কবিতা

  • ছোটদের কবিতা
    কবিতা

    75 টি ছোটদের কবিতা Chotoder Kobita

    ছোটদের কবিতা 75 টি বাংলা কবিতা: Chotoder Kobita সম্পূর্ণ বই গুলো পডফ আকারে নিচে দেয়া আছে। গুগল ড্রাইভ থেকে ডাউনলড করুন।   ৬৬টি ছোটদের কবিতা || রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর || কাজী নজরুল ইসলাম || ডিজাইন || ড. রমন   কবিতা গুলো হলঃ   Pakkhi Sob Kore Rob Rati Pohailo   Amader Deshe Hobe Sei Chele Kobe   ছোটদের শিক্ষণীয় কবিতা সমূহঃ   এখানে ছোটদের জন্য মোট ৬৬ টি বাংলা ছড়া ও কবিতা রয়েছে। ৫ বছরের বড় সমস্ত ছেলে মেয়েরা এই শিক্ষা মূলক ছড়া ও কবিতা গুলো মুখস্ত করতে পারবে। জীবনের অনেক মূলক উপদেশ ও আদব কায়দা, আচার আচরণ, ব্যবহার শেখাবে এই ছড়া ও কবিতা গুলো।   একজন আদর্শ মানুষ হিসাবে…

  • আক্ষেপ
    কবিতা,  বাংলা

    আক্ষেপ

    আক্ষেপরমন কুমার বিশ্বাস====== এখন আমার নেইকো সূ শ্বাস ঘর ছেড়েছি তাই আমারও তো  সাগর ছিল বাতাস পানির ঠাঁই অজানা এক সৃষ্টি দুঃখে নিভে গেছে ওই তাই ভেবোনা থাকবনা মুই দুঃখে চিরকাল সূ শ্বাস নেই তো কি হয়েছে আছে হিমাচল বাতাস নিব ধার করে যে থাকবে কিছুক্ষন কাটবে আমার বাতাস হীনার দৈনদশার ক্ষন জীবন ক্ষনে এমন দশা আসতে পারে প্রায়ই তাই মেনেছি ভাবছি হবে জীবন আলোকময় সুবাতাসের আকাল দেখে কেউ বা আসে হেসে বায়ু ভর্তি ঠোঙ্গা নিয়ো ….দিলাম ভালবেসে হটাৎ যদি মন মজে যায় মিথ্যা ছলনায়….. নিশ্বাস আমার আর পাবো না বিদায় হবে ত্বরায় জীবন পথে এ এক আসান ভীষণ জ্বালাময় মনটা আমার ফুর্তি থাকে.. সুবাতাশই বয় তবু দেখি মন ফেরে…

  • সম্মান
    কবিতা,  বাংলা

    কবিতাঃ সম্মান

    সম্মান রমন কুমার বিশ্বাস ============= একদা গুরুকে সুধাইল হে দীন মান ! কোথা গেলে আমি পাইব শীর্ষ সম্মান ? ভাবিয়া গুরু কহিল হে বৎস পৃথিবীতে আছে দুটি স্থান সকলের প্রিয় সর্ব্চ্চ সম্মান একটি মায়ের আচল তল বিনা নাহি অধিক সম্মান অন্যটা জেনো নিজ কর্মস্থল ৷৷ সম্মান আরও কবিতা

  • কবিতা
    কবিতা,  বাংলা

    সকালের কবিতা

    সকালের কবিতা মা মনির কথা শুনব খুব সকালে  উঠবো দুপুরে খাবার খাব বিকালে গেম খেলব রাতে বই পড়ব পড়ব অ আ ক খ রাতে ঘুমাব সকাল সকাল পাপার গল্প শুনব এভাবে যাবে দিন আমরা শিল্প রিয়ানা রিঙ্কা দেশের কথা ভাবব দশের কাজ করব 75 টি ছোটদের কবিতা

  • আমি দেখেছি
    কবিতা,  বাংলা

    আমি দেখেছি

    আমি দেখেছি লেখক রমন কুমার বিশ্বাস, অধ্যাপক, পবিপ্রবি।। আমি দেখেছি জীবিত মানুষের মূল্য কম মৃত মানুষের বেশি আমি দেখেছি পথ শিশুদের বিরতিহীন কান্না আমি দেখেছি শীতার্ত বৃদ্ধ নর-নারীদের কনকনে শীতে ক্রন্দন আমি দেখেছি রৌদ্রের তাপে ভূমিষ্ঠ শিশুর চর্ম কৃষ্ণবর্ণ  আমি দেখেছি অসহায় ভিক্ষুকের ক্ষুদাতুর আর্তনাদ আমি দেখেছি ক্ষণে বৈষম্য অমানুষ মনুষ্য সমাজ আমি দেখেছি বিনা চিকিৎসায় মারা যাওয়া একটি বৃদ্ধ আমি দেখেছি প্রাণবন্ত পাখিদের নির্বিচারে গুলি আমি দেখেছি নিরীহ পশুর মুন্ডু ছেদন ফিনকি দিয়ে রক্ত আমি দেখেছি নির্লজ্জভাবে ঘুষের টাকা দাবি আমি দেখেছি মানুষে মানুষে সীমাহীন বৈষম্য আমি দেখেছি এক টুকরো মাংসের জন্য শ্রেষ্ঠ জীবের হত্যা আমি দেখেছি মৃত মানুষের খ্যাতি বিক্রির বেনামি সব সম্পদ আমি দেখেছি নববধূর ত্বকে ঝালসান…

  • প্রার্থনা
    কবিতা,  বাংলা

    প্রার্থনা

    প্রার্থনা আফরিন হোসেন আশা ——————– ভালো থাকা লক্ষ্য আমার যতই আসুক বাধা। রব তুমি আমার পাশে থেকো সর্বদা,, জীবন মাঝে দৈন্যতার অভাব যে আর নাই। ছাড়তে চেয়ে ছাড়ছে না পিছ তোমার বান্দার… সূর্যি কিরণ যেমন করে মেটায় অন্ধকার তেমন করে দূর করে দাও আমার দৈন্যতার। বিপদ আপদ সবই তোমার অমোঘ নিয়ামত কষ্ট শিষ্ট আসুক যতই ত্রান কর আমায়। ধৈর্য্য নামের হিরের আলোয় আলোকিত কর মন পাহাড় এসে টুটলে মাথায় আমি যেন হই স্থির।। কালের ভাগে সবার আগে চায় আমি পরকাল নেক আমল করতে যেন কেটে যায় ইহলোক। সকাল বেলার প্রার্থনায় মোনাজাতরত হাত কায়মনোবাক্যে করে নাজাতের ফরমান। কবুল কর আরজি আমার,, মঙ্গল কর সবার এই হাত যেন ফিরে না আসে খালি…

  • নারীর সম্মান
    কবিতা,  বাংলা

    নারীর সম্মান

    নারীর সম্মান মো: সাব্বির হাসান———————-স্বাধীন স্বাধীন স্বাধীন আমিস্বাধীন আমার দেশ।দু’লক্ষ মা বোনের ইজ্জৎ এর বিনিময়েপেয়েছি স্বাধীন দেশ।তবু কেনো স্বাধীন দেশেনিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে দেশ।এই কি আমার স্বাধীন দেশ? তখনও ছিলো এখনও আছে,ধর্ষণ আর নিপীড়ন।তবে কবে বলো নির্মূল হবেনারীর প্রতি অসম্মান?নারীর গর্ভে জন্ম নিয়েকরি না কখনও নারীকে সম্মান।ধর্ষণ নয় ধর্ষক কমাওফিরিয়ে আনো নারীর সম্মান। ধর্ষণের শাস্তি হোক সর্বোচ্চ কঠিনপ্রজন্ম থেকে প্রজন্ম যেন মনে রাখেধর্ষণের শাস্তি কঠিন।আর নয় এদেশে ধর্ষণ, নিপীড়নআর নয় কোনো নারীর অসম্মান। আমি বলি কেবল অপরাধীকে নয়,অপরাধকে শাস্তি দাও।তাহলে কমবে ধর্ষণ, নিপীড়ননারী হবে মহীমাময়।   নারীর সম্মান মো: সাব্বির হাসানব্যবস্থাপনা (২০১৮-১৯)ইসলামিয়া সরকারি কলেজ, সিরাজগঞ্জ।প্রকাশিত: ‘বর্ণালী’ মাসিক ম্যাগাজিন, অক্টোবর সংখ্যা, ২০২০

