গান/লিরিক্স
-
বারে বারে আর আসা হবে না
ভবা পাগলার গান তুমি ভেবেছ কি মনে এই ত্রিভুবনে তুমি যাহা করে গেলে কেহ জানে না এমন মানব জনম আর পাবে না বারে বারে আর আসা হবে না ১। তুমি যাহা করে গেলে আসিয়া হেথায় চিত্র গুপ্ত লিখিয়া ভরিলে খাতায় তোমার বিচার করিবেন সেই বিধাতায় তাঁর কাছে কাফি জুকি কিছুই চলেনা তুমি যাহা বদনে কর নাই প্রকাশ অপ্রকাশ তাহার কাছে কিযে সর্বনাশ জুড়িয়া রয়েছে হৃদয় আকাশ মানুষের কুলে কালি আর দিও না সাবধানে চল মন হও হুশিয়ার তোমার বেলা যে রয়ে যায় আসে অন্ধকার মানুষ দেবতা হয় হয় অবতার ভবা কহে চোখ মেলে চেয়ে দেখনা আরও লিরিক্স বল স্বরূপ কোথায় আমার সাধের পেয়ারি গান ও লিরিক্স ক্যাটাগরি
-
বল স্বরূপ কোথায় আমার সাধের পেয়ারি
বল স্বরূপ কোথায় আমার সাধের পেয়ারি যার জন্য হয়েছিরে দণ্ডধারী কোথা রে সেই নিকুঞ্জ বন কোথা সে যমুনা এখন কোথা সে গোপিনীগণ আহা মরি ১/ রামানন্দের দরশনে পূর্ব ভাব উদয় মনে যাব আমি কাহার সনে সেই যে পুরি আর কিরে সেই সঙ্গ পাব আমার মনের সাধ মিটাইব পরম আনন্দে রব ওই রূপ হেরি ২/ গৌর চাঁদ ওই দিন বলে আকুল হয় তিলে তিলে লালন কয় সেই যে লীলে সু মাধুরী আরও গানের লিরিক্স তুমি এসেছিলে জীবনে আমার পথের ভুলে
-
তুমি এসেছিলে জীবনে আমার পথের ভুলে
তালঃ দাদরা শিল্পীঃ কুমার সানু মুল শিল্পীঃ শ্রী রাধা বন্দোপাধ্যায়া তুমি এসেছিলে জীবনে আমার পথের ভুলে || কি জানি কেমনে দেখা হল দেখা হল দেখা হল কি জানি কেমনে দেখা হল দুটি স্রোতের কুলে ১/ তুমি এলে….. তুমি এলে যেন চির সাথি হয়ে শত জন্মের পরিচয় লোয়ে দুটি মন বনে মধু বসন্ত উঠিল দুলে তুমি এসেছিলে…. একদা দুজনে বেধেছি ..বেধেছি ঘর মিলন রাতে সহসা আজিকে ভেঙ্গে যাবে সেকি ঝড়ের সাথে || ২/ এই আশা….. এই আশা এই ভালবাসা তবে সেকি ঝরাফুলঅসম ফেলে দিতে হবে || চির তৃষা লোয়ে রহিব মোরা নদীর কুলে তুমি এসেছিলে জীবনে আমার পথের ভুলে
-
নাইবা ঘুমালে প্রিয় রজনী এখনও বাকি
নাইবা ঘুমালে প্রিয় নাইবা ঘুমালে প্রিয় রজনী এখনও বাকি প্রদীপ নিভিয়া যায় শুধু জেগে থাক তব আঁখি রজনী এখনও বাকি এখনও দুয়ার পাশে হেনারও সুরভি আসে এখনও দুয়ার পাশে হেনার সুরভি আসে প্রিয়া প্রিয়া বলে ডাকে সাথি হারা কোন পাখি রজনী এখনও বাকি প্রদীপ নিভিয়া যায় শুধু জেগে থাক তব আঁখি আকাশের বুকে চাঁদ মোর বুকে তব মুখ জাগে আমি চেয়ে চেয়ে দেখি কারে সুন্দর তর লাগে এ মধু মাধবি রাতে জেগে রব দুজনাতে জরাবো দুটি হৃদয়ে একটি প্রেমেরও রাখি
-
Clip Art Banner of Papiya Sawar
Clip Art Banner of Papiya Sawar Clip Art Banner of Papiya Sarwar She is one of the famous barindra sangeet singer recently died in 13 December 2024. She awared the Ekushey Padak one of the most prestigious award in Bangladesh. Her voice always overwhelmed all the audience of rabindra Sangeer lovers. Learn more about Papiya Sarwar One of the best song of Papiya sarwar is O okuler kul O ogotir goti o onather nath o potiter poti (2) 1/ O noyoner alo o rosonar modhu o rotoner har o poraner bodhu (2) 2/ o oporup rup o monohor kotha o choroemer sukh o moromer byatha o vikharir dhon o bobolar…
-
গিরিধারী গোপাল ব্রজ গোপ
গিরিধারী গোপাল ব্রজ গোপ দুলাল মুল শিল্পীঃ কৃষ্ণ পাল গিরিধারী গোপাল ব্রজ গোপ দুলাল ওগো অপরূপ লীলা তব তরুণ তমাল (২) বিশাখার কাছে তুমি চির নিরুপম শ্রীরাধার হৃদয়ে প্রেমের কৃপণ (২) শ্রী দাম সুদাম সখা গোঠের ও রাখাল (২) গিরিধারী গোপাল ব্রজ গোপ দুলাল ওগো অপরূপ লীলা তব তরুণ তমাল গিরিধারী গোপাল যশোধার নয়নে তুমি ননী চোর নন্দ দুলাল তুমি আনন্দ কিশোর (২) গীতায় সারথি তুমি যাদব রাখাল (২) ওগো অপরূপ লীলা তব তরুণ তমাল (২) গোপাল……………………..(২) গিরিধারী লাল………। অপরূপ লীলা তব তরুণ তমাল……. তরুণ তমাল (২) তরুণ তমাল (২) মুল শিল্পীঃ কৃষ্ণ পাল গান রবীন্দ্র সঙ্গীত
-
আমায় ফুলেরা বলল
আমায় ফুলেরা বলল শিল্পী :SD Rubel কাভার:রমন কুমার বিশ্বাস =========== আমায় ফুলেরা বলল আমি যেন বাগানে না নিয়ে যাই তোমায় তোমার রূপ দেখে বাগানের ফুল লুটিয়ে পড়ে নাকি ফুলের গালিচায় লজ্জায় ১। পাখিদের একই অনুরোধ প্রেয়সী আমার যেন নাবলে কথা কথা বললে নাকি সুরে ও সুরে হয়ে ওঠে গান একই গান একই সুরে তোমাতে আমাতে কি করে জল্মায় ২। চাঁদের ও একই অভিমান প্রেয়সী আমার যেন না যায় উঠনে উঠনে গেলে নাকি নেয়া হয় চাঁদের ও সনে চরম প্রতিশোধ একই চাঁদ একই সনে তোমাতে আমাতে কি করে ঝল্মায়
-
আকাশ তোমায় কোন রূপে মন চিনতে পারে
আকাশ তোমায় কোন রূপে মন চিনতে পারে আকাশ তোমায় কোন রূপে মন চিনতে পারে তাই ভাবি যে বারে বারে গহন রাতে চন্দ্র তোমার মোহন ফাঁদে স্বপন দিয়ে মন কে বাঁধে প্রভাত সূর্য শুভ্র জ্যোতির তরবারে ছিন্ন করি ফেলে তারে বসন্ত বায় পরান ভুলায় চুপে চুপে বৈশাখী ঝড় গরজি উঠে রুদ্র রূপে শ্রাবণ মেঘের নিবিড় সজল কাজল ছায়া দিক দিগন্তে ঘনায় মায়া আশ্বিনে এই অমল আলোর কিরণ ধারে যায় নিয়ে কোন মুক্তি পারে আকাশ তোমায় কোন রূপে মন চিনতে পারে ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯২৬ রবীন্দ্র সঙ্গীত লিরিক্স সহ গান বাংলা বাংলা সব ক্যাটাগরি
-
আকাশ হতে আকাশ পথে হাজার স্রোতে
Rezwana Choudhury Bannya
-
আকাশ আমায় ভরল আলোয় আকাশ আমি ভরব গানে
Lopamudra Mitra
-
ও আমার দেশের মাটি তোমার পরে ঠেকাই মাথা
ও আমার দেশের মাটি | Rabindra Sangeet | Iman Chakraborty
-
আমারে করো জীবন দান
আমারে করো জীবন দান প্রেরণ করো অন্তরে তব আহবান আসিছে কত যায় কত পাই শত হারাই শত তেমনি পায়ে রাখ অচল মোর প্রাণ দাও মোরে মঙ্গল ব্রত স্বার্থ করো দুরে প্রহত থামায়ে বিফল সন্ধান জাগাও চিত্তে সত্য জ্ঞান লাভে ক্ষতিতে সুখে শেকে অন্ধকারে দিবা আলোকে নির্ভয়ে বহি নিশ্চল মনে তবে বিধান আমারে করো জীবন দান রবীন্দ্র সঙ্গীত 70+ অনুপ্রেরণামূলক উক্তি রেজয়ানা চৌধুরী বন্যা
-
ধীরে ধীরে ধীরে বও ওগো উতল হাওয়া
Rezwana Choudhury Bannya
-
আমার বেলা যে যায় সাঁঝ বেলাতে
আমার বেলা যে যায় সাঁঝ বেলাতে তোমার সুরে সুরে সুর মেলাতে এক তারাটির একটি তারে গানের বেদন ব্যয়িতে নারে তোমার সাথে বারে বারে হার মেনেছি এই খেলাতে তোমার সুরে সুরে সুর মেলাতে এ তার বাঁধা কাছের সুরে ঐ বাঁশি যে বাজে দুরে গানের লীলার সেই কিনারে যোগ দিতে কি সবাই পারে বিশ্ব হৃদয় পারাবারে রাগরাগিণীর জাল ফেলাতে তাম্র সুরে সুর মেলাতে আষাঢ় ১৩২৬ (১৯১৯)
-
তুমি যে সুরের আগুন লাগিয়ে দিলে মোর প্রাণে
তুমি যে সুরের আগুন লাগিয়ে দিলে তুমি যে সুরের আগুন লাগিয়ে দিলে মোর প্রাণে এ আগুন ছড়িয়ে গেল সব খানে যত সব মরা গাছের ডালে ডালে নাচে আগুন তালে তালে রে আকাশে হাত তোলে সে কার পানে আঁধারের তারা যত অবাক হয়ে রয় চেয়ে কোথাকার পাগল হাওয়া ববয় ধেয়ে নিশীথের বুকের মাঝেএই যে অমল উঠল ফুটে স্বর্ণ কমল রে আগুনের কি গুণ আছে কে জানে তুমি যে সুরের আগুন লাগিয়ে দিলে লিরিক্স গান ও লিরিক্স সকল রবীন্দ্র সঙ্গীত সকল লালনগীতি ভাবসম্প্রসারন নীতি কথার ব্যাখ্যা
-
দাঁড়িয়ে আছ তুমি আমার গানের ও পারে
দাঁড়িয়ে আছ তুমি আমার গানের ও পারে দাঁড়িয়ে আছ তুমি আমার গানের ও পারে আমার সুর গুলি পায় চরণ আমি পাই নে তোমারে বাতাস বহে মরি মরি আর বেঁধে রেখো না তরী এসো এসো পার হয়ে মোর হৃদয় মাঝারে তোমার সাথে গানের খেলা দুরের খেলা যে বেদনাতে বাঁশি বাঁজায় সকল বেলা যে কবে নিয়ে আমার বাঁশি বাজাবে গো আপনি আসি আনন্দ ময় নীরব রাতের নিবিড় আঁধারে দাঁড়িয়ে আছ তুমি আমার গানের ও পারে লিরিক্স ফাল্গুন ১৩২০ (১৯১৪) গান ও লিরিক্স সকল রবীন্দ্র সঙ্গীত সকল লালনগীতি ভাবসম্প্রসারন নীতি কথার ব্যাখ্যা
-
আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে দেখতে আমি পাইনি
আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে দেখতে আমি পাইনি তোমায় দেখতে আমি পাইনি বাহির পানে চোখ মেলেছি আমার হৃদয় পানে চাই নি আমার সকল ভালবাসায় সকল আঘাত সকল আশায় তুমি ছিলে আমার কাছে তোমার কাছে যাইনি তুমি মোর আনন্দ হয়ে ছিলে আমার খেলায় আনন্দে তাই ভুলে ছিলেম কেটেছে দিন হেলায় গোপন রহি গভীর প্রাণে আমার দুঃখ সুখের গানে সুর দিয়েছ তুমি আমি তোমার গান তো গাইনি।। চৈত্র ১৩২০ (১৯১৪)
-
কেন চোখের জ্বলে ভিজিয়ে দিলেম না শূকনো ধুলো যত
কেন চোখের জ্বলে ভিজিয়ে দিলেম না শূকনো ধুলো যত কে জানিত আসবে তুমি গো অনাহুতের মত পার হয়ে এসেছ মরু নাই যে সেথায় ছায়া তরু পথের দুঃখ দিলেম তোমায় গো এমন ভাগ্যহত আলসেতে বসে ছিলেম আমি আপন ঘরের ছায়ে জানি নাই যে তোমার কত ব্যথা বাজবে পায়ে পায়ে ঐ বেদনা আমার বুকে বেজেছিল গোপন দুখে দাগ দিয়েছে মর্মে আমার গো গভীর হৃদয় ক্ষত। চৈত্র ১৩২০ (১৯১৪)
-
ভেঙ্গে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবি কে আমারে
ভেঙ্গে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবি কে আমারে ও বন্ধু আমার না পেয়ে তোমার দেখা একা একা দিন যে আমার কাটে নারে বুঝি গো রাত পোহাল বুঝি ঐ রবির আলো আভাসে দেখা দিল গগন পারে সমুখের ঐ হেরি পথ তোমার কি রথ পৌঁছাবে না মোর দুয়ারে আকাশের যত তারা চেয়ে রয় নিমেষ হারা বসে রয় রাত প্রভাতের পথের ধারে তোমারি দেখা পেলে সকল ফেলে ডুববে আলোক পারাবারে প্রভাতের পথিক সবে এলো কি কলরবে গেল কি গান গেয়ে ঐ সারে সারে বুঝি বা ফুল ফুটেছে সুর উঠেছে অরুণ বীণার তারে তারে।। ভেঙ্গে মোর ঘরের চাবি লিরিক্স পৌষ ২০ ১৩২৪ (১৯১৮)
-
ও অকুলের কুল ও অগতির গতি
ও অকুলের কুল ও অগতির গতি ও অকুলের কুল ও অগতির গতি ও অনাথের নাথ ও পতিতের পতি ও নয়নের আলো ও রসনার মধু ও রতনের হার ও পরানের বধূ ও অপরূপ রূপ ও মনোহর কথা ও চরমের সুখ ও মরমের ব্যথা ও ভিখারির ধন ও অবলার বোল ও জনমের দোলা ও মরণের কোল।। রেজয়ানা চৌধুরী বন্যা আশ্বিন ১৩১৮ ( ১৯১১) ও অকুলের কুল ও অগতির গতি বীন্দ্র সঙ্গীত 70+ অনুপ্রেরণামূলক উক্তি
-
আইল আজি পরান সখা
আইল আজি পরান সখা দেখ রে নিখিল জন আসন বিছাইল নিশীথিনী গগনতলে গ্রহ তারা সভা ঘেরিয়া দাঁড়াইল নীরবে বন গিরি আকাশে রহিল চাহিয়া থামাইল ঘরা দিবস কোলাহল ফাল্গুল ১২৯১ (১৮৮৫) রবীন্দ্র সঙ্গীত
-
শ্রাবণের ধারার মত পড়ুক ঝরে পড়ুক ঝরে
শ্রাবণের ধারার মত পড়ুক ঝরে পড়ুক ঝরে তোমারি সুর টি আমার মুখের পরে বুকের পরে পুরবের আলোর সাথে পড়ুক প্রাতে দুই নয়নে নিশীথের অন্ধকারে গভীর ধারে পড়ুক প্রাণে নিশিদিন এই জীবনের সুখের পরে দুখের পরে শ্রাবণের ধারার মত পড়ুক ঝরে পড়ুক ঝরে যে শাখায় ফুল ফোটে না ফল ধরে না একেবারে তোমারি ঐ বাদল বায়ে দিক জাগায়ে সেই শাখারে যা কিছু জীর্ণ আমার দীর্ণ আমার জীবন হারা তাহারি স্তরে স্তরে পড়ুক ঝরে সুরের ধারা নিশিদিন এই জীবনের তৃষার পরে ভুখের পরে শ্রাবণের ধারার মত পড়ুক ঝরে পড়ুক ঝরে।। ১৫ ফাল্গুন ১৩২০ ( ১৯১৪) শ্রাবণের ধারার মত পড়ুক ঝরে পড়ুক ঝরে (শুনুন)
-
বরিষ ধরা মাঝে শান্তির বারি
বরিষ ধরা মাঝে শান্তির বারি বরিষ ধরা মাঝে শান্তির বারি শুষ্ক হৃদয় লয়ে আছ দাঁড়াইয়ে ঊর্ধ্ব মুখে নরনারী না থাকে অন্ধকার না থাকে মোহপাপ না থাকে শোক পরিতাপ হৃদয় বিমল হোক প্রাণ সবল হোক বিধ্ন দাও অপসারি কেন এ হিংসা দ্বেষ কেন এ ছদ্মবেশ কেন এ মান- অভিমান বিতর বিতর প্রেম পাষাণ হৃদয়ে জয় জয় হোক তোমারি।। বরিষ ধরা মাঝে লিরিক্স জ্যৈষ্ঠ ১২৯১ (১৮৮৪) গান ও লিরিক্স সকল রবীন্দ্র সঙ্গীত সকল লালনগীতি ভাবসম্প্রসারন নীতি কথার ব্যাখ্যা
-
আজ জ্যোৎস্না রাতে সবাই গেছে বনে
বীন্দ্র সঙ্গীত 70+ অনুপ্রেরণামূলক উক্তি রেজয়ানা চৌধুরী বন্যা আজ জ্যোৎস্না রাতে সবাই গেছে বনে বসন্তের এই মাতাল সমীরণে যাব না গো যাব না যে রইনু পড়ে ঘরের মাঝে এই নিরালায় রব আপন কোনে যাব না এই মাতাল সমীরণে আমার এ ঘর বহু যতন করে ধূতে হবে মুছতে হবে মোরে আমারে যে জাগতে হবে কি জানি সে আসবে কবে যদি আমায় পড়ে তাহার মনে বসন্তের এই মাতাল সমীরণে ২২ চৈত্র ১৩২০ ( ১৯১৪) আজ জ্যোৎস্না রাতে সবাই গেছে বনে
-
আগুনের পরশ মনি ছোঁয়াও প্রাণে
আগুনের পরশ মনি আগুনের পরশ মনি ছোঁয়াও প্রাণে এ জীবন পুণ্য করো দহন দানে আমাই এই দেহ খানি তুলে ধরো তোমার ঐ দেবালয়ের প্রদীপ করো নিশি দিন আলোক শিখা জ্বলুক গানে আঁধারের গায়ে গায়ে পরশ তব সারা রাত ফোটাক তারা নব নব নয়নের দৃষ্টি হতে ঘুচবে কালো যেখানে পড়বে সেথায় দেখবে আলো ব্যথা মোর উঠবে জ্বলে ঊর্ধ্বে পানে ১১ ভাদ্র ১৩২১ ( ১৯১৪) আগুনের পরশ মনি
-
ক্লান্তি আমায় ক্ষমা করো প্রভু
ক্লান্তি আমায় ক্ষমা করো ক্লান্তি আমায় ক্ষমা করো প্রভু পথে যদি পিছিয়ে পড়ি কভু এই যে হিয়া থর থর কাঁপে আজি এমন তরো এই বেদনা ক্ষমা করো ক্ষমা করো ক্ষমা করো প্রভু এই দীনতা ক্ষমা করো প্রভু পিছন পানে তাকাই যদি কভু দিনের তাপে রৌদ্র জ্বালায় শুকায় মালা পূজার থালায় সেই ম্লানতা ক্ষমা করো ক্ষমা করো ক্ষমা করো প্রভু।। ১৬ আশ্বিন ১৩২১ (১৯১৪) ক্লান্তি আমায় ক্ষমা করো বীন্দ্র সঙ্গীত 70+ অনুপ্রেরণামূলক উক্তি রেজয়ানা চৌধুরী বন্যা
-
যে রাতে মোর দুয়ার গুলি ভাঙল ঝড়ে
যে রাতে মোর দুয়ার গুলি ভাঙল ঝড়ে জানি না তো তুমি এলে আমার ঘরে সব যে হয়ে গেল কালো নিবে গেল দীপের আলো আকাশ পানে হাত বাড়ালেম কাহার তরে আন্ধকারে রইনু পড়ে স্বপন মানি ঝড় যে তোমার জয়ধ্বজা তাই কি জানি সকাল বেলা চেয়ে দেখি দাঁড়িয়ে আছ তুমি এ কি ঘর ভরা মোর শূন্যতারই বুকের পরে।। ২৩ ফাল্গুন ১৩২০ ( ১৯১৪) যে রাতে মোর দুয়ার গুলি ভাঙল ঝড়ে (YouTube)
-
বিপদে মোরে রক্ষা করো এ নহে মোর প্রাথনা
বিপদে মোরে রক্ষা করো এ নহে মোর প্রাথনা বিপদে মোরে রক্ষা করো এ নহে মোর প্রাথনা বিপদে আমি না যেন করি ভয় দুঃখ তাপে ব্যথিত চিত্তে নাই বা সান্ত্বনা দুঃখে যেন করিতে পারি জয় সহায় মোর না যদি জুটে নিজের বল না যেন টুটে সংসারেতে ঘটিলে ক্ষতি লভিলে শুধু বঞ্চনা নিজের মনে না যেন মানি ক্ষয় আমারে তুমি করিবে ত্রাণ এ নহে মোর প্রার্থনা তরিতে পারি শকতি যেন রয় আমার ভার লাঘব করি নাই বা দিলে সান্ত্বনা বহিতে পারি এমনি যেন হয় নম্র শিরে সুখের দিনে তোমারি মুখ লইব চিনে দুঃখের রাতে নিখিল ধরা যে দিন করে বঞ্চনা তোমারে যেন না করি সংশয় বিপদে মোরে রক্ষা করো এ নহে মোর…
-
এ দিন আজি কোন ঘরে গো খুলে দিল দ্বার
এ দিন আজি কোন ঘরে গো এ দিন আজি কোন ঘরে গো খুলে দিল দ্বার আজি প্রাতে সূর্য ওঠা সফল হল কার? কাহার অভিষেকের তরে সোনার ঘটে আলোক ভরে ঊষা কাহার আশিস বহি হল আঁধার পার বনে বনে ফুল ফুটেছে দোলে নবীন পাতা কার হৃদয়ের মাঝে হল তাদের মালা গাঁথা বহু যুগের উপহার বরন করি নিলো কারে কার জীবনে প্রভাত আজি ঘুচায় অন্ধকার ২৪ আশ্বিন ১৩২১ ( ১৯১৪) এ দিন আজি কোন ঘরে গো https://www.youtube.com/watch?v=-BoYOiee4fQ রবীন্দ্র সঙ্গীত রেজয়ানা চৌধুরী বন্যা
-
মাঝে মাঝে তব দেখা পাই চিরদিন কেন পাইনা
মাঝে মাঝে তব দেখা পাই মাঝে মাঝে তব দেখা পাই চিরদিন কেন পাইনা কেন মেঘ আসে হ্রদয় আকাশে তোমারে দেখিতে দেয় না মোহ মেঘে তোমারে দেখিতে দেয় না অন্ধ করে রাখে তোমারে দেখিতে না।। ক্ষণিক আলোকে আখির পলকে তোমায় যবে পাই দেখিতে হারাই হারাই সদা ভয় হয় হারাইয়া ফেলি চকিতে আশ না মিটিতে হারাইয়া পলক না পড়িতে হারাইয়া হৃদয় না জুড়াতে হারাইয়া ফেলি চকিতে।। কি করিলে বলো পাইব তোমারে রাখিব আখিতে আঁখিতে এতো প্রেম আমি কোথা পাবো নাথ তোমারে হ্রদয়ে রাখিতে আমার সাধ্য কিবা তোমারে দয়া না করিলে কে পারে তুমি আপনি না এলে কে পারে হৃদয় রাখিতে।। আর কারো পানে চাহিব না আর করিব হে আমি প্রাণপণ তুমি যদি…
-
আনন্দ লোকে মঙ্গলা লোকে বিরাজ সত্য সুন্দর
