সংস্কৃতি ও কালচার
-
জাপানে সকালের ব্যস্ততা Life Cost in Japan
সকালের ব্যস্ততা Life Cost in Japan আজকের সকালটা অনেক ভালোভাবেই শুরু হয়েছে। বাচ্চাদের স্কুলে যাওয়ার সময় হয়ে গেছে। ওরা ঘুম থেকে সাতটায় সময় উঠেছে। শিল্প এবং রিয়ানা দুজনে উঠেই স্কুলের প্রস্তুতি নিয়েছে। ওদেরকে আমি ব্রাশ করতে দেখিনি যদিও। আমি তখন ঘুমাচ্ছিলাম তবে তন্দ্রাচ্ছন্ন। আমি শুয়ে শুয়েই ওদেরকে বলছিলাম যে কি কি করতে হবে, যেমন স্কুলের ব্যাগ গোছানো জামা কাপড় রেডি করে রাখা। সকালের খাবার নিজেরা তৈরি করে নিয়ে খেয়ে নিতে বললাম কারণ ভাত রান্না করা ছিল সাথে ফুরিকাকে দিয়ে শিল্প খেয়ে নিল এবং ও তার প্রস্তুতি নিতে থাকলো ওর নিজের মতো করে। আজকে শিল্পর স্কুলে সুইমিং তাই সুইমিং এর জন্য ড্রেস রেডি করতে হবে ও আমাকে বলল একটি ব্যাগ দিতে…
-
জাপানে প্রবাসীদের জীবনের গল্প
জাপানে প্রবাসীদের জীবনের গল্প প্রবাসে মা নেই বলেই প্রবাস জীবন এত কঠিন। বাংলাদেশ থেকে যারা জাপানে প্রবাসী তাদের গল্পই আজকে বলবো। যারা প্রবাসে থাকে তাদের জীবন সর্বদাই কষ্টের কারণ প্রবাসে আসে মানুষ কাজ করতে গল্প বা খেলাধুলা করতে আসে না। প্রবাসে আসা মানেই কষ্টের জীবন। কাজের জীবন। প্রতিটি মুহূর্তই কর্ম করে খেতে হয়। কাজ করে যেতে হয়। কাজের মধ্যেই যদি কখনো খেলার সুযোগ হয় আনন্দ করার জন্য এখানে বাড়তি কোন সময় দেয়া হয় না। কাজের ফাঁকেই বের করে নিতে হয় এটাই প্রবাস জীবন। প্রবাসে আসলে মানুষ ভাগ্যের উন্নয়ন করার লক্ষ্যে জীবনটাকে সুন্দরভাবে সাজানোর জন্য আসে। তাই মানুষ প্রবাসে এসে শুধু কাজ করে। আজ আমি আমার পরিচিত কিছু প্রবাসীদের জীবনের গল্প…
-
জাপানিজরা শত বছর বাঁচে
কেন জাপানিজরা শত বছর বাঁচে জাপানের মানুষ বিশ্বাস করে প্রতিটা মানুষের একটা সুপ্ত কর্ম স্পৃহা রয়েছে । ইকিগাই বলে একে। ফ্রান্সের একজন দার্শনিক প্রথম এই শব্দটি ব্যবহার করেন। তিনি এর অর্থ করেন “বেঁচে থাকার কারণ”। কিছু মানুষ ইতিমধ্যেই তাদের জীবনের সুপ্ত কর্ম স্পৃহা খুঁজে পেয়েছে কিন্তু অন্যেরা এখনো তাদের জীবনের সুপ্ত কর্ম স্পৃহা কে খুঁজে পায়নি । আমার কিম্বা আপনার প্রত্যেকেরই