ইতিহাস
-
পুন্ড্রবর্ধন: ঐতিহাসিক রহস্যের এক অধ্যায়
পুন্ড্রবর্ধন: ঐতিহাসিক রহস্যের এক অধ্যায় এই বাংলাতেই পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্য ছিল। বাংলাদেশের ইতিহাসে অনেক অজানা অধ্যায় লুকিয়ে আছে। মুল আলোচনায় যাবার আগে বাংলাদেশের সামগ্রিক ইতিহাস একবার দেখে নেয়া যাক। প্রাচীন ইতিহাস: পুন্ড্রবর্ধন: বর্তমান বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত ছিল একটি প্রাচীন রাজ্য। হরিকেলা: গৌড় ও বরেন্দ্রের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত ছিল আরেকটি প্রাচীন রাজ্য। সমতট: বর্তমান চট্টগ্রাম অঞ্চলে অবস্থিত ছিল একটি প্রাচীন রাজ্য। মধ্যযুগীয় ইতিহাস: সেন রাজবংশ: হিন্দু ধর্মাবলম্বী এই রাজবংশ ১১শ থেকে ১২শ শতাব্দী পর্যন্ত বাংলা শাসন করে। মুসলিম বিজয়: ১২০৪ সালে বখতিয়ার খিলজির নেতৃত্বে মুসলিমরা বাংলা বিজয় করে। মুঘল আমল: ১৬শ থেকে ১৮শ শতাব্দী পর্যন্ত বাংলা মুঘলদের অধীনে ছিল। ঔপনিবেশিক ইতিহাস: ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি: ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে জয়লাভের মাধ্যমে বাংলায়…
-
শেখ মুজিবুর রহমান ধ্বংসযজ্ঞ পরিদর্শন করে কি বলেছিলেন
শেখ মুজিবুর রহমান ধ্বংসযজ্ঞ পরিদর্শন করে কি বলেছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানের জেল থেকে বেরিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পরপরই জানুয়ারির শুরুতে বাংলাদেশে ধ্বংসযজ্ঞ দেখার জন্য গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পরিদর্শনের বের হন। ঢাকায় ফিরে ২০০ জনের অধিক বিদেশী ও দেশীয় সাংবাদিকদের নিয়ে এক সম্মেলনে নিজে থেকে সমস্ত দুঃখের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। শেখ মুজিবুর রহমান বলেন যে বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামকেই পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগের মতো করে নিশংস ভাবে হত্যা করা হয়েছে, ধ্বংস করা হয়েছে। শেখ আরও বলেন আপনারা জানেন জালিয়ানওয়ালাবাগ গণহত্যা সম্বন্ধে পাকিস্তানি বাহিনী প্রতিটি গ্রাম কেই জালিয়ানওয়ালাবাগ বানিয়েছে। শেখ মুজিবুর রহমান ধ্বংসযজ্ঞ পরিদর্শন পরবর্তী অনুসন্ধান কমিটির বিবরণ বাংলাদেশ অনুসন্ধান কমিটি কর্তৃক প্রকাশিত রিপোর্টে, সত্যতার ভিত্তিতে প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরবে বলে ঘোষণা করে। কমিটি প্রকৃত…
-
Bangladesh Genocide became the most heinous crime by Pakistani Army in 1971 documented by World Record
The Bangladesh Genocide became a significant issue when Pakistani army officers and their military personnel were accused of war crimes. What does mass murder mean or Genocide? How it is defined is very important. Genocide is the most heinous crime committed by human beings in the eyes of the law. Genocide is not a very old word. It was recently attached to the International Court of Justice. But despite being a recent addition, people have been committing such heinous crimes for a long time. In December 1948, the United Nations held an international conference on genocide. The best lawyers and academics in the world were there. You might define genocide in a certain way. Genocide means one of the following crimes; That it be intentionally done to every group, community, nation, tribe, society, and part or all of the country. They are broadly included as; 1. Kill members of a group. 2. Harmful physical and mental…
-
প্লেগ রোগের উৎপত্তি কোথায়: মহামারী সংকলন-1
প্লেগ রোগের উৎপত্তি কোথায়? ইউরেশিয়ার সবচেয়ে ভয়াবহ মহামারীর একটির নাম Black Death বা কালো মৃত্যু। পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়া এই মহামারি ১৩৪৬-১৩৫৩ সালের মধ্যে ইউরোপ এবং এশিয়া মহাদেশের (ইউরেশিয়া) ৭৫ থেকে ২০০ মিলিয়ন মানুষ মৃত্যুর কারণ হয়। ব্লাক ডেথ এর ব্যাপারে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য ও তত্ত্বের চর্চা আছে। তবে ২০১০ এবং ২০১১ সালে বিশেষজ্ঞরা এই মহামারি’র শিকার হওয়া উত্তর ও দক্ষিণ ইউরোপের অধিবাসীদের ডিএনএন বিশ্লেষণ প্রকাশ করেন। এতে ইয়েরসিনিয়া পেস্টিস ব্যাকটেরিয়া’র (প্লেগ রোগ বিশেষ) জন্য রোগ সংক্রামক জীবাণু প্যাথোজেন’কে দায়ী করা হয়। মধ্য এশিয়ার সমভূমিতে এই রোগের উৎপত্তি বলে ধারণা করা হয়। এরপর এটি সিল্ক রোড হয়ে ১৩৪৩ সালের দিকে এটি ক্রিমিয়া পর্যন্ত পৌছায়। বণিকদের জাহাজে বসবাস করা ‘কালো ইঁদুর’ ও ‘ইঁদুর…
-
Rickshaw রিক্সা আবিষ্কারের মজার ইতিহাস
