মুক্তিযুদ্ধ
-
গনহত্যা কি? প্রেক্ষাপট 1971 সাল বাংলাদেশ
গনহত্যা কি? যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য যখন পাকিস্থানী আর্মি অফিসার ওঁ তাদের সামরিক সহযোগীদের অভিযুক্ত করা হল তখন গন হত্যা অপরাধটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। এজন্য গন হত্যা বলতে কি বোঝায়? কিভাবে একে সংজ্ঞায়িত করা হবে সেটা খুবই জরুরী বিষয়। আইনের দৃষ্টিতে সংক্ষেপে বলা যায় যে মানুষের দ্বারা কৃত সবথেকে ঘৃণ্য তম অপরাধ হল গণহত্যা। গণহত্যা শব্দটি খুব বেশি পুরনো শব্দ নয়। আন্তর্জাতিক আদালতে এটা অতি সাম্প্রতি কালে সংযুক্ত করা হয়েছে। তবে নতুন সংযুক্তি হলেও এই ধরনের ঘৃণ্যতম অপরাধ মানুষ বহু বহু কাল আগে থেকেই করে আসছে। ১৯৪৮ সালের ডিসেম্বর মাসে জাতিসংঘ গণহত্যা বিষয়ে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন করে। সেখানে উপস্থিত ছিল বিশ্বের সেরা সেরা আইনজ্ঞ ও পণ্ডিত। তারা গণহত্যাকে একটি…
-
একুশে ফেব্রুয়ারি রচনাঃ ভাষা আন্দোলন কি
একুশে ফেব্রুয়ারি রচনাঃ ভাষা আন্দোলন কি ভূমিকা: একুশে ফেব্রুয়ারি রচনা লিখতে গেলে কি কি লিখতে হয়? নিচের লেখাটি মূলত যারা স্কুল বা কলেজে একুশে ফেব্রুয়ারি রচনা লিখতে চায় তাদের কথা মাথায় রেখে লেখা হয়েছে। একুশে ফেব্রুয়ারি অনুচ্ছেদ মূলত ১০টি বাক্য হলেই যথেষ্ট তবে কেউ চাইলে বেশি লিখতে পারে। যেহেতু আমি ভাষা আন্দোলন কি এবং এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও লিখছি। তাই একুশে ফেব্রুয়ারি রচনা লিখতে গেলে মুল বিষয় লিখলেই হয়। একুশে ফেব্রুয়ারি, বাংলার ইতিহাসে একটি অম্লান দিন। ১৯৫২ সালের এই দিনে, বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দানের জন্য পাকিস্তানি সরকারের নির্মম গুলির শিকার হয়েছিলেন বহু নিরপরাধ ছাত্র। তাদের আত্মত্যাগের স্মরণে আমরা প্রতি বছর এই দিনটি পালন করি ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে।…
-
শেখ মুজিবুর রহমান ধ্বংসযজ্ঞ পরিদর্শন করে কি বলেছিলেন
শেখ মুজিবুর রহমান ধ্বংসযজ্ঞ পরিদর্শন করে কি বলেছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানের জেল থেকে বেরিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পরপরই জানুয়ারির শুরুতে বাংলাদেশে ধ্বংসযজ্ঞ দেখার জন্য গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পরিদর্শনের বের হন। ঢাকায় ফিরে ২০০ জনের অধিক বিদেশী ও দেশীয় সাংবাদিকদের নিয়ে এক সম্মেলনে নিজে থেকে সমস্ত দুঃখের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। শেখ মুজিবুর রহমান বলেন যে বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামকেই পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগের মতো করে নিশংস ভাবে হত্যা করা হয়েছে, ধ্বংস করা হয়েছে। শেখ আরও বলেন আপনারা জানেন জালিয়ানওয়ালাবাগ গণহত্যা সম্বন্ধে পাকিস্তানি বাহিনী প্রতিটি গ্রাম কেই জালিয়ানওয়ালাবাগ বানিয়েছে। শেখ মুজিবুর রহমান ধ্বংসযজ্ঞ পরিদর্শন পরবর্তী অনুসন্ধান কমিটির বিবরণ বাংলাদেশ অনুসন্ধান কমিটি কর্তৃক প্রকাশিত রিপোর্টে, সত্যতার ভিত্তিতে প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরবে বলে ঘোষণা করে। কমিটি প্রকৃত…
-
Bangladesh Genocide became the most heinous crime by Pakistani Army in 1971 documented by World Record
