প্রাগৈতিহাসিক
-
বিবর্তন কাকে বলে? কেন বানর মানুষ হচ্ছে না?
বিবর্তন কাকে বলে? কেন বানর মানুষ হচ্ছে না? বিবর্তন বলতে বোঝায় প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে জীবের গাঠনিক ও বৈশিষ্ট্যগত পরিবর্তন। এই পরিবর্তন জিনগত পরিবর্তনের ফলে ঘটে এবং জীবকে তাদের পরিবেশের সাথে অভিযোজিত হতে সাহায্য করে। কোন একটা জীব যখন কোন প্রতিকুল পরিস্থিতি মোকাবেলা করে তখন তার পরিবেশ অনুসারে শারীরিক পরিবর্তন সাধিত হয় । এটাকে বলে বিবর্তন। যেমন তুষার অঞ্চলের ভালুকের গায়ে শরীরের ত্বকের নিচে চর্বি থাকে যাতে ঠাণ্ডা থেকে রক্ষা পায়। আবার অন্য শ্রেণীর ভালুকের এই চর্বি নাই যারা ট্রপিকাল অঞ্চলে থাকে। বিবর্তন কাকে বলে এটা এখন আর জটিল কোন প্রশ্ন নয়। বিজ্ঞানের কল্যাণে আমার এখন এর বাস্তবতা দেখি । বিবর্তনের প্রধান ধারণাগুলি হল: জিনগত বৈচিত্র্য: প্রতিটি জীবের জিনের মধ্যে কিছুটা পরিবর্তন…
-
প্রাগৈতিহাসিক এ টু জেড
প্রাগৈতিহাসিক মহামারী সংকলন-১ ( চীনের প্রাগৈতিহাসিক মহামারী) উত্তর-পূর্ব চীনের স্বায়ত্তশাসিত দীর্ঘ অঞ্চল অভ্যন্তরীণ মঙ্গোলিয়া। অভ্যন্তরীণ মঙ্গোলিয়ার প্রাচীনতম ৫০০০ বছরের পুরনো ছোট গ্রাম হামিন মানহা, যা এখন সহস্রাব্দের জন্য মৃত।অর্থাৎ খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ সময়কার একটি অঞ্চলের মহামারী কথন এটি।২০১১ সাল থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে প্রত্নতাত্ত্বিক খননের ফলে এই অদ্ভুত নিউলিথিক সাইটটি আবিষ্কার হয়েছিল। মাত্র ২৯ টি বাড়ির একটি ছোট প্রাগৈতিহাসিক গ্রাম । যেখানে ২০০ বর্গফুট কুড়ে ঘরের মধ্যে ১০০ টি কঙ্কাল পাওয়া যায়।কতজনই বা থাকতে পারে ২৯ টি বাড়ি বিশিষ্ট একটি গ্রামে! আর যদি ১০০ বাসিন্দা মারা যায় তবে কতজন বাকি ছিল? “ কঙ্কালগুলো দেখে মনে হচ্ছিলো খুব তাড়াহুড়ো করে একটির উপর একটি লাশ স্তূপ করা হয়েছিল।”-২০১৮ সালের উক্ত সাইটের প্রত্নতাত্ত্বিক কাগজে…
-
পারমিয়ান (Permian) গনবিলুপ্তি পরবর্তী বাস্তুতন্ত্রের পুনরুদ্ধারে ৩ মিলিয়ন সময় বছর নেয়
পারমিয়ান (Permian) গনবিলুপ্তি পরবর্তী বাস্তুতন্ত্রের পুনরুদ্ধারে ৩ মিলিয়ন সময় বছর নেয় পার্মিয়ান (Permian) সময়ের শেষ ভাগে স্বাদুপানির জলাশয় যেমন নদী এবং বিল এই সমস্ত জলাধারে বিদ্যমান বাস্তু সংস্থান এর পুনরুদ্ধার এর সময় অনেক দেরিতে সম্পন্ন হয়। সাধারণভাবে জলাশয় এর বাস্তুসংস্থানের পারমেন সময়ের গণবিলুপ্তির ধ্বংসাত্মক প্রভাবের কারণে পুনরুদ্ধার একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু স্থলভাগের বনায়ন উজার করা বৃহৎ আকারে মাটির ক্ষয় সাধন এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে এই ধরনের জলাশয়গুলোতে ক্ষতিকর অ্যালগি ও ব্যাকটেরিয়া সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। যার ফলে স্বাদুপানির বাস্তুসংস্থানের স্বাভাবিকের তুলনায় পুনরুদ্ধার দেরি হয়। বিশ্ব বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক জার্নাল নেচার কমিউনিকেশন এ প্রকাশিত একটি গবেষণা প্রবন্ধে এই দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। পড়ুনঃ পারমিয়ান সময়ে ২৫.৪ কোটি বছর পূর্বে পরপর দুবার স্থলভাগের…
-
৬৪.৫ কোটি বছর পূর্বে বরফ যুগ Snowball Earth
৬৪.৫ কোটি বছর পূর্বে বরফ যুগ Snowball Earth প্রি ক্যাম্ব্রিয়ান সময় থেকে ক্যাম্ব্রিয়ান সময়ে পরিবর্তনের সময় লেট নিওপ্রটেরোজেয়িক সময়টি ভূত্বাতিক সময়ে একটি গুরুত্ব পুর্ন সময়। ৬৪.৫ কোটি বছর পূর্বে বরফ যুগ Snowball Earth পরবর্তী বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে প্রানে সৃষ্টির প্রক্রিয়া তরান্বিত হয়। এই সময়ের বিস্তার ৬৪.৫ কোটি থেকে ৫৩.৫ কোটি বছরে মধ্যে ৷ পৃথিবীতে প্রথম প্রানের সূচনায় এই সময়টা কিছু সৃষ্টিশীল প্রক্রিয়ায় পৃথিবীতে জলবায়ু গত ও জীবের বিবর্তন প্রক্রিয়ায় শুরু হয়। মোরানিয়ান সময়ের বরফাচ্ছাদিত যুগে (Snowball Earth) জলবায়ু ও রাসায়নিক পদার্থের পরিবর্তন সাধিত হয় ৷ যার কারণে বিবর্তন প্রক্রিয়ায় প্রানের প্রথম সূচনা হয়। প্রাগৈতিহাসিক সময়ের বিবর্তনের প্রক্রিয়া ও পৃথিবীর জলবায়ুর পরিবর্তন নিয়ে গবেষণা করেন জাপানের গবেষক ডঃ এটেনা সিজিয়া৷ তোহোকু বিশ্ববিদ্যালয়ের…
-
প্রাগৈতিহাসিক গল্প: ২৫.৪ কোটি বছর পূর্বের ঘটনা
প্রাগৈতিহাসিক গল্প: ২৫.৪ কোটি বছর পূর্বের ঘটনা প্রাগৈতিহাসিক গল্প: ২৫.৪ কোটি বছর পূর্বের ঘটনা পুনরুদ্ধার বাংলাদেশি গবেষক পারমিয়ান ট্রায়াসিক গন বিলুপ্তি একটি বহুল আলোচিত দুর্যোগের মত ঘটনার পুনরুদ্ধার করেছেন । পারমিয়ান এর শেষ সময়ে ২৫.৪ কোটি বছর পূর্বে সমুদ্রের গণ বিলুপ্তির সময়ে বৃহৎ আকারে মাটি ক্ষয় সাধন বা সয়েল ইরোসন ও স্থল ভাগের ইকো সিসটেম ধ্বংস হয়। যদিও সুনির্দিষ্ট সময ও এর ক্ষয় ক্ষতির পরিমাণ এখনো সম্পর্নভাবে জানা সম্ভব হয় নি। দক্ষিণ চীনের একটি জায়গা নাম সাংশি যা কিনা পারমিয়ান সময়ের সমুদ্রজাত পাললিক শিলা মজত আছে। তাছাডা জাওহিবিয়ান নামে আরও একটি জাযগা সেখানে স্থলজ ভাগের পাললিক শিলা মজুত আছে। সেখান থেকে স্যাম্পল হিসাবে পাললিক শিলা নিয়ে তার নির্যাস বের করে…
