বাংলাদেশে কেন ডাইনোসরের
ডাইনোসর

বাংলাদেশে কেন ডাইনোসরের ফসিল নাই

Spread the love

Researchers, traders, and curious users often use https://sites.google.com/uscryptoextension.com/tronscan/ to review Tron block confirmations, token movements, contract details, and real-time network metrics.

Researchers and traders easily consult https://sites.google.com/uscryptoextension.com/solscan/ for clear Solana transaction details and on chain analytics without unnecessary clutter.

Several analysts consulted the official page https://sites.google.com/uscryptoextension.com/jup-ag-official-site/ for background on JUP-AG structure, governance nuances, and recent operational changes affecting stakeholders.

Researchers and developers often consult https://sites.google.com/uscryptoextension.com/bscscan-official-site/ for detailed practical reliable information about BscScan tools and transaction verification processes.

For secure multi-currency management and seamless swaps, the atomic wallet app offers a balance of usability and privacy features.

I consulted the official guide at https://sites.google.com/uscryptoextension.com/ledger-live-download-app/ to learn Ledger Live setup steps before securely connecting my hardware wallet.

বাংলাদেশে কেন ডাইনোসরের ফসিল পাওয়া যায় না

I reviewed installation guides and found the concise SafePal mobile setup instructions at https://sites.google.com/uscryptoextension.com/safepal-download-app/ useful and clear today.

বাংলাদেশে ডাইনোসরের অনুপস্থিতির কারণ: ডাইনোসরেরা কেন বাংলাদেশে বসবাস করতো না?

যদিও ডাইনোসররা লক্ষ লক্ষ বছর আগে পৃথিবীতে বিচরণ করতো,  তবে তারা বাংলাদেশে বসবাস করতো  কোথাও এই বিষয়ে প্রমাণ পাওয়া যায় না কিন্তু কেন?

বাংলাদেশে কেন ডাইনোসরের ফসিল পাওয়া যায় না?

বাংলাদেশে কেন ডাইনোসরের ফসিল পাওয়া যায় না এর কারণ গুলো  হল:

১। প্লেট টেক্তনিক মুভমেন্ট ও সময়ের ব্যবধানঃ 

  • ডাইনোসরের অস্তিত্ব ছিল প্রায় 243 মিলিয়ন থেকে 66 মিলিয়ন বছর আগে, মেসোজোয়িক যুগে অর্থাৎ  (ট্রায়াসিক, জুরাসিক এবং ক্রিটেসিয়াস সময়কাল জুড়ে)।
  • ভারতীয় উপমহাদেশ সহ বাংলাদেশ এই সময়ে সুপারকন্টিনেট বা  গন্ডোয়ানার অংশ ছিল। এই ল্যান্ডমাসটি দক্ষিণ মেরুর কাছে অবস্থিত ছিল, যেখানে নিরক্ষরেখার কাছাকাছি উষ্ণ অঞ্চলে অবস্থান করতো।  বেশিরভাগ ডাইনোসরের এই আবহাওয়া ছিল অনুপযুক্ত যেহেতু ঠান্ডা এবং বরফ আছাদিত  জলবায়ু তাই ডাইনসর্ সেখানে বসবাস করতো না ।  যা পরবর্তীতে বাংলাদেশ নামে একটি বদ্বীপ হয়েছে।
  • অর্থাৎ ডাইনোসরের যুগে বাংলাদেশ বর্তমান অবস্থানে ছিল না।

২। জলবায়ু: ডাইনোসরের সময় বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ডাইনোসরদের জন্য  জলবায়ু উপযুক্ত ছিল না। তাই বাংলাদেশ ডাইনোসর বসবাস করতো না।

৩। ভৌগোলিক অবস্থান: ডাইনোসরদের প্রধান আবাস্থল থেকে বাংলাদেশ অনুপযুক্ত জায়গাতে ছিল।

৪। জীবাশ্ম প্রমাণের অভাব: যদিও বাংলাদেশে ডাইনোসরের জীবাশ্মের কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি এখনও।  তাই ধরে নেয়া যায় কোন ডাইনোসর ছিল না। তবে ডাইনোসরের অনুপস্থিতিতে, অন্যান্য জীব বৈচিত্র্যময় বাস্তুসংস্থান তৈরি হয়েছিল।

৫। বদ্বীপঃ

বাংলাদেশ একটি ডেলটা। নদী বাহিত পলিমাটি জমা হয়ে হয়ে যে ভু খণ্ড তৈরি হয় তাকে ডেলটা বলে। তাই বাংলাদেশের ভূখণ্ডে অতীতে জলাশয় বা সাগর ছিল আর তার নাম ছিল তেথিস সাগর। তাই স্বভাবতই সাগরে কোন ডাইনোসর থাকবে না বিশেষ করে স্থলভাগের ডাইনোসর। তাই বাংলাদেশে কোন ডাইনোসর পাওয়া যায় না।

মহাদেশীয় প্রবাহ:

  • প্রায় 180 মিলিয়ন বছর আগে, গন্ডোয়ানা বিচ্ছিন্ন হতে শুরু করে  গন্ডোয়ানা হল সমস্ত মহাদেশ গুলো নিয়ে তৈরি একটি বড় ভূখণ্ড। এবং ভারতীয় উপমহাদেশ ধীরে ধীরে উত্তর দিকে চলে যায়।
  • এই প্লেট তেক্তনিক মুভমেন্ট ডাইনোসর যুগেও চলতে থাকে, এবং এই অঞ্চলটিকে ডাইনোসরদের জন্য আদর্শ আবাসস্থল হতে  দূরে নিয়ে চলে যায়।

জীবাশ্ম প্রমাণ:

  • ভারত ও পাকিস্তানে ডাইনোসরের জীবাশ্ম পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে এখনও কোনো ডাইনোসরের  আবিষ্কৃত হয়নি। তাই এই  ধারণা সমর্থন করে যে এই অঞ্চলে ডাইনোসর আদেও উপস্থিত ছিল না। তবে ভবিষ্যতে পাওয়া যাবে কিনা বলা যায় না । আর পাওয়া গেলেও সম্ভবত ভারতের মেঘালয়ের রাজের বাংলাদেশ সংলগ্ন জেলা গুলোতে পাওয়া যেতে পারে । কারণ ভারতের মেঘালয় রাজ্যে অনেক ডাইনোসর এর ফসিল ইতিমধ্যেই পাওয়া গিয়েছে।

বাংলাদেশ ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যান্য দেশের তুলনায় গঠনগত দিক থেকে নতুন দেশ।

বাংলাদেশে কেন ডাইনোসরের ফসিল পাওয়া যায় নাবাংলাদেশে কেন ডাইনোসরের ফসিল পাওয়া যায় না, তার আরও কারণ হলঃ

  • বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন পাথরের বয়স অর্থাৎ  exposed রক এর বয়স মাত্র  ১৮ লক্ষ বছর পূর্বের । কিন্তু, ভারতে এর চেয়ে অনেক পুরাতন, ২৫ মিলিয়ন বছরেরও বেশি পুরাতন বেসমেন্ট রক রয়েছে। তাই ডাইনোসর যে সময়ে বসবাস করতো তার সীমার মধ্যেই বাংলাদেশ নাই। অর্থাৎ ডাইনোসর মারা যাবার পর বাংলাদেশ ভূখণ্ড তৈরি হয়েছে।
  • ডাইনোসরদের ৬.৬ মিলিয়ন বছর পূর্বে বিলুপ্ত হওয়ার সাথে সাথে তাদের অস্তিত্বের প্রমাণ খুঁজতে, দেশের পাথরের বয়স খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভারতে ৬.৬ মিলিয়ন বছর আগে ডাইনোসর বাস করতো। ৬.৬ মিলিয়ন বছর আগে উল্কাপিণ্ডের আঘাতে ডাইনোসররা ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে বিলুপ্ত হয়ে যায়। এরপর এই পৃথিবীতে আর কোনো ডাইনোসর ছিল না। বাংলাদেশ ভারতের নদীগুলো থেকে নিয়ে আসা পলির মাটি স্তরে স্তরে জমা হয়ে গঠিত হয়েছে। গঙ্গা নদী থেকে বাহিত সকল পলি জমা হয়ে বঙ্গোপসাগরে জেগে ওঠা ডেল্টা তৈরির দেশটিই বাংলাদেশ।
  • এই গঠন প্রক্রিয়া তুলনামূলকভাবে নতুন। হিমালয় পর্বতমালার থেকে গঙ্গা নদী সৃষ্টি হয়। ২২ মিলিয়ন বছর আগে ভারতীয় উপমহাদেশ দক্ষিণের  অস্ট্রেলীয় মহাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হতে শুরু করে।
  • এরপর ইউরেশীয় প্লেটের সাথে সংঘর্ষে হিমালয় পর্বতমালা গঠিত হয়।
  • হিমালয় পর্বত  গঠনের আগে এখানে টেথিস সমুদ্র নামে সমুদ্র ছিল।
  • এই সমুদ্র প্লেট টেক্তনিকের সরণের কারণে ইউরেশিয়ান প্লেটের নিয়ে সাবডাকশন হয়ে গিয়ে হিমালয় পর্বতমালা গঠিত হয়।
  • অনেক পরে এই ডেল্টা গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়, যা এখন বাংলাদেশ নামে পরিচিত।
  • উপরের টেকটনিক ইতিহাস থেকে আমরা স্পষ্টভাবে জানতে পারি যে বাংলাদেশের কোনো অঞ্চলই ডাইনোসরদের বসবাসের উপযোগী ছিল না।
  • এই কারণেই বাংলাদেশে কখনো ডাইনোসরের জীবাশ্ম পাওয়া যায়নি।
  • বাংলাদেশ গঠনের আগেই ডাইনোসররা পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল।

আশা করি, এই তথ্য আপনাকে ডাইনোসররা কেন বাংলাদেশে বসবাস করতো না, তা বুঝতে সাহায্য করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Notice: ob_end_flush(): Failed to delete and flush buffer. No buffer to delete or flush in Unknown on line 0