The Bangladesh Genocide became a significant issue when Pakistani army officers and their military personnel were accused of war crimes. What does mass murder mean or Genocide? How it is defined is very important. Genocide is the most heinous crime committed by human beings in the eyes of the law. Genocide is not a very old word. It was recently attached to the International Court of Justice. But despite being a recent addition, people have been committing such heinous crimes for a long time. In December 1948, the United Nations held an international conference on genocide. The best lawyers and academics in the world were there. You might define genocide in a certain way. Genocide means one of the following crimes; That it be intentionally done to every group, community, nation, tribe, society, and part or all of the country. They are broadly included as; 1. Kill members of a group. 2. Harmful physical and mental…
-
১৪-১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ; নেপথ্যে মর্মান্তিক ঐতিহাসিক সত্য
১৪-১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ; নেপথ্যে মর্মান্তিক ঐতিহাসিক সত্য ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসের শুরুতে পাকিস্তানি জেনারেল ইয়াহিয়া খান একটি মাস্টারপ্ল্যান করেন যেখানে পূর্ব পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হবে। সে ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট সংখ্যক বুদ্ধিজীবী এবং এবং পূর্ব পাকিস্তানের উন্নয়নের জন্য যারা ভবিষ্যতে অবদান রাখতে না পারবে এমন অগ্রগামী অরাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গদের হত্যা করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। নির্দিষ্টসংখ্যক এই বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন ব্যক্তিদের একজন করে করে হত্যা করা পাকিস্তান আর্মি দের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছিল, বিশেষত স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় সরকারি অফিসার আইনজীবী ব্যবসায়ী এবং অন্যান্য প্রভাবশালী ব্যক্তি বর্গদের হত্যা করা। এ উদ্দেশ্যে জেনারেল ইয়াহিয়া খান পুলিশদের শক্তি সামর্থ্য বৃদ্ধি করে তাদের বিদ্যমান ভলান্টিয়ার ইউনিট যেমন মুসলিম লীগ, জামাতি ই ইসলাম এবং নিজাম ই ইসলাম এই…
-
১৪ থেকে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ এর ইতিহাস
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ এর ইতিহাস ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের কুলাঙ্গার সন্তান আলবদর আলশামস বাহিনী ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের কিছু কুলাঙ্গার আলবদর আলশামস বাহিনী তাদের উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য রাতের আঁধারে দেশের সূর্য সন্তান দের ধরে নিয়ে নির্মম ভাবে হত্যা করে রায়ের বাজার বধ্যভূমিতে। এটা আমরা সবাই জানি যে তাদের কে মৃত্যুর আগে নির্যাতন করা হয় তথ্য থেকে পাওয়া যায় যে মূলত রাও ফরমান আলী নির্দেশেই এই হত্যাকান্ড ঘটে। আর আমাদের বাংলাদেশের যে আলবদর বাহিনীর চৌধুরী মঈনূদ্দীন সহ আরো অনেকেই ছিল এই চক্রান্তে। আমরা হারিয়েছি সাংবাদিক চিকিৎসক বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক কবি সাহিত্যিক আমরা হারিয়েছি মুনীর চৌধুরীকে আমরা হারিয়েছি হারিয়েছি সিরাজুদ্দীন হোসেনকে। চোখের চিকিৎসা করতেন বলে তার চোখ উৎপাটন করে হত্যা করা হয়।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে …
-
বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে গুগলের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল ভালবাসা প্রকাশ করেছে। এটা দেখে আমি সত্যি মুগ্ধ । আজ ২০২১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশ তার ৫০ বছর পূর্ণ করলো। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ এই দিনে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্থান বাংলাদেশে ২৫ শে মার্চ কালো রাতে ঘুমন্ত বাঙালিদের উপর অতর্কিত আক্রমণ করে ও গুলি বর্ষণ করে নিরীহ মানুষ কে হত্যা করে। তখন থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধ শুরু। বাংলাদেশের স্বাধীনতার দিবস কোনদিন? ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধনতা দিবস। এমন দিনে গুগল তার বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলো। কারণ ধারনা করা হয় গুগলের বর্তমান নির্বাহী প্রধান ভারত বংশদ্ভুত সুন্দার পিচাই এর সরাসরি হস্তক্ষেপ এর জন্য এমনটা হতে পারে, তবে গুগল এমনিতেই বিশ্বের যেকোনো ঘটনাকে…