-
বিবর্তন বাদ তত্ত্ব অনুসারে সেসব বিষয় গুলো অবশ্যই জানা উচিত 2021
বিবর্তন বাদ তত্ত্ব অনুসারে সেসব বিষয় গুলো অবশ্যই জানা উচিত পৃথিবীতে জীবনের উৎপত্তি বৈচিত্রময় এই পৃথিবীত আমরা যেসব জীবের সঙ্গে পরিচিত তাদের মধ্যে দশ লাখের বেশি প্রান প্রজাতি এবং চার লাখের মত উদ্ভিদ প্রজাতি শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে ৷ এক সময মানুষের ধারনা ছিল প্রানী বুঝি অপরিবর্তনীয় অর্থ্যাৎ সৃষ্টির আদিতে পৃথিবী যে আকার বা আয়তন ছিল এখনো সেরকমই থাছে অর্থাৎ তার কোন পরিবর্তন ঘটেনি মানুষ ভাবতো আদি জীব জগতের সঙ্গে বর্তমান কালের জীব জগতের কোন পার্থক্য নেই কিন্তু খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দী তে জেনোফেন নামের একজন বিজ্ঞানী প্রথম কতকগুলো জীবাশ্ম আবিষ্কার করেন ৷ তিনি প্রমাণ করেন যে অতীত এবং বর্তমান যুগের জীবদেহের গঠনে যথেষ্ট পরিবর্তন ঘটেছে অর্থাৎ জীব জীবদেহের আকার অপরিবর্তনীর…
-
২৫.৪ কোটি বছর আগে পর পর দুটি জীব বৈচিত্র্য ধ্বংসের ঘটনায় নতুন গবেষণা
২৫.৪ কোটি বছর আগে পর পর দুটি জীব বৈচিত্র্য ধ্বংসের ঘটনায় নতুন গবেষণা পৃথিবীতে গত ৫৪ কোটি বছর সময়ের মধ্যে পারমিয়ান ট্রিয়াসসিক সময়ের ( আজ থেকে ২৫.৪ কোটি বছর আগে) গন বিলুপ্তি ঘটনা হল সবথেকে বৃহৎ জীব বৈচিত্র্য ধ্বংসের ঘটনা । এ সময়ে প্রায় সমুদ্রের ৮০-৯০ শতাংশ প্রাণী মারা যায় এবং স্থলভাগে ৭০ শতাংশ প্রাণী মারা যায়। এই গন বিলুপ্তি জল ও স্থলভাগ উভয় স্থানেই সংগঠিত হয়েছিল। গবেষকরা এখনো স্থায়ী কোন সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি যে, স্থল ভাগের বৃক্ষ কুল ধ্বংস জলভাগের প্রাণী ধ্বংসের সাথে সাথেই ঘটেছে নাকি আগে অথবা পরে ঘটেছে। জাপানের তোহোকু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক প্রফেসর কুনিও কাইহ এর নেতৃত্বে এক দল গবেষক এই গবেষণা পরিচালিত করেন। এর মধ্যে…
-
পারমিয়ান ট্রিয়াসসিক সময়ের গন বিলুপ্তি ও আগ্নেয়গিরি নিয়ে নতুন Hg তত্ত্ব
পারমিয়ান ট্রিয়াসসিক আমরা পারমিয়ান ট্রিয়াসসিক সময়ের গন বিলুপ্তি সম্বন্ধে শুনেছি যে সে সময়ে ৯০ % প্রাণী মারা গিয়েছিল এবং পৃথিবীতে ঘটে যাওয়া প্রাগৈতিহাসিক ঘটনার মধ্যে ধ্বংসাত্মক দিক দিয়ে প্রথম এবং শ্রেণী অনুসারে তৃতীয়। এখন পর্যন্ত এই বৃহৎ গন বিলুপ্তি সম্বন্ধে যা গবেষণায় জানা গিয়েছে তা হল সাইবেরিয়াতে আগ্নেয় গিরির অগ্নুৎপাতের