  • বিয়ে
    কবিতা,  বাংলা

    বিয়ে

    বিয়ে ফাতেমা মোস্তারিন——————-বয়স কেবল তখন ১১ কি ১২বিয়ের জন্য সবাই পাগল।স্কুলে গেছি, ফিরে দেখি ঘটকআমার জন্য বিয়ে সমন্ধ এনেছে। বললাম,না, বাল্যবিবাহ করব না আমি।এভাবেই ১৮ হওয়া পর্যন্ত অনেক লড়াই,অবশেষে আমি ১৮। জানেন?যখন ১১ কি ১২ ছিলামতখন দোকানি, কেউ পুলিশকেউ বা তখন ৩০ এর পাত্র ছিল। যখন ১৮ পার হলামতখন মুক্ত চেতনায় বড় হলাম।বিয়ে নয় এখন সেই মানুষগুলোকে নিয়ে থাকিযারা আমায় জন্ম দিয়েছে। এভাবেই লোকের মুখ বন্ধ করলামকিন্তু, আজ যখন মনে হলোবাধা পড়ার দিন বুঝি এলোতখন নাকি আর বর নাই। মেয়ে মোটা, কালো, চাকরি নাইএম.এ পাস।ছেলে তো ম্যট্রিক পাসএই ছেলে হবে? এখন বিয়ের জন্য চাকরি, টাকা এসব লাগেএম.এ পাসের জন্য এম.এ পাস নাই আর।অথচ, তথাকথিত এম.এ পাসেরাবাল্যবিবাহ করছে অবাধে। দেশ থেকে…

  • নারী
    কবিতা,  বাংলা

    নারী

    নারী মোঃ রফিকুজ্জামান রফিক———————————-তোমার জন্মের দিন বাবা মিষ্টি বিতরণ করেনি;সেদিন বাবার হাসি মুখটা কালো হয়ে গিয়েছিল।তোমার প্রথম পা পড়েছিল অমসৃণ পথে-তুমি বাবার নতুন চিন্তা,কারণ তুমি নারী-সমাজ তোমাকে অপয়া বলবেই। আজ,তোমার বয়স ষোল-এখন তুমি আকর্ষণীয়া;রাস্তার দুষ্ট ছেলেরা তোমাকে দেখে শিশ দেয়;তোমার ফেসবুকে কত ছেলে বার্তা পাঠায়;আজ কত ছেলের কামনার বস্তু তুমি।কিন্তু তুমি ফিরে তাকালেই,সমাজ তোমার চরিত্রে সীলমোহর মারবেই।কারন তুমি নারী-তোমার দিকে আঙ্গুল তুলে বলবেই তুমি দুশ্চরিত্রা,জলে যাবে তোমার জ্ঞান-বুদ্ধি, তোমার মেধা। তুমি নিয়োগ পাবে পরিচায়িকা হিসেবে;তোমার ভবিষ্যত রান্নাঘরে।এখন তুমি মা, তোমার পুত্রের কাছেতুমি শ্রদ্ধার পাত্র;কিন্তু মা তুমি কি জানো তোমার ছেলে রাস্তার ধারে কি করে?চায়ের দোকানে আসা মেয়েদের দিকেকোন দৃষ্টিতে তাকায়-তুমি কি কখনো নিষেধ করেছো?তাহলে তুমি কেমন মা! আজ তুমি বৃদ্ধা,…

  • আত্মবলিদান
    কবিতা,  বাংলা

    আত্মবলিদান

    আত্মবলিদান বিজয় পাল—————–আমি তেরোশত নদীর প্রতিনিধি হয়ে বলছি,জোয়ার ভাটার এই উত্থান পতনইআমার জীবন।শত শত দুর্গম পথ ডিঙিয়েছুটে চলি আমি সাগর পানেনা মানি কোনো বাঁধা, বারণ। আমি বিশাল সমুদ্র বলছি,আমিও যে স্বাধীন তা কিন্তু নয়,আমাকে পাহারা দিচ্ছে ঐ বিশাল আকাশ।কোনো এক সীমান্তে সে আমাকে ছুঁয়েছেসেখানেই যেন বন্দি আমিশুধু পাহারা দিয়েই তার মিটেনি আশা। আমি সকল পাহাড় পর্বত বলছি,আকাশের সনে ভাব করিতে মাথা উঁচু করি।পাষাণ বলিয়া ফিরাইয়া দেয় মোরে পাষা,এ বেদনা আমি সহিতে না পারি নয়নে ঝরে বারি। এ বৃক্ষের বেদনা কহিব কি আরফুলে ফলে ভরাইয়া তুলি এ জগৎ সংসার।তবু কেন ভালোবাসা পাইনা সবার?হাওয়া দিই, ছায়া দিই তবুডাল ভাঙে আমার। ভরা বসন্তের কোকিল পাখি আমিকৃষ্ণচূড়ার ঐ মগডালে বসিয়া গান শুনাই দিনভর।মানবকুল বড্ড…

  • তুমি শুধু তুমি
    কবিতা,  বাংলা

    তুমি শুধু তুমি

    তুমি শুধু তুমি প্রিয়াংকা গাঙ্গুলী———————-হৃদয়ের ছন্দ তুমিশিশিরের গন্ধ তুমি,তিমিরের আলো তুমিপ্রদীপের কালো তুমি। জোছনার কলঙ্ক তুমিঅমাবশ্যার মাধুর্য তুমি,শুভ্র কাশবনের বেদনা তুমিরক্তজবার রুক্ষতা তুমি। তুলো মেঘের ছায়া তুমিশিলাবৃষ্টির ঐকতান তুমিদুই চোখের পাতা তুমি। প্রথম ভুল তুমি,পাগলামির শাস্তি তুৃমি,হাজার মন্দের ভালো তুমি। কোকিল- কণ্ঠের গান তুমিউড়ন্ত চিলের ডানা তুমি,ক্ষুধার্ত কাকের কান্না তুমি। আঙুলের ইশারা তুমি,ঠোঁটের নরম পেশি তুমি,জীবনের রঁজন তুমি,দু’হাতের বন্ধন তুমি।তুমি, শুধু তুমি। তুমি শুধু তুমি প্রিয়াংকা গাঙ্গুলীপ্রথম বর্ষ,শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ, গোপালগঞ্জ। প্রকাশিত: ‘বর্ণালী’ মাসিক ম্যাগাজিন, অক্টোবর সংখ্যা, ২০২০  

  • জ্যেষ্ঠ
    কবিতা,  বাংলা

    জ্যেষ্ঠ

    জ্যেষ্ঠ মোঃ লিটন আকন্দ————————–কালবৈশাখী বাড়ির বায়ুকোণেবুকপেতে দাঁড়িয়ে থাকা নিবিড় বাঁশঝাড়।জলমগ্ন নৌকার অদূরে প্রতীয়মাণদৈব জীর্ণ কলা গাছ। মরুর অগ্নিঝড়া তপ্ত বালুময় প্রান্তরেলম্বা খেজুর গাছের রঁজনবৈচিত্র্য।অন্ধকার রাতে হাঁপানি রোগীর খুঁজে পাওয়া হারানো ইনহেলার। কাঠপোড়া রোদের দিন শেষে মাগরিবের আজান কানে আসা মাত্র ঠান্ডা পানিতে প্রথম চুমুক।নিষ্ঠুর শহরে ঘোর বিপদে ওয়াচ পকেট হাতড়ে পাওয়া একশো টাকার একটা চকচকে নোট। মেরুর কনকনে শীতে লাকড়ি জ্বালানোর জন্য দিয়াশলাই এর শেষ কাঠিটা।অমাবস্যার রাতে অন্ধকারেহাতে থাকা নোকিয়া বারো’শ নয় এর ক্ষীণ টর্চ। স্রোতের বিপরীতে সাঁতারপ্রায় পানিতে পায়ের নিচের শক্ত মাটির ঢিবি টুকু।হ্যা, আমি একজন বড় ভাইয়ের কথা বলছি। জ্যেষ্ঠ মোঃ লিটন আকন্দভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগবরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়। প্রকাশিত: ‘বর্ণালী’ মাসিক ম্যাগাজিন, অক্টোবর সংখ্যা, ২০২০

  • প্রতীক্ষা
    কবিতা,  বাংলা

    প্রতীক্ষা

    প্রতীক্ষা মোঃ লিটন আকন্দ————————-আজ কতদিন হয়ে গেলঘর আর উঠোনএর বাইরে যেতে মানা দুরন্ত ছোট্ট শিশুটির।যদিও আবদার করে মায়ের কাছেহাঁটতে যাবে বাইরেমা বলে আর কয়েকদিন আমরা সবাই যাব।ও চুপ করে থাকে, এটা অপেক্ষা কী নাও বুঝতে পারে না। তবে একই কথা শুনেই যাচ্ছে অনেক দিন।নীরব বসে থাকে বাবাএতবেশি বেশি সময় বাড়িতে থাকেন যেএখন আর তার প্রত্যাবর্তনেকেউ দৌড়ে এসে কোলে উঠে নাকিংবা কেউ বলে না“কিগো, আজ এত দেরি হলো যে”,মা মনে হয় ভুলেই গেছেতার নিত্যকার বুলিগুলি“খোকা, টিউশন শেষ? বাসায় যা,বাইরে দেরি করিস না বাবাযুগ জামানা ভালো না”কিংবা” এই যে আসছে জমিদারের বাচ্চা,এই বুঝি তোর ফেরার সময় হলো?”অনেক দিন হলো মুবিন বাড়ি এসে বলে না“মা, আজ টিফিনের সময় ছুটি হয়েছেকিংবা সে তার সদ্য…