সুপ্ত কর্ম স্পৃহাকে খুঁজে পাওয়া উচিত। অর্থাৎ কেন আমি এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকব? শুধুই কি খাই দাই ঘুমাই মৈথুন এটাই কর্ম? অবশ্যই নয়। কেন আমি পৃথিবীতে বাঁচবো? কোন জিনিস বা কি আমাকে পৃথিবীতে বাঁচতে অনুপ্রেরণা দেবে? প্রতিটি মানুষের এই সুপ্ত ইচ্ছাটা রয়েছে। কেউ তাড়াতাড়ি খুঁজে পেয়েছে আবার কেউ এখনো…
-
উন্মুক্ত গোসলখানা জাপানে
উন্মুক্ত গোসলখানা জাপানেঃ প্রজ্বলিত আগুনের কক্ষে ২ মিনিট নরক দেখে এলাম জাপানে ৬০ ডিগ্রি তাপমাত্রার রক্তিম কক্ষ ও বিদ্যুতের শক এর অভিজ্ঞতা জলে গতকাল নরকে প্রবেশ করেছিলাম আপনারা হয়তো ভাবছেন যে এটা কেমন কথা কারণ আমার এমনই মনে হল । আমার চারিদিকে আগুনের ভয়াবহতা তার মধ্যে বসে আছি। আমি যদি আরো দুই মিনিট বসে থাকতাম তাহলে আমার সমস্ত জৈবিক প্রক্রিয়ায় গন্ডগোল দেখা দিত এবং শরীরের প্রোটিন গুলো গলে যেতে থাকতো। এমন এক ভয়াবহ জায়গা আমি বসে ছিলাম। যারা হয়তো জাপানে গিয়েছেন তারা জানেন যে ভূগর্ভস্থ হাইড্রো থার্মাল ওয়াটার যাকে জাপানি ভাষায় বলে ওনসেন । হাইড্রো থার্মাল ওয়াটার যখন নিয়ন্ত্রিত উপায়ে ব্যবহার করা হয় বিশেষ করে স্নান করার বা গরম জলে…
-
ইকিগাই কি? কেন জাপানিজরা শত বছর বাঁচে
ইকিগাই কি? কেন জাপানিজরা শত বছর বাঁচে জাপানের মানুষ বিশ্বাস করে প্রতিটা মানুষের একটা সুপ্ত কর্ম স্পৃহা রয়েছে । ইকিগাই বলে একে। ফ্রান্সের একজন দার্শনিক প্রথম এই শব্দটি ব্যবহার করেন। তিনি এর অর্থ করেন “বেঁচে থাকার কারণ”। কিছু মানুষ ইতিমধ্যেই তাদের জীবনের সুপ্ত কর্ম স্পৃহা খুঁজে পেয়েছে কিন্তু অন্যেরা এখনো তাদের জীবনের সুপ্ত কর্ম স্পৃহা কে খুঁজে পায়নি । আমার কিম্বা আপনার প্রত্যেকেরই সুপ্ত কর্ম স্পৃহাকে খুঁজে পাওয়া উচিত। অর্থাৎ কেন আমি এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকব? শুধুই কি খাই দাই ঘুমাই মৈথুন এটাই কর্ম? অবশ্যই নয়। কেন আমি পৃথিবীতে বাঁচবো? কোন জিনিস বা কি আমাকে পৃথিবীতে বাঁচতে অনুপ্রেরণা দেবে? প্রতিটি মানুষের এই সুপ্ত ইচ্ছাটা রয়েছে। কেউ তাড়াতাড়ি খুঁজে পেয়েছে আবার…
-
আপনার সুপ্ত কর্ম স্পৃহা কি?