আনন্দ লোকে মঙ্গলা লোকে আনন্দ লোকে মঙ্গলা লোকে বিরাজ সত্য সুন্দর মহিমা তব উদ্ভাসিত মহা গগন মাঝে বিশ্ব জগত মনি ভূষণ বেষ্টিত চরণে গ্রহ তারক চন্দ্র তপন ব্যকুল দ্রুত বেগে করিছে পান করিছে স্নান অক্ষয় কিরণে ধরণীর পর ঝরে নির্ঝর মোহন মধু শোভা ফুল পল্লব গীতগন্ধ সুন্দর বরনে বহে জীবন রজনীদিন চির নুতুন ধারা করুণা তব অবিশ্রাম জনমে মরণে স্নেহ প্রেম দয়া ভক্তি কোমল করে প্রাণ কত সান্ত্বন করো বর্ষণ সন্তাপ হরণে জগতে তব কী মহোৎসব বন্দন করে বিশ্ব শ্রী সম্পদ ভুমাস্পদ নির্ভয়শরণে।। ফাল্গুন ১২ ৯৯ ( ১৮৯৩) আনন্দ লোকে মঙ্গলা লোকে রেজয়ানা চৌধুরী বন্যা রবীন্দ্র সঙ্গীত
-
আমার এই পথ চাওয়াতেই আনন্দ
আমার এই পথ চাওয়াতেই আনন্দ আমার এই পথ চাওয়াতেই আনন্দ খেলে যায় রৌদ্র ছায়া বর্ষা আসে বসন্ত কারা এই সমুখ দিয়ে আসে যায় খবর নিয়ে খুশি রই আপন মনে বাতাস বহে সুমন্দ সারাদিন আঁখি মেলে দুয়ারে রব একা শুভক্ষণ হটাৎ এলে তখন পাবো দেখা ততখন ক্ষণে ক্ষণে হাসি গাই আপন মনে ততক্ষণ রহি রহি ভেসে ভেসে আসে সুগন্ধ।। ১৭ব চৈত্র ১৩১৮ ( ১৯১১-১৯১২) আমার এই পথ চাওয়াতেই আনন্দ Sanchita Choudhuri রেজয়ানা চৌধুরী বন্যা
-
অসীম সংসারে যার কেহ নাহি কাঁদিবার
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ অসীম সংসারে যার কেহ নাহি কাঁদিবার সে কেন গো কাঁদিছে অশ্রুজল মুছিবার নাহিরে অঞ্চল যার সেও কেন কাঁদিছে কেহ যার দুঃখ গান শুনিয়ে পাতে না কান বিমুখ সে হয় যারে শুনাইতে চায় সে আর কিসের আশে রয়েছে সংসার পাশে জ্বলন্ত পরান বহে কিসের আশায় বৈশাখ ১২৯২ 9(১৮৮৫
-
অসীম ধন তো আছে তোমার তাহে সাধ না মেটে
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ মিতা হক অসীম ধন তো আছে তোমার তাহে সাধ না মেটে নিতে চাও তা আমার হাতে কণায় কণায় বেঁটে।। দিয়ে রতন মনি দিয়ে তোমার রতন মনি আমায় করলে ধনী। এখন দ্বারে এসে ডাক রয়েছি দ্বার এঁটে আমায় তুমি করবে দাতা আপনি ভিক্ষু হবে বিশ্ব ভুবন মাতল যে তাই হাসির কলরবে তুমি রইবে না ওই রথে তুমি রইবে না রথে নামবে ধুলা পথে যুগ যুগান্তর আমার সাথে চলবে হেঁটে হেঁটে।। ভাদ্র ১৩২০ ( ১৯১২-১৯১৩) অসীম ধন তো আছে তোমার তাহে সাধ না মেটে -শুনুন
-
অসীম কাল সাগরে ভুবন ভেসে চলেছে
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ Swagatalakshmi Dasgupta অসীম কাল সাগরে ভুবন ভেসে চলেছে অমৃত ভবন কোথা আছে তাহা কে জানে হেরো আপন হৃদয় মাঝে ডুবিয়ে একি শোভা অমৃত ময় দেবতা সতত বিরাজে এই মন্দিরে এই সুধানিকেতনে আগ্রহায়ন ১২৯১ ( ১৮৮৪)
-
অসীম আকাশে অগণ্য কিরণ কত গ্রহ উপগ্রহ
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ Ritu Guha অসীম আকাশে অগণ্য কিরণ কত গ্রহ উপগ্রহ কত চন্দ্র তপন ফিরিছে বিচিত্র আলোক জ্বালায়ে তুমি কোথায় তুমি কোথায় ? হায় সকলই অন্ধকার চন্দ্র সূর্য সকল কিরণ আঁধার নিখিল বিশ্বজগত তোমার প্রকাশ হ্রদয় মাঝে সুন্দর মোর নাথ মধুর প্রেম আলোকে তোমারি মাধুরী তোমারে প্রকাশে।। ফাল্গুন ১২৯৪ ( ১৮৮৮) অসীম আকাশে অগণ্য কিরণ Listen on Youtube
-
অশ্রু ভরা বেদনা দিকে দিকে জাগে
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা অশ্রু ভরা বেদনা দিকে দিকে জাগে আজি শ্যামল মেঘের মাঝে বাজে কার কামনা চলিছে ছুটিয়া অশান্ত বায় ক্রন্দন কার তার গানে ধ্বনিছে করে কে সে বিরহী বিফল সাধনা ভাদ্র ১৩৩২ ( ১৯২৫) অশ্রু ভরা বেদনা দিকে দিকে Listen on Youtube
-
অশ্রু নদীর সুদূর পারে ঘাট দেখা যায় তোমার দ্বারে
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ শ্রীকান্ত আচার্য অশ্রু নদীর সুদূর পারে ঘাট দেখা যায় তোমার দ্বারে নিজের হাতে নিজে বাধা ঘরে আধা বাইরে আধা এবার ভাসাই সন্ধ্যা হাওয়ায় আপনারে কাটল বেলা হাটের দিনে লোকের কথার বোঝা কিনে কথার সে ভার নামা রে মন নীরব হয়ে শোন দেখি শোন পারের হাওয়ায় গান বাজে কোন বীণার তারে।। আশ্বিন ১৩২৫ (১৯১৮) অশ্রু নদীর সুদূর পারে Listen on Youtube
-
অশান্তি আজ হানল একি দহন জ্বালা
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ হেমন্ত মুখোপাধ্যায় অশান্তি আজ হানল একি দহন জ্বালা বিঁধল হৃদয় নিদয় বানে বেদন ঢালা বক্ষে জ্বালায় অগ্নি শিখা চক্ষে কাঁপায় মরীচিকা মরণ সুতোয় গাঁথল কে মোর বরন মালা চেনা ভুবন হারিয়ে গেল স্বপন ছায়াতে ফাগুন দিনের পলাশ রঙের রঙ্গিন মায়াতে যাত্রা আমার নিরুদ্দেশে পথ হারানোর লাগল নেশা অচিন দেশে এবার আমার যাবার পালা ১৯৩৯ খিঃ অশান্তি আজ হানল একি দহন জ্বালা (Listen on Youtube)
-
অল্প লইয়া থাকি তাই মোর যাহা যায় তাহা যায়
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ সুবিনয় রায় অল্প লইয়া থাকি তাই মোর যাহা যায় তাহা যায় কণা টুকু যদি হারায় তা লয়ে প্রাণ করে হায় হায় নদী তট সম কেবলই বৃথাই প্রবাহ আঁকড়ি রাখিবারে চাই একে একে বুকে আঘাত করিয়া ঢেউগুলি কোথা ধায় যাহা যায় আর যাহা কিছু থাকে সব যদি দেই সপিয়া তোমাকে তবে নাহি ক্ষয় সবই জেগে রয় তব মহা মহিমায় তোমাতে রয়েছে কত শশী ভানু হারায় না কভু অণু পরমাণু আমারই ক্ষুদ্র হারাধন গুলি রবে না কি তব পায়।। ১৩০৭ (১৯০১) অল্প লইয়া থাকি তাই মোর যাহা যায় তাহা যায় (Listen on Youtube)
-
অলি বার বার ফিরে যায় অলি বার বার ফিরে আসে
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ Iman Chakraborty অলি বার বার ফিরে যায় অলি বার বার ফিরে আসে তবে তো ফুল বিকাশে কলি ফুটিতে চাহে ফোটে না মরে লাজে মরে ত্রাসে ভুলি মান অপমান দাও মন প্রাণ নিশিদিন রহো পাশে ওগো আশা ছেড়ে তবু আশা রেখে দাও হৃদয় রতন আশে ফিরে এসো ফিরে এসো বন মোদিত ফুল বাসে আজি বিরহ রজনী ফুল্ল কুসুম শিশির সলিলে ভাসে।। https://www.youtube.com/watch?v=C7_HEP3ZHFA&t=59s ১৮৮৮ খিঃ অলি বার বার ফিরে যায় (Liesten on Youtube)
-
অলকে কুসুম না দিয়ো শুধু শিথিল কবরী বাধিয়ো
অলকে কুসুম না দিয়ো শুধু শিথিল কবরী বাধিয়ো কাজল বিহীন সজল নয়নে হৃদয় দুয়ারে ঘা দিয়ো আকুল আঁচিলে পথিক চরণে মরণের ফাঁদ ফাঁদিয়োনা না করিয়া বাদ মনে যাহা সাধ নিদয়া নীরবে সাধিয়ো এসো এসো বীণা ভূষণেই দোষ নেই তাহে দোষ নেই যে আসে আসুক ঐ তব রূপ অযত্ন ছাদে ছাদিয়ো শুধু হাসি খানি আঁখিকোণে হানি উতলা হৃদয় ধাঁদিয়ো।। https://www.youtube.com/watch?v=yOpm4If6Jrg জ্যৈষ্ঠ ১৩০৮( ১৯০১) অলকে কুসুম না দিয়ো শুধু (Listen on Youtube)
-
অরূপ বীণা রূপের আড়ালে লুকিয়ে বাজে
অরূপ বীণা রূপের আড়ালে গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ সুচিত্রা মিত্র অরূপ বীণা রূপের আড়ালে লুকিয়ে বাজে সে বীণা আজি উঠিল বাজি হৃদয় মাঝে ভুবন আমার ভরিল সুরে ভেদ ঘুচে যায় নিকটে দুরে সেই রাগিণী লেগেছে আমার সকল কাজে হাতে পাওয়ার চোখে চাওয়ার সকল বাধন গেল কেটে আজ সফল হল সকল কাঁদন সুরের রসে হারিয়ে যাওয়া সেই তো দেখা সেই তো পাওয়া বিরহ মিলন মিলে গেল আজ সমান সাজে অরূপ বীণা রূপের আড়ালে মাঘ ১৩২৬
-
অরূপ তোমার বানী
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ শ্রীকান্ত আচার্য অরূপ তোমার বানী অরূপ তোমার বানী অঙ্গে আমার চিত্তে আমার মুক্তি দিক সে আনি নিত্যকালের উৎসব তব বিশ্বের দিপালিকা আমি শুধু তারি মাটির প্রদীপ জ্বালাও তাহার শিখা নির্বাণহীন আলোকদীপ্ত তোমার ইচ্ছাখানি যেমন তোমার বসন্তবায় গীতলেখা যায় লিখে বর্ণে বর্ণে পুষ্পে পর্ণে বনে বনে দিকে দিকে তেমনি আমার প্রাণের কেন্দ্রে নিশ্বাস দাও পুরে শূন্য তাহার পূর্ণ করিয়া ধন্য করুক সুরে বিঘ্ন তাহার পুণ্য করুক তব দক্ষিনপানি ২১ নভেম্বর ১৯২৬ অরূপ তোমার বানী রেজয়ানা চৌধুরী বন্যা
-
অয়ি ভুবন মনো মোহিনী , মা
অয়ি ভুবন মনো মোহিনী অয়ি ভুবন মনো মোহিনী , মা অয়ি নির্মল সূর্য করোজ্জল ধরণী জনক জননী নীল সিন্ধু জল ধৌত চরণ তল অনিল বিকম্বিত শ্যামল অঞ্চল অম্বর চুম্বিত ভাল হিমাচল শুভ্র তুষার কিরীটিনী প্রথম প্রভাত উদয় তব গগণে প্রথম সামবর তব তপোবনে প্রথম প্রচারিত তব বনভবনে জ্ঞান ধর্ম কত কাব্য কাহিনী চির কল্যাণময়ী তুমি ধন্য দেশ বিদেশে বিতরিছ অন্ন জাহ্নবী যমুনা বিগলিত করুণা পুণ্য পীযুষ স্তন্য বাহিনী।। ডিসেম্বর ১৮৯৬ অয়ি ভুবন মনো মোহিনী