  • কবিতা
    কবিতা,  বাংলা

    কবিতা ডাক্তার আখতার

    কবিতা ডাক্তার আখতার শোষণের অবতার, জং ধরেছে বিবেকে সব কিছু ভোঁতা তার। নেকাব্বর জব্বার অর্থ নেই পকেটে তার, কিভাবে দেখাবে ডাক্তার! ডাক্তার আখতার শোষণের অবতার।। কবিতা ডাক্তার আখতার Artwork; এক নারীর গল্প Artwork; সহযোগিতা Artwork; জীবনের শিকড় শিল্প কর্ম আর্ট ওয়ার্ক সব গুলো একত্রে ক্যাটাগরি বাংলায় পড়ুন সবগুলো একত্রে ক্যাটাগরি  

  • দখিনা দুয়ার
    কবিতা,  বাংলা

    দখিনা দুয়ার

    দখিনা দুয়ার মারুফ আহমেদ —————— নিঃসঙ্গ তারাদের মতো একাকিত্বে আজ অসহায়ত্ব নেমেছে মগজে, দুপাশে-চারিদিক। দখিনা দুয়ারে বসন্তের বাতাস আসে রিক্ততার; কৃষ্ণচুড়ার প্রথম প্রহর যেন, আমার রক্তাক্ত শরীরে আঁকা তীব্র প্রতিশোধের জ্বলন্ত অগ্নিশিখা। ক্রমাগত পুড়ছি,দাবানলে ছাই হয়ে উড়ছে আমার পুড়ে যাওয়া ক্ষত-বিক্ষত হৃদয়, অ্যাকুয়াস হিউমার গলে মিশছে ক্ষয়ে যাওয়া দগদগে মাংসে, রক্তে আমার সমস্ত চেতনায়। কি বিভৎস এ বেঁচে যাওয়া! যুদ্ধের মতো মরে-পুড়ে ফেরা; মৃত্যুর আগে পাখিরা যেমন মরে, আমার নিঃশ্বাসে বাঁচা ও দখিনা দুয়ার যেন নরকের এক জ্বলন্ত ভাগাড়। দখিনা দুয়ার মারুফ আহমেদ ৪র্থ বর্ষ, লোক প্রশাসন বিভাগ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়। প্রকাশিত: বর্ণালী মাসিক ম্যাগাজিন-২য় সংখ্যা প্রকাশিত: বর্ণালী মাসিক ম্যাগাজিন (২য় সংখ্যা) সমতা Artwork; এক নারীর গল্প Artwork; সহযোগিতা Artwork; জীবনের…

  • অপেক্ষা
    কবিতা,  বাংলা

    অপেক্ষা

    অপেক্ষা মো: আহনাফ শাকিল (সেনা) চৌধুরী ——————————————- তুমি বৃষ্টি হয়ে ফিরে এসো আজ ভিজিয়ে দাও আমায়, শুন্য হৃদয় পূর্ণ হউক তোমার অফুরন্ত প্রণয়। রং তুলিতে আঁকতে পারিনি তোমার চাঁদ মুখের হাসি, হৃদয় মাঝে রেখেছি হায় তোমার অনন্য প্রতিচ্ছবি। তোমায় ছুইতে ব্যর্থ আমি হেটেছি অনেকটা সারণি, তোমার জন্যই আজো বসে অপেক্ষার শেষ হবে জানি। তোমার মাঝে দেখি আমায় অনুভবে তুমি থাকো যেন, আমার নিঃশ্বাসের আনাগোনা তোমার চরণ অবিরত। অপেক্ষা মো: আহনাফ শাকিল (সেনা) চৌধুরী নীলফামারী। প্রকাশিত: বর্ণালী মাসিক ম্যাগাজিন-২য় সংখ্যা প্রকাশিত: বর্ণালী মাসিক ম্যাগাজিন (২য় সংখ্যা) সমতা Artwork; এক নারীর গল্প Artwork; সহযোগিতা Artwork; জীবনের শিকড় শিল্প কর্ম আর্ট ওয়ার্ক সব গুলো একত্রে ক্যাটাগরি বাংলায় পড়ুন সবগুলো একত্রে ক্যাটাগরি

  • দামি আর দামী
    কবিতা,  বাংলা

    দামি আর দামী

    দামি আর দামী লিটন আকন্দ ————— সব বিষয়ে যে লেটার পেয়েছে সে নিশ্চয়ই অনেক দামি, টেনেটুনে যে পাশ করেছে তারেও স্মরি আমি। অভিনন্দন জানাই তোমাদের দিয়ে গোলাপ ফুল, কম বেশি সবাই দামী মানতে করো না ভুল। পড়ার ক্ষতি হবে বলে বাইরে যাওয়া বারণ, একটা পর্দাই যখন রুমের দেয়াল, হয় পড়ার ক্ষতির কারণ। জন পাঁচেক মাস্টার দিত, ভালো ফল যাতে হয়, ছোটদের পড়াতে হবে এটাতো পড়ার বাইরে নয়! ঘুম ভাঙেনি,চোখ কচলে কারও কোচিংএ হয়েছে যেতে, বাবা গিয়েছে ইটের ভাটায়, তুই একটু যা ক্ষেতে। স্কুল শেষ দুপুরে খেয়ে কেউ দিয়েছে ঘুম, ঘুমাস নে বাবা মাঘ ফাল্গুনে ধান লাগানোর মৌসুম। বিকালে কারও স্যার এসেছে, মা দিয়েছে চা, বাজারটা যা করে আন বাবা দেরি…

  • প্রেমের সাঁজ
    কবিতা,  বাংলা

    প্রেমের সাঁজ

    প্রেমের সাঁজ কামরুজ্জামান বিবেক ————————— বর্ষায় মন উতলা হয় আমার। পরিকল্পনা ছিল টিপ টিপ বৃষ্টিতে দুজনে ভিজতে যাবো কালো যমুনার ধারে যাবো। এ কথা শুনে প্রকৃতি আমাদের স্বাগত জানাতে নতুন সাজে সজ্জিত হবার পরিকল্পনা করছে। বর্ষার নতুন পানিতে গাছগুলো জীবন ফিরে পেয়েছে। কদম বনের নতুন সাঁজ তোমার চোখে পড়ে নি? দুধসাদা কদম কলি বর্ষার সবুজ পাতার নৌকায় করে আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে যমুনার কালো জ্বলে। বেলি, জুঁই কিংবা কাঠগোলাপ কেউ চুপ করে বসে নেই তোমার মনে দোলা দেওয়ার জন্য। শুনছো তুমি হাসনাহেনার নতুন সংসার হয়েছে এই বর্ষায় সে শিউলি বনে নিজের সংসার পেতেছে একমাত্র তোমায় আমায় দেখবে বলে!! বর্ষার মুষল ধারা তোমার মন কে দুলায়িত করতে পারবে তো? নাকি তুমি…

  • মনে পড়ে
    কবিতা,  বাংলা

    মনে পড়ে

    মনে পড়ে লায়না ইসলাম লাকী ———————– আজ বহু কালের ব্যাবধান তবু যেন কিছুই বদলায়নি আজও তোমার কবিতা পড়ি রাত্রিভর অথবা নিরবে একাকীত্বে। তোমার কথা আজও মনে পড়ে তখন এই মন- খুঁজে পেতে চায় তোমাকে জানি না তুমি কোথায়। তুমি কি আজও কাঁদো আমার জন্য? আজও কি ফুল নিয়ে অপেক্ষায় থাকো? আমায় দিবে বলে। আমি আজও তোমার জন্য কবিতা লিখি তুমি চেয়েছিলে- কবিতার মাঝে আমায় লুকিয়ে রাখবে বলে। তুমি কি আজও অচেনা পথে পা বাড়াও? তুমি কি দেখেছো ফুলগুলো ঝড়ে পড়েছে কি না? যে ফুলগুলোকে আমাদের সুখের উৎস হিসেবে নির্বাচন করতে চেয়েছিলে! সত্যি, তোমায় ভেবে আজও আমার কষ্ট হয়, কালো মেঘের শ্রাবণ দিনে তোমাকে ভেবে এখনো কাঁদি। তুমি তা জানতে, এখনও…