জাপানের মানুষ বিশ্বাস করে প্রতিটা মানুষের একটা সুপ্ত কর্ম স্পৃহা রয়েছে । ফ্রান্সের একজন দার্শনিক প্রথম এই শব্দটি ব্যবহার করেন। তিনি এর অর্থ করেন “বেঁচে থাকার কারণ”। কিছু মানুষ ইতিমধ্যেই তাদের জীবনের সুপ্ত কর্ম স্পৃহা খুঁজে পেয়েছে কিন্তু অন্যেরা এখনো তাদের জীবনের সুপ্ত কর্ম স্পৃহা কে খুঁজে পায়নি । আমার কিম্বা আপনার প্রত্যেকেরই সুপ্ত কর্ম স্পৃহাকে খুঁজে পাওয়া উচিত। অর্থাৎ কেন আমি এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকব? শুধুই কি খাই দাই ঘুমাই মৈথুন এটাই কর্ম? অবশ্যই নয়। কেন আমি পৃথিবীতে বাঁচবো? কোন জিনিস বা কি আমাকে পৃথিবীতে বাঁচতে অনুপ্রেরণা দেবে? প্রতিটি মানুষের এই সুপ্ত ইচ্ছাটা রয়েছে। কেউ তাড়াতাড়ি খুঁজে পেয়েছে আবার কেউ এখনো খুঁজে পায়নি। যারা ইতিমধ্যেই খুঁজে পেয়েছে তারা সফল…
-
ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত
ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত আধুনিক কালে ভারতীয় উচ্চাঙ্গ সংগীতকে বিশৃঙ্খলার পংকোদ্বার হতে উদ্ধার করার জন্য ভারতবর্ষে ২ জন মহাপুরুষ এর আবির্ভাব ঘটেছিল। তাদের মধ্যে একজন হলেন পণ্ডিত বিষ্ণু নারায়ণ ভাতখন্ডে। ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দের ১০ই আগষ্ট বোম্বাই এর বালেশ্বর নামক স্থানে তাঁর জন্ম হয়।ছোটবেলা থেকেই তিনি মায়ের নিকট ভজন গান আর কাশীর বিখ্যাত বমন দাস এর নিকট সেতার শিখেছিলেন। যদিও বাল্যকালে তার অবহেলা ছিল না লেখাপড়ায়। ১৮৮৩ খিস্টাব্দে তিনি তাঁর মেধাশক্তি দিয়ে বি এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে এল এল বি পাশ করেন।স্বভাবতই ছোটবেলা থেকে সঙ্গীতের প্রতি ছিল তাঁর গভীর অনুরাগ, আর সেকারণেই ব্যারিস্টারি পেশায় না এসে তিনি সঙ্গীতের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে সঙ্গীত সাধনায় মনোনিবেশ করেন। তখন থেকে তিনি তৎকালীন প্রসিদ্ধ ধ্রুপদীয়া…
-
বিহারের Bihar মধুবানি চিত্রকলা
বিহারের (Bihar) মধুবানি চিত্রকলা মধুবানি হলো বিহার রাজ্যের একটি জেলা,আর মিথিলা এরই একটি অঞ্চল এখান থেকেই উদ্ভব এই মধুবানি চিত্রকলার।এটা ২৫০০ বছরের পুরোনো একটা লোকশিল্প। মধুবানি চিত্রকলা মূলত এসেছে হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থ রামায়ণ থেকে।প্রাচীন কালে এই মিথিলার রাজা ছিলেন জনক,আর সীতা ছিলেন তার কন্যা। তিনি সীতার বিবাহ উপলক্ষে নকশা করার জন্য তাঁর চিত্রশিল্পীদের মধুবানি নকশা করার জন্য বলেছিলেন।মধুবানি মূলত মেয়েদের একটা চিত্রকর্ম। গ্রামের মহিলাদের কিংবা মেয়েদের এই চিত্রকর্ম করতে দেখা যেত। তখন সীতার বিবাহ উপলক্ষে সবাই উঠান,ঘর-বাড়ি এর দেওয়ালে, গাছে এই নকশায় ভরে ফেলেছিল।সেই থেকে এর উৎপত্তি। মূল আকর্ষণ হচ্ছে জ্যামিতিক নকশা আর অনেক গুলো রঙ এর ব্যবহার। আর এর প্রধান লক্ষ্যই ছিল প্রাচীন লোকগাঁথা প্রাঞ্জল করে ফূটিয়ে তোলার প্রয়াস। এভাবে…