জন্য এই বিশাল বিপর্যয় হয়েছিল। তবে যেহেতু ঘটনা তা ২৫২ মিলিয়ন বছরের তার মানে আজ থেকে ২৫ দশমিক ২ কোটি বছর আগের তাই এত সহজ নয় প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করা। তবে বিজ্ঞানীরা বসে নেই ঠিক তেমনি একজন বিজ্ঞানী ও প্রাগৈতিহাসিক ঘটনা নিয়ে কাজ করছেন জাপানের তোহোকু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বনামধন্য প্রফেসর কুনিও কাইহো (Kunio Kaiho)। তার গবেষণার জ্ঞান ও পৃথিবীর অন্যান্য বিশ্ব…
-
সর্প বৃত্তান্ত সব সর্পই বিষাক্ত নয় ও আদি সর্প
সর্প বৃত্তান্ত সব সর্পই বিষাক্ত নয় ও আদি সর্প সাপ বা সর্প হলো ৩৪০০ সরীসৃপ প্রজাতির মধ্যে একটি যা কিনা হাত পা বিহীন একটি লম্বা লেজ বিশিষ্ট সরীসৃপ। সর্পকে লিজার্ড প্রজাতির মধ্যে শ্রেণী বিন্যাস করলে এটা এমন একটি লিজার্ড যা কিনা সময়ের ব্যবধানে বিবর্তনের ধারাতে বিশেষ শারীরিক গঠন হ্রাস প্রক্রিয়ায় সরল একটি দৈহিক লম্বা লেজ বিশিষ্ট প্রাণী কে সর্প বলে। সমস্ত সর্প বা সাপের বাহ্যিক অঙ্গ প্রত্যঙ্গ নাই তবে পা বিহীন সমস্ত প্রাণী ই সর্প নয়। কিছু কিছু উভচর প্রাণী যারা গড়তে বসবাস করে তাদের শুধুমাত্র সামনের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ রয়েছে অথবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো সুপ্ত অবস্থায় রয়েছে আবার কখনো দেখা যায় সম্পূর্ণরূপে পা বিহীন উভচর প্রাণী। উভচর প্রাণী ব্যতীত, সাপ…
-
পৃথিবীতে মানুষ কত দিন টিকতে পারবে
পৃথিবীতে মানুষ কত দিন টিকতে পারবে একটা শিশু জন্ম নেবার পর তাকে তিলে তিলে গড়ে তোলে মা বাবা। বিছানা থেকে পড়ে গেলে অথবা আগুনে হাত দিলে কি হবে সেটা সে জানে না । শিশুটি কিছুকাল প্রকৃতির নিয়ন্ত্রণে যেমন প্রাণীকুল জীবন কাটায় তেমনি বেড়ে ওঠে। যখন বুদ্ধি আরও পরিপক্ক হয় সে দেখে একটা পরিবেশ যেখানে মা বাবা আত্মীয় স্বজন তাকে অতি আদরে স্নেহে বড় করে। শিশুটি অনুভব করে সে একটা গণ্ডির মধ্যে আছে যেখানে আদর স্নেহ মায়া রয়েছে। মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব এই পৃথিবীতে । কল্পনাতীত কোটি কোটি আলোক বর্ষ দূরে আরও কোনও অধিকতর বুদ্ধি মান প্রাণ আছে কি না কে জানে ? শিশুটি যখন বড় হতে থাকে সে শুধু তার…
-
মানব বিবর্তন- এর প্রারম্ভিক ইতিহাস