  • বঙ্গবন্ধু
    কবিতা,  বাংলা

    বঙ্গবন্ধু

    বঙ্গবন্ধু কায়েস মাহাবুব সাকিব ————————– শোনো, হে নবীন কৃষক, শ্রমিক, প্রবীণ, টুঙ্গিপাড়ার এক ছোট্ট কিশোরের গল্প, যেখানে লুকানো ছিলো স্বাধীন বাংলার স্বপ্ন। যাঁর কাঁধে উঠে দাঁড়ায়, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের শির, তিনি এক অসীম সাহসী, অকুতোভয় বীর। যাঁর সাহসিকতা যেন বিশাল সমুদ্রের ঢেউ, প্রতিবাদ আর দেশপ্রেমে সমতুল্য হবে না কেউ। তিনি মানেই ৬৬’র বাংলার মুক্তির সনদ, শোষণ, অত্যাচার, বৈষম্যে প্রতিবাদ আর অমত। তিনি মানেই ৬৯’র মিথ্যা মামলার বিদ্রোহী কয়েদী, পাকিস্তানি সামরিক শাসন, মার্শাল ল’র বিরোধী। তিনি মানেই নিরঙ্কুশ বিজয়ে ৭০’র নির্বাচন, বাঙালির অধিকার আদায়ে প্রতিবাদী আগ্রাসন। তিনি মানেই ৭ই মার্চের রক্তে আগুন ঝরা ভাষণ, মুক্তির ডাকে পুরো জাতিকে একই আত্মায় বাঁধন। তিনি মানেই সহচর, জাতীয় চার নেতা, ডিসেম্বর ষোলোতে, রেসকোর্সের স্বাধীনতা। তিনি…

  • বড় ছেলে
    কবিতা,  বাংলা

    বড় ছেলে

    বড় ছেলে আনিছুর রহমান রাশেদ ————————— এখন আমার ঈশ্বর পৌড়, মগজে অভিজ্ঞতা, সুঠাম দেহ, বচনে যুবকের জোর, কাঁধে রাষ্ট্রের পতাকা, বুকপকেটে কাঁচা পয়সার ঝনঝনি। ঈশ্বর, আমায় ভাত দেয়, কাপড় দেয়, বিদ্যা দেয়, কলিজা বেচে স্বর্গ কিনে দেয়, ভাইকে দেয় খোলা কৈশোর, বোনকে দেয় কড়া শাসন, রাজকন্যার আদর। মাকে ঘটা করে তেমন কিছু দেয় না। বছর ঘুরলে রংচটে যাওয়া মেরুন রংঙের শাড়িতে দাম্পত্য ভালোবাসা এঁকে দেন। ঈশ্বরের পায়ে জোড়াতালি লাগানো চটি, কাঁটা বিধে গোপনে কাঁদে। তিলেভরা পান্জাবি টি অনেক বছর ঈশ্বরের ঘাম খেয়ে চিরঅমর হয়েগেছে। আমার এখন এক কুড়ি এক, এটাই সময় রাষ্টের পতাকা কাঁধে নেওয়ার, রাষ্ট্রকে হাসানোর, রাষ্ট্র হাসলে ঈশ্বর হাসবে, আমি হাসব। আমি জেনে গেছি, বড় ছেলে মানে মাটি…

  • তুমি আজ হতাশার নাম
    কবিতা,  বাংলা

    তুমি আজ হতাশার নাম

    তুমি আজ হতাশার নাম মোঃ সায়মুম করিম———————–কৃষকের কষ্টের শ্রম দিয়ে করেছো তুমি,মজুদ ব্যবসায়ীদের পকেট গরম।তথ্য-প্রযুক্তির উন্নয়নের নিমিত্তে দিয়েছো তুমি,নৈতিক তলানি।লেখাপড়া ছাড়াই দিয়েছো তুমি,পাশের ছড়াছড়ি।সত্য খবরের নিমিত্তে দিয়েছো তুমি,বাতাবি লেবুর ব্যাপক ফলন।নৈতিকতার কারিগরের থেকে দিয়েছো তুমি,লাঞ্ছনার হাতছানি।নিরাপত্তার দাবিতে আন্দোলনে দিয়েছো তুমি,অজ্ঞাত বাহিনীর গুলি। হে বাঙালির বাংলা তুমি নাকিমুসলিম প্রধান দেশ??কি চাওয়া উচিত ছিল আর কি চেয়েছো,কি বাছতে গিয়ে কি বেছে নিয়েছো?হে বাঙালির বাংলা,তুমি আজ হতাশার নাম!!নব্বই শতাংশ হত দরিদ্রের মাঝে,সেরা মাথা পিছু আয়ের নাম।বন্ধু রাষ্ট্রের নামে বিক্রি করছো,জনস্বার্থের মান।। তুমি আজ হতাশার নাম মোঃ সায়মুম করিমভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগরাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। Artwork; এক নারীর গল্প Artwork; সহযোগিতা Artwork; জীবনের শিকড় শিল্প কর্ম আর্ট ওয়ার্ক সব গুলো একত্রে ক্যাটাগরি বাংলায় পড়ুন সবগুলো একত্রে…

  • সেই শহর
    কবিতা,  বাংলা

    সেই শহর

    সেই শহর | মোঃ সাইমুম করিম ————————- স্বপ্ন রাঙা প্রভাতে,আমি আজো বসে আছি সেইখানে। দূরবিনে চোখ রেখে,আজো তাকিয়ে আছি তোর পানে। জানালার গ্রীলে হাত রেখে,আজো দেখছি তোর চলে যাওয়া। নাটায়ের ঘুড়ি হয়ে, আজো উড়ার বৃথা চেষ্টা করছি তোর আকাশে। কোনো এক গাছের তলে, আজো খেই হারিয়ে ফেলছি তোর নিশ্বাসে। সকালের শিউলি ফুল হয়ে, আজো পড়ে আছি অবহেলিত মালা গাথবি বলে। সাহিত্যিকের লেখা প্রতি পংক্তিতে, আজো মিশে আছি ছুয়ে দিবি বলে। পথের ধারে শিশির বিন্দু হয়ে, আজো আছি পথ চেয়ে। যদি আবার আসিস তুই স্মৃতি গুলো রাঙাতে,এ শহরে। মোঃ সাইমুম করিম ২য় বর্ষ,ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। প্রকাশিত: বর্ণালী মাসিক ম্যাগাজিন (১ম সংখ্যা)

  • পথ শিশুদের ইদ
    কবিতা,  বাংলা

    পথ শিশুদের ইদ

    পথ শিশুদের ইদ মোঃ ইসমাঈল হোসেন ——————————- ভাই চল,ব্যাগটি নিয়ে বেড়িয়ে পড়ি আজ, আজ আমাদের হাতের মুঠোয় অনেক অনেক কাজ। ঈদের দিনে মাংস পেতে ধনীর বাড়ি যাব, মাংস দিয়ে তুষ্টি করে পেট টি ভরে খাব। তাদের কাছে হাত পাতি ভাই অনাহারীর ন্যায়, কিছু কিছু ধনী মোদের দেয় ফিরিয়ে দেয়। ফ্রিজের ভেতর মাংসগুলো সাজিয়ে ঘুচিয়ে রাখে, বছরব্যাপী খায় আর মোদের উপোস রাখে! কোরবানী কি ভুড়ি ভরে মাংস খাওয়ার নাম? বৈষম্যের পাল্লায় বুঝি নেই আমাদের দাম। পথ শিশুদের ইদ মোঃ ইসমাঈল হোসেন ফাইন্যান্স বিভাগ,২০১৭-১৮ সেশন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। 75 টি ছোটদের কবিতা সেদিন লেগেছে ভালো  

  • হাসিমুখ
    কবিতা,  বাংলা

    হাসিমুখ

    হাসিমুখ || মো: সাব্বির হাসানন ————————– স্তব্ধতায় ছেয়ে গেছে গোটা শহর.. কোথাও কেউ নেই। ব্যস্তময় শহরের যান্ত্রিক মানুষ গুলোর দেখা মেলা দায়, তবু এক দল মানুষকে দেখা যায় এখান থেকে ওখানে ছুটতে। কেউ বা অসহায়ের পাশে দাঁড়িয়ে পেয়েছে স্বস্তি আবার কেউ হতে এসেছে ত্রাণ নিয়ে হতে ক্যামেরায় বন্দি। মোটেও নহে এটা বন্যা দূর্যোগ। দু’হাত তুলে মুনাজাত ধরি স্রষ্টা তুমি দূর করো করোনা। শহর হোক পরিপূর্ণ যান্ত্রিকহীন মানুষে। ভালোবাসায় ঘেরা প্রেমিকের শহর কোথায় যেন অন্তীম লগ্নে। তাদের আর দেখা হয় না ক্ষণে ক্ষণে। তবু তাঁরা অবিচ্ছেদ্য মনের আকাশে। অন্ধকার শেষে আলো আসবে ভেবে মধ্যবিত্ত আজ কোথায় হারালো? খোঁজ নেয় নি কেহ হায়! তবুও রয়েছে তাঁরা লোক লজ্জার ভয়ে অভাবে-অনাটনে হাসিমুখ। এ…

