-
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
-
প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ তথ্য চিত্র
প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ (War) পৃথিবীর ইতিহাসে এক ভয়ংকর যুদ্ধ । এটাকে প্রথমে গ্রেট ওয়ার বলা হত। কিন্তু ১৯৪৫ সালে যখন দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ শুরু হয় তখন এর নাম পালটে বলা হয় প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ। এই ওয়ার প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ (War) শুরু হয়েছিল ২৮ জুলাই ১৯১৪ সালে এবং শেষ হয়েছিল ১১ নভেম্বর ১৯১৮ সালে। পৃথিবীর দুইটি বিশ্ব যুদ্ধের ব্যপারে আপনি অবশই নাম শুনে ছেন কিন্তু এগুলো যে এতটা ভয়ঙ্কর হবে কে জানত। আমরা এই war গুলো সম্বন্ধে তেমেনি কিছুই জানি না এর একটা কারণ আগে আমাদের ইন্টারনেট এর ব্যবহার তেমন ছিল না তখন শুধু ইতিহাস নিয়ে যারা পড়াশুনা করেছে তারাই এগুলো সম্বন্ধে কিছু জানত। এখন আমাদের সামনে সমস্ত দুনিয়া পরে রয়েছে…
-
বাংলাদেশী মুদ্রা টাকার ইতিহাস 1947 থেকে 2023
Taka বাংলাতে ও টাকা। বাংলাদেশী মুদ্রা। প্রাচীন কাল থেকেই মানুষ মুদ্রা হিসেবে স্বর্ন মুদ্রা ব্যবহার করত। যদি ও স্বর্ন মুদ্রার প্রচলন তুলনামূলক মধ্য যুগীয় সময় কালের। প্রাগৈতিহাসিক কালে মানুষ মুদ্রার পরিবর্তে বিনিময় প্রথা অনুযায়ী লেনদেন করত। মুদ্রা হিসেবে নোট টাকা বাংলাদেশের ইতিহাসে একেবারেই আধুনিক। স্বাধীনতা র পূর্বেও টাকার পরিবর্তে রূপি ব্যবহার প্রচলন ছিল। টাকা শব্দটি ইংরেজিতে লিখলেও বাংলাতে টাকা উচ্চারণ হবে । সংস্কৃত শব্দ টঙ্ক যার অর্থ রৌপ্য মুদ্রা থেকে টাকা শব্দ টি এসেছে। বাংলাদেশী মুদ্রা: বাংলাদশের টাকার ইতিহাস খুব বেশিই দিনের নয় । ভারতের পশ্চিম বঙ্গও ও ত্রিপুরায় ভারতীয় মুদ্রা কে টাকা বলা হয়। ১৯৪৭ সালের পরথেকে পাকিস্থান রুপি কে বাংলাদেশে টাকা (Taka) বলা হত। ১৯৭১ সালে মুক্তি যুদ্ধের…
-
প্লেট টেকটনিক থিওরি
পৃথিবীর সমস্ত ভুখন্ড একটা জায়গায় ছিল। এটাকে বলে পান্জিয়া মহাদেশ। প্লেট টেকটনিক থিওরি বলে, পান্জিয়া মহাদেশের প্লেটগুলো ৫৭ কোটি বছর পর থেকে দৃশ্যমান রুপে একে ওপরের থেকে সরে যেতে শুরু করে, যা আজ অবধি গতিশীল। এর ফলে পান্জিয়া মহাদেশ ভেঙে ৭ টি মহাদেশ হয়েছে। যদি ও এটা নিয়ে আরও গবেষণা করা যায়। পৃথিবীর বর্তমান ৭ টি মহাদেশ যে এক সময় এক জায়গায় ছিল তার আরও প্রত্যক্ষ অনেক প্রমান আছে। প্লেট টেকটনিক কি প্রমাণ করে? প্রমাণ হিসাবে বলা যায়, বর্তমান আমেরিকার একই প্রানী গুলোর জীবাষ্ম ইউরোপ মহাদেশেও পাওয়া যায়। বর্তমান দক্ষিন আমেরিকার এক প্রকার প্রানীর জীবাষ্ম অস্ট্রেলিয়া তে পাওয়া যায়। এসব ঘটনা প্লেট টেকটনিক থিওরি দিয়ে প্রমাণ করা যায় কারণ এক…
-
ভাষা শহীদদের পরিচয় তথ্যচিত্র