-
অয়ি বিষাদিনী বীণা আয় সখি গা লো সেই সব পুরনো গান
অয়ি বিষাদিনী বীণা আয় সখি গা লো সেই সব পুরনো গান অয়ি বিষাদিনী বীণা আয় সখি গা লো সেই সব পুরনো গান বহুদিনের লূকান স্বপনে ভরিয়া দে না লো আধার প্রাণ হাঁ রে হত বিধি মনে পড়ে তোর সেই একদিন ছিল আমি আরয লক্ষ্মী এই হিমালয় এই বিনোদিনী বীণা করে লয়ে যে গান গেয়েছি সে গান শুনিয়া জগত চমকি উঠিয়াছিল আমি অর্জুনেরে আমি যুধিষ্ঠিরে করিয়াছি স্তন দান এই কোলে বসি বাল্মীকি করেছে পুণ্য রামায়ন গান আজ অভাগিনী আজ অনাথিনী ভয়ে ভয়ে ভয়ে লূকায়ে লুকায়ে নীরবে নীরবে কাঁদি পাছে জননীর রোদন শুনিয়া একটি সন্তান উঠে রে জাগিয়া কাঁদিতে কেহ দেয় না বিধি হায় রে বিধাতা জানে না তাহারা সে দিন গিয়াছে…
-
অমৃতের সাগরে আমি যাব যাব রে
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ Malini Gangopadhyay অমৃতের সাগরে আমি যাব অমৃতের সাগরে আমি যাব যাব রে তৃষ্ণা জ্বলিছে মোর প্রাণে কোথা পথ বল হে বল ব্যথার ব্যথী হে কোথা হতে কলধ্বনি আসিছে কানে ১৯০৯ খিঃ অমৃতের সাগরে আমি যাব রবীন্দ্র সঙ্গীত
-
অমল ধবল পালে লেগেছে মন্দ মধুর হাওয়া
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ Shantideb Ghosh অমল ধবল পালে লেগেছে মন্দ অমল ধবল পালে লেগেছে মন্দ মধুর হাওয়া দেখি নাই কভু দেখি নাই এমন তরণী বাওয়া কোন সাগরের পাড় হতে আনে কোন সুদূরের ধন ভেসে যেতে চায় মন ফেলে যেতে চায় এই কিনারায় সব চাওয়া সব পাওয়া পিছনে ঝরিছে ঝরো ঝরো জল গুরু গুরু দেয়া ডাকে মুখে এসে পড়ে অরুণ কিরণ ছিন্ন মেঘের ফাঁকে ওগো কাণ্ডারি কে গো তুমি কার হাসিকান্নার ধন ভেবে মরে মোর মন কোন সুরে আজ বাঁধিবে যন্ত্র কি মন্ত্র হবে গাওয়া ৩ ভাদ্র ১৩১৫ (১৯০৮) অমল ধবল পালে লেগেছে মন্দ রবীন্দ্র সঙ্গীত
-
অমল কমল সহজে জলের কোলে আনন্দে রহে ফুটিয়া
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ Dwijen Mukhopadhyay অমল কমল সহজে জলের কোলে অমল কমল সহজে জলের কোলে আনন্দে রহে ফুটিয়া ফিরে না সে কভু আলয় কোথায় বলে ধুলায় ধুলায় লুটিয়া তেমনি সহজে আনন্দে হরষিত তোমার মাঝারে রব নিমগ্নচিত পূজা শতদল আপনি সে বিকশিত সব সংশয় টুটিয়া কোথা আছ তুমি পথ না খুঁজিব কভু শুধাব না কোন পথিকে তোমারি মাঝারে ভ্রমিব ফিরিব প্রভু যখন ফিরিব যে দিকে চলিব যখন তোমার আকাশে গেহে তোমার অমৃত প্রবাহ লাগিবে দেহে তোমার পবন সখার মতন স্নেহে বক্ষে আসেবে ছুটিয়া।। ১৩০৭ (১৯০১) অমল কমল সহজে জলের কোলে https://www.youtube.com/watch?v=CyMUuhPUeOI
-
অবেলায় যদি এসেছ আমার বনে দিনের বিদায় ক্ষণে
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ Susmita Patra অবেলায় যদি এসেছ আমার অবেলায় যদি এসেছ আমার বনে দিনের বিদায় ক্ষণে গেয়ো না গেয়ো না চঞ্চল গান ক্লান্ত এ সমীরণে ঘন বকুলের ম্লান বীথিকায় শীর্ণ যে ফুল ঝরে ঝরে যায় তাই দিয়ে হার কেন গাঁথা হায় লাজ বাসি তাই মনে চেয়ো না চেয়ো না মোর দীনতায় হেলায় নয়ন কোনে এসো এসো কাল রজনী অবসানে প্রভাত আলোর দ্বারে যেয়ো না যেয়ো না অকালে হানিয়া সকালের কলিকারে এসো এসো যদি কভু সুসময় নিয়ে আসে তার ভরা সঞ্চয় চির নবীনের যদি ঘটে জয় সাজি ভরা হয় ধনে নিয়ো না নিয়ো না মোর পরিচয় এ ছায়ার আবরণে।। আষাঢ় ১৩৩২ (১৯২৫) অবেলায় যদি এসেছ আমার…
-
অন্ধ জনে দেহো আলো মৃত জনে দেহো প্রাণ
Swagatalakhsmi Dasgupta
-
অন্তরে জাগিছ অন্তর্যামী
শ্রাবণী সেন
-
অন্ধকারের মাঝে আমায় ধরেছ দুই হাত
Swagatalakshmi Dasgupta
-
অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো
Swagatalakshmi Dasgupta
-
অন্তর মও বিকশিত করো অন্তর তর হে
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ শিল্পীঃ কোরাস অন্তর মও বিকশিত করো অন্তর মও বিকশিত করো অন্তর তর হে নির্মল করো উজ্জ্বল করো নির্ভয় করো হে জাগ্রত করো উদ্যত করো নির্ভয় করো হে মঙ্গল করো নিরলস নিঃসংশয় করো হে যুক্ত করো হে সবার সঙ্গে মুক্ত করো হে বন্ধ সঞ্চার করো হে সকল কর্মে শান্ত তোমার ছন্দ চরণ পদ্মে মম চিত্ত নিস্পন্দিত করো হে নন্দিত করো নন্দিত করো নন্দিত করো হে… ২৭ অগ্রহায়ণ ১৩১৪ (১৯০৭) অন্তর মও বিকশিত করো রবীন্দ্র সঙ্গীত
-
অনেক পাওয়ার মাঝে মাঝে কবে
Chinmoy Chatterjee
-
অনেক দিয়েছ নাথ
ঋতা চক্রবর্তী
-
অনেক দিনের শূন্যতা মোর ভরতে হবে
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পীঃ শ্রীকান্ত আচার্য ======================= অনেক দিনের শূন্যতা মোর অনেক দিনের শূন্যতা মোর ভরতে হবে মৌন বানীর তন্ত্র আমার জাগাও সুধারবে বসন্ত সমীরে তোমার ফুল ফুটানো বানী দিক পরানে আনি ডাক তোমার নিখিল উৎসবে মিলন শতদলে তোমার প্রেমের অরূপ মূর্তি দেখাও ভুবন তলে সবার সাথে মিলাও আমায় ভুলাও অহংকার খুলাও রুদ্ধুদার পূর্ণ করো প্রণতি গৌরবে।। অনেক দিনের শূন্যতা মোর =========================== ৩ মাঘ ১৩৩৪ (১৯২৮) অনেক দিনের শূন্যতা মোর https://www.youtube.com/watch?v=jfgDSiKGcG0 রবীন্দ্র সঙ্গীত
-
অনেক দিনের মনের মানুষ যেন
মহুয়া
-
অনেক দিনের আমার যে গান
অনেক দিনের আমার যে গান অনেক দিনের আমার যে গান আমার কাছে ফিরে আসে তারে আমি শুধাই তুমি ঘুরে বেড়াও কোন বাতাসে যে ফুল গেছে সকল ফেলে গন্ধ তাহার কোথায় পেলে যার আশা আজ শূন্য হল কি সুর জাগাও তাহার আশে সকল গৃহ হারাল যার তোমার তানে তারি বাসা যার বিরহে নাই অবসান তার মিলনের আনে ভাষা শুকালো যেই নয়ন বারি তোমার সুরে কাঁদন তারি ভোলা দিনের বাহন তুমি স্বপন ভাসাও দুর আকাশে পৌষ ১৩৩৬ (১৯৩০) অনেক দিনের আমার যে গান রবীন্দ্র সঙ্গীত
-
অনেক কথা যাও যে বলে
অনেক কথা যাও যে বলে অনেক কথা যাও যে বলে কোন কথা না বলি তোমার ভাষা বোঝার আশা দিয়েছি জলাঞ্জলি যে আছ মম গভীর প্রাণে ভেদিবে তারে হাসির বানে চকিত চাহ মুখের পানে তুমি যে কুতূহলী তোমারে তাই এড়াতে ফিরিয়া যাই চলি আমার চোখে যে চাওয়া খানি ধোঁয়া সে আঁখি লোরে তোমারে আমি দেখিতে পাই তুমি না পাও মোরে তোমার মনে কুয়াশা আছে আপনি ঢাকা আপনি কাছে নিজের অগোচরেই পাছে আমারে যাও ছলি তোমারে তাই এড়াতে চাই ফিরিয়া যাই চলি।। ৪ এপ্রিল ১৯২৬ অনেক কথা যাও যে বলে https://www.youtube.com/watch?v=8KkEI_Rtv4M রবীন্দ্র সঙ্গীত
-
অনেক কথা বলেছিলাম কবে
অনেক কথা বলেছিলাম কবে অনেক কথা বলেছিলাম কবে তোমার কানে কানে কত নিশীথ অন্ধকারে কত গোপন গানে গানে সে কি তোমার মনে আছে তাই শুধাতে এলেম কাছে রাতের বুকের মাঝে তারা মিলিয়ে আছে সকলখানে ঘুম ভেঙ্গে তাই শুনি যবে দীপ নেভা মোর বাতায়নে স্বপ্নে পাওয়া বাদল হাওয়া ছুটে আসে ক্ষণে ক্ষণে বৃষ্টি ধারার ঝরঝরে ঝাউ বাগানের মর্মরে ভিজে মাটির গন্ধে হটাত সেই কথা সব মনে আনে আগ্রহায়ন ১৩২৯ (১৯২২) রবীন্দ্র সঙ্গীত অনেক কথা বলেছিলাম কবে
-
অনিমেষ আঁখি সেই কে দেখেছে
অনিমেষ আঁখি সেই কে দেখেছে যে আঁখি জগতপানে চেয়ে রয়েছে রবি শশী গ্রহ তারা হয় নাক দিশাহারা সেই আঁখি পরে তারা আঁখি রেখেছে তরাসে আধারে কেন কাঁদিয়া বেড়াই হৃদয় আকাশে পানে কেন না তাকাই দ্রুব জ্যোতি সে নয়ন জাগে সেথা অনুক্ষণ সংসারের মেঘে বুঝি দৃষ্টি ঢেকেছে।। ফাল্গুন ১২৯০ (১৮৮৪) অনিমেষ আঁখি সেই কে দেখেছে রবীন্দ্র সঙ্গীত
-
অন্তরের বানী তুমি বসন্তের মাধুরী উৎসবে
অন্তরের বানী তুমি অন্তরের বানী তুমি বসন্তের মাধুরী উৎসবে আনন্দের মুখপাত্র পরিপূর্ণ করি দিবে কবে বঞ্ছুলনি কুঞ্জ তলে সঞ্চরিবে লীলাচ্ছল চঞ্চল অঞ্চল গন্ধে বনচ্ছায়া রোমাঞ্চিত হবে মন্থর মঞ্জুল ছন্দে মঞ্জীরের গুঞ্জ কল্লোল আন্দোলিবে ক্ষণে ক্ষণে অরণ্যের হৃদয় হিন্দোল নয়ন পল্লবে হাসি হিল্ললি উঠিবে ভাসি মিলন মল্লিকা মাল্য পরাইবে প্রাণবল্লভে।। ফাল্গুন ১৩৩২ (১৯২৬) অন্তরের বানী তুমি রবীন্দ্র সঙ্গীত অন্তরের বানী তুমি