  • পাখির সংসার
    কবিতা,  বাংলা

    পাখির সংসার

    পাখির সংসার মোঃ ইসমাঈল হোসেন —————————— ছোট কুঁড়ে ঘরে বাঁধি নতুন ঠিকানা, ছোট ছোট পাতা এনে বিছাই বিছানা। ছোট ছোট শিশু নিয়ে বাঁধি সেই ঘর, ছোট প্রজাপতি ধরি ঠোঁটের ভেতর। দেখিতে শিশুর সুখ নিশিদিনভর, ঠোঁটের আধার দেই ঠোঁটের ভেতর। ছোট ছোট পাখা মেলে জড়িয়ে আমায়, কিচিরমিচির সুরে গাইয়ে শুনায়, “তুমি যদি না থাক মা,কারে কাছে পাব? কার মুখের খাবার নিজে নিয়ে খাব? কে এত বাসিবে ভালো তোমার মতন? কার মুখ দেখে মোরা জুড়াব নয়ন? বড় ভালোবাসি,ও মা,বড় ভালোবাসি!” আমিও তোদের বুকভরে ভালোবাসি। পাখির সংসার মোঃ ইসমাঈল হোসেন ফাইন্যান্স বিভাগ,সেশন:২০১৭-১৮ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশিত: বর্ণালী মাসিক ম্যাগাজিন (১ম সংখ্যা) বর্ণালী মাসিক ম্যাগাজিন Free Magazines, ২য় সংখ্যা, সেপ্টেম্বর, ২০২০ বর্ণালী-মাসিক-ম্যাগাজিন (Magazines for Free…

  • মৃত্যু উপত্যকা
    কবিতা,  বাংলা

    মৃত্যু উপত্যকা

    মৃত্যু উপত্যকা মোঃ মাহবুবুর আলম —————————- হাজার বছর ধরে ছুটে চলেছি মৃত্যু উপত্যকায়, দৈনিক শত মায়ের আহাজারি, জানান দেয় পৌছে গেছি সে ঠিকানায়। কাল সাগর, রুনি,নুসরাত আর আজ আবরার, মৃত্যুর উল্লাস ধ্বনি তুলে হায়নাদের জয় জয়কার। এ মোর শান্ত শিষ্ট সোনার বাংলায়, আর কত খালি হবে হাজারো বুক অঝোর কান্নায়? চারিদিকে জমেছে দেখ হাজারো লাশের স্তূপ, গন্ধ মোর নাকে লাগলেই অপেক্ষা মৃত্যুর কূপ। তারা হায়েনা,তারা খুনি,তারা ধর্ষক তুমি, আমি, আমরা নীরব দর্শক। আমার মাথায় ভর্তি শিক্ষা, হৃদয়ে কোন শিক্ষা নাই। ডিগ্রিধারী মানুষ আমি মনুষ্যত্বের বড্ড অভাব ভাই। হায়না রুখতে আমরা যদি হই বৃথায়, শুভেচ্ছা স্বাগতম তোমাকেও এ মৃত্যু উপত্যকায়। আজ সে,কাল অামি,পরশু তুমি, একে একে লাশে ভারী হবে মৃত্যু উপত্যকার…

  • আকাঙ্ক্ষা
    কবিতা,  বাংলা

    আকাঙ্ক্ষা

    আকাঙ্ক্ষা মোঃ শাহাদত ইসলাম অনিক ————————————- আমার কাঁকড়ার ঠ্যাংয়ের মতো হাতের লেখা দিয়ে চিঠি লিখে তোমায় প্রেম নিবেদন করবো? নাকি সামনে এসে কম্পন সুরে তোতলাতে তোতলাতে ভালবাসি বলবো? তোমার সাথে প্রথম আলাপনে কি শুনতে চাও? ভালবাসি? তুমি সুন্দর? নাকি প্রিয়তম বলে ডাক? কি চাও তুমি,বলো? “ভালবাসি” এই কথাটা প্রথমে তুমি বলতে চাও? নাকি আমার থেকে শুনতে চাও? কি চাও বলো? কি চাও তুমি? বর্ষার কদম ফুল নাকি বৃষ্টির দিনে হাতে হাত রেখে পথচলা? খোপায় ফুল গেঁথে দিবো? নাকি শীতের দিনে গায়ে চাদর জড়িয়ে দিবো? কুয়াশার দিনে কুয়াশা ভরা ঘাসে পা মিলিয়ে হাটবে? নাকি নীল প্রজাপতির ডানা ধরতে দু হাতের ছোঁয়া অনুভব করবে? কি চাও তুমি,বলো। দু’জন জড়াজড়ি ঘুমে মগ্ন হওয়া?…

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
    কবিতা,  বাংলা

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মাসুদ রানা ————– তুমি প্রেম, তুমি প্রীতি তুমি লড়াই,তুমি সংগ্রাম তুমি অপরাজেয় যোদ্ধার দুর্গম বাংকার। তুমি শান্তি, তুমি সুর তুমি সাহস, তুমি হুংকার তুমি প্রলয় মাঝে দিপ্তীমান সুশ্রী। তুমি অনুরাগ,তুমি অভিমান তুমি ছন্দ, তুমি রাগিণী মহাকালের মহারণে তুমিই সে মহাকাব্য। তুমি প্রদীপ, তুমি শিখা তুমি দর্পন,তুমি বিবেক তুমি যুগ পেরিয়ে সহস্রাব্দের মহাকবি। তুমি বায়ান্ন, তুমি ছেষট্টি তুমি ঊনসত্তর, তুমি একাত্তর তুমি বজ্রকন্ঠে পুনর্জীবিত উনিশশো নব্বই। তুমি ত্যাগ,তুমি দ্রোহ তুমি প্রগতি, তুমি মুক্তি তুমি বঙ্গবন্ধুর বজ্রধ্বনিতে কম্পিত মহারণ। তুমি বাঙালি, তুমি বাঙালির তুমি জননী, তুমি জনতার তুমি চির প্রেয়সী এ হতভাগার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় 75 টি ছোটদের কবিতা সেদিন লেগেছে ভালো  

  • সাহসীকতায় আমরা
    কবিতা,  বাংলা

    সাহসীকতায় আমরা

    সাহসীকতায় আমরা রুনা আক্তার —————– মোরা উদ্যম, মোরা সাহসী মোরা নির্ভীক। মোরা সাহস নিয়ে লড়তে রাজি নিত্তনৈমিত্তিক। হও সাহসী, হও বীর পারবে তুমি পারবে, বিজয়ীর খেতাবে নাম তুলতে। কিসে ভয়? কিসে বাঁধা? মনে তুমি নাও বল। বলো আমি পারব,আমি পারব বিজয়ীর খেতাবে নাম তুলতে। তোমায় দেখে বাংলার দামাল ছেলে নিবে সাহস লড়বে যুদ্ধে আর বলবে আমরাই পারব বিজয়ীর খেতাবে নাম তুলতে। সাহসীকতায় আমরা রুনা আক্তার ২য় বর্ষ,শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। প্রকাশিত: বর্ণালী মাসিক ম্যাগাজিন (১ম সংখ্যা) বর্ণালী মাসিক ম্যাগাজিন Free Magazines, ২য় সংখ্যা, সেপ্টেম্বর, ২০২০ বর্ণালী-মাসিক-ম্যাগাজিন (Magazines for Free Download) 1st Version    

  • বৃষ্টির ছোঁয়া
    কবিতা,  বাংলা

    বৃষ্টির ছোঁয়া

    বৃষ্টির ছোঁয়া ফাতেমা মিতু —————– অনেকদিন পর বৃষ্টি নেমেছে আর এই বৃষ্টি ছুঁয়েছে আমার শরীর; সেই মুহূর্তটা ছিলো ভালোলাগার; কারণ তখন আমি তোমার স্পর্শ অনুভব করেছি। হঠাৎ আবার বৃষ্টির ফোঁটা আমার ঠোঁট স্পর্শ করে; তখন মনে হয় তোমার ঠোঁট এসে মিশেছে আমার ঠোঁটে; ঠিক তখনই তোমাকে আমার পাশে অনুভব করি। হঠাৎ আবার পাগলামি ঠেকে মাথায়; চোখ বন্ধ করে মুখ আকাশের দিকে করি; চোখের চশমাটা ঘোলাটে হয়ে যায়; ঠিক আমার আবছা ভবিষ্যতের মতো। এমন বৃষ্টির দিনে সেই আগের বৃষ্টির কথা মনে পড়ে যায়, তখন সময়টা একটু অন্যরকম ছিল; তখন তুমি আমার পাশে ছিলে; একসাথে,গাড়িতে হাতটা ধরে রাখতে আমার। সত্যিই,এই স্মৃতিগুলো মনে পড়লে মনের অজান্তে ঠোঁটের কোণে হাসি ফোঁটে। তখন বৃষ্টিকে চিৎকার…