মানব বিবর্তন- এর প্রারম্ভিক ইতিহাস মুগ্ধ তার বাবার সাথে চিড়িয়াখানা ঘুরতে গিয়েছে।সেখানে সে অনেক প্রজাতির জীব জন্তু দেখছে আর তার বাবার কাছে এক এক জীব জন্তু নিয়ে এক এক রকম প্রশ্ন করছে।মুগ্ধ বলছে,বাবা এখানে তো অনেক ধরণের জীব জন্তু আর পশু পাখি আছে কোনোটার সাথে কোনোটার মিল নেই কিন্তু বানর দের সাথে কেন মানুষের মিল রয়েছে।ওদের চোখ মুখের চাহনি হাত পা গুলো কেমন যেন মানুষের মতই বাবা? তখন মুগ্ধর বাবা তাকে বললেন ওরা আমাদেরই বিবর্তনীয় রূপ আবার নানাভাবে বিভিন্ন প্রজন্ম ধরে জিনের ক্রমবিবর্তন এর ফলেই হয়েছে আজকের মানুষ জাতি। আধুনিক মানুষের শিকড় দীর্ঘ সময় পূর্বে বহু মিলিয়ন বছর আগে ফিরে পাওয়া যায়। প্রাথমিক প্রমাণগুলো আসে জীবাশ্ম থেকে – কঙ্কাল, হাড়ের…
-
মানব বিবর্তন উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ
মানব বিবর্তন মানুষ বা হিউম্যান বা হোমো স্যাপিয়েন্স (মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম) প্রকৃতপক্ষে হোমো গণের অন্তর্ভুক্ত প্রাণীদের কে বুঝায়। এক কথায় মানব বিবর্তন হচ্ছে,বিবর্তনের মাধ্যমে অন্যান্য হোমিনিড প্রজাতি থেকে একটি আলাদা প্রজাতি-হোমো স্যাপিয়েন্স এর উদ্ভব কে বোঝায়। বিবর্তন বা অভিব্যক্তি হলো এমন একটি জীব বৈজ্ঞানিক ধারণা যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে প্রবহমান জীবের গাঠনিক ও চারিত্রিক বৈশিষ্টের ক্রমপরিবর্তন কে বুঝায়। কোনো জীবের বংশধরদের মাঝে যে জিনরাশি ছড়িয়ে পড়ে সেগুলোই বংশপরম্পরায় ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি করে। জিনের পরিব্যক্তির মাধ্যমে জীবের নির্দিষ্ট কোনো বংশধরে নতুন বৈশিষ্ট্যের উদ্ভব হতে পারে আবার পুরোনো বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন ও হতে পারে।যদিও একটি প্রজন্মে জীবের বৈশিষ্ট্যের যে পরিবর্তন সাধিত হয় তা খবুই সামান্য।কিন্তু কালক্রমে সেই পরিবর্তন জীবগোষ্ঠীতে উল্লেখযোগ্য হয়ে ধরা…
-
প্রাগৈতিহাসিক দুর্যোগের কারণ সাইবেরিয়ার অগ্নুৎপাত প্রাণীর মৃত্যু
প্রাগৈতিহাসিক দুর্যোগের কারণ সাইবেরিয়ার অগ্নুৎপাত প্রাণীর মৃত্যু আজ থেকে ২৫২ মিলিয়ন (২৫.২ কোটি) বছর আগের কথা। সেই সময় পৃথিবীতে এক মহা বিপর্যয় ঘটে যায়। সেই ঘটনাকে বলা হয় পার্মিয়ান সময়ের গণবিলুপ্তি বা ইংরেজিতে Permian Mass Extinction। পৃথিবীর প্রায় ৯০% প্রাণী ধ্বংস হয়ে যায় স্থলভাগ এবং জলভাগের প্রাণীদের একটা মহা বিপর্যয় ঘটে। গবেষণায় দেখা যায় স্থলভাগের সমস্ত প্রাণীদের মধ্যে ৮০% প্রাণীর মৃত্যু হয় এবং সমস্ত প্রাণীদের মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ প্রাণীর মৃত্যু হয়। পৃথিবীর ইতিহাসে, প্রাগৈতিহাসিক কালে ঘটে যাওয়া দুর্যোগের মধ্যে এটাই সবথেকে ভয়াবহ বিপর্যয়। ইংরেজিতে পার্মিয়ান গন বিলুপ্তিকে বলা হয় পার্মিয়ান গ্রেট ডাইং (Permian Great Dying event) ইভেন্ট। প্রাগৈতিহাসিক কালের মহা বিপর্যয় গুলোর মধ্যে এটা শুধু একটি নয়। এমন আরো…