-
আয় তবে সহচরী হাতে হাত ধরি ধরি
আয় তবে সহচরী আয় তবে সহচরী হাতে হাত ধরি ধরি নাচিবি ঘিরি ঘিরি গাহিবি গান আন তবে বীণা সপ্তম সুরে বাঁধ তবে তান পাশরিব ভাবনা পাশরিব যাতনা রাখিব প্রমোদে ভোরই দিবা নিশি মনো প্রাণ আন তবে বীণা সপ্তম সুরে বাঁধ তবে তান ঢাল ঢাল শশধর ঢাল ঢাল জোছনা সমীরণ বহে যারে ফুলে ফুলে ঢলি ঢলি উলসিত তটিনী উথলিত গীত রবে খুলে দেরে মন প্রাণ।। ১২৮৬ বঙ্গাব্দ (১৮৮২) রবীন্দ্র সঙ্গীত আয় তবে সহচরী
-
অনন্ত সাগর মাঝে দাও
Salma Akbar
-
অধরা মাধুরী ধরেছি ছন্দ বন্ধনে
SUBINOY RAY
-
অজানা সুর কে নিয়ে যায় কানে কানে
Nilima sen
-
অজানা খনির নতুন মনির গেঁথেছি হার
অজানা খনির নতুন মনির অজানা খনির নতুন মনির গেঁথেছি হার ক্লান্তি বিহীনা নবীনা বীণায় বেধেছি তার যেমন নূতন বনের দুকুল যেমন নূতন আমের মুকুল মাঘের অরুণে খোলে স্বর্গের নূতন দ্বার তেমনি আমার নবীন রাগের নব যৌবনে নব সোহাগের রাগিণী উচিয়া উঠিল নাচিয়া বীণার তার যে বানী আমার কখন কারো হয়নি বলা তাই দিয়ে গানে রচিব নতুন নৃত্য কলা আজি অকারণ বাতাসে বাতাসে যুগান্তরের সুর ভেসে আসে মর্মর স্বরে বনের ঘুচিল মনের ভার যেমনি ভাঙ্গিল বানীর বন্ধ উচ্ছসি উঠে নূতন ছন্দ সুরের সাহসে আপনি চকিত বীণার তার ২৭ শ্রাবণ ১৩৩৫ (১৯২৮) অজানা খনির নতুন মনির রবীন্দ্র সঙ্গীত Youtube Video Link: অজানা খনির নতুন মনির
-
অচেনাকে কি ভয় কী আমার ওরে
অচেনাকে কি ভয় অচেনাকে কি ভয় কী আমার ওরে অচেনাকেই চিনে চিনে উঠবে জীবন ভরে জানি জানি আমার চেনা কোন কালেই ফুরাবে না চিহ্ন হারা পথে আমার টানবে অচিন ডোরে ছিল আমার মা অচেনা নিলো আমায় কোলে সকল প্রেম ই অচেনা গো তাইতো হৃদয় দোলে অচেনা এই ভুবন মাঝেকত সুরেই হৃদয় বাজে অচেনা এই জীবন আমার বেড়াই তার ই ঘোরে।। ২৩ আশ্বিন (১৯১৪) রবীন্দ্র সঙ্গীত অচেনাকে কি ভয় ইউটিউব ভিডিও লিঙ্ক
-
অগ্নিশিখা এসো এসো
অগ্নিশিখা এসো এসো অগ্নিশিখা এসো এসো, আনো আনো আলো দুঃখে সুখে ঘোরে ঘোরে গৃহ দ্বীপ জ্বালো।। আনো শক্তি আনো দীপ্তি আনো শান্তি আনো তৃপ্তি আনো স্নিগ্ধ ভালবাসা আনো নিত্য ভাল এসো পুণ্য পথ বেয়ে এসো হে কল্যাণী- শুভ সুপ্তি শুভ জাগরণ দেহো আনি দুঃখ রাতে মাতৃ বেশে জেগে থাক নির্নিমেষে আনন্দ উৎসবে তব শুভ্র হাসি ঢাল।। ৪ বৈশাখ ১৩৩০ (১৯২৩) অগ্নিশিখা এসো এসোঃ ইউটিউব ভিডিও লিঙ্ক রবীন্দ্র সঙ্গীত
-
অগ্নি বীণা বাজাও তুমি কেমন করে
অগ্নি বীণা বাজাও তুমি কেমন করে আকাশ কাঁপে তারার আলোর গানের ঘোরে তেমনি করে আপন হাতে ছুলে আমার বেদনাতে নতুন সৃষ্টি জাগল বুঝি জীবন পরে বাজে বলেই বাজাও তুমি সেই গরবে ওগো প্রভু আমার প্রাণে সকল সবে বিষম তোমার বহ্নি ঘাতে বারে বারে আমার রাতে জ্বালিয়ে দিলে নতুন তারা ব্যথ্যায় ভরে।। ১৩ আশ্বিন ১৩২১ (১৯১৪) অগ্নি বীণা বাজাও তুমি কেমন করে Video; ধন্য ধন্য বলি তারে আমার নিজের কণ্ঠে গান।। আমায় ফুলেরা বলল // Amay Fulera Bollo Ami jeno Bagane Na niye Jai tomay// SD Rubel Song// RamanBiswas ১৩ আশ্বিন ১৩২১ (১৯১৪) অগ্নি বীণা বাজাও তুমি কেমন করে Video; ধন্য ধন্য বলি তারে আমার নিজের কণ্ঠে গান।। আমায় ফুলেরা বলল…
-
অকারণে অকালে মোর পড়ল যখন ডাক
অকারণে অকালে মোর অকারণে অকালে মোর পড়ল যখন ডাক তখন আমি ছিলাম শয়ন পাতি। বিশ্ব তখন তারার আলোয় দাঁড়ায়ে নির্বাক ধরায় তখন তিমির গহন রাতি। ঘরের লোকে কেঁদে কইল মোরে আধারে পথ চিনবে কেমন করে আমি কইনু, চলব আমাই নিজের আলো ধরে হাতে আমার এইযে আছে বাতি বাতি যতই উচ্চ শিক্ষায় জ্বলে আপন তেজে চোখে ততই লাগে আলোর বাধা ছায়ায় মিশে চারিদিকে মায়া ছড়ায় সে যে আধেক দেখা করে আমায় আধা। গর্ভ ভোরে যতই চলি বেগে আকাশ তত ঢাকে ধুলার মেঘে শিখা আমার কেঁপে ওঠে অধীর হাওয়া লেগে পায়ে পায়ে সৃজন করে ধাঁদা।। হঠাৎ শিরে লাগল আঘাত বনের শাখাজালে হঠা ৎ হাতে নিবল আমার বাতি।। চেয়ে দেখি পোথা হারিয়ে ফেলেছি…
-
যে গান আমাকে পাগল করে দেয়
যে গান আমাকে পাগল করে দেয় রবীন্দ্র সঙ্গীত অদিতি চক্রবর্তী Music is the only language by which we can communicate with anyone.. Nimta , Belgharia +91 98749 92521 aditimusicofficial2019@gmail.com মান্না দে গান মানেই পাগল করা গান। গান শুনলে আর কোন কিছুতে মন বসে না। পড়তে বসলে পড়াশুনা বন্ধ হয়ে যায়। গানে বিভোর হয়ে। পৃথিবীতে গান ই একমাত্র এতো হৃদয় গ্রাহী মনকে আকর্ষণ করে যদি তা আপনার মনকে ছুঁয়ে যায়। এমন অনেক গান আছে তার মনে এই একটা গান আমাকে অতীতের দিনগুলোতে নিয়ে যায়। সোনার এ দিনগুলি জীবনের দিনগুলো ঝরে যায়, যাবে ঝরে…. যাবে ঝরে,(২) তবুও কি মমতায়, তবুও কি বেদনায় দুহাতে রাখতে চাই ধরে… সোনার এ দিনগুলি জীবনের দিনগুলো ঝরে…
-
বাগিচায় বুল বুলি তুই
বাগিচায় বুল বুলবুলি তুই ফুল শাখাতে দিস নে আজি দোল নজরুল সঙ্গীত, সালাউদ্দিন আহমেদ বাগিচায় বুলবুলি তুই ফুল শাখাতে দিসনে আজি দোল ।। আজও তার ফুল কলিদের ঘুম টুটে নে তন্দ্রাতে বিলোল আজও হায় রিক্ত শাখায় উত্তরী বায় ঝরছে নিশি দিন ।। আসেনি দখিন হাওয়া গজল গাওয়া মৌমাছি বিদোল কবে সেই ফুল কুমারী ঘোমটা চিরি আসবে বাহিরে ।। শিশিরের স্পর্শ সুখে ভাঙবে রে ঘুম রাংবে রে কপোল আগুনের মুকুল জাগা দুকুল ভাঙ্গা আসবে ফুলেল বান।। কুড়িদের ওষ্ঠ ফুটে রুটবে হাসি ফুটবে গালে টোল কবি তুই গন্ধে ভুলে ডুবলি জলে কুল পেলিনে আর।। ফুলে তোর বুক ভরেছিস আজকে জালে ধররে আখির কোল বাগিচায় বুল বুলবুলি তুই ফুল শাখাতে দিস নে আজি…
-
অপরাধী গানের মিলনাত্মক ভার্শনঃ লিরিক্স
একটা সময় আমরা ছিলাম এক হৃদয়ের রঙ্গিন মানুষ দিন গুলো সব রঙ্গিন ছিল ভালবাসায় পূর্ণ বেহুশ।। বিদায় দিলাম সুখ পাখিরে দোষ দিয়ে তাই জিতব বলে অপরাধী মাইয়া রে তুই মন ভেঙ্গেছিস প্রেমের ছলে ও মাইয়া রে মাইয়া রে তুই অপরাধী রে আমার স্বপ্নে ঘেরা ভাল বাসা দে ফিরাইয়া দে ও পোলা রে পোলা রে তুই অপরাধী রে আমার যত্নে গড়া ভালবাসা দে ফিরাইয়া দে।। বিশটি বছর পার হয়েছে ছেড়ে অতীত সুখ বিরহ নামে হৃদয় জুড়ে ভাবলে প্রিয় মুখ এখন আমার হৃদয় জুড়ে নতুন ভালবাসা অতীত প্রেমের বেদন আমায় দিয়েছে নতুন আশা নতুন করে পুরাণ মানুষ নতুন নতুন সাজ সত্যি বলি ভাল থেক এই কামনা আজ আমরা দুজন দুটি ঘরে দুটি…
-
বাবু খাইছো গানটি কি অপসংস্কৃতি
বাবু খাইছো গানটি কি অপসংস্কৃতি? কয়েক দিন আগে একটি গান ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। ইতিমধ্যে গান টি ২.২ মিলিয়ন ভিউ হয়েছে শুধু মাত্র ইউটিউবে। গানটি বর্তমান তরুণ প্রজন্ম কে ব্যাপকভাবে আকৃষ্ট করেছে।কেউ কেউ বলেছে গান টি একটি অপ সংস্কৃতি! বাবু খাইছ মূলত একটি হিপ হোপ স্টাইলে পশ্চিমা ধাঁচের গান। যাকে বলা যায় DJ স্টাইলের গান। বাংলাদেশে এই ধরনের গান অনেক আগেই শুরু হয়েছে শুধু এই গান টি নয়। এখন অনেক যুবক ছেলেমেয়েরা হিপ হোপ পছন্দ করছে। এখন কথা হচ্ছে গান টি কি অপসংস্কৃতির মধ্যে পড়বে নাকি, গানের জগতে নতুন ধারার আরও একটি সংযোজন! যেহেতু বাংলাদেশ আরও আধুনিকতার দিকে যাচ্ছে দিন দিন, সে জন্য পশ্চিমা সংস্কৃতি বাংলা তে আসবে এটা স্বাভাবিক। আর…
-
তিন পাগলে হলো মেলা নদেয় এসে
তিন পাগলে হলো মেলা তোরা কেউ যাসনে ও পাগলের কাছে। তিন পাগলে হলো মেলা নদেয় এসে।। একটা পাগলামি করে জাত দেয় সে অজাতের দৌড়ে যেয়ে। আবার হরি বলে পরছে ঢলে ধুলার মাঝে।। একটা নারকেলের মালা তাতে জল তোলা ফেলে করঙ্গ সে। পাগলের সঙ্গে যাবি পাগল হবি বুঝবি শেষে।। পাগলের নামটি এমন বলিতে ফকির লালন হয় তরাসে। চৈতে নিতে অদ্বৈ পাগল নাম ধরেছে।। তিন পাগলে হলো মেলা গেড়ে গাঙ্গেরে ক্ষ্যাপা- লালনগীতি lalon geeti খাঁচার ভিতর অচিন পাখি আশা পূর্ণ হলো না আমার মনের বাসনা- লালনগীতি
-
মিলন হবে কত দিনে