রিক্সা আবিষ্কারের মজার কাহিনী History of Rickshaw বাঙালি জীবনে রিক্সা Rickshaw একটি পরিচিত নাম। রিক্সা মানুষের যোগাযোগে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছিল। রিক্সা Rickshaw শব্দটি এসেছে জাপানি শব্দ থেকে।পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রিক্সার দেখা মেলে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরে। তাই তো মজা করে ঢাকাকে বলা হয় রিক্সার রাজধানী। বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে রিক্সার এক অনন্য সম্পর্কিত রয়েছে। রিকশা ছাড়া বাঙালি সংস্কৃতি কখনোই সম্পন্ন হতে পারেনা । আজ আমরা রিক্সা তৈরীর অর্থাৎ রিক্সা আবিষ্কারের এক অজানা মজার ইতিহাস সম্পর্কে আলোচনা করব। Rickshaw রিক্সা কিভাবে আবিষ্কার হল পৃথিবীর প্রতিটি আবিষ্কারের পেছনে থাকে মজার বিষয় ইতিহাস।আবিষ্কার কালের গর্ভে হারিয়ে যায় আর কিছু আবিষ্কার যুগ থেকে দূরান্তরে চলতেই থাকে। পৃথিবীর ইতিহাসে তেমনই একটি যুগান্তকারী…
-
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রলয়ঙ্কারী পাঁচটি ঘূর্ণিঝড়
বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রলয়ঙ্কারী পাঁচটি ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ সমূহের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় একটি পরিচিত নাম । সমুদ্রে সৃষ্ট বৃষ্টি, বজ্র বৃষ্টি ও প্রচণ্ড বাতাস এর ফলে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয় । এই ধরনের ঝড়ে সাধারণত বাতাস অনেক দূরে ঘুরতে ঘুরতে সামনের দিকে ছুটে চলে বলে, এর নাম ঘূর্ণিঝড় রাখা হয়েছে। বাংলাদেশের ঘূর্ণিঝড়ের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয় ,উপকূলীয় অঞ্চলের লোকজন। বিশেষ করে পটুয়াখালী ,বরিশাল, এবং ভোলা তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য । ঘূর্ণিঝড়ের ফলে জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয় ।জলোচ্ছ্বাস দানবীয় আকার ধারণ করে তীরে আছরে পরে ,ধ্বংসযজ্ঞ চালায় । আজ আমরা বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কে জানব। ১৯৭০ এর ঘূর্ণিঝড় এই তালিকার প্রথমে আছে ১৯৭০ সালের ১২ ই নভেম্বর সংঘটিত…
-
মহারাজ বিক্রমাদিত্য ও কবি মাতৃগুপ্তের অজানা কাহিনী
মহারাজ বিক্রমাদিত্য কবি মাতৃগুপ্তের অজানা কাহিনী হাজারো সভ্যতা ও সংস্কৃতির দেশ ভারত। শত শত মনীষী এবং রাজা-বাদশাদের পদচারণায় মুখরিত হয়েছে ভারত ।তাইতো বাংলায় একটি কথা আছে, “ যা নেই ভারতে তা নেই পৃথিবীতে”। ইতালির পরেই পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন রয়েছে ভারতে। শত শত রাজা-মহারাজা, বাদশারা ভারত শাসন করেছে।আফগান থেকে তুর্কি, তুর্কি থেকে পাল, পাল থেকে মঙ্গল সবারই পদচারণায় মুখরিত ছিল ভারতের মাটি।আজ আমরা ভারতের দুজন বিখ্যাত ব্যক্তির অজানা এক গল্প জানব। প্রাচীন ভারতের বিখ্যাত রাজা ছিলেন বিক্রমাদিত্য (Vikramaditya) বর্তমান যুগে বিক্রমাদিত্য নামে বেশ ক’জন রাজার কথা জানা যায় ।তবে আমাদের ইতিহাস গড়ে উঠেছে যে রাজাকে নিয়ে তিনি হচ্ছেন গুপ্ত বংশের রাজা দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত বিক্রমাদিত্য । মহারাজা ধীরাজ…
-
মান্ধাতার আমলঃ Mandhata কে ছিলেন ? তার আমলে কী হতো ?
মান্ধাতার আমল: Mandhata কে ছিলেন ? তার আমলে কী হতো ? “মান্ধাতার আমল Mandhata” বাংলা ভাষায় লিখিত এবং মানুষের মুখে মুখে ফেরা শব্দগুলোর একটি। খুবই প্রাচীন বা পুরনো কিছু বোঝাতে এই শব্দের ব্যাবহার করা হয়। কিন্তু এই শব্দ শুনলে প্রথমেই প্রশ্ন মনে জাগে মান্ধাতা আসলে কে ? আম উনার আমলে কি এমন বিশেষ হতো যার জন্য এটি হাজার হাজার বছর ধরে চলছে ?বাংলা একাডেমী অভিধানে লেখা হয়েছে, মান্ধাতা শব্দের অর্থ সূর্য বংশীয় প্রাচীন নৃপতি বা রাজাবিশেষ। আর মান্ধাতার আমল অর্থ মান্ধাতার শাসনকাল অর্থাৎ অতি প্রাচীনকাল। ভাষাতত্ত্ববিদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক শারিয়ার রহমান বলেছেন, মান্ধাতার আমল Mandhata শব্দটি এসেছে হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মগ্রন্থে উল্লেখিত সত্যযুগের রাজা মান্ধাতার জীবন থেকে। পৌরাণিক…
-
১৪-১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ; নেপথ্যে মর্মান্তিক ঐতিহাসিক সত্য
১৪-১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ; নেপথ্যে মর্মান্তিক ঐতিহাসিক সত্য ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসের শুরুতে পাকিস্তানি জেনারেল ইয়াহিয়া খান একটি মাস্টারপ্ল্যান করেন যেখানে পূর্ব পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হবে। সে ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট সংখ্যক বুদ্ধিজীবী এবং এবং পূর্ব পাকিস্তানের উন্নয়নের জন্য যারা ভবিষ্যতে অবদান রাখতে না পারবে এমন অগ্রগামী অরাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গদের হত্যা করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। নির্দিষ্টসংখ্যক এই বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন ব্যক্তিদের একজন করে করে হত্যা করা পাকিস্তান আর্মি দের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছিল, বিশেষত স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় সরকারি অফিসার আইনজীবী ব্যবসায়ী এবং অন্যান্য প্রভাবশালী ব্যক্তি বর্গদের হত্যা করা। এ উদ্দেশ্যে জেনারেল ইয়াহিয়া খান পুলিশদের শক্তি সামর্থ্য বৃদ্ধি করে তাদের বিদ্যমান ভলান্টিয়ার ইউনিট যেমন মুসলিম লীগ, জামাতি ই ইসলাম এবং নিজাম ই ইসলাম এই…