  • বন্ধু
    কবিতা,  বাংলা

    বন্ধু

    বন্ধু মোঃ তছলিম উদ্দীন—————————আমি এমন একজন বন্ধু চাই-যার কাছে-আমার লুকানোর কিছু থাকবে না।যার কাছে-আমি আমার জীবনের,প্রতিটি হেরে যাওয়া গল্পনিঃসঙ্কোচে বলতে পারবো।যার কাছে-একটা বিষাক্ত অতীতের গল্প বলতে গিয়ে-কান্না করা যাবে,আমি এমন একজন বন্ধু চাই। আমি এমন একজন বন্ধু চাই-যে আমার,ভালো খারাপ সকল সময়ে পাশে থাকবে।যে আমার-সৃষ্টিশীল কাজে অনুপ্রেরণা হবে।যে আমার-একটা খোলা বইয়ের মতো হবে-যার শুরু থেকে শেষ সবগুলো পৃষ্ঠাইআমার জানা থাকবে,আমি এমন একজন বন্ধূ চাই। বন্ধু মোঃ তছলিম উদ্দীনভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগ,সেশন-২০১৮-২০১৯রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।প্রকাশিত: বর্ণালী মাসিক ম্যাগাজিন (১ম সংখ্যা) বর্ণালী মাসিক ম্যাগাজিন Free Magazines, ২য় সংখ্যা, সেপ্টেম্বর, ২০২০ বর্ণালী-মাসিক-ম্যাগাজিন (Magazines for Free Download) 1st Version গোধূলি সন্ধ্যা  

  • পদ্মা নদীর তীর
    কবিতা,  বাংলা

    কোন এক সময় পদ্মা নদীর তীর

    কোন এক সময় পদ্মা নদীর তীর বিজয় পাল —————- কোন এক সময় পদ্মা নদীর তীরে, অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রই ঐ ঢেউগুলোর দিকে। ঢেউগুলো শত প্রতিকূলতার ভীড়ে, সকল বাঁধা পেরিয়েই ছুঁতে চায় আমাকে। আচ্ছা ঐ ঢেউগুলো কি তুমি…? আজ ঢেউয়ের বেশে আমাকে পেতে এসেছো? চিনেছি গো চিনেছি আমি, আজও ভিন্নরূপে আমার কাছে তোমার ছোঁয়া দিয়েছো। তাই তোমার প্রেমে আজ আকাশ আমি, যেন দূরের ঐ অলীক আকাশে তুমি আমাতেই মিশেছো। কোন এক সময় পদ্মা নদীর তীর বিজয় পাল ১ম বর্ষ,ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। প্রকাশিত: বর্ণালী মাসিক ম্যাগাজিন (১ম সংখ্যা) বর্ণালী মাসিক ম্যাগাজিন Free Magazines, ২য় সংখ্যা, সেপ্টেম্বর, ২০২০ বর্ণালী-মাসিক-ম্যাগাজিন (Magazines for Free Download) 1st Version    

  • ইচ্ছা
    কবিতা,  বাংলা

    ইচ্ছা

    ইচ্ছা কামরুজ্জামান বিবেক —————————– একটা বিকেল পার করতে খুব ইচ্ছে করে তোমার সাথে শান্তিনিকেতনে। মুষল ধারে নয় হালকা গুড়িগুড়ি বৃষ্টি তোমার সাদা শাড়িতে পড়ে মুক্ত হয়ে ঝড়ে পড়বে তোমার সারা অঙ্গে। আমার মনের আকাক্ষা গুলো তোমার চুল নিঙড়ানো জলে নিচে গড়িয়ে পড়বে। শুনেছি বর্ষায় আর বসন্তে শান্তিনিকেতন নতুন রুপে সাজে, আমি আর তুমি না হয় সেই সৌন্দর্যে একটু ঘি ঢেলে দিবো। গঙ্গার পাড়,শান্তির নির্মল বাতাস আর মাটির ভাঁড়ে এক কাপ চায়ে চুমুক দিবো আমরা। আর গঙ্গার ধারে তোমার আমার অভিমানি ভালোবাসা চুমুর গল্পে মেতে উঠে বলবে ভালোবাসি, ছেড়ে যাবো না কখনো। এখন তোমার পছন্দের রং নীল বিষ হয়ে ঝড়ে পড়ে গঙ্গার আকাশে বাতাসে। গঙ্গা,শান্তিনিকেতন আর রবীন্দ্রনাথ বড্ড অপেক্ষা করছে তোমার…

  • চেতনায় মা
    কবিতা,  বাংলা

    চেতনায় মা

    চেতনায় মা মোঃ মঞ্জুরুল করিম রুপম———————————–ভালোলাগেনা চাঁদের আলো,দূর আকশের নীল,ভালো লাগেনা জোয়ার ভাটা,শাপলা ফোটা বিল।ভালো লাগেনা ঝরনা ধারা,নদীর কলতান।মনটা আমার দেখতে মাকে,করে যে আনচাঁন। মা যে আমায় হাঁটতে শেখায়,শেখায় মুখের ভাষা,আমার জন্য জমিয়ে রাখে,অশেষ ভালোবাসা। ভাবে শুধু আমায় নিয়ে,থাকি যখন দূরে।চেয়ে থাকে আমার পানে,ফিরবো কখন ঘরে। ছলছল দু’চোখ আমার,শুধুই স্বপ্ন আঁকে,যাবো কখন গাঁয়ের বাড়ি,দেখবো কখন মাকে।সবার কাছে দামি দামি অনেক জিনিস রই,আমার কাছে দামি জিনিস,মা ছাড়া কেউ নয়। চেতনায় মা মোঃ মঞ্জুরুল করিম রুপম১ম বর্ষ,ফার্মেসী বিভাগ,রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।প্রকাশিত: বর্ণালী মাসিক ম্যাগাজিন (১ম সংখ্যা)  

  • স্বপ্ন আমার জন্য নয়
    কবিতা,  বাংলা

    স্বপ্ন আমার জন্য নয়

    স্বপ্ন আমার জন্য নয় মুমতা হেনা মীম ——————— কতকিছুই আগলে রাখার সাধ জাগে, রাখতে আর পারি কই? কত ইচ্ছা,কত শখের কবর আজ পরিত্যক্ত। কত যে বাসনা ছিল,অপূর্ণই রয়ে গেল। গভীর রাতে যখন কারো সাথে একান্ত সময় কাটানোর ইচ্ছা পোষণ করেছি, আমার ইচ্ছাকে পায়ের তলায় পিষ্ট করে, তার প্রস্থান ঘটে সূর্য ডোবার আগেই। একদিন স্বপ্ন দেখেছিলাম তার হাতে হাত রেখে অনন্তকাল সীমাহীন এক পথে চলবো, অভিশপ্ত এ মনের ইচ্ছা পোষণের ফলেই সে পথ কানা গলিতে রূপান্তরিত হলো! শুনশান রাস্তায় নিয়ন আলোয় তার মুখোমুখি বসবো বলে যখনই স্বপ্ন দেখেছি, ল্যাম্পপোস্ট ভাঙ্গার শব্দেই স্বপ্ন ভঙ্গ হলো! দুজনে তাঁরা দেখবো বলে উত্তর আকাশে যখনই তাকাই, পোড়া চোখে কেবল দেখি তারার পতন! কখনো মনোরম পরিবেশে…

  • মৃত্যু
    কবিতা,  বাংলা

    মৃত্যু

    মৃত্যু এস.এম.ইমরানুল হক —————————– জীবন মানে যদি হয়- ক্রমাগত মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়া, তবে মৃত্যু মানে জীবনের সবচেয়ে স্বাভাবিক পরিণতি। আপনার জীবন বর্ণাঢ্য হতে পারে, কিংবা আপনার জীবন অনাড়ম্বর হতে পারে, সে আপনি যেভাবেই জীবন কাটান এই জীবন পাখি একদিন উড়ে যেতে বাধ্য, পাখি উড়ে যেতে বাধ্য,তার আপন আলয়ে। মৃত্যু মানে– ভালোবাসার মানুষগুলোকে কিছু না বলেই হয়তো হঠাৎ চলে যাওয়া। পৃথিবীতে আমরা অনেক কিছুর উর্ধ্বে অবস্থান করতে পারি, কিন্তু মৃত্যুর উর্ধ্বে আমরা কেউ নই। রবি ঠাকুর যতই কবিতা আওড়াক, তবুও এটাই সত্যি যে- একবার চলে গেলে সকল খেলায় আপনি আর নেই, রোজ প্রভাতে আপনি নেই কোথাও, আর কোনোদিনই আপনি পারবেন না ফিরে আসতে। আপনি পারবেন না আর কখনো মায়ের হাতের…

