colorgeo.com

Disaster and Earth Science

What are the Natural disaster in Bangladesh বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ : পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ব-দ্বীপ বাংলাদেশ। বাংলার প্রকৃতি সর্বদাই মানুষকে মন মুগ্ধ এবং বিমোহিত করেছে  পাশাপাশি তার  ভয়ানক রুপ ও মানুষকে দেখিয়েছে। চলতি শতকের ২০ বছরে বিশ্বের যে ১০টি দেশ সবচেয়ে বেশি দুর্যোগ-আক্রান্ত হয়েছে, তার মধ্যে বাংলাদেশ নবম। এ সময়ে বাংলাদেশের ১১ কোটি ২০ লাখ মানুষ দুর্যোগের শিকার হয়েছে।

‘দ্য হিউম্যান কস্ট অব ডিজাস্টার: অ্যান ওভারভিউ অব লাস্ট টোয়েনটি ইয়ারস ২০০০-২০১৯’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এমন তথ্য আছে। গত ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসের  সোমবার প্রকাশিত প্রতিবেদনটি যৌথভাবে তৈরি করেছে বেলজিয়ামভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘সেন্টার ফর রিসার্চ অন দ্য এপিডেমিওলজি অব ডিজাস্টারস (সিআরইডি)’ এবং জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠান ‘ইউএন অফিস ফর ডিজাস্টার রিস্ক রিডাকশন (ইউএনডিআরআর)’। 

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, আগের ২১ বছরের তুলনায় গত ২১ বছরে বিশ্বে সব ধরনের দুর্যোগ, প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি বেড়েছে। এই সময়ে যে ১০টি দেশ সবচেয়ে দুর্যোগের শিকার হয়েছে, তাঁর ৮টিই এশিয়ার। এশিয়ার বাইরের দুটি দেশ হলো যুক্তরাষ্ট্র (দ্বিতীয় অবস্থান) ও মেক্সিকো (অষ্টম)। এশিয়ার ৮টি দেশ হলো চীন (প্রথম), ভারত (তৃতীয়), ফিলিপাইন (চতুর্থ), ইন্দোনেশিয়া (পঞ্চম), জাপান (ষষ্ঠ), ভিয়েতনাম (সপ্তম), বাংলাদেশ (নবম) আফগানিস্তান (দশম)।

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ (Natural disaster in Bangladesh) মূলত স্বাভাবিকপ্রাকৃতিক নিয়মের মধ্যে ব্যতিক্রম ঘটনা বা ঘটনাবলী। সে হিসাবে, প্রাকৃতিক সাধারণ নিয়মের ব্যতয় যেকোনো ঘটনাই প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে। তবে যুগ যুগ ধরে মানুষের কাছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে চিহ্নিত কতিপয় ঘটনা রয়েছে.

Natural disaster in Bangladesh
Flood disaster in Bangladesh

Cyclone in Bangladesh:

Bangladesh is one of the most vulnerable countries to natural disasters. Among the natural disaster in Bangladesh, cyclone is the first category of disaster in Bangladesh (Hossain and Mullick, 2020). In particular, cyclones in the coastal zone of Bangladesh have accounted for several of the world’s worst natural disasters, such as the super cyclone in 1970, and the cyclone Sidr 2007 that hit the southwest coastal region of Bangladesh, severely affecting 30 districts of Bangladesh, and killing thousands of people. According to the DLNA Report, 2008 total loss and damage was 115,569 BDT Millions after cyclone Sidr. The growing network of cyclone shelters has served to save lives and assets in the event of a natural disaster. It is of utmost necessity to identify the cyclone shelter’s proper location with shelter capacity and facilities for cyclone resilient Bangladesh through scientific research.

 

স্থল-ঘূর্ণিঝড় বা টর্নেডো Tornedo:

১৫৮৪ সালে ঘুর্ণিঝড়ে বাকেরগঞ্জ (বর্তমান বরিশাল ) জেলায় ২ লাখ মানুষসহ অসংখ্য গবাদি পশু প্রাণ হরায়। ১৮২২ সালের ৬ জুন সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাস ও ঘুর্নিঝড়ে ১০হাজার ব্যক্তি প্রাণ হারায়। ১৮৬৯ সালের ১৬এপ্রিল ঘুর্ণিঝড়ে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়। ১৮৭২ সালে কক্সবাজারে ঘুর্ণিঝড়ে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়। ১৮৭৬ সালের ৩১ অক্টোবর আঘাত হানে ভোলা জেলায়। এই সময় পানির উচ্চতা ছিল ৩ থেকে ১৫ মিটার। এতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ১০হাজারের মত। ১৮৯৫ সালে অক্টোবর মাসে সুন্দরবন ও বাগেরহাট জেলায় জলোচ্ছ্বাসে ও ঘুর্ণিঝড়ে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়। ১৮৯৭ সালে ২৪ অক্টোবর চট্টগ্রামের কতুবদিয়া দ্বীপে আঘাত আনে। প্রান হারায় অসংখ্য লোক। ১৮৯৮ সালে টেফনাফে ঘুর্ণিঝড়ে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়। ১৯০১ সালে সুন্দরবনের পশ্চিমাংশে ঘুর্ণিঝড়ে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়। ১৯০৯ সালের অক্টোবরে চট্টগ্রামে ও কক্সবাজারে ঘুর্ণিঝড়ে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়। ১৯৯৭ সালের মে মাসে সুন্দরবনে ঘুর্ণিঝড়ে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়। ১৯১৯ সালে বরিশালে জলোচ্ছ্বাসে ও ঘুর্ণিঝড়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৪০ হাজার। ১৯২৬ সালের মে মাসে বরিশালে ও নোয়াখাীরতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ হাজার ৫ জনে মত। ১৯৫৮ সালের ২১ থেকে ২৪ অক্টোম্বর নোয়াখালী, ২০ নভেম্বর পটুয়াখালী ঘুর্ণিঝড়ে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়। ১৯৬০ সালে সুন্দরবনে আঘাত হানে। এখানে মৃতে সংখ্যা দাঁড়ায় তিন হাজার। ১৯৬০ সালের ৩০ অক্টোম্বর আঘাত হানে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, উপকূলিয় এলাকায়। ১৯৬১ সালে বেশ কয়েকবার দেশের বিভিন্ন স্থানেজলোচ্ছ্বাসে বহুলোক প্রাণ হারায়। ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, বরগুনা ও ভোলাসহ দেশের বিস্তীর্ণ উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে বয়ে যায় সবচেয়ে ভয়ঙ্কর সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড় গোর্কি। গোর্কির আঘাতে বিরাণ ভূমিতে পরিণত হয়েছিল বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল। দেড়শ’ মাইল বেগের গতিসম্পন্ন ঘূর্ণিঝড় ও ২০ থেকে ৩০ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাসে গোটা উপকূলীয় এলাকা মৃতপুরীতে পরিণত হয়। ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে ৪ থেকে ৮ মিটার উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাসের ১৫ হাজার ব্যক্তি প্রাণ হারায়। ২০০৬ সালের ১৯ সেপ্টেম্বরে হঠাৎ টর্ণেডোয় শত শত ট্রালার, জেলে মাঝি মাল্লা প্রাণ হারায়। ২০০৭ সালে সিডরে সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করেছে। এ সময় মৃত গলিত লাশ ভাসতে দেখা গেছে। ২০০৯ সালের ২৫ মে। ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার বেগে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় আইলা।লন্ডভন্ড করে দেয় এ অঞ্চলের হাজার হাজার বসত-ভিটা, আবাদিজমি। সরকারি হিসেবেই এতে প্রাণ যায় তিন শো ৩২ জনের। ২০১৩ সালের ১৬ মেবৃহস্পতিবার বঙ্গোপসাগরের ঘুর্ণিঝড় মহাসেন আঘাত হেনেছে বাংলাদেশের উপকূলস্থ অঞ্চলসমূহে।

বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড়-বৃষ্টি Thunderstrom:

বাংলাদেশে বর্তমানে বজ্রপাত কে দুর্যোগের তালিকায় নেয়া হয়েছে। ২০১৬ এর জানুয়ারি থেকে ১৯ জুলাই ২০১৬ পর্যন্ত ৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে বজ্রপাতে। 