মিলন হবে কত দিনে মিলন হবে কত দিনে আমার মনের মানুষের সনে।। চাতক প্রায় অহর্নিশ চেয়ে আছে কালো শশী। হব বলে চরণদাসী তা হয় না কপাল গুনে।। মেঘের বিদ্যুৎ মেঘে যেমন লুকালে না পায় অন্বেষণ। কালারে হারায়ে তেমন ঐ রুপ হেরি এ দর্পণে।। ঐ রুপ যখন স্মরণ হয় থাকে না লোকলজ্জার ভয়। লালন ফকির ভেবে বলে সদাই ও প্রেম যে করে সেই জানে।। মিলন হবে কত দিনে ধন্য ধন্য বলি তারে মনের কথা বলবো কারে লালনগীতি
-
ভবে মানুষ গুরু নিষ্ঠা যায়
ভবে মানুষ গুরু নিষ্ঠা যায় ভবে মানুষ শুরু নিষ্ঠা যায় সর্ব সাধন সিদ্ধ হয় তার।। নদী কিংবা বিল বাঁওড় খাল সর্বস্থলে একই এক জল। একা মেরে সাঁই ফেরে সর্ব ঠাই মানুষে মিশিয়ে হয় বেদান্তর।। নিরাকারে জ্যোতির্ময় যেআকার সাকার হইল সে। যেজন দিব্যজ্ঞানী হয় সেহি জানতে পায় কলি যুগে হলো মানুষ অবতার।। বহুতর্কে দিন বয়ে যায় বিশ্বাসে ধন নিকটে পায়।সিরাজ সাঁই ডেকে বলে লালনকে কুতর্কের দোকান খুলিস নে আর।। ভবে মানুষ গুরু নিষ্ঠা যায় ভবে মানুষ শুরু নিষ্ঠা যায়
-
করি মানা কাম ছাড়েনা মদনে
করি মানা কাম ছাড়েনা মদনে করি মানা কাম ছাড়েনা মদনে প্রেম রসিকা হব কেমনে।। এই দেহেতে মদন রাজা করে কাচারি কর আদায় করে লয়ে যায় হুজুরি। মদন তো দুষ্টু ভারি তারে দাও তহশিলদারি করে সে মুনশিগিরি গোপনে ।। চোর দিয়ে চোর ধরাধরি একি কারখানা আমি তাই জিজ্ঞাসিলে তুমি বলো না। সাধু থাকে চেতন ঘরে চোর সব পালায় ডরে নইলে চোর লয়ে যাবে কোনখানে।। অধিন লালন বিনয় করে সিরাজ সাঁই এর পায় স্বামী মারিলে লাথি নালিশ জানাব কোথায়। তুমি মোর প্রানপতি কি দিয়ে রাখবো রতি কেমনে হব সতী চরণে।। করি মানা কাম ছাড়েনা মদনে গেড়ে গাঙ্গেরে ক্ষ্যাপা- লালনগীতি lalon geeti https://www.youtube.com/watch?v=NUxV7jTfd9A
-
আপন ঘরের খবর নে না
আপন ঘরের খবর নে না আপন ঘরের খবর নে না । অনাসে দেখতে পাবি কোনখানে সাইর বারামখানা।। কমলকোঠা কারে বলি কোন মোকাম তার কোথা গলি। কোন সময় পড়ে ফুলি মধু খায় সে অলিজনা।। সুক্ষজ্ঞান যার ঐক্য মুখ্য সাধকেরই উপলক্ষ। অপরুপ তার বৃক্ষ দেখলে চোখের পাপ থাকে না।। শুক্ল নদীর সুখ সরবোর তিলে তিলে হয় গো সাঁতার। লালন কয় কীর্তিকর্মার কীর্তিকর্মার কি কারখানা আপন ঘরের খবর নে না https://www.youtube.com/watch?v=wlObAU1fMI8
-
গেড়ে গাঙ্গেরে ক্ষ্যাপা- লালনগীতি lalon geeti
গেড়ে গাঙ্গেরে ক্ষ্যাপাহাপুর হুপুর ডুব পারিলে।এবার মজা যাবে বোঝাকার্তিকের উলানির কালে।। কুতবি যখন কাফের জ্বালায়তাবিজ তাগা বাঁধবি গলায়।তাতে কি রোগ হবে ভালাইমস্তকের জল শুষ্ক হলে।। বাইচালা দেয় ঘড়ি ঘড়িডুব পারিস কেন তারাতারি।প্রবল হবে কফের নাড়িযাতে হানি জীবনমুলে।। ক্ষান্ত দে রে ঝাপাই খেলাশান্ত হরে ও মন ভোলা।লালন কয় আছে বেলাদেখলি নারে চক্ষু মেলে।।
-
সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে
সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে। লালন বলে জাতের কি রুপ দেখলাম না এই নজরে।। সুন্নত দিলে হয় মুসলমান নারী লোকের কি হয় বিধান। বামন চিনি পৈতে প্রমাণ বামনী চিনি কি করে।। কেউ মালা কেউ তসবিহ গলে তাইতে কি জাত ভিন্ন বলে। আসা কিংবা যাওয়ার কালে জাতের চিহ্ন রয় কারে।। জগৎ জুরে জাতের কথা লোকে গল্প করে যথাতথা। লালন বলে জাতের ফাতা ডুবাইছি সাধবাজারে।। সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে গেড়ে গাঙ্গেরে ক্ষ্যাপা- লালনগীতি lalon geeti তিন পাগলে হলো মেলা নদেয় এসে ভবে মানুষ গুরু নিষ্ঠা যায়
-
ক্ষম ক্ষম অপরাধ- লালনগীতি
ক্ষম ক্ষম অপরাধ- লালনগীতি ক্ষম ক্ষম অপরাধ দাসের পানে একবার চাও হে দয়াময়। বড় সঙ্কটে পড়িয়া দয়ালবারে বারে ডাকি তোমায়।। তোমার ক্ষমতায় আমি যা ইছে তাই করো তুমি।রাখো মারো সে নাম নামি তোমারই এই জগৎময়।। পাপী অধম ত্বরাতে সাঁই পতিত পাবন নাম শুনতে পাই।সত্য মিথ্যা জানবো হেথায় ত্বরাইলে আজ আমায়।। কসুর পেয়ে মারো যারে আবার দয়া হয় গো তারে। লালন বলে এ সংসারে আমি কি তোর কেহই নই।। ক্ষম ক্ষম অপরাধ https://www.youtube.com/watch?v=GtCR8Mbg8KA
-
যেখানে সাইর বারামখানা
যেখানে সাইর বারামখানা যেখানে সাইর বারামখানা। শুনিলে প্রাণ চমকে উঠে দেখতে যেমন ভুজঙ্গনা।। যা ছুঁইলে প্রাণে মরি এ জগতে তাইতে তরি। বুঝেও তা বুঝতে নারিকীর্তিকর্মার কি কারখানা।। আত্মতত্ত্ব যে জেনেছে দিব্যজ্ঞানী সেই হয়েছে।কুবৃক্ষে সুফল পেয়েছে আমার মনের ঘোর গেলনা।। যে ধন উৎপত্তি প্রাণধন সেই ধনের হলো না যতন। অকালের ফল পাকায় লালন দেখে শুনে জ্ঞান হলো না।। যেখানে সাইর বারামখানা ফরিদা পারভীন – যেখানে সাঁইর বারামখানা গেড়ে গাঙ্গেরে ক্ষ্যাপা- লালনগীতি lalon geeti
-
গুরুর চরণ অমূল্য ধন
গুরুর চরণ অমূল্য ধন গুরুর চরণ অমূল্য ধন বাঁধো ভক্তি রসে। মানব জনম সফল হবে গুরুর উপদেশে।। হিংসা নিন্দা তমঃ ছাড়ো মরার আগেতে মরো।তবে যাবে ভবপারে ঘুচবে মনের দিশে।। ষোলকলা পূর্ণরতি হতে হবে ভাবপ্রকৃতি গুরু দেবেন পূর্ণরতি হৃদকমলে বসে।। পারাপারের খাবর জানো মহর গুরুকে মানো।লালন কয় ভাবছো কেন পড়ে মায়ার ফাঁসে।। গুরুর চরণ অমূল্য ধন গেড়ে গাঙ্গেরে ক্ষ্যাপা- লালনগীতি lalon geeti তিন পাগলে হলো মেলা নদেয় এসে
-
এসব দেখি কানার হাট বাজার
এসব দেখি কানার হাট বাজার এসব দেখি কানার হাট বাজার বেদ বিধির পর শাস্ত্র কানা আর এক কানা মন আমার।। পণ্ডিত কানা অহংকারে মাতবর কানা চোগলখোরে। সাধু কানা অন বিচারেআন্দাজে এক খুঁটি গেঁড়ে, চেনে না সীমানা কার।। এক কানা কয় আর এক কানারেচলো এবার ভবপারে। নিজে কানা পথ চেনে না পরকে ডাকে বারে বার।। কানায় কানায় উলামিলা বোবাতে খায় রসগোল্লা। লালন তেমনি মদনা কানা ঘুমের ঘোরে দেয় বাহার।। এসব দেখি কানার হাট বাজার (লালনগীতি রিঙ্কু___এ সব দেখি কানার হাট-বাজার) গেড়ে গাঙ্গেরে ক্ষ্যাপা- লালনগীতি Lalon Geeti গান ও লিরিক্স ক্যাটাগরি
-
পার করো হে দয়াল চাঁদ আমারে
পার করো হে দয়াল চাঁদ আমারে পার করো হে দয়াল চাঁদ আমারে ক্ষম হে অপরাধ আমার এ ভাব-কারাগারে।। পাপী অধম জীব হে তোমার তুমি যদি না করো পার দয়া প্রকাশ করে। পতিতপাবন পতিতনাশন বলবে কে আজ তোমারে।। না হইলে তোমার কৃপা সাধন সিদ্ধি কোথা বা কে করতে পারে। আমি পাপী তাইতে ডাকি ভক্তি দাও মোর অন্তরে।। জলে স্থলে সর্ব জায়গায় তোমারই সব কীর্তিময় ত্রিবিধ সংসারে। তাই না বুঝে অবোধ লালন প’লো বিষম ঘোরতরে।। পার করো হে দয়াল চাঁদ আমারে-Lalon সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে
-
খাঁচার ভিতর অচিন পাখি
খাঁচার ভিতর অচিন পাখি- লালনগীতি খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়।ধরতে পারলে মনবেরি দিতাম পাখির পায়।। আট কুঠুরী নয় দরজা আঁটা মধ্যে মধ্যে ঝাঁকরা কাঁটা। তার উপরে সদর কোঠা আয়নামহল তায়।। কপালের ফ্যার নইলে কি আর পাখিটির এমন ব্যবহার।খাঁচা ভেঙ্গে পাখি আমারকোন বনে পালায়।। মন তুই রইলি খাঁচার আশে খাঁচা যে তোর কাঁচা বাঁশে। কোন দিন খাঁচা পড়বে খসেফকির লালন কেঁদে কয়।। খাঁচার ভিতর অচিন পাখি- লালনগীতি ফরিদা পারভীন – খাঁচার ভিতর অচিন পাখি গেড়ে গাঙ্গেরে ক্ষ্যাপা- লালনগীতি lalon geeti আশা পূর্ণ হলো না আমার মনের বাসনা- লালনগীতি
-
পারে লয়ে যাও আমায়
পারে লয়ে যাও আমায় পারে লয়ে যাও আমায় আমি অপার হয়ে বসে আছি ওহে দয়াময়।। আমি একা রইলাম ঘাটে ভানু সে বসিলো পাটে। তোমা বিনে ঘোর সংকটে না দেখি উপায়।। নাই আমার ভজন সাধন চিরদিন কুপথে গমন।নাম শুনেছি পতিত পবন তাইতে দেই দোহাই।। অগতির না দিলে গতি ঐ নামে রবে অখ্যাতি।লালন কয় অকুলের পতিকে বলবে তোমায়।। পারে লয়ে যাও আমায় ফরিদা পারভীন – আমি অপার হয়ে বসে আছি ওহে দয়াময়গেড়ে গাঙ্গেরে ক্ষ্যাপা- লালনগীতি lalon geeti আশা পূর্ণ হলো না আমার মনের বাসনা- লালনগীতি সময় গেলে সাধন হবে না- লালনগীতি লালনগীতি
-
আশা পূর্ণ হলো না আমার মনের বাসনা- লালনগীতি