ভাষা শহীদদের মধ্যে অন্যতম হল সালাম, রফিক, শফিক, বরকত, জব্বার এরা দেশের সুর্য সন্তান। তাদের কে আমরা শুধু নামেই চিনি। ভাষা শহীদর আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি এই বাংলা ভাষা। তাদের প্রতি আমরা ঋনী। ভাষা শহীদদের পরিচয় কি? তাই ভাষা শহীদদের পরিচয় ভালো ভাবে জানা উচিত। তারা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে। আর এই ভাষা আন্দোলনের সাথে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ১৪-১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ; নেপথ্যে মর্মান্তিক ঐতিহাসিক সত্য বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ যেসব অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিলো প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলায়_ Disaster Assistance_ ছাত্র সমাজের ভূমিকা
-
ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস 1952
-
10 মজার তথ্য: সক্রেটিসের জীবনী ও উদ্ভট ঘটনাবলী
-
চীনের প্রাচীর তথ্য চিত্র
বলা হয়ে থাকে, শত্রুদের আক্রমণ থেকে চীনকে মুক্ত রাখতে এ বৃহৎ প্রাচীর তৈরি করা হয়েছিল। একে গ্রেট ওয়াল বলা হয়। colorgeo.com এ আরও নতুন কিছু জানুন। প্লেট টেকটোনিক কি? কেনো জানা দরকার? মানুষ কি ভূমিকম্প সৃষ্টির কারণ হতে পারে? কিভাবে ভূমিকম্প প্রতিরোধ করা যায়? চেঙ্গিস খান: ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ংকর বিজেতার জীবন কাহিনী মহামারী সংকলন- ৫ (খ্রিস্টাব্দ ৫৪১-৫৪৯ জাস্টিনিয়ার প্লেগ মহামারী)
-
খনা র বচন ও খনার জীবন রহস্য
-
করোনাভাইরাস: লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা কী, কতটা মারাত্মক
-
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ যেসব অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিলো
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যে সব অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল তার মধ্যে AK 47, Sten Gun, SLR, Mortar, Artillery, Indian SLR, Chinese Sub machine-gun ইত্যাদি। রাইফেল এর মধ্যে জি ৩। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ ছিল মূলত একটা গনযুদ্ধ নারী পুরুষ সবাই অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছে। মুক্তিযুদ্ধে অনেক আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের এর স্বাধীনতা। ৩০৩ রাইফেল ছিল সব থেকে ভাল গেরিলা যুদ্ধের জন্য। https://www.youtube.com/watch?v=Y9iXlBoAasQ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিল পত্র (১ম খণ্ড- ১৫তম খণ্ড) সমস্ত ইতিহাস একসাথে ১৪-১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ; নেপথ্যে মর্মান্তিক ঐতিহাসিক সত্য মুক্তিযুদ্ধের একটি সোনালী পাতা Genocide ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ – ধারাবাহিক পর্ব -২ মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা লড়াই, যা ১৯৭১…
-
সাভার ট্রাজেডি রানা প্লাজার নিদারুণ মৃত্যুর তথ্য চিত্র
-
জাপানে স্কলারশিপ খুঁটিনাটি
-
জাপানের মানুষ আসলে কেমন