  • মা
    কবিতা,  বাংলা

    মা

    মা কায়েস মাহাবুব (সাকিব)———————————মা! মা মানে ভোরবেলায়না ওঠলেই বকুনি,সোজা পথে না হাঁটলেশুরু হবে পিটুনি। জীবনের প্রথম শিক্ষক তুমিকরেছো আদর-শাসন,ভুল পথে দিয়েছি পাকরেছো তুমি বারণ। দশ-মাস গর্ভে,প্রসববেদনাসয়ে গেলে হাসি মুখে।অসুস্থ হলে ঘুম আসেনাদুঃখিনী মায়ের চোখে।মোদের মঙ্গল কামনায়তুমি থাকো দিবা-রাত,জ্বালা-যাতনা সহ্য করোকরোনা কখনো প্রতিবাদ। হাসির আড়ালে কষ্ট লুকিয়েছোদেখেছি আমি বারংবার,ঠিক আছি,কিছু হয়নিমিথ্যে বলেছো শতবার। তোমার দীক্ষায় করেছিসত্যকে বুকে ধারণ,নীতি-ন্যায়ে অবিচল থেকেবেঁচে থাকবো আজীবন। শয়নে-স্বপনে অনুভবে শুধুতোমার স্পর্শের হাত,তোমার তরে সকল সুখতোমার পায়ে জান্নাত। মা কায়েস মাহাবুব (সাকিব)২য় বর্ষ,ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সায়েন্স,রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।প্রকাশিত: বর্ণালী মাসিক ম্যাগাজিন (১ম সংখ্যা)  

  • কথামালা
    কবিতা,  বাংলা

    কথামালা

    কথামালা লিটন আকন্দ ——————– সঠিক জায়গায় বললে কথা সেটা হয় কাজের কথা, জায়গা ঠিক না হলে হয় ছোট মুখে বড় কথা। রাষ্টপ্রধান বললে কথা তা হয়ে যায় গুলির কথা চুনোপুঁটি বললে কথা সে হয়ে যায় কথার কথা। মিঠা কথা তিতা হয় স্বার্থে দিলে আঘাত আদবের কথা বেয়াদবি হয় থাকলে তাতে প্রতিবাদ। সোজা কথা বাঁকা হয় ভালোবাসা না থাকলে, পুরান কথা নতুন হয় পাওনাদার দেখলে। হালকা কথা ভারী হয় মনে দিলে ব্যথা, রুক্ষ কথাও বাহবা পায় বক্তা হলে নেতা। শুকনো কথায় ভিজে না চিড়া সে তো জানা কথা, কারও মুখের কথায় মিলছে চাকরি নয় খেলা কথা! সহজ কথা কঠিন লাগে কথায় থাকলে প্যাঁচ, ভাবনার কথাও সত্যি হয় জিতে গেলে ম্যাচ। সস্তা…

  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর
    কবিতা,  বাংলা

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মোঃ শাকিল —————— পদ্মা মেঘনা নিজ ধারায় বহমান কোটি হৃদয়ে তুমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। স্বাধীন দেশে স্বাধীন প্রাণ করেছো তুমি আমায় দান এর পেছনে শুধুই তোমার অবদান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান।। সারা বিশ্বের বিশ্ব নেতা তুমি মিশে আছো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা সকল প্রাণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। বাংলার চাষা,মুটে-মজুর কেউ ছিল না তোমার পর ছিল তোমার আপনের আপন দু’হাত ভরে করেছো দান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। মোঃ শাকিল ২য় বর্ষ,সংস্কৃত, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। প্রকাশিত: বর্ণালী মাসিক ম্যাগাজিন (১ম সংখ্যা)

  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর
    কবিতা,  বাংলা

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মোঃ শাকিল —————— পদ্মা মেঘনা নিজ ধারায় বহমান কোটি হৃদয়ে তুমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। স্বাধীন দেশে স্বাধীন প্রাণ করেছো তুমি আমায় দান এর পেছনে শুধুই তোমার অবদান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান।। সারা বিশ্বের বিশ্ব নেতা তুমি মিশে আছো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা সকল প্রাণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। বাংলার চাষা,মুটে-মজুর কেউ ছিল না তোমার পর ছিল তোমার আপনের আপন দু’হাত ভরে করেছো দান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মোঃ শাকিল ২য় বর্ষ,সংস্কৃত, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। প্রকাশিত: বর্ণালী মাসিক ম্যাগাজিন (১ম সংখ্যা)   75 টি ছোটদের কবিতা সেদিন লেগেছে ভালো  

  • ভালবাসা নিয়ে কিছু কথা
    কবিতা,  বাংলা

    প্রত্যাশা

    প্রত্যাশা আমার প্রতিটা হলুদ বিকেলে আমি তোমাকে চাই।আমার প্রতিটা সোনালি সন্ধ্যায় আমি তোমাকে চাই!তোমাকে চাই আমি দিন কিংবা রাতের প্রতিটা প্রহরে।তোমাকে চাই আমি কৃত্রিমতাপূর্ণ এ জরাজীর্ণ শহরে! আমার প্রতিটা গভীর নি:শ্বাসে আমি তোমাকে চাই।আমার আত্নার পরম বিশ্বাসে আমি তোমাকে চাই!তোমাকে চাই আমি গাঢ় আধারময় অমাবস্যায়।তোমাকে চাই আমি দৃঢ় প্রার্থনা কিংবা তপস্যায়। আমার প্রতিটা শুভ্র মিষ্টি সকালে আমি তোমাকে চাই।আমার প্রতিটা ক্লান্ত অলস দুপুরে আমি তোমাকে চাই!তোমাকে চাই আমি পূর্ণিমার চাঁদের ঝলমলে আলোয়।তোমাকে চাই আমি আমার সবটুকু মন্দ কিংবা ভালোয়! শিশির ভেজা প্রচন্ড শীতের দিনগুলোয় আমি তোমাকে চাই।আমার বাগানে বসন্তের ফুলের প্রতিটা ঘ্রাণে আমি তোমাকে চাই!তোমাকে চাই আমি গ্রীষ্মের রোদ কিংবা বর্ষার বৃষ্টিতে।তোমাকে চাই আমি আমার চেয়ে থাকা অপলক দৃষ্টিতে! আমার…

  • নিয়তির প্রতিধ্বনি
    কবিতা,  বাংলা

    নিয়তির প্রতিধ্বনি

    নিয়তির প্রতিধ্বনি মাসুদ রানা ————————– স্বর্গীয় সুখের আকুতি ছিল না, শুধু ছিল বিচ্ছিন্ন কিছু প্রশান্তির মিনতি। ভুবন-বিলাসী স্ফীত আবদার ছিল না, শুধু ছিল চাহনি-ক্ষণিকের দুঃখ বিরতি। সাম্রাজ্যের সিংহাসনের অভিপ্রায় ছিল না, শুধু ছিল প্রত্যাশায় মনোরাজ্যের প্রশান্তি। সর্বভুকের হিংস্র ভোজন রুচি ছিল না, শুধু ছিল বাসনায় ক্ষুধার রাজ্যের অব্যাহতি। অর্থলোভী সওদাগরের মুনাফা প্রীতি ছিল না, শুধু ছিল জীবন বাজারে টিকে থাকার নিয়তি। চাটুকারের ছলে অবস্থানান্তরের শিহরণ ছিল না, শুধু ছিল নিভৃতে পথচলার অনাগত স্মৃতি। সূর্যোদয়ের পথে বিপত্তি ছিল না, শুধু ছিল নিয়তির গুরুতর অসঙ্গতি।   Artwork; স্বপ্নময় জীবন Artwork; সহযোগিতা Artwork; জীবনের শিকড় Artwork; এক নারীর গল্প Dream Door Artwork