আশা পূর্ণ হলো না আমার মনের বাসনা- লালনগীতি আশা পূর্ণ হলো না আমার মনের বাসনা ।। বিধাতা সংসারের রাজা আমায় করে রাখলেন প্রজা। কর না দিলে দেয় গো সাজা কারো দোহাই মানে না।। বাঞ্চা করি যুগল পদে সাধ মিটাব ঐ পদ সেধে। বিধি বৈমুখ হলো তাতে দিল সংসার যাতনা।। পড়ে গেলাম বিধির বামে ভুল হলো মোর মূল সাধনে।লালন বলে এই নিদানেমুর্শিদ ফেলে যেও না।। আশা পূর্ন হল না আমার মনের বাসনা। ফরিদা পারভিন গেড়ে গাঙ্গেরে ক্ষ্যাপা- লালনগীতি lalon geeti সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে ক্ষম ক্ষম অপরাধ- লালনগীতি
-
যাও হে শ্যাম রাইকুঞ্জে আর এসো না
যাও হে শ্যাম রাইকুঞ্জে যাও হে শ্যাম রাইকুঞ্জে আর এসো না। এলে ভালো হবেনা।। গাছ কেটে জল ঢালো পাতায় এ চাতুরি শিখলে কোথায়।উচিত ফল পাবে হেথায় তা নইলে টের পাবে না।।করতে চাও শ্যাম নগরালি যাও যথা সেই চন্দ্রাবলী। এ পথে পড়েছে কালি এ কালি আর যাবেনা।। কেলে বধু জানা গেলো উপরে কালো ভিতিরে কালো লালন বলে উভয় ভালো করি উভয় বন্দনা।। গেড়ে গাঙ্গেরে ক্ষ্যাপা- লালনগীতি lalon geetiসব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারেক্ষম ক্ষম অপরাধ- লালনগীতি
-
সময় গেলে সাধন হবে না- লালনগীতি
সময় গেলে সাধন হবে না- লালনগীতি সময় গেলে সাধন হবে না।দিন থাকিতে তিনের সাধন কেন করলে না।। জানো না মন খালে বিলে থাকে না মীন জল শুকালে।কি হবে আর বাঁধাল দিলে, মোহনা শুকনা।। অসময়ে কৃষি করে মিছামিছি খেটে মরে।গাছ জদিও হয় বীজের জোরে, ফল ধরে না।। অমাবস্যায় পূর্ণিমা হয় মহাযোগ সেই দিনে উদয়। লালন বলে তাহার সময় দণ্ড রয় না লালন গেড়ে গাঙ্গেরে ক্ষ্যাপা- লালনগীতি lalon geeti সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে ক্ষম ক্ষম অপরাধ- লালনগীতি আশা পূর্ণ হলো না আমার মনের বাসনা- লালনগীতি স্বরূপে রূপ আছে গিলটি করা-লালন গীতি
-
দেখ না মন ঝাকমারি এই দুনিয়া দারি- লালনগীতি
দেখ না মন ঝাকমারি এই দেখ না মন ঝাক মারি এই দুনিয়াদারি। পরিয়ে কৌপনি ধ্বজা মজা উড়ালো ফকিরি।। বড় আশায় বাসা এ ঘর পড়ে রবে কোথা রে কার ঠিক নাই তারই।পিছে পিছে ঘুরছে শমন কোনদিন হাতে দেবে দড়ি।। দরদের ভাই বন্ধুজনা ম’লে সঙ্গে কেউ যাবেনা মন তোমারই। খালি হাতে একা পথে বিদায় করে দেবে তোরই।। যা করো তাই করো রে মন পিছের কথা রেখ স্মরণ বরাবরই। দরবেশ সিরাজ সাঁই কয় শোন রে লালন হোস নে কারো ইন্তেজারি।। ফরিদা পারভীন – দেখনা মন ঝাঁক মারি এই দুনিয়াদারী গেড়ে গাঙ্গেরে ক্ষ্যাপা- লালনগীতি lalon geeti সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে আশা পূর্ণ হলো না আমার মনের বাসনা- লালনগীতি আশা পূর্ণ হলো না…
-
বলরে নিমাই বল আমারে- লালনগীতি
বলরে নিমাই বল আমারে বলরে নিমাই বল আমারে।রাধা বলে আজগুবি আজ কাঁদলি কেন ঘুমের ঘোরে।। সেই যে রাধার কি মহিমা বেদাদিতে নাইরে সীমা। ধ্যানে যারে পায় না ব্রহ্মা তুই কি রুপে জানলি তারে।। রাধে তোমার কি হয় নিমাই সত্য করে বলো আমায়।এমন বালক সময় এ বোল কে শেখালো তোরে।। তুমি শিশু ছেলে আমার মা হয়ে ভেদ পাইনে তোমায়।লালন কয় শচীন কুমার জগৎ ফেললো চমৎকারে।। গেড়ে গাঙ্গেরে ক্ষ্যাপা- লালনগীতি lalon geeti সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে ক্ষম ক্ষম অপরাধ- লালনগীতি আশা পূর্ণ হলো না আমার মনের বাসনা- লালনগীতি আশা পূর্ণ হলো না আমার মনের বাসনা- লালনগীতি দেখ না মন ঝাকমারি এই দুনিয়া দারি- লালনগীতি মনের কথা বলবো কারে –…
-
তুই ফেলে এসেছিস কারে মন মন রে আমার
তুই ফেলে এসেছিস কারে মন গানের কথা- রবীন্দ্র সঙ্গীত (Rabindra Sangeet)
-
আমার ঘর খানায় কে বিরাজ করে
-
বিষয় বিষে চঞ্চল মন দিবা রজনী- লালনগীতি
-
আপনার আপনি ফানা হলে সে ভেদ জানা যাবে
আপনার আপনি ফানা হলে সে ভেদ- লালনগীতি আপনার আপনি ফানা হলে সে ভেদ জানা যাবে। কোন নামে ডাকিলে তারে হৃদাকাশে উদয় হবে।। আরবি ভাষায় বলে আল্লাহ ফারসিতে কয় খদাতালা। গড বলিছে যীশুর চেলা ভিন্ন দেশে ভিন্ন ভাবে।। মনের ভাব প্রকাশিতে ভাষার উদয় এ জগতে। মনাতীত অধরে চিনতে ভাষাবাক্য নাহি পাবে।। আল্লাহ হরি ভজন পূজন এ সকল মানুষের সৃজন। অনামক চেনায় বচন বাগেন্দ্রিয় না সম্ভবে।। আপনাতে আপনি ফনা হলে তারে যাবে জানা।সিরাজ সাঁই কয় লালন কানা সরূপে রুপ দেখ সংক্ষেপে।। আপনার আপনি ফানা হলে সে ভেদ
-
রঙ্গবতী রে রঙ্গবতী
রঙ্গবতী রে রঙ্গবতী গানের কথা ও রঙ্গবতী রে রঙ্গবতীআরে রঙ্গবতী রঙ্গবতী কনকলতাহসি পদে কহন কথাহায় গো লাজে লাজে, লাজে লাজেহে লাজে লাজে, লাজে লাজেলাজে লাজে লাই যাউছে মাথা মোরনাই করো, নাই করো ওথা আরে মিত্র ভানু গুনতে আর কথায়প্রভুদত্ত প্রধান করিল সুরএত সুন্দর গীত আমাদের!এই গীত একটু তোমাদের ভাষায় শুনাবো নাকি গো ও রঙ্গবতী রে রঙ্গবতীও রঙ্গবতী রে রঙ্গবতীরঙ্গবতী রঙ্গবতী রঙ্গিলা অন্তরেহাবুডুবু তোমারই কথারঙ্গবতী রঙ্গবতী রঙ্গিলা অন্তরেহাবুডুবু তোমারই কথা হায় গো লাজে, লাজে লাজেহায় গো লাজে, লাজে লাজেহায়, লাজে লাজে মরে রই দোহাই রসিক নাগরমোর নাই কোনো নাই কোনো ব্যথালাজে লাজে মরে রই রসিক নাগরমোর নাই কোনো নাই কোনো ব্যথা স্বপন দিলে স্বপনস্বপন আবার দিলে স্বপনরূপে তোমার মরি বাঁচি বক্ষ…
-
অপারের কাণ্ডার নবিজী আমার
অপারের কাণ্ডার নবিজী আমার অপারের কাণ্ডার নবিজী আমার ভজন সাধন বৃথা গেল আমার নবি না চিনে।নবি আউয়াল আখের জাহের বাতেন কখন কোন রুপ ধারন করেন কোনখানে।। আসমান জমিন জলাদি পবন যে নবির নূরেতে সৃৃৃজন। কোথায় ছিল সে নবীজির আসন নবি পুরুষ কি প্রকৃতি আকার তখনে।। আল্লাহ নবি দুটি অবতার গাছ বীজ দেখি যে প্রকার।সুবুদ্ধিতে কর তার বিচার গাছ বড় কি ফলটি বড় নাও জেনে।। আত্ম তত্ত্বে ফাজেল যে জনা সেই জানে নবির নিগুর কারখানা। রাসুল রুপে প্রকাশ রব্বানা লালন বলে দরবেশ সিরাজ সাইর গুনে।। চিরদিন জল ছেঁচে মোর গেড়ে গাঙ্গেরে ক্ষ্যাপা- লালনগীতি lalon geeti মন সহজে কি সই হবা চিরদিন ইচ্ছা মনে ধন্য ধন্য বলি তারে
-
সেই কালাচাঁদ নদেয় এসেছে- লালনগীতি
সেই কালাচাঁদ নদেয় এসেছে- লালনগীতি সেই কালাচাঁদ নদেয় এসেছে ও সে বাজিয়ে বাঁশি ফিরছে সদাই কুলবতীর কুলনাশে।।মজবি যদি কালার পিরিতি আগে জান গে যা তার কেমন রীতি।প্রেম করা নয় প্রানে মরা অনুমানে বুঝিয়েছে।।ঐ পদে কেউ রাজ্য জদিও দেয় তবু কালার মন নাহি পাওয়া যায়। রাধা বলে কাঁদছে এখন তারে কতো কাঁদিয়েছে।। ব্রজে ছিল জলদ কালো কী সাধনে গৌর হোল।লালন বলে চিহ্ন কেবল দুনয়ন বাঁকা আছে।। সেই কালাচাঁদ নদেয় এসেছে গেড়ে গাঙ্গেরে ক্ষ্যাপা- লালনগীতি lalon geeti অপারের কাণ্ডার নবিজী আমার চিরদিন জল ছেঁচে মোর ধন্য ধন্য বলি তারে
-
মনের কথা বলবো কারে – লালনগীতি
মনের কথা বলবো কারে – লালনগীতি মনের কথা বলবো কারে মন জানে আর জানে মরম মজেছি মন দিয়ে যারে।। মনের তিনটি বাসনা নদীয়ায় করবো সাধন নইলে মনের বিয়োগ যায় না তাইতে ছিদাম এ হাল মোরে।। কটিতে কৌপীন পরিব করেতে করঙ্গ নেবো মনের মানুষ মনে রাখবো কর যোগাবো মনের শিরে।। যে দায়ের দায় আমার এ মন রসিক বিনে বুঝবে কোন জন গৌর হয়ে নন্দের নন্দন লালন কয় টা বিনয় করে।। মনের কথা বলবো কারে – লালনগীতি গেড়ে গাঙ্গেরে ক্ষ্যাপা- লালনগীতি lalon geeti সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে ক্ষম ক্ষম অপরাধ- লালনগীতি আশা পূর্ণ হলো না আমার মনের বাসনা- লালনগীতি সময় গেলে সাধন হবে না- লালনগীতি সময় গেলে সাধন হবে…
-
চাতক বাঁচে কেমনে মেঘের বরিষণ বিনে
চাতক বাঁচে কেমনে মেঘের বরিষণ বিনে-লালনগীতি চাতক বাঁচে কেমনে মেঘের বরিষণ বিনে।। তুমি হে নব জলধর চাতকিনী মা’লো এবার রাখ ভুবনে ।। তুমি দাতার শিরোমণি আমি চাতক অভাগিনী। তোমা ভিন্ন আর না জানি রাখ চরণে।। চাতক ম’লে যাবে জানা ঐ নামের গৌরব রবে না জল দিয়ে কর সান্তনা অবোধ লালনে।। চাতক বাঁচে কেমনে মেঘের গেড়ে গাঙ্গেরে ক্ষ্যাপা- লালনগীতি lalon geeti ক্ষম ক্ষম অপরাধ- লালনগীতি সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে আশা পূর্ণ হলো না আমার মনের বাসনা- লালনগীতি সময় গেলে সাধন হবে না- লালনগীতি সময় গেলে সাধন হবে না- লালনগীতি মনের কথা বলবো কারে লালনগীতি