-
কেন বাড়ছে ধর্ষন
কেন বাড়ছে ধর্ষন? আমরা যখন জন্মাই তখন সবাই হয়তো ভিন্ন যৌনাঙ্গ নিয়ে জন্মাই তবে আমাদের মন একই থাকে, শিশুসুলভ! মনে থাকে না কোনো জটিলতা,থাকে না কোনো খারাপ চিন্তা, থাকে না কোনো খারাপ ইচ্ছা। পৃথিবীতে আমাদের আগমন ঘটে পবিত্র ভাবে।পরিবেশ পরিস্থিতি শিক্ষা, পরিবার থেকে শিক্ষা এবং এর পর আসে নিজে থেকে গড়ে তোলা নিজের কিছু শিক্ষা। তাহলে এই ধর্ষকদের ধর্ষণ করার শিক্ষা এবং তাতে ইন্ধন কারা দিচ্ছে? সমাজ আমরাই নয় তো? কয়জন মা আছেন যারা নিজের জীবনে ঘটে যাওয়া ক্ষুদ্র হলেও যে লাঞ্চনার ঘটনা ঘটে তা নিয়ে আপনার ছেলে এবং মেয়ে উভয়কেই জানান? যাতে তারা সচেতন হয়। এর সংখ্যা বোধহয় তেমন বেশি না।ধর্ষণের ইন্ধনের পেছনে কিছু পরিস্থিতি এবং চিন্তাধারার দায়িত্ব আছে…
-
পিঠা নষ্ট করার মন্ত্র পাঠ অতীত সংস্কৃতি
পিঠা নষ্ট করার মন্ত্র পাঠ অতীত সংস্কৃতি প্রাচীন ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কারের বীজ আরো সজীব ও প্রকটভাবে বিদ্যমান ছিল বাংলার প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলে। মন্ত্র ও ছড়া পাঠ করে তারা জাগতিক ও মানসিক আশা আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ করার প্রয়াস করতো। তখন দেখা যায় তৎকালীন বাংলার মানুষেরা এই সংস্কৃতিতে পুরোটাই বিশ্বাস করতো।বৃষ্টি আহবানের জন্য ছড়া পাঠ হত। ” আয় বৃষ্টি ঝেপে ধান দিব মেপে” আর বৃষ্টির না হওয়ার জন্য বলা হত “লেবুর পাতায় করমচা এই মেঘ উড়ে যা” কিংবা “রোদের আকাঙ্ক্ষায় বলা হত “কলাতলায় গলা জল, ছচ্ছরায়া রোদ পড়” এমনি অনেক মন্ত্র গ্রামের মানুষের মুখে মুখে থাকতো ।ছোট ছেলেমেয়েরা মাথায় কুলা নিয়ে বাড়ি বাড়ি যায় এবং ছড়া বলে চালডাল সংগ্রহ করে। গৃহস্থরা কুলায়…
-
জাপানের মানুষ আসলে কেমন
নিচের তিনটা বাস্তব ঘটনা দেয়া আছে আমার জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনা। এতে সহজেই বোঝা যাবে জাপানের মানুষ কেমন। জাপানি জনগণের প্রকৃত দয়া: জাপানকে বলা হয় পৃথিবী-স্বর্গ। ঠিক? কিন্তু কেন? ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া বা মহাবিশ্বের অন্য কোনো দেশে কেন নয়? ঠিক আছে. আমি বিস্তারিত সঙ্গে আসছি. এটি আমার বাস্তব জীবনের গল্প যেখানে আমি এই প্রশ্নের উত্তর পেয়েছি “কেন জাপানকে পৃথিবী-স্বর্গ বলা হয়?” জাপানের মানুষ আসলে কেমন গল্পে জানুনঃ গল্প 1: আমি বাংলাদেশের একটি ছোট শহরে বড় হয়েছি। উচ্চতর অধ্যয়নের জন্য, আমি সেন্ডাই, মিয়াগি প্রিফেকচার, জাপান নামে একটি চিরহরিৎ শহরে এসেছি। আমি জাপানি জানি না, তাই আমাকে বিশ্বাস করতে হবে যে কোনো কিছু করা লোকেদের। আমি নাগামাছিতে থাকতাম, সেন্দাই শহর থেকে সাবওয়ে…