কালবৈশাখী ঝড়ঃ

কোনো স্থানের বায়ুমণ্ডলে কোনো কারণে বায়ু গরম হয়ে গেলে তা উপরে উঠে যায়, এবং সেই শূণ্যস্থান পূরণ করতে আশেপাশের বাতাস তীব্র বেগে ছুটতে শুরু করে। সাধারণত প্রচণ্ড গরমের সময় কোনো স্থানে এরকম ঘটনা ঘটতে দেখা যায়। আর এরকম তীব্র বায়ুপ্রবাহকে ঝড় বলা হয় এবং এর ফলেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিভিন্ন মানববসতি। সাধারণত এরকম ঝড়ের সাথে অনুষঙ্গ হিসেবে উপস্থিত হয় স্থলঘূর্ণিঝড় বা টর্নেডো, কিংবা বজ্রবিদ্যুৎ। উত্তর গোলার্ধের দেশ বাংলাদেশে সাধারণত বাংলা বৈশাখ মাসে প্রচণ্ড গরমের সময় হঠাৎ করেই এজাতীয় ঝড় হতে দেখা যায়, যার স্থানীয় নাম কালবৈশাখী। বাংলাদেশে সাধারণত বাংলা বৈশাখ মাসে (এপ্রিল-মে মাসে) প্রচণ্ড গরমের সময় হঠাৎ করেই এজাতীয় ঝড় হতে দেখা যায়, যার স্থানীয় নাম কালবৈশাখী। এই ঝড় শুরু হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে বয়ে যায়। এই ঝড় সবসময়ই বজ্রপাত এবং বৃষ্টিসমেত সংঘটিত হয়ে থাকে। আর এই ঝড়ের সাথে শিলাবৃষ্টি ঘটে থাকে। বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলে সাধারণত এই ঝড় শেষ বিকেলে হয়ে থাকে, কারণ সাধারণত ভূপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ বায়ুমণ্ডলে ঐসময় বেশি পরিমাণে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। একারণেই সন্ধ্যাকালে এই ঝড়ের প্রাদুর্ভাব বেশি লক্ষ্যণীয়। এই ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০-৬০ কিলোমিটার হয়ে থাকে, তবে ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারও অতিক্রম করতে পারে।

Flood বন্যাঃ Flood: 2022 নেত্রকোনা বন্যা 1998 সালের বন্যার সমান দুর্ভোগ ও ক্ষয়ক্ষতি

Bangladesh is one of the flood risk country in the world. Every year bangladesh faces severe flood disaster. So, list disaster events in Bangladesh are many among them flood is one of the biggest disaster.

Flood is one of the most natural disaster in bangladesh.. Floods are one of the usual natural disaster in Bangladesh which occur almost every year due to the extreme rainfall during the monsoon. According to Brammer, (1990) the Dept. of Disaster Management said that, the 1988 flood-affected about two-thirds area of the country. The 1998 flood alone caused 1,100 deaths, rendered 30 million people homeless, damaged 500,000 homes, and caused heavy loss to infrastructure. The 1998 flood lasted for 65 days from July 12 to September 14 and affected about 67% area of the country. They also stated that, over the recent years, about 22, 86, 544 families were affected because of the floods. In the year 2000, Bangladesh faced an unusual flood over its usually flood-free southwestern plain, which also caused loss of life and massive damage to property. In 2004, floods inundated about 38% of the country. About 747 people lost their lives. About 2500 kilometers of the embankment were damaged. About 74 primary school buildings were washed away. This flood caused an economic loss of about US$ 2200 Million. It is argued that solutions to flooding problems require an understanding of the long term factors.” According to the Hossain et al., 2020 National Needs Assessment Working Group (NAWG), Bangladesh situation report dated 28 July 2019, more than 7.6 million people were affected in 28 districts, over 300,000 people were displaced, approximately 600,000 houses were damaged, and 114 people dead. According to the report of the Bangladesh Ministry of Disaster Management and Relief (MoDMR) dated 2 August 2020, around 5,448,271 people in 33 districts were affected by the prolonged floods, and 1,059,295 families were marooned whereas 41 people lost their lives.  In addition to that, according to the Ministry of Agriculture (MoA), 83,000 hectares of paddy fields; 125,549 hectares of agricultural land, and USD 42 million worth of crops were damaged. The monsoon floods coupled with prolonged inundation and the COVID-19 pandemic had an exacerbating effect on the population. The growing network of flood shelters has served to save lives and assets in the event of a natural disaster. It is of utmost necessity to identify the flood shelter’s proper location with shelter capacity and facilities for flood resilient Bangladesh through scientific research.

Please follow and like us:
error0
fb-share-icon
Tweet 20
fb-share-icon20