-
কুমিল্লা গণহত্যা ২৬ মার্চ
কুমিল্লা গণহত্যা ২৬ মার্চ ২৬ মার্চের ভোরবেলা থেকেই কুমিল্লা তে গণহত্যা শুরু হয়েছিল কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের পাক সেনাদের দ্বারা। কুমিল্লার ময়না মতি ক্যান্টনমেন্ট কুমিল্লা শহর থেকে ৩ কিমি দুর পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত যেখানে পাক সেনারাই বেশি। বাঙালি সেনা সংখ্যা কম। অস্ত্রের মুখে তাদের কে বাইরে এনে সারি বদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। এর পর তারা শহরের দিকে যায়। মার্চ এর ২৬ সারা দিন শহরের হিন্দু অধ্যুষিত আবাসিক এলাকা দোকান পাঠ রাস্তা ঘাট তল্লাশি চালান হয়। একদন সেনা ট্রাক রেল স্টেশন এর দিকে যায় সেখানে শতাধিক বাঙালি ট্রেন এর জন্য অপেক্ষা করছিল তাদের কে মেশিনগানের গুলিতে হত্যা করা হয়। পাক সেনা রা মার্কেট আক্রমণ করে দোকান লুট, বাড়ি অগ্নি…
-
শেখ মুজিবের সহ ধর্মিণী শেখ ফজিলাতুন্নেসসা মুজিব
শেখ মুজিবের সহ ধর্মিণী শেখ ফজিলাতুন্নেসসা মুজিব Genocide Episod-5 শেখ মুজিবের সহ ধর্মিণী শেখ ফজিলাতুন্নেসসা মুজিব ও তাদের কনিষ্ঠ ছেলে শেখ রাসেল সহ পার্শ্ববর্তী গৃহে আত্মগোপন করার ১ ঘণ্টা পর অন্য একটি আর্মি ট্রাক আসে। সৈন্য বাহিনী ঘরে ঢুকে সমস্ত গ্লাস আসবাবপত্র ফ্লোরে থাকা সমস্ত জিনিস পত্র ভেঙ্গে ধূলিসাৎ করে। দেয়ালে টানান ফটো ও চিত্র গুলো মেঝেতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। শেখ মুজিব কে এরেস্ট করার পর ৭ দিন তাকে সেনা শাসনে অবরুধ করে রাখা হয়। শেখ মুজিব কে করাচীতে নিয়ে যাওয়ার আগে পর্যন্ত কোন জেল বা সেনানিবাসের কোন স্থানে রাখা হয়নি বরং ঢাকা শহরের বিভিন্ন বাড়িতে ভারী অস্ত্র শস্ত্রও সহ কড়া নিরাপত্তায় অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। মিস্টার ভুট্টো, তিনি জানতেন…
-
Genocide ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা ধারাবাহিক পর্ব-৪
Genocide ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা ধারাবাহিক পর্ব-৪ ইউএস কর্তৃক প্রদেয় M24 দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সহ একদল মিলিটারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ব্রিটিশ কাউন্সিল লাইব্রেরি তে ঘাঁটি স্থাপন করে 25 মার্চ রাত 11 টায়।সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এবং ইকবাল হল বর্তমানে যার নাম জহিরুল হক হল এই সব এলাকা ঘন ধোঁয়ায় মেঘাচ্ছন্ন ছিল গোলাবারুদের ইকবাল হলের একটা অংশ ধ্বংস হয়ে যায়। ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকা সাংবাদিকগণ এটা স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করে মার্চ মাসের 30 তারিখ দৈনিক টেলিগ্রাফ পত্রিকায় প্রকাশ করেন কমপক্ষে 200 ছাত্র-ছাত্রী হত্যা করা হয়েছিল । পড়ুন Genocide-২। ইকবাল হলে এবং তাদের রুমগুলো মেশিনগানের গুলিতে ঝাঁঝরা করা হয়েছিল দুইদিন অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও তাদের মরদেহগুলো প্রজ্বলিত সামনেই পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে কিছু কিছু মরদেহ পাশের লেক এ…
-
Genocide ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা ধারাবাহিক পর্ব-৩
Genocide ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা ধারাবাহিক পর্ব-৩ ২৫ মার্চ ১৯৭১ জেনারেল ইয়াহিয়া খান পাকিস্তানের ইতিহাসে এক কাল অধ্যায় শুরু করেন যখন তিনি ঘোষণা দেন যে কোনো মূল্যে পূর্ব পাকিস্তানকে প্রতