লেষণ করা।

ঝুঁকি কি

  • জলবায়ু পরিবর্তন ও জলবায়ু বৈচিত্র্যের প্রভাবসমূহ জানা।
  • জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ মডেলের ওপর ভিত্তি করে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি মূল্যায়ন করা।
  • বিপদাপন্নতা ও ঝুঁকির উপাদানসমূহ লিপিবদ্ধ করা।
  • সকল আপদ, ঝুঁকি খাতকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা।

Risk Environment ঝুঁকির পরিবেশ ব্যবস্থাপনা Management

ঝুঁকির পরিবেশ ব্যবস্থাপনা হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যা ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পন করার মাধ্যমে শুরু হয়। এর মাধ্যমে ঝুঁকি এড়ানো, ঝুঁকি দূর করা, ঝুঁকির ভয়াবহতা হ্রাস এবং ঝুঁকি হস্তান্তর করতে সক্ষমতা গড়ে তোলা যায়।

Elements of Risk Environment Management ঝুঁকির পরিবেশ ব্যবস্থাপনা করার উপাদানসমূহ

  • ঝুঁকি হ্রাস উপায়গুলোর মধ্যে ভারসাম্যতা অর্জন করা।
  • সাধারণ আপদ হতে সুনির্দিষ্ট ঝুঁকিভিত্তিক কর্মসূচির দিকে অগ্রসর হওয়া
  • অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সেবা প্রদান টেকসই করা
  • পূর্বসতকর্তাসহ জরুরি ভিত্তিতে সাড়া দেওয়ার প্রক্রিয়া ও প্রস্তুতি জোরালো করতে কারিগরি প্রথাগত বিশ্লেষণ জোরালো করা।

ঝুঁকির পরিবেশ ব্যবস্থাপনার উপরোক্ত উপাদানগুলো ব্যাখ্যা করলে এভাবে বলা যায়ঃ

  • ঝুঁকি কমিয়ে আনা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং ঝুঁকি স্থানান্তরের মাধ্যমে ঝুঁকি হ্রাসের পন্থাগুলোর মধ্যে ভারসাম্য নিশ্চিত করা।
  • সাধারণ আপদ থেকে সুনির্দিষ্ট ঝুঁকি ভিত্তিক কর্মসূচির দিকে অগ্রসর হওয়া।
  • যৌথ অংশিদারিত্ব ও সমন্বয়ের মাধ্যমে টেকসই সেবা প্রদান নিশ্চিত করা।
  • কার্যকর প্রস্তুতি ও সাড়াদান ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
  • কারিগরি ও প্রথাগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে পূর্ব সর্তকীকরণ ব্যবস্থার পরিকল্পনা করা।
  • গণমাধ্যমের সাথে কার্যকর যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা।
  • ক্ষতি ও চাহিদা নিরূপণের কার্যকর পদ্ধতি নির্ধারণ করা
  • অনুসন্ধান এবং উদ্ধারের নিয়োজিত সংস্থাসমূহের দায়িত্ব সক্ষমতা গড়ে তোলা।

ঝুঁকি হ্রাস পরিকল্পনায় পন্থাগুলো হলোঃ


কর্মকান্ড/কার্যক্রম বাস্তবায়ন | বাস্তবায়ন কৌশল | জনগোষ্ঠী | সহযোগী সংস্থা | অন্যান্য প্রতিষ্ঠান / NGO / সরকারি সংস্থা


Risk Reduction Plan ঝুঁকি হ্রাস পরিকল্পনা

ঝুঁকি হ্রাস পরিকল্পনা হলো দুর্যোগের ঝুঁকি কমিয়ে আনবার জন্য একটি প্রস্তাবিত কৌশলপত্র, যার মধ্যে ঝুঁকি হ্রাসের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা ও কর্মসূচী থাকে।

একটি ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা তৈরির সময় অবশ্যই নিচের বিষয়গুলি বিবেচনায় রাখতে হবে –

  • ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনায় অবশ্যই বিদ্যমান বিপদাপন্নতা সক্ষমতাগুলি চিহ্নিত করতে হবে।
  • ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা তৈরির সময় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অগ্রাধিকারকে গুরত্ব দিতে হবে।
  • কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের সময় আপদ সংঘটিত হওয়ার হার, জীবন ও জীবিকার ওপর এর প্রভাব বিবেচনায় আনতে হবে।
  • ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা অবশ্যই বাস্তবভিত্তিক, বাস্তবায়নযোগ্য এবং সময়ভিত্তিক হতে হবে।
  • কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়- দায়িত্ব ও কৌশল সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
  • ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর মূল্যায়নের সুযোগ রেখে তৈরি করতে হবে।

ঝুঁকি কি হ্রাস করা যায়?

Risk Reduction Model ঝুঁকি হ্রাস পরিকল্পনা মডেল


ঝুঁকি লিপিবদ্ধ করে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সাজানো

↓ঝুঁকি হ্রাসের পরিকল্পনা (ঝুঁকি হ্রাস লিপিবদ্ধসহ)

↓ঝুঁকি এড়ানো

↓ঝুঁকি দূর করা

↓ঝুঁকি হ্রাস করা

↓ঝুঁকি স্থানান্তর করা

↓অবশিষ্ট ঝুঁকির ব্যবস্থাপনা করা


Risk Avoidance ঝুঁকি কি এড়ানো যায়?