নিচের তিনটা বাস্তব ঘটনা দেয়া আছে আমার জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনা। এতে সহজেই বোঝা যাবে জাপানের মানুষ কেমন। জাপানি জনগণের প্রকৃত দয়া: জাপানকে বলা হয় পৃথিবী-স্বর্গ। ঠিক? কিন্তু কেন? ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া বা মহাবিশ্বের অন্য কোনো দেশে কেন নয়? ঠিক আছে. আমি বিস্তারিত সঙ্গে আসছি. এটি আমার বাস্তব জীবনের গল্প যেখানে আমি এই প্রশ্নের উত্তর পেয়েছি “কেন জাপানকে পৃথিবী-স্বর্গ বলা হয়?” জাপানের মানুষ আসলে কেমন গল্পে জানুনঃ গল্প 1: আমি বাংলাদেশের একটি ছোট শহরে বড় হয়েছি। উচ্চতর অধ্যয়নের জন্য, আমি সেন্ডাই, মিয়াগি প্রিফেকচার, জাপান নামে একটি চিরহরিৎ শহরে এসেছি। আমি জাপানি জানি না, তাই আমাকে বিশ্বাস করতে হবে যে কোনো কিছু করা লোকেদের। আমি নাগামাছিতে থাকতাম, সেন্দাই শহর থেকে সাবওয়ে…
-
যে কারণে গান্ধী কে হত্যা করা হয়েছিল নাথুরাম গডসে উদ্ধত জবানবন্দি
-
আমেরিকার সবচেয়ে বড় ব্যাংক ডাকাতি যেভাবে হয়েছিল
-
জেরুজালেম কেন এত গুরুত্বপূর্ণ শহর
জেরুজালেম একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর। যুগে যুগে অনেক নবী রাসুল জন্ম নিয়েছেন এখানে। আল হাকসা একটি গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র জায়গা। নবী রাসুল হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ৪০ টির মত হাদীস আছে এই পবিত্র আল হাকসা কে কেন্দ্র করে। জেরুজালেম: স্বর্গ এবং পৃথিবীর আদর্শ নগরী জেরুজালেম, একটি পবিত্র নগরী যা হিব্রু ও খ্রিস্টীয় ধর্মের গুরুত্বপূর্ণ স্থানের হিসাবে পরিচিত। এটি ইসরায়েলের রাজধানী শহর এবং পলকস্থানে অবস্থিত। এটি হয়তো পৃথিবীর সবচেয়ে বিত্তপূর্ণ, সবচেয়ে স্বর্গীয় এবং বিশ্বব্যাপী সংস্কৃতির জন্য সমষ্টিগত নগরীর মধ্যে অন্যতম। এটি পাঠকের মধ্যে জনপ্রিয়তা ও আদর্শতা অপেক্ষা করে নিখুঁত মনে হয়। পবিত্র স্থানগুলির ভূমিকা জেরুজালেম বিশ্বের মূল্যবান পবিত্র স্থানগুলির একটি কেন্দ্র হিসাবে পরিচিত। ইহুদিদের জন্য, এটি বৈদিক সংস্কৃতির একটি প্রধান…
-
বারমুডা ট্রায়াঙ্গল কেন শয়তানের ত্রিভুজ বলা হয়?
-
ব্লাক হোল সম্বন্ধে কোরআন কি বলে
-
বাংলাদেশের সৃষ্টির ইতিহাস
-
ব্রেস্ট ইমপ্লান্ট করে স্তনের আকার বাড়ানো কতটা নিরাপদ
-
চেঙ্গিস খান: ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ংকর বিজেতার জীবন কাহিনী
-
পৃথিবী থেকে ডাইনোসর বিলুপ্ত না হলে এখন যা ঘটতে পারত
ডাইনোসর গুলো আর মানুষ কি একত্রে বসবাস করতে পারত? না। কারণ বিজ্ঞানীদের গবেষণা বলছে যে যদি ডাইনোসর বিলুপ্তি না হত তবে নতুন করে জীব বৈচিত্র্য সৃষ্টি হত না আর তাই শিম্পাঞ্জি ও ওই ধরনের প্রজাতির সৃষ্টি হত না। আর মানুষ ও সৃষ্টি সম্বব হতো না। প্রকৃতির নিয়মে কোন একটি বাস্তুসংস্থান পরিপূর্ণ ধ্বংস হবার পরে সেখানে পূর্বের একই কোন প্রাণী বা গাছাপালা জন্মাতে পারে না। কিছু কিছু নতুন প্রজাতি ও জন্ম নেয়। যেমন কোন একটি বনাঞ্চল যদি পরিপূর্ণ ভাবে ধ্বংস হয়ে যায় তবে ঐ খানে নতুন কোন গাছের জন্ম হতে পারে পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্য রেখে তাই একই রকমের গাছ পালা যেমন আশা করা যায় না তেমন নতুন কোন প্রজাতি ও আশা…






















