-
আঞ্চলিক ভাষা ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২১ শে ফেব্রুয়ারি
আঞ্চলিক ভাষা ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২১ শে ফেব্রুয়ারি 1952 সালের 21 ফেব্রুয়ারি তারিখে পূর্ববঙ্গের কিছু তরুণ জনতা পাকিস্তানি শাসকের নিপীড়নের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল এবং বাংলা ভাষাকে মাতৃভাষার দাবিতে রাস্তায় মিছিলে বেরিয়েছিল আর সেই জনতার মিছিলে পুলিশ প্রশাসন লেলিয়ে দিয়ে নিশংস ভাবে হত্যা করেছিল বাংলা ভাষার নবীন জনতা রফিক শফিক জব্বার ও নাম না জানা অনেকে। পাকিস্তান বাংলাদেশের উপর অত্যাচার করেছে দীর্ঘদিন ধরে হরণ করেছে বাংলার সম্পদ এমনকি সংস্কৃতি। বাংলা সংস্কৃতিতে তারা মিশিয়েছে পাকিস্তানি কালচার। প্রতিটি নাগরিকের একটি নিজস্ব সত্তা থাকে , একটি নিজস্ব স্টাইল থাকে। এভাবেই গড়ে ওঠে একটি পরিবার, একটি সমাজ, দেশ। কোন দেশ সম্পূর্ণ তার নিজের কৃষ্টি-কালচার আচার-ব্যবহার দিয়ে আবদ্ধ থাকে। মানুষ সেখানে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে কথা…
-
Hindu Temple:পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন পাঁচটি মন্দির
Largest Hindu Temple in the world: পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন পাঁচটি মন্দির মন্দির শব্দটির আভিধানিক অর্থ দেবতার গৃহ। মানুষ ও দেবতাকে একত্রে নিয়ে আসার জন্য হিন্দুত্ববাদের আদর্শ এবং ধর্মসংক্রান্ত প্রতীকগুলির দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত স্থাপনাকে মন্দির বলে । হিন্দুধর্ম পৃথিবীর প্রাচীনতম ধর্ম গুলোর মধ্যে একটি। আজ আমরা পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন পাঁচটি মন্দিরের (Hindu temple) ইতিহাস জানব: আসামাই মন্দির (Hindu Temple): একসময় আফগানিস্থানে অনেক হিন্দু বসতি থাকলেও মুজাহিদীন এবং তালেবান গোত্রের অত্যাচারে তা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে, গত ৯ বছরে আফগানিস্থানে প্রায় ২০ হাজার হিন্দু পরিবারের বসবাস ছিল এখন সেই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৫০০ আফগানিস্তানে প্রাচীন মন্দির গুলোর মধ্যে আসামাই মন্দির অন্যতম । ইচ্ছা ও সংকল্পের দেবী…
-
বেহুলা র বাসর ঘর কি আসলেই বগুড়াতে ছিল
বেহুলা র বাসর ঘর কি আসলেই বগুড়াতে ছিল বগুড়া শহর থেকে দশ কিলোমিটার উত্তরে এবং মহাস্থান গড় থেকে দুই কিলোমিটার দক্ষিণে গোকুল গ্রামের দক্ষিণ পশ্চিম দিকে যে ঢিবিটি আছে তাকেই বেহুলা র বাসর ঘর বলে অভিহিত করা হয়। স্থায়ীয় ভাবে গোকুলের মেড় বলা হয়। প্রত্ন তত্ত্ব অধিদপ্তরের দর্শনীয় স্থান গুলোর মধ্যে এটি একটি। বেহুলার বাসর ঘর কে কেন্দ্র করে নানা প্রশ্ন কৌতূহল দিন দিন বেড়েই চলেছে। এই স্থান কে নিয়ে অনেকে মানত করেন। কেউ বা এখানে এসে নিজ স্বার্থ সিদ্ধির জন্য প্রার্থনা করে এ স্থানে বসে থাকে। হিন্দু সম্প্রদায়ের মনসা ভক্ত নারী পুরুষ এখানে পূজা দিয়ে থাকে। আবার অনেকে বেহুলার বাসর ঘরের স্থান থেকে উদ্ধার করা প্রস্তর খণ্ডের কাছে এসে…
-
বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে গুগলের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল ভালবাসা প্রকাশ করেছে। এটা দেখে আমি সত্যি মুগ্ধ । আজ ২০২১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশ তার ৫০ বছর পূর্ণ করলো। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ এই দিনে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্থান বাংলাদেশে ২৫ শে মার্চ কালো রাতে ঘুমন্ত বাঙালিদের উপর অতর্কিত আক্রমণ করে ও গুলি বর্ষণ করে নিরীহ মানুষ কে হত্যা করে। তখন থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধ শুরু। বাংলাদেশের স্বাধীনতার দিবস কোনদিন? ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধনতা দিবস। এমন দিনে গুগল তার বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলো। কারণ ধারনা করা হয় গুগলের বর্তমান নির্বাহী প্রধান ভারত বংশদ্ভুত সুন্দার পিচাই এর সরাসরি হস্তক্ষেপ এর জন্য এমনটা হতে পারে, তবে গুগল এমনিতেই বিশ্বের যেকোনো ঘটনাকে…
-
কুমিল্লা গণহত্যা ২৬ মার্চ