-
পার্মিয়ান সময়ের গণবিলুপ্তি দুর্যোগের আদ্যোপান্ত
পার্মিয়ান সময়ের গণবিলুপ্তি দুর্যোগের আদ্যোপান্ত আজ থেকে ২৫২.০৯ মিলিয়ন বা ২৫.২০ কোটি বছর আগের কথা পৃথিবীতে একটি বৃহৎ দুর্যোগ ঘটেছিল। সেই দুর্যোগ এর নাম পার্মিয়ান গণবিলুপ্তি দুর্যোগ। সেই সময়ে পৃথিবীর 90% প্রাণী মারা গিয়েছিল এবং স্থলভাগের 70% প্রাণীর মারা যায়। যা পৃথিবীর ইতিহাসে এযাবৎকালের সব থেকে বেশি প্রাণী মারা যাওয়ার ঘটনা। বিজ্ঞানীরা এই বৃহৎ প্রাগৈতিহাসিক কে নিয়ে বিস্তর গবেষণা করে যাচ্ছেন। এই দুর্যোগ মূলত ঘটেছিল কয়েকটি কারণে তার মধ্যে এযাবতকালের সবথেকে বেশি প্রমাণযোগ্য বাস্তব তথ্য উপস্থাপন করার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা দেখিয়েছেন যে বর্তমান সাইবেরিয়াতে তৎকালীন সক্রিয় আগ্নেয়গিরি থেকে দীর্ঘস্থায়ী অগ্নুৎপাতের ফলে সৃষ্ট লাভাস্রোত ভূপৃষ্ঠের বিস্তর জায়গা নিয়ে প্লাবিত হওয়ার মাধ্যমে পৃথিবীর আবহাওয়া ও সামুদ্রিক পরিবেশের যে পরিবর্তন সাধিত হয় সেটাই হলো…
-
পারমিয়ান মাস এক্সটিংশান Mass Extinction পর্ব-1
পারমিয়ান মাস এক্সটিংশান (Mass Extinction) দুর্যোগঃ পর্ব -১ পারমিয়ান মাস এক্সটিংশান mass extinction হল আজ থেকে ২৫১.৯৪ মিলিয়ন বছর আগে ঘটে যাওয়া পৃথিবীর ইতিহাসে একটা বড় দুর্যোগ। এ সময়ে সমস্ত পৃথিবীর ৯০% সমুদ্রের অমেরুদণ্ডী প্রাণী মারা যায় আর স্থলভাগের ৭০% মেরুদণ্ডী প্রাণী মারা যায়। পারমিয়ান সময়ের প্রথম দিকে উচ্চ হারে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে বর্তমান সাইবেরিয়ার তৎকালীন সাইবেরিয়ান আগ্নেয়গিরির উদ্গিরন(>3.0 × 106 km3 )এর একটা বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। তাছাড়া সমুদ্রের জলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি, সমুদ্র স্রোত এর ধীরগতি অথবা সমুদ্রের পানির অক্সিজেন এর ঘাটতি, পানি পিএইচ pH কমে গিয়ে অধিকতর অম্ল হওয়া, সমুদ্রের তলদেশের মিথেন গ্যাস এর উদ্গিরন ও অন্যান্য কারণে প্রাণীগুলো মারা যাওয়ার জন্য দায়ী হতে পারে। পৃথিবীর বৈশ্বিক উচ্চ…
-
প্রাগৈতিহাসিক সময়ের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ৪৬০ কোটি-বর্তমান সময়