 

ঝুঁকি এড়ানো হলো এমন কিছু না করা, যা ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। যা অর্জন হতে পারত তাও হারানোর আশঙ্কা হচ্ছে ঝুঁকি গ্রহণ আর ঝুঁকি এড়ানো হচ্ছে অতীত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বিচার-বিশ্লেষণ করে ঝুঁকি না নেয়া। আমরা অনেকে ভাগ্যের ওপর নিজেদের ছেড়ে দেই। কিন্তু যতক্ষণ আমাদের করণীয় আছে ততক্ষণ হাল ছেড়ে না দিয়ে দুর্যোগ মোকাবেলায় নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে।

Risk Removal ঝুঁকি কি দূর করা?

ঝুঁকি দূর করা বলতে বোঝায় দুর্যোগে ক্ষতির আশঙ্কাকে প্রতিহত করা। অর্থাৎ এমনভাবে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করা, যেখানে কোনো দুর্যোগ আর ক্ষতি বয়ে আনতে পারবে না উপরন্তু দুর্যোগজনিত ক্ষতি হ্রাস করবে। এটা অনেকটাই অবকাঠামোগত ব্যবস্থাপনার আওতাভুক্ত।

Risk Reduction ঝুঁকি কি হ্রাস করা?

ঝুঁকির পরিবেশ সম্পর্কে জানা ও তার ব্যবস্থাপনা করাই হলো ঝুঁকি হ্রাস। অর্থাৎ নিজেদের এমনভাবে প্রস্তুত করা, যেন যে কোনো দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা অনেক কমে আসে।

ISDR কর্তৃক প্রকাশিত বইতে Living with risk: a global review of disaster reduciton initiatives) নিম্নলিখিত কর্মকান্ডকে ঝুঁকি হ্রাসের আওতায় বিবেচনা করা হয়েছে –

যার সম্ভাব্য ঝুঁকির ব্যাপারে ব্যাপক গণসচেতনতা এবং আপদ, ঝুঁকি, সক্ষমতা ও বিপদাপন্নতা বিশ্লেষণ। শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং তথ্যপ্রবাহ বাড়ানোর মাধ্যমে জ্ঞান ও দক্ষতার বিকাশ সাধন। কাঠামোগত ফ্রেমওয়ার্ক মাধ্যমে নীতি, পলিসি, সাংগঠনিক ফ্রেমওয়ার্ক এবং এ বিষয়ে সরকারের দায়বদ্ধতা। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশ ভূমি ব্যবহারের পরিকল্পনা, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সংরক্ষণ, সহযোগিতা ও নেটওয়ার্কিং বাড়ানো। আগাম সর্তকর্তা সংকেত ব্যবস্থা প্রবর্তন, যার মধ্যে সংকেত প্রচার ও কর্মকান্ড প্রস্তুতিমূলক এবং কমিউনিটির সাড়া প্রদানের সক্ষমতা অন্তর্ভুক্ত করা বাড়ানো বিষয়টি হয়েছে।


Steps of Risk Reduction Planing – ঝুঁকি হ্রাস পরিকল্পনার ধারণাসমূহ

ঝুঁকি হ্রাস পন্থাসমূহের একটি সারি নির্ণয় করা

প্রত্যেক আপদ ঝুঁকি হ্রাস অথবা ঝুঁকি দূর করতে ঝুঁকি প্রশমন পন্থাসমূহের এ সম্পূর্ণ সারির তালিকা তৈরি করা এবং তা প্রতিষ্ঠিত করে একটি গ্রহনযোগ্য পর্যায়ে নিয়ে আসা।

বাস্তবায়নের জন্য ঝুঁকি হ্রাস পন্থাসমূহকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সাজানো

জনগোষ্ঠীর জন্য সবচেয়ে সঠিক পন্থা নির্দিষ্ট করা এবং অগ্রাধিকার দেয়া যা স্থান ও জনগণনির্ভর (অর্থাৎ তারা জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনের প্রতিফলন ঘটায়)

ঝুঁকি হ্রাস প্রস্তাবসমূহের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন

ব্যবস্থাপনা পন্থার বিপরীতে বিদ্যমান এবং প্রস্তাবিত প্রকল্পসমূহ নির্ণয় করা এবং মূল্যায়ন করা (ব্যবধান বিশ্লেষণ) কর্মসূচির ব্যবধানের ওপর ভিত্তি করে একটি বাস্তবায়ন পরিকল্পনা তৈরি করা। ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা স্বমন্বয় ও বাস্তবায়ন করতে সরকারি সংস্থা এবং এনজিওসমূহকে যুক্ত করা।


Risk Transfer ঝুঁকি স্থানান্তর

ঝুঁকি স্থানান্তর বলতে বোঝায় সম্ভাব্য প্রতিরোধ ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে ঝুঁকির দিক পরিবর্তন করে দেয়া যেতে পারে। অর্থাৎ এখানে সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ঝুঁকির মাত্রাকে হ্রাস করে ফেলাকে বোঝায় । যেমনঃ Micro-insurance

Risk Management ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা

যে সকল ঝুঁকি এড়ানো যায় না। Resedual Risk বা অবশিষ্ট ঝুঁকি কমানো যায় না বা পরিবর্তন করা যায় না তাদের অবশিষ্ট ঝুঁকি বলে। এটি ওই সকল ঝুঁকিকে যুক্ত করে যা খুব বড় বা আকস্মিক এবং যা কমানো যায় না। যুদ্ধ হলো এর একটি উদাহরণ, যেখানে অধিকাংশ সম্পদ রক্ষা করা যায় না আবার ঝুঁকি কমানোও যায় না। ফলে যুদ্ধের ঝুঁকি অবশিষ্ট থেকেই যায়।