কুমিল্লা গণহত্যা ২৬ মার্চ ২৬ মার্চের ভোরবেলা থেকেই কুমিল্লা তে গণহত্যা শুরু হয়েছিল কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের পাক সেনাদের দ্বারা। কুমিল্লার ময়না মতি ক্যান্টনমেন্ট কুমিল্লা শহর থেকে ৩ কিমি দুর পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত যেখানে পাক সেনারাই বেশি। বাঙালি সেনা সংখ্যা কম। অস্ত্রের মুখে তাদের কে বাইরে এনে সারি বদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। এর পর তারা শহরের দিকে যায়। মার্চ এর ২৬ সারা দিন শহরের হিন্দু অধ্যুষিত আবাসিক এলাকা দোকান পাঠ রাস্তা ঘাট তল্লাশি চালান হয়। একদন সেনা ট্রাক রেল স্টেশন এর দিকে যায় সেখানে শতাধিক বাঙালি ট্রেন এর জন্য অপেক্ষা করছিল তাদের কে মেশিনগানের গুলিতে হত্যা করা হয়। পাক সেনা রা মার্কেট আক্রমণ করে দোকান লুট, বাড়ি অগ্নি…
-
শেখ মুজিবের সহ ধর্মিণী শেখ ফজিলাতুন্নেসসা মুজিব
শেখ মুজিবের সহ ধর্মিণী শেখ ফজিলাতুন্নেসসা মুজিব Genocide Episod-5 শেখ মুজিবের সহ ধর্মিণী শেখ ফজিলাতুন্নেসসা মুজিব ও তাদের কনিষ্ঠ ছেলে শেখ রাসেল সহ পার্শ্ববর্তী গৃহে আত্মগোপন করার ১ ঘণ্টা পর অন্য একটি আর্মি ট্রাক আসে। সৈন্য বাহিনী ঘরে ঢুকে সমস্ত গ্লাস আসবাবপত্র ফ্লোরে থাকা সমস্ত জিনিস পত্র ভেঙ্গে ধূলিসাৎ করে। দেয়ালে টানান ফটো ও চিত্র গুলো মেঝেতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। শেখ মুজিব কে এরেস্ট করার পর ৭ দিন তাকে সেনা শাসনে অবরুধ করে রাখা হয়। শেখ মুজিব কে করাচীতে নিয়ে যাওয়ার আগে পর্যন্ত কোন জেল বা সেনানিবাসের কোন স্থানে রাখা হয়নি বরং ঢাকা শহরের বিভিন্ন বাড়িতে ভারী অস্ত্র শস্ত্রও সহ কড়া নিরাপত্তায় অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। মিস্টার ভুট্টো, তিনি জানতেন…
-
Refugee story (শরণার্থী দুর্দশা) in Bangladesh War
বাঙালিদের কে যারা হত্যা করেছিল তাদের মধ্যে পশ্চিম পাকিস্থানী আর্মি এবং তাদের দোসর রাজাকার বাহিনী ছিল অন্যতম। রাজাকারদের মধ্যে শতকরা ৯০ ভাগ ছিল উর্দু ভাষা ভাষী পশ্চিম পাকিস্থানের নাগরিক যারা ভারত পাকিস্থান ভাগ হবার পরে পূর্ব পাকিস্থানে এসেছিল এবং বাঙ্গালদের সাথে তাদের সম্পর্ক খুব একটা ভাল ছিল না। যুদ্ধ শুরুর পরে যখন হত্যাযজ্ঞ শুরু করেছে পাকিস্থানিরা তখন বাঙালিদের সাথে বেসামরিক অবাঙ্গালিদের মধ্যে কোথাও কোথাও দাঙ্গা হাঙ্গামার কথা শোনা গিয়েছে। উর্দু ভাষা ভাষী বেসামরিক অবাঙ্গালিরা সর্বদাই বাঙালিদের হামলার লক্ষবস্তু হয়েছিল কারণ তারা শুরু থেকেই পশ্চিম পাকিস্থানিদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে সাহায্য করতো। গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পশ্চিম পাকিস্থানি সরকার সর্বদা তাদের ব্যবহার করতো বাঙালিদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে। পাকিস্থানি সরকারের একটা নিজেস্ব যুক্তি ছিল…
-
১৪-১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ
১৪-১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ এর ইতিহাস ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসের শুরুতে পাকিস্তানি জেনারেল ইয়াহিয়া খান একটি মাস্টারপ্ল্যান করেন যেখানে পূর্ব পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হবে। সে ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট সংখ্যক বুদ্ধিজীবী এবং এবং পূর্ব পাকিস্তানের উন্নয়নের জন্য যারা ভবিষ্যতে অবদান রাখতে না পারবে এমন অগ্রগামী অরাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গদের হত্যা করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। নির্দিষ্টসংখ্যক এই বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন ব্যক্তিদের একজন করে করে হত্যা করা পাকিস্তান আর্মি দের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছিল, বিশেষত স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় সরকারি অফিসার আইনজীবী ব্যবসায়ী এবং অন্যান্য প্রভাবশালী ব্যক্তি বর্গদের হত্যা করা। এ উদ্দেশ্যে জেনারেল ইয়াহিয়া খান পুলিশদের শক্তি সামর্থ্য বৃদ্ধি করে তাদের বিদ্যমান ভলান্টিয়ার ইউনিট যেমন মুসলিম লীগ, জামাতি ই ইসলাম এবং নিজাম ই ইসলাম এই সংগঠন গুলোর সাথে আলবদর…
-
Genocide ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা ধারাবাহিক পর্ব-৪
Genocide ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা ধারাবাহিক পর্ব-৪ ইউএস কর্তৃক প্রদেয় M24 দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সহ একদল মিলিটারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ব্রিটিশ কাউন্সিল লাইব্রেরি তে ঘাঁটি স্থাপন করে 25 মার্চ রাত 11 টায়।সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এবং ইকবাল হল বর্তমানে যার নাম জহিরুল হক হল এই সব এলাকা ঘন ধোঁয়ায় মেঘাচ্ছন্ন ছিল গোলাবারুদের ইকবাল হলের একটা অংশ ধ্বংস হয়ে যায়। ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকা সাংবাদিকগণ এটা স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করে মার্চ মাসের 30 তারিখ দৈনিক টেলিগ্রাফ পত্রিকায় প্রকাশ করেন কমপক্ষে 200 ছাত্র-ছাত্রী হত্যা করা হয়েছিল । পড়ুন Genocide-২। ইকবাল হলে এবং তাদের রুমগুলো মেশিনগানের গুলিতে ঝাঁঝরা করা হয়েছিল দুইদিন অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও তাদের মরদেহগুলো প্রজ্বলিত সামনেই পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে কিছু কিছু মরদেহ পাশের লেক এ…
-
Genocide ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা ধারাবাহিক পর্ব-৩
Genocide ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা ধারাবাহিক পর্ব-৩ ২৫ মার্চ ১৯৭১ জেনারেল ইয়াহিয়া খান পাকিস্তানের ইতিহাসে এক কাল অধ্যায় শুরু করেন যখন তিনি ঘোষণা দেন যে কোনো মূল্যে পূর্ব পাকিস্তানকে প্রতিরোধ করা হবে সেজন্য তিনি পাকিস্তানের মজুত ৫ টি পূর্ণ সেনা বাহিনী কে নির্দেশে দেন আক্রমণের জন্য। ২৫ মার্চ থাকে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সাল পর্যন্ত যথা মুক্তি বাহিনীর কাছে ও ভারতীয় মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণের আগে পর্যন্ত কত মানুষ হত্যা করেছিল পাকিস্তানিরা এই ২৬৭ দিনের ভয়াল নারকীয় যুদ্ধে যাকে বলে Genocide? কিছু বিদেশী খবরের কাগজ যেমন the times, the gourdian, de monde, অনুসারে ১ মিলিয়ন মানুষ হত্যা করা হয়েছে যেখানে ছাত্র, শিক্ষক, ডাক্তার রাজনীতিবিদ, সরকারি চাকরিজীবী ও পুলিশ অন্তর্ভুক্ত। তাছাড়া, সোভিয়েত ইউনিয়ন…
-
Genocide ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ – ধারাবাহিক পর্ব -২
Genocide ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা ধারাবাহিক পর্ব-৪ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বিশেষত গণহত্যার Genocide শুধু একটি কারণ হতে পারে না এর রয়েছে অনেক দিনের নিষ্পেষণ নিপীড়ন বৈষম্য ও অত্যাচার যার ফলে বাংলাদেশের মানুষ এবার শেষ বারের মত গরজে উঠেছে। কিছু নির্দিষ্ট অতীতের ঘটনা রয়েছে যেমন; ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব, ১৯৪৭ সালের পাকিস্তানের স্বাধীনতা অর্জন, ১৯৫৪ সালের নির্বাচন ও ১৯৫৬ সালের প্রথম সংবিধান, ১৯৫৮ সালের মার্শাল আইন, ১৯৬২ সংবিধান, ১৯৬৯ সালের গন অভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালের নির্বাচন ও ১৯৭১ সালের ইয়াহিয়া মুজিব আলোচনা। প্রতিটি ঘটনার একটি নিজেস্ব ফলাফল, বৈষম্য ও তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে। ১৯৪০ সালের সর্ব ভারতীয় মুসলিম লীগ লাহোর কনফারেন্স এর মাধ্যমে একটি স্বাধীন দেশ তৈরির যে ভিত্তি ছিল যেটা লঙ্ঘন করে। সেখানে…
-
বাংলাদেশে গণহত্যা Genocide শুরুর নেপথ্যে
বাংলাদেশে গণহত্যা Genocide শুরুর নেপথ্যে বাংলাদেশ সবে মাত্র একটি করুন ও বেদনার ইতিহাস (Genocide) গড়তে শুরু করেছে। বাংলাদেশ কি একটি আদর্শ গণতান্ত্রিক দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হবে নাকি অন্যের দাস হয়ে নির্যাতিত হবে।এটা ছিল একটা জটিল সমীকরণ। বাংলাদেশের উপর দিয়ে যে অন্যায় অত্যাচার নিপীড়ন করা হয়েছে তা সত্যি ভাষায় বর্ণনা করা যায় না । শহর হয়েছে কসাইখানা, গ্রাম জ্বলছে আগুনে। পৃথিবীর কোন দেশ ও দেশের মানুষ একথা বিশ্বাস করতে পারবে না যে মানুষ কখনও এমন অমানুষ হতে পারে। মুসলিম এভাবে মুসলিমের প্রতি অত্যাচার করতে পারে। এটা ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আছে আমাদের এই বাংলাদেশে। তৎকালীন বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক কন্দলের মধ্যে বলির পাঠা হয়েছিল। ইন্ডিয়া যদিও গরিব একটি দেশ ছিল তবুও বাংলাদেশ কে…
-
কাকে বেশি ভোট দিবে ডোনাল্ড ট্রাম্প নাকি জো বাইডেন
ডোনাল্ড ট্রাম্প? আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হাড্ডা হাড্ডি লড়াইয়ে জো বাইডেন জয়ী হয়েছেন যদিও এখন জো বাইডেন কে কিছু আইনি জটিলতা থেকে মুক্ত হতে হবে কারণ ডনল্ড ট্রাম্প এখনও পরাজয় কে মেনে নিতে পারেনি তাই জো বাইডেন এর নামে মামলা দিয়েছেন ভোট চুরির জন্য। বাংলাদেশের মানুষ কাকে বেশি পছন্দ করে? এমন প্রশ্নে কে এগিয়ে থাকবেন? ডোনাল্ড ট্রাম্প? বাংলাদেশের মানুষের কাছে ডোনাল্ড ট্রাম্প কয়েকটি কারণে বিতর্কিত তা হল ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশ তথা সমগ্র মুসলিম বিশ্বের জন্য হুমকি সরূপ যে কোন কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন যা মুসলিম বিশ্বের জন্য প্রতিকুল। তা ছাড়া ডোনাল্ড ট্রাম্প বৈশ্বিক উষ্ণত্ব বৃদ্ধিকে কম গুরুত্ব দেন যা পৃথিবীর সমস্ত মানুষের জন্য হুমকি স্বরূপ। এই করোনা মহা মারীতে ডোনাল্ড ট্রাম্প…
-
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিল পত্র (১ম খণ্ড- ১৫তম খণ্ড)
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিল পত্র- ১ম খণ্ড- ১৫তম খণ্ডে মোট পৃষ্ঠা ১১৬৭১ টি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধের দলিল পত্র মোট ১৫ খণ্ডে রচিত। এখানে প্রথম খণ্ডের হু বহু কপি দেয়া হল। এই প্রথম খণ্ড মোট ১৩ টি চ্যাপটার আছে। আর প্রথম চ্যাপটার এ বাংলাদেশের ইতিহাসের ১৯০৫ সাল থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত ঘটনা বর্ণিত আছে। যাকে বলা হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পট ভূমি। ১৫ তম খণ্ডে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পূর্ণ বিজয় ও তৎ পরবর্তী ঘটনা প্রবাহ দেয়া আছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা দলিল পত্রের পূর্ণ কপি প্রথম খণ্ড থেকে ১৫ খণ্ড পর্যন্ত। মোট পৃষ্ঠা- ১১৬৭১ টি। সাইজ- ৬৭.১ MB. বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধের পূর্ণ সঠিক ইতিহাস জানার জন্য এর কোন বিকল্প নাই।
-
মহামারী সংকলন- ৫ (খ্রিস্টাব্দ ৫৪১-৫৪৯ জাস্টিনিয়ার প্লেগ মহামারী)
মহামারী সংকলন- ৫ (খ্রিস্টাব্দ ৫৪১-৫৪৯ জাস্টিনিয়ার প্লেগ মহামারী) জাস্টিনিয়ানের শাসনামলে (৫২৭-৫৬৫ খ্রিষ্টাব্দ) এক ভয়াবহ প্লেগের প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল যা কিনা লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়েছিল। এই মহামারী ২২৫ বছর যাবৎ পৃথিবীতে এর আধিপত্য দেখিয়ে ৭৫০ খ্রিষ্টাব্দে শেষ হয়। এই মহামারী ৫৪২ খ্রিষ্টাব্দে কনস্টান্টিনোপলে প্রথম দেখা যায়। তার ঠিক এক বছর পর উক্ত রাজ্যের বাইরে এর প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ে যার শুরু ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল থেকে, তারপর পুরো বিশ্বে। এই মহামারী চীন ও উত্তর পূর্ব ভারতে উদ্ভূত হয়। প্লেগটি (ইয়ারসিনিয়া পেস্টিস) আফ্রিকার গ্রেট লেক অঞ্চলে যায় উপকূলীয় সমুদ্র বাণিজ্যের মাধ্যমে। জাস্টিনের প্লেগের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল মিশর। সিজারিয়ার বাইজেনটাইন ঐতিহাসিক প্রোকোপিয়াসের মতে, প্লেগের শনাক্তকরণের সূচনা হয়েছিলো নীল নদের উত্তর ও পূর্ব উপকূলে। প্লেগ লেখক…
-
মহামারী সংকলন-৪ ( খ্রিস্টাব্দ ২৫০-২৭১ সাইপ্রিয়ান প্লেগ মহামারী )
মহামারী সংকলন-৪ (খ্রিস্টাব্দ ২৫০-২৭১ সাইপ্রিয়ান প্লেগ মহামারী) সাইপ্রিয়ান প্লেগ মহামারীটি ২৫০ খ্রিষ্টাব্দে ইথিওপিয়ার পূর্বাঞ্চলে বিস্তার শুরু করে। এক বছর পর এটি ধীরে ধীরে রোমে ছড়িয়ে পরে, এরপর গ্রীসে এবং এরপর আরও পূর্বের দিকে সিরিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। সাইপ্রিয়ান প্লেগ মহামারীটি ২০ বছর যাবৎ স্থায়ী ছিল এবং এটি এর সর্বোচ্চ পর্যায়ে গিয়ে রোমে দৈনিক ৫০০০ মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়েছিল। যুদ্ধের কারণে সীমান্ত একের পর এক হামলা হওয়ার রোম সাম্রাজ্যের নাগরিকেরা দ্রুত প্লেগে আক্রান্ত হতে থাকেন। জার্মানির উপজাতি গাউল এবং পার্থিয়ানরা মেসোপটেমিয়ায় আক্রমণ করেছিল। সম্রাটদের কাজ সম্পাদন হয়ে পড়েছিল অশান্তির ও কঠিন। কারণ খরা, বন্যা এবং দুর্ভিক্ষের জন্য জনপদ দুর্বল ও ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল। কার্টেজের বিশপ সেন্ট সাইপ্রিয়ান মন্তব্য করেছিলেন, “ পৃথিবী শেষের…
-
মহামারী সংকলন-৩ খ্রিস্টাব্দ ১৬৫-১৮০ এর অ্যান্টোনিন প্লেগ মহামারী
মহামারী সংকলন-৩ খ্রিস্টাব্দ ১৬৫-১৮০ এর অ্যান্টোনিন প্লেগ মহামারী যখন আমরা প্লেগ নিয়ে কথা বলি , তখন সাধারণত আমরা সেই প্লেগ নিয়ে কথা বলি যা মধ্যযুগীয় সময়ে লক্ষাধিক ইউরোপীয়ানদের মৃত্যুর কারণ হয়। তবে ইউরোপীয় ইতিহাসে ভিন্নরূপ দেওয়ার এটিই একমাত্র মহামারী ছিল না। ১৬৫ খ্রিস্টাব্দে রোমান সাম্রাজ্যে এক রহস্যজনক মহামারী ছড়িয়ে পড়ে। এই মহামারীই অ্যান্টেনাইন প্লেগ নামে পরিচিত। এই মহামারীটি সম্ভবত ১৬৬ খ্রিস্টাব্দে চীনের সিল্ক রোড ধরে পশ্চিম দিক পেরিয়ে বাণিজ্য জাহাজের মাধ্যমে রোমে ছড়িয়ে পড়ে। কখনও কখনও একে গ্যালেনের প্লেগ ও বলা হয়। এই মহামারীর প্রাদুর্ভাব রোমান সাম্রাজ্যকে প্রায় ভেঙ্গে ফেলেছিল। এটি খ্রিস্টাব্দ ১৮০ পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। এই মহামারী এমন কাজ করেছিলো যা রোহিঙ্গাদের সেনাবাহিনীও করতে পারে নি। খ্রিস্টাব্দ ১৬৫ তে…
-
মহামারী সংকলন-২ খৃষ্টপূর্ব ৪৩০ এর এথেন্সের প্লেগ মহামারী
মহামারী সংকলন-২ খৃষ্টপূর্ব ৪৩০ এর এথেন্সের প্লেগ মহামারী প্রাচীন গ্রীকে পেলোপনেশিয়ান যুদ্ধের ২ বছর পর একটি মহামারী এথেন্স শহরকে বিধ্বস্ত করেছিল। এই যুদ্ধ সংগঠিত হয়েছিল এথেন্স ও স্পার্টার মধ্যে । যুদ্ধে তখন জয়ের কাছে পৌছে গিয়ে ছিল এথেন্সিয়ানরা। প্লেগ নামের এই মহামারী ৭৫,০০০ থেকে ১,০০,০০০ মানুষের জীবন নিয়ে নিয়েছিল। ধারনা করা হয়, পাইরেয়াসের মাধ্যমে এথেন্সে প্রবেশ করেছে এই মহামারী।কারণ, এটিই নগরীর একমাত্র খাদ্য সরবরাহের বন্দর । পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের বেশির ভাগ মানুষ এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখেছিল। কিন্তু মহামারীর প্রভাব সেখানে কম ছিল। তবে এথেন্সে এই মহামারী ৫ বছর যাবৎ স্থায়ী ছিল। ঐতিহাসিক থুসিডিডিস এর বর্ণনা অনুযায়ী, “সুস্থ লোকেরা হঠাৎ করেই মাথায় হিংস্র উত্তাপে আক্রান্ত হন এবং তাদের চোখের মধ্যে লালভাব…
-
মহামারী সংকলন-১ চীনের প্রাগৈতিহাসিক মহামারী
মহামারী সংকলন-১ চীনের প্রাগৈতিহাসিক মহামারী উত্তর-পূর্ব চীনের স্বায়ত্তশাসিত দীর্ঘ অঞ্চল অভ্যন্তরীণ মঙ্গোলিয়া। অভ্যন্তরীণ মঙ্গোলিয়ার প্রাচীনতম ৫০০০ বছরের পুরনো ছোট গ্রাম হামিন মানহা, যা এখন সহস্রাব্দের জন্য মৃত। অর্থাৎ খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ সময়কার একটি অঞ্চলের মহামারী কথন এটি। ২০১১ সাল থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে প্রত্নতাত্ত্বিক খননের ফলে এই অদ্ভুত নিউলিথিক সাইটটি আবিষ্কার হয়েছিল। মাত্র ২৯ টি বাড়ির একটি ছোট প্রাগৈতিহাসিক গ্রাম । যেখানে ২০০ বর্গফুট কুড়ে ঘরের মধ্যে ১০০ টি কঙ্কাল পাওয়া যায়।কতজনই বা থাকতে পারে ২৯ টি বাড়ি বিশিষ্ট একটি গ্রামে! আর যদি ১০০ বাসিন্দা মারা যায় তবে কতজন বাকি ছিল? “ কঙ্কালগুলো দেখে মনে হচ্ছিলো খুব তাড়াহুড়ো করে একটির উপর একটি লাশ স্তূপ করা হয়েছিল।” ২০১৮ সালের উক্ত সাইটের প্রত্নতাত্ত্বিক…
-
মুক্তিযুদ্ধের একটি সোনালী পাতা
মুক্তিযুদ্ধের একটি সোনালী পাতা 1971 সাল। মার্চ মাস। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিলেন । শুরু হলো মুক্তিযুদ্ধ। সারাদেশে চলছিল যুদ্ধ। স্বাধীনতার জন্য মুক্তিসেনারা লড়াই করছিলেন। তখন জুন মাস। এদেশেরই একটি গ্রাম। ওই গ্রামে ছিল জঙ্গল ঘেরা পুরনো এক জমিদার বাড়ি। সেখানে একদল মুক্তিসেনা ঘাঁটি গেড়েছেন সঙ্গে ছিলেন তাদের দলনেতা। পাশের গ্রামে ছিল পাকিস্তানী মুক্তিসেনারা। হঠাৎ তারা গুলি চালাতে লাগলো মুক্তিসেনাদের দিকে। বিপদ টের পেলেন দলনেতা। শত্রুরা তখন খুবই কাছে। গুলি ছুটে আসতে লাগলো চারিদিক থেকে, কি করবেন মুক্তিসেনারা। মুক্তিসেনাদের পিছনে ছিল একটা বড় গ্রাম। সেখানে অনেক মানুষের বাস। পিছুহটে গেলে শত্রুরা সহজেই গ্রামটি ধ্বংস করবে। এতে ঘরবাড়ি পূর্বে অনেক মানুষ মরবে।তা তো হতে দেয়া যায় না। জীবন দিয়ে…
-
স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন ও তার দেশপ্রেম
স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন ও তার দেশপ্রেম যিনি তার মেয়ে জামাইকে পর্যন্ত বিদেশে স্থায়ী ভাবে বসবাসের জন্য রাজি হন নি। বলেছেন বাবা তুমি যদি বিদেশে থাক তবে আমার সাথে যোগাযোগ করো না। এমন ই দেশপ্রেম তার। এখন জামাই দেশেই থাকে। এমন অনেক গল্প আছে তার দেশপ্রেমের। স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন, ২৫শে মার্চে গণহত্যা শুরুর দু’দিন আগেও তাঁর মা আপ্রান চেষ্টা করেছিলেন তাঁকে ইংল্যান্ডে নিয়ে যেতে। কিন্তু জন্মভূমির চরম দুঃসময়ে তিনি স্বদেশ ছেড়ে নিরাপদে বিলেতে চলে যাননি। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) স্থাপত্য বিভাগে শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। বিয়ে করেছিলেন এবং স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরুর পূর্বেই তিনি হয়েছিলেন সন্তানের পিতা । আজ ২০১৮ সালে দাঁড়িয়ে, আমি এক পিতা হয়ে ভাবতেও পারিনা সন্তান ও…
-
২৫ শে মার্চ কালো রাত রচনা
২৫ শে মার্চ কালো রাত রচনা স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের জন্য ২৫শে মার্চের কাল রাত আসতো না যদি পরিকল্পনা ঠিক থাকতো ঢাকার রেইস কোর্স ময়দানে শেখ মুজিবুর রহমান একটি প্রতিদ্ধন্দ্বী সরকার চালাবার কথা ঘোষণা দিলেন এবং আনুষ্ঠানিক ভাবে কয়েকটি নির্দেশনা জারী করলেন। অহিংস ও অসহযোগ আন্দোলন চালিয়ে যাবার জন্য তিনি সপ্তাহ ব্যাপী এক কর্ম সূচি প্রকাশ করনে যেটা ২ রা মার্চ শুরু হয়েছিল। কর্মসূচির মধ্যে ছিল ১। কর না দেয়া ২। সারা বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ , সরকারি, আধা সরকারি, অফিস সমূহ, হাইকোর্ট, ও অন্যান্য কোর্ট বন্ধ করে দেয়া।রেডিও টেলিভিশন ও সংবাদপত্র সমূহ কে আওমীলীগের কর্ম পন্থা অনুযায়ী নির্দেশ দেয়া হল এবং এও জানান হল যে এ নির্দেশ অমান্য করলে মনে করা…
-
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
-
প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ তথ্য চিত্র
প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ (War) পৃথিবীর ইতিহাসে এক ভয়ংকর যুদ্ধ । এটাকে প্রথমে গ্রেট ওয়ার বলা হত। কিন্তু ১৯৪৫ সালে যখন দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ শুরু হয় তখন এর নাম পালটে বলা হয় প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ। এই ওয়ার প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ (War) শুরু হয়েছিল ২৮ জুলাই ১৯১৪ সালে এবং শেষ হয়েছিল ১১ নভেম্বর ১৯১৮ সালে। পৃথিবীর দুইটি বিশ্ব যুদ্ধের ব্যপারে আপনি অবশই নাম শুনে ছেন কিন্তু এগুলো যে এতটা ভয়ঙ্কর হবে কে জানত। আমরা এই war গুলো সম্বন্ধে তেমেনি কিছুই জানি না এর একটা কারণ আগে আমাদের ইন্টারনেট এর ব্যবহার তেমন ছিল না তখন শুধু ইতিহাস নিয়ে যারা পড়াশুনা করেছে তারাই এগুলো সম্বন্ধে কিছু জানত। এখন আমাদের সামনে সমস্ত দুনিয়া পরে রয়েছে…
-
বাংলাদেশী মুদ্রা টাকার ইতিহাস 1947 থেকে 2023
Taka বাংলাতে ও টাকা। বাংলাদেশী মুদ্রা। প্রাচীন কাল থেকেই মানুষ মুদ্রা হিসেবে স্বর্ন মুদ্রা ব্যবহার করত। যদি ও স্বর্ন মুদ্রার প্রচলন তুলনামূলক মধ্য যুগীয় সময় কালের। প্রাগৈতিহাসিক কালে মানুষ মুদ্রার পরিবর্তে বিনিময় প্রথা অনুযায়ী লেনদেন করত। মুদ্রা হিসেবে নোট টাকা বাংলাদেশের ইতিহাসে একেবারেই আধুনিক। স্বাধীনতা র পূর্বেও টাকার পরিবর্তে রূপি ব্যবহার প্রচলন ছিল। টাকা শব্দটি ইংরেজিতে লিখলেও বাংলাতে টাকা উচ্চারণ হবে । সংস্কৃত শব্দ টঙ্ক যার অর্থ রৌপ্য মুদ্রা থেকে টাকা শব্দ টি এসেছে। বাংলাদেশী মুদ্রা: বাংলাদশের টাকার ইতিহাস খুব বেশিই দিনের নয় । ভারতের পশ্চিম বঙ্গও ও ত্রিপুরায় ভারতীয় মুদ্রা কে টাকা বলা হয়। ১৯৪৭ সালের পরথেকে পাকিস্থান রুপি কে বাংলাদেশে টাকা (Taka) বলা হত। ১৯৭১ সালে মুক্তি যুদ্ধের…
-
ভাষা শহীদদের পরিচয় তথ্যচিত্র
ভাষা শহীদদের মধ্যে অন্যতম হল সালাম, রফিক, শফিক, বরকত, জব্বার এরা দেশের সুর্য সন্তান। তাদের কে আমরা শুধু নামেই চিনি। ভাষা শহীদর আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি এই বাংলা ভাষা। তাদের প্রতি আমরা ঋনী। ভাষা শহীদদের পরিচয় কি? তাই ভাষা শহীদদের পরিচয় ভালো ভাবে জানা উচিত। তারা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে। আর এই ভাষা আন্দোলনের সাথে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ১৪-১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ; নেপথ্যে মর্মান্তিক ঐতিহাসিক সত্য বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ যেসব অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিলো প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলায়_ Disaster Assistance_ ছাত্র সমাজের ভূমিকা
-
ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস 1952
-
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ যেসব অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিলো
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যে সব অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল তার মধ্যে AK 47, Sten Gun, SLR, Mortar, Artillery, Indian SLR, Chinese Sub machine-gun ইত্যাদি। রাইফেল এর মধ্যে জি ৩। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ ছিল মূলত একটা গনযুদ্ধ নারী পুরুষ সবাই অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছে। মুক্তিযুদ্ধে অনেক আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের এর স্বাধীনতা। ৩০৩ রাইফেল ছিল সব থেকে ভাল গেরিলা যুদ্ধের জন্য। https://www.youtube.com/watch?v=Y9iXlBoAasQ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিল পত্র (১ম খণ্ড- ১৫তম খণ্ড) সমস্ত ইতিহাস একসাথে ১৪-১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ; নেপথ্যে মর্মান্তিক ঐতিহাসিক সত্য মুক্তিযুদ্ধের একটি সোনালী পাতা Genocide ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ – ধারাবাহিক পর্ব -২ মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা লড়াই, যা ১৯৭১…
-
যে কারণে গান্ধী কে হত্যা করা হয়েছিল নাথুরাম গডসে উদ্ধত জবানবন্দি
-
বাংলাদেশের সৃষ্টির ইতিহাস
-
চেঙ্গিস খান: ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ংকর বিজেতার জীবন কাহিনী
-
ডাইনোসর বিলুপ্ত হয়েছিল যে 2টি কারণে
এর পরে যখন ধীরে ধীরে পৃথিবীর আকাশের কার্বন স্যুট কণা গুলো মাটিতে পড়ে আকাশ পরিষ্কার হতে থাকে। উক্লাপাতের ফলে বিপুল পরিমাণ SO2, CO2, নির্গত হয়। এর ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। দীর্ঘ মেয়াদে এটার একটি নেতিবাচক ফল ছিল ডাইনোসর গুলোর বিলুপ্তির জন্য। ডাইনোসর বিলুপ্ত রহস্যঃ ডাইনোসরদের বিলুপ্তির বিষয়ে রহস্যের শেষ নাই। তবে ডাইনোসর বিলুপ্তির জন্য শুধু একটি কারণ ই দায়ী নয় বলে বিজ্ঞানীদের ধারনা। প্রমাণের ভিত্তিতে তারা বলে যে বর্তমান ইন্ডিয়াতে ডেক্কান ট্র্যাপ নামক জায়গাতে দীর্ঘ সময় ধরে তিনটা ধাপে আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের কারণে ডাইনোসর বিলুপ্তি হতে পারে। কারণ ডেক্কান ট্র্যাপ এমন একটি জায়গা যেখানে ক্রিটেশিয়াস পালেওজিন সময়ের মধ্যেই অগ্নুৎপাত হয়। এটা এত বৃহৎ আঁকারে হয় হয় পৃথিবীর সবথেকে বৃহৎ লাভা…


