প্রাগৈতিহাসিক সময়ের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ৪৬০ কোটি-বর্তমান সময় ভূতাত্ত্বিক সময়কে ইরা ও পিরিয়ড এ ভাগ করা হয়েছে যে গুলো ১৮৩০ থেকে ১৮৪০ সালের দিকে নামকরণ করা হয়েছে। ৪৬০ কোটি বছরঃ পৃথিবীর সৃষ্টি ৩৬০ কোটি বছরঃ প্রথম প্রাণের সন্ধান ২৪০ কোটি বছরঃ প্রথম ব্যাকটেরিয়ার সন্ধান ১৮৫ কোটি বছরঃ প্রথম ইউক্যারিওটিক কোষের সন্ধান যার দ্বারা মানুষের শরীর গঠিত। ৫৩.৫ কোটি বছরঃ প্রথম মাছ ৪৮.৫ কোটি বছরঃ প্রথম হাড় বিশিস্ঠ প্রাণী ৪২.৫ কোটি বছরঃ সব থেকে পুরাতন গাছ ৩৮.০ কোটি বছরঃ প্রথম মাকড়শা ৩৭.৫ কোটি বছরঃ প্রথম উভচর যেমন ব্যাঙ ৩২.০ কোটি বছরঃ প্রথম কনিফার গাছ ২২.৫ কোটি বছরঃ প্রথম ডাইনোসর ২১.৫ কোটি বছরঃ প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী ১৫.৫ কোটি বছরঃ প্রথম পাখি ১২.৫ কোটি…
-
মনুষ্য সৃষ্টি ও আদিম পৃথিবীঃ সংক্ষিপ্ত
মনুষ্য সৃষ্টি ও আদিম পৃথিবীঃ সংক্ষিপ্ত আধুনিক মানব জাতির অস্তিত্বের প্রমান মিলিয়ন বছর আগে এই পৃথিবীতেই পাওয়া যায়। প্রাথমিক প্রমান পাওয়া যায় বিভিন্ন ভাবে যেমন, ফসিল, মাথার খুলি, ও মানুষের হাড়ের খণ্ডাংশ থেকে। এটা সাধারণত মন করা হয় যে, ফসিল শুধুমাত্র সাধারন ও অনুমান নির্ভর প্রমান দেয়। বিজ্ঞানিদের এখন অনেক নিখুত পদ্ধতি রয়েছে যার মাধ্যমে ঐ সব পুরন ফসিল বা পরিবেশগত তত্ত বাবহার করে নির্ভুলভাবে প্রকৃত সত্য বের করে আনা সম্ভব। আধুনিক ফরেনসিক সাইন্স ও প্রযুক্তি বাবহার করে একটা বস্তুনিষ্ঠ ও সত্য ঘটনা বের করে আনা যায়। আমাদের আধুনিক মানব জাতির পূর্বসূরীরা যে কত হাজার বছর আগে এই পৃথিবীতে বসবাস করত। ফিরে দেখাঃ পৃথিবী সৃষ্টির সময় থেকে আজ পর্যন্ত বহু…
-
গনবিলুপ্তি কি কেন ঘটেছিল সব গুলো কারণ জানুন
গনবিলুপ্তি কি কেন ঘটেছিল সব গুলো কারণ এক সাথে জানুন পৃথিবীর ইতিহাসে এখন পর্যন্ত ৫ টি বড় ধরনের গন বিলুপ্তি ঘটেছে। যেগুলো না ঘটলে হয়ত আমরা বর্তমান এই সুন্দর আবাস যোগ্য পৃথিবী পেতাম না।কারণ প্রতিটি গন বিলুপ্তির সাথে সাথে পৃথিবীর পরিবর্তন ঘটেছে আর নতুন নতুন প্রাণীর আবির্ভাব ঘটেছে।ক্ষুদ্র আক্রিটারক থেকে শুরু করে বৃহৎ ডাইনসর পর্যন্ত এসেছে। আর যখন ডাইনোসর ও ৬৬ মিলিওন বছর আগে এক বৃহৎ উল্কা পাতের জন্য ও এর প্রভাবে পৃথিবীর আবহাওয়া গত পরিবর্তন হল তখন ধীরে ধীরে সমস্ত ডাইনোসর গুলোর বিলুপ্তি ঘটল। এর পরেই আমরা মানুষ এই পৃথিবীতে আবির্ভাব হলাম। ধীরে ধীরে বিবর্তনের ধারাবাহিকতায়। গনবিলুপ্তি কি কেন ঘটেছিল ৪.৬ বিলিয়ন বছরের ইতিহাসের প্রক্রিয়া ব্যাপী এই পৃথিবীর জন্যে…