-
চিরদিন জল ছেঁচে মোর
চিরদিন জল ছেঁচে মোর জল ছাড়ে না এ ভাঙ্গা নায়। এক মালা জল ছেঁচতে গেলে তিন মালা যোগায় তেতালায়।। ছুতোর বেটার কারসাজিতে জনম তরীর ছাদ মারা নয় । তরীর আশেপাশে কাষ্ঠ সরল মেজেল কাঠ গড়েছে তলায়।। আগায় মোর মন সর্বক্ষণ বসে বসে চোকম খেলায়। আমার দশা তলা ফাঁসা জল ছেঁচা সার গুদড়ী গলায়।। মহাজনের অমূল্য ধন মারা গেল ডাকনি জোলায়। লালন বলে মোর কপালে কি হবে নিকাশের বেলায়। চিরদিন জল ছেঁচে মোর চিরদিন জল ছেঁচে মোর – Lalongeeti
-
রাত পোহালে পাখি বলে
রাত পোহালে পাখি বলে গান -লালনগীতি রাত পোহালে পাখি বলে দে রে খাই দে রে খাই আমি গুরু কার্য মাথায় রেখে কি করি আর কথাই যাই।। এমন পাখি কে বা পোষে খেতে চায় সাগর শুষে তারে কি দিয়ে জগাই।। আমার বুদ্ধি গেল সাধও গেল নাম হলরে পেটুক সাঁই ।। আমি বলি ও আত্মারাম মুখেতে লও আল্লার নাম। তুমি যাতে মুক্তি পাও ।। আরে কথায় কেমন হয়না রতন খাবো খাবো খাবো রস সবাই।। আমি হলাম লাল পড়া পাখি আমার বেয়াড়া ।সবর বুঝি নাই তার সবর বুঝি নাই।। ফকির লালন বলে পেত ভরিলে কিসের আর গুরু-গোঁসাই।। রাত পোহালে পাখি বলে
-
খালি ভাঁড় থাকবে রে পড়ে – লালনগীতি
খালি ভাঁড় থাকবে রে পড়ে – লালনগীতি খালি ভাঁড় থাকবে রে পড়ে দিনে দিন কর্পূর তোর যাবে রে উরে।। মন যদি গোলমরিচ হতো তবে কি আর কর্পূর যেত। তিলক আদি না থাকিত সুসঙ্গ ছেরে।। অমূল্য কর্পূর যাহা ঢাকা দেওয়া আছে তাহা। কেমনে প্রবেশে হাওয়া কর্পূরের ভাঁড়ে।। সে ধন রাখিবার কারণ নিলে না গুরুর স্মরণ। লালন বলে বেড়াই এখন ভাগাড় ভাগাড়ে।। খালি ভাঁড় থাকবে রে পড়ে – লালনগীতি গেড়ে গাঙ্গেরে ক্ষ্যাপা- লালনগীতি lalon geeti সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে ক্ষম ক্ষম অপরাধ- লালনগীতি আশা পূর্ণ হলো না আমার মনের বাসনা- লালনগীতি সময় গেলে সাধন হবে না- লালনগীতি দেখ না মন ঝাকমারি এই দুনিয়াদারি- লালনগীতি স্বরূপে রূপ আছে গিলটি…
-
গোষ্ঠে আর যাবনা – লালনগীতি
গোষ্ঠে আর যাবনা – লালনগীতি গোষ্ঠে আর যাবনা বলাই দাদার দয়া নাই প্রানে। গোষ্ঠে আর যাবনা মাগো দাদা বলাইয়ের সনে।। বড় বড় রাখাল যারা বনে বসে থাকে তারা। আমায় করে জ্যান্তে মরা ধেনু ফিরানে।। ক্ষুধাতে প্রান আকুল হয় মা ধেনু রাখার বল থাকেনা। বলাই দাদা বোল বুঝেনা কয় কথা হেনে।। বনে যেয়ে রাখাল সবাই বলে এসো খেলি কানাই। হারিলে স্কন্ধে বলাই চড়ে তখনে।। আজকের মতো তোরাই যারে আমি তো যাবনা বনে। খেলবো খেলা আপন মনে লালন তাই ভনে।। গোষ্ঠে আর যাবনা- বলাই দাদার দয়া নাই প্রানে।
-
চাঁদ ধরার ফাঁজান রে মন
চাঁদ ধরার ফাঁজান রে মন- লালনগীতি চাঁদ ধরার ফাঁদ জান না রে মন লেহাজ নাই তোমার নাচানাচি সারএকবার লাফ দিয়ে ধরতে চাও গগন।।সামান্যে রসের মর্ম পাবে কেকেবল প্রেমরসের রসিক সে।সে প্রেম কেমন, কর নিরুপনপ্রেমের সন্ধি জেনে থাক চেতন।। ভক্তিপাত্র আগে কর নির্নয়মুক্তিদাতা এসে তাতে বারাম দেয়।নইলে হবে না প্রেম উপাসনামিছে জল সেচিয়ে হবে মরন।।মুক্তিদাতা আছে নয়নের অজানভক্তিপাত্র সিঁড়ি দেখ বর্তমান। মুখে গুরু বল, সিঁড়ি ধরে চলসিঁড়ি ছাড়লে ফাঁকে পড়বি লালন।। চাঁদ ধরার ফাঁজান রে মন চাঁদ ধরার ফাঁজান রে মন লালন গীতি
-
মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি
মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি। মানুষ ছাড়া ক্ষ্যাপা রে তুই মূল হারাবি।। এই মানুষে মানুষ গাথা যেমন গাছের আলকলতা। জেনে শুনে মুড়াও মাথা জাতে ত্বরবি।। দ্বিদলে মৃণালে সোনার মানুষ উজলে। মানুষ গুরুর কৃপা হলে জানতে পাবি।। এই মানুষ ছাড়া মন আমার পড়বি রে তুই শূন্যকার। লালন বলে মানুষ আকার ভজলে তারে পাবি।। মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি লালন গীতি
-
সবে কি হবে ভবে ধর্মপরায়ণ
সবে কি হবে ভবে ধর্মপরায়ণ সবে কি হবে ভবে ধর্মপরায়ণ।যার যা সেই সে করেতোমার বলা অকারণ।। কাঁটার মুখ কেউ চাছে নাময়ূর চিত্র কেউ করে না।এমনি মতে সব ঘটনাযার যাতে আছে সৃজন।। চিন্তামণি পদ্মিনী নারীএরাই পতিসেবার অধিকারী।হস্তিনী শঙ্খিনী নারীতারা কর্কশ ভাষায় কয় বচন।। শশক পুরুষ সত্যবাদীমৃগপুরুষ উধধরভেদি।অশ্ব বৃষ বেহুশ নিরবধিতাদের কুকর্মেতে সদাই মন।। ধর্ম কর্ম আপনার মনকরে ধর্ম সব মোমিনগণ।লালন বলে ধর্মের কারন প্রাপ্তি হবে নিরঞ্জন।। সবে কি হবে ভবে ধর্মপরায়ণ
-
পারে কে যাবি তোরা আয় না জুটে
পারে কে যাবি তোরা আয় না জুটে পারে কে যাবি তোরা আয় না জুটে।নিতাই চাঁদ হয়েছে নেয়ে ভবের ঘাটে।। হরি নামের তরী আররাধা নামের বাদাম তাঁর।পারে যেতে ভয় কিরে আর নায়ে উঠে।। নিতাই বড় দয়াময়পাড়ের কড়ি নাহি লয়এমন দয়াল মিলবে কি আর এই ললাটে।। ভাগ্যবান যেই ছিলসেই তরীতে পার হলো।লালন ঘোর তুফানে প’লো ভক্তি চটে।। পারে কে যাবি তোরা আয় না জুটে লালন গীতি
-
জাত গেল জাত গেল বলে- লালনগীতি
জাত গেল জাত গেল বলে- লালনগীতি জাত গেল জাত গেল বলেএকি আজব কারখানা ।সত্য কাজে কেউ নয় রাজিসবই দেখি টা না না না।। আসবার কালে কি জাত ছিলেএসে তুমি কি জাত নিলে।কি জাত হবা যাবার কালেসেই কথা ভেবে বল না।। ব্রাহ্মণ চণ্ডাল চামার মুচিএক জলে সব হয় গো শুচি।দেখে শুনে হয় না রুচি যমে তো কাউকে ছারবে না।।গোপনে যে বেশ্যার ভাত খায় তাতে ধর্মের কি ক্ষতি হয়।লালন বলে জাত কারে কয় এই ভ্রম তো গেল না।। আকাশ তোমায় কোন রূপে মন চিনতে পারে স্বরূপে রূপ আছে গিলটি করা-লালন গীতি ক্ষম ক্ষম অপরাধ- লালনগীতি আশা পূর্ণ হলো না আমার মনের বাসনা- লালনগীতি সময় গেলে সাধন হবে না- লালনগীতি দেখ না মন…
-
ধন্য ধন্য বলি তারে
ধন্য ধন্য বলি তারে বেঁধেছে এমন ঘর শুন্যের উপর পোস্তা করে।। ঘরের সবে মাত্র একটি খুঁটিঘরের সবে মাত্র একটি খুঁটিখুঁটির গোঁড়াই নাইকো মাটি।কিসে ঘর রবে খাঁটিঝড়ি তুফান এলে পরে।। ঘরের মুলাধার কুঠুরি নয়টাতার উপরে চিলেকোঠা।তাহে এক পাগলা বেটাবসে একা একেশ্বরেঘরের উপর নিচে সারি সারিসাড়ে নয় দরজা তারি।লালন কয় যেতে পারিকোন দরজা খুলে ঘরে।। লালন গীতি ধন্য ধন্য বলি তারে Moner Manush Song | Prosenjit | Paoli গেড়ে গাঙ্গেরে ক্ষ্যাপা- লালনগীতি lalon geeti সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে ক্ষম ক্ষম অপরাধ- লালনগীতি আশা পূর্ণ হলো না আমার মনের বাসনা- লালনগীতি সময় গেলে সাধন হবে না- লালনগীতি
-
স্বরূপে রূপ আছে গিলটি করা-লালন গীতি
স্বরূপে রূপ আছে গিলটি করা-লালন গীতি স্বরূপে রূপ আছে গিলটি করা। রূপসাধন করলো স্বরূপ নিষ্ঠা যারা।। শতদল সহস্রদলে রূপ স্বরূপে ভাটা খেলে। ক্ষণেক রূপ রয় নিরালে নিরাকারা।। রূপ বললে যদি হয় রূপসাধন তবে কি আর ভয় ছিল মন। সে মহারাগের করণ স্বরূপ দ্বারা।। আসবে বলে স্বরূপমণি থাক গা বসে ভাব-ত্রিবেণী লালন কয় সামাল ধনি সেই কিনারা।। এমন মানব জমিন রইল পতিত আবাদ করলে ফলতো সোনা আকাশ তোমায় কোন রূপে মন চিনতে পারে আগুনের পরশ মনি ছোঁয়াও প্রাণে অনেক দিনের মনের মানুষ যেন এলে কে মন সহজে কি সই হবা চিরদিন ইচ্ছা মনে
-
মন সহজে কি সই হবা
মন সহজে কি সই হবা চিরদিন ইচ্ছা মনে আইল ডিঙ্গায়ে ঘাস খাবা মন সহজে কি সই হবা। ডাবার পর মুগুর প’লে সেইদিনে গা টের পাবা।। বাহার তো গেছে চলে পথে যাও ঠেলা পেড়ে কোনদিনে পাতাল ধাবা তবু দেখি গেলো না তোর ত্যাড়া চলন বদলোভা।। সুখের আশ থাকলে মনে দুঃখের ভার নিদানে তুমি অবশ্যই মাথায় নিবা। সুখ চেয়ে সোয়াস্তি ভালো শেষকালে তে পস্তাবা।। ইল্লতে স্বভাব হলে পানিতে কি যায় রে ধুলে খাজলতি কিসে ধুবা। লালন বলে হিসাব কালে সকল ফিকির হারাবা।। মন সহজে কি সই হবা Video গেড়ে গাঙ্গেরে ক্ষ্যাপা- লালনগীতি lalon geeti চিরদিন জল ছেঁচে মোর





























