  • নিবেদন
    কবিতা,  বাংলা

    নিবেদন

    নিবেদন শোনো অবুঝ মনের মেয়ে, তুমি হাসলে এই হৃদয় হাসে!আপন ভুবন,স্বপন ভুলে হাজার খুশির বাণে ভাসে!শোনো অবুঝ মনের মেয়ে,তুমি কাঁদলে এই হৃদয় কাঁদে!মুক্তোদানার ন্যায় অশ্রুগুলো এক নিখাদ মায়ায় বাঁধে! তোমার মায়াবী চোখের পাতায় গাঢ় অভিমান জমে!অবুঝ মনের গহীন কোণে অন্ধকার বিষাদ নামে!আমার অপলক চোখের করুণ চাহনী, বুঝো কি তুমি!পড়তে পারো কতটা! বুঝো কি তা কতটা দামী! মনের গহীনে হৃদয় বাগানে এক টুকরো গোলাপ তুমি।তোমার কাজল চোখের মায়ার নেশায় আসক্ত আমি!আমার হৃদয় জূড়ে আছো তুমি, আছো কল্পনায় মিশে।এ জীবনে তুমি না হয় আমারই হলে, তাতে বাধা কীসে! তুমিহীন দিনগুলো,তুমিহীন ক্ষণগুলো বড্ড বিষাদময়।তুমিহীন সন্ধ্যার এই হৃদয় আকাশ গাঢ় অন্ধকারময়!ক্রমশ গাঢ় হয়, গভীর হয় তোমার কাজল চোখের মায়ার নেশা।খুব জানতে ইচ্ছে করে, তা…

  • বার বার সহস্রবার আমি
    কবিতা,  বাংলা

    বার বার সহস্রবার আমি মরেছি

    বার বার সহস্রবার আমি মরেছি মো. রেজাউল করিম হৃদয় বার বার সহস্রবার আমি মরেছিশতবর্ষে শতবার হাজারবারআমি মৃত্যুকে বুক পেতে নিয়েছি।আমি তো মরেছি পৃথিবীর মায়ায় বারবার;আমি মরেছি ট্রয়ের বিধ্বংসতায়,জাতিপাতের অজ্ঞাতায়,পানিপথের ময়দানে।আমি মরেছি যুদ্ধের বাহানায়,লুটপাটের শিকার সমাজের গর্বে।আমি মরেছি ক্ষনিকের বাদশার শাসনে,মরেছি মিরজাফরের কপটতায়,সিরাজের রক্তের প্রতিটি ফোটায়,আমি মরেছি ভালবাসার অবহেলায়। গভীর সমুদ্রের জল আমায় ডুবাতে পারে নি,অগ্নিগিরির লাভা আমাকে মৃত্যু উপহার দেয় নি,তারপরও আমি মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করেছি;একাত্তরে চেতনার ছিন্নবিচ্ছিন্ন মমতায়,সাতবীরের বলিদানের মূল্যহীনতায়।আমি ডুবে মরেছি অসহায়দের একফুটো চোখের পানিতে,আমি মরেছি মিথ্যা অহংকারে জ্বলে উঠা আগ্নি পুড়িতে। আমি মরেছি সন্তানের সামনে মায়ের লজ্জা কেড়ে নিতে দেখে,মরেছি মেয়েশিশুর লজ্জাভরা দেহে হায়নার কামড়ে,মরেছি রাক্ষসের দখলকৃত তনুর ক্ষত বিক্ষত অঙ্গে,মরেছি ক্ষুধার জ্বালায় পথে পথেবোনের শাড়ি মাটিতে…

  • আর পারছিনা গুরু
    কবিতা,  বাংলা

    আর পারছিনা গুরু – কবিতা

    আর পারছিনা গুরু পঁচিশটি বছর ধরে প্যান্টে শার্ট গুজে পরে আর পারছিনা গুরু।সেই নার্সারি থেকে শুরু। পাড়ার যতো ছেলে গুলো সবারই ঘরে বউ এলো। আমি ওদিকে চাইলেই! মা বলে, মন দিয়ে পড় আর পারছিনা গুরু সেই নার্সারি থেকে শুরু। অবশেষে মায়ের দয়া হোলো ঘরে ফুটফুটে বউ এলো। ফুলশয্যার রাতে একগুচ্ছ গোলাপ হাতে- বউকে গিয়ে শুধাই! আমার জীবনে তুমিই প্রথম তোমার জীবনে আমিও কি তাই ? বউ হেসে বলে আর পারছিনা গুরু।সেই নার্সারি থেকে শুরু। আর পারছিনা গুরু ছোটদের ৭৫টি কবিতা

  • সেদিন লেগেছে ভালো
    কবিতা,  বাংলা

    সেদিন লেগেছে ভালো

    সেদিন লেগেছে ভালো (একটি প্রেমের কবিতা) যেদিন তোমায় প্রথম দেখি, সেদিন লেগেছে ভালো,তখন থেকে আমার মন তোমায় চেয়েছিল।পড়েছিলে যেদিন লাল জামা, ওগো মোর প্রিয়তমাহেঁটে যাচ্ছিলে ওই লম্বা পথ ধরে,আমায় দেখে হেসেছিলে একটু আদর করে,সেদিন লেগেছে ভালো, তখন থেকে আমার মন তোমায় চেয়েছিল। পথে-ঘাটে-মাঠে যেথায় দেখি,তোমার কাজল কালো ওই দুই আঁখি,তখন আমার ইচ্ছে করে,তোমায় এ বুকের মধ্যে রাখি।লোকান্তর ছেড়ে ওই দুর প্রান্তরে,ছোট্ট একটি ঘর বাঁধি।সেদিন লেগেছে ভালো,তখন থেকে আমার মন তোমায় চেয়েছিল। এখনও তোমায় লাগে ভালো,তুমি বলো না’গো তোমায় ভালবাসি,শুনতে আমার বড়ই ইচ্ছে করে,তবে কি আমার স্বপ্ন হয়ে যাবে চিরতরে?সেদিন লেগেছে ভালো,তখন থেকে আমার মন তোমায় চেয়েছিল।আজও পথ চেয়ে রয়েছি তোমার আশায়,যেদিন বলবে তুমি,ভালোবাসি তোমায়, ভালোবাসি তোমায়। প্রকাশিত: বর্ণালী মাসিক ম্যাগাজিন…

  • সংগোপনে
    কবিতা,  বাংলা

    সংগোপনে

    সংগোপনে এই যে আমি থেকে থেকেই তোমার কথা লিখি,অবুঝ মনে রঙ-বেরঙে কতইনা ছবি আঁকি।তোমারও কি পরে হঠাৎই আমার কথা মনে!শয়নে -স্বপনে, আচমকা-আনমনে সংগোপনে! তোমার হাসির মাঝে মায়াবী লাজে হারিয়ে যদি যাই,হারানো নিজেকে চেনা আবেগে খুঁজে যদি না পাই,তখন কি হন্য হয়ে এই বন্য আমায় খুঁজে বেড়াবে!নাকি শক্ত হৃদয়ে মুক্ত পাখির মতো উড়াল দিবে! এই যে আমি রাত-বিরেতে তোমার কথা ভাবি,ভাবি কত কথা, কত স্মৃতি,কতই না ছিলো দাবী।তার কতটা রেখেছো মনে, কতটা তার গিয়েছো ভুলে!প্রলয়ের মত সময়ের সাথে কতটা তার গেছে মিলে! রাতের আধারে মধ্য প্রহরে আমি নিরবতার গান শুনি।হৃদয় গভীরে বিষাদ লুকিয়ে নিশুতিরাতের তারা গুনি।তোমার চোখের মধ্যমণিতে কত শত-সহস্র মায়া।তার কতটা অশ্রু মাখা, কতটা তার বিষাদ ছায়া! যেটুকু আমার ছিলো,…

  • মুগ্ধতা
    কবিতা,  বাংলা

    মুগ্ধতা

    মুগ্ধতা আমার মনের মরুভূমিতে প্রশান্তির এক ফোঁটা বৃষ্টি তুমি।অপরুপ সুন্দর ধরণীতে বিধাতার অনন্য এক সৃষ্টি তুমি!আমার হৃদয় আকাশে এক টুকরো পূর্ণিমার চাঁদ তুমি।কষ্টিপাথরে যাচিত স্বর্ণমুদ্রার ন্যায় নিখাদ তুমি! আমার সুখের নদীতে অজস্র জলরাশির স্রোত তুমি।আমার জানা-অজানা, বোঝা-না বোঝায় বোধ তুমি!আমার কল্পনার শান্ত সমুদ্রে অশান্ত ঢেউ তুমি।ভবঘুরে এই জীবনে মনে হয় আপন কেউ তুমি! শত বিষাদ ডিঙিয়ে আমার ভালো থাকার কারণ তুমি।হাজারো খেয়াল খুশির মাঝে প্রিয়তম বারণ তুমি!আমার হৃদয়ের সকল অনুভুতির আবরণ তুমি।জীবনে হিসেবের খাতায় জটিলতম সমীকরণ তুমি! আমার সকালের স্নিগ্ধ মিহি রোদ তুমি।আমার সকল অভিমানে মিষ্টি ক্রোধ তুমি!আমার সোনালী সন্ধ্যার অন্ধকারে প্রগাঢ় স্তব্ধতা তুমি।জীবনের সকল পরতে এক অনাবিল মুগ্ধতা তুমি! আমার কল্পনার শান্ত সমুদ্রে অশান্ত ঢেউ তুমি।ভবঘুরে এই জীবনে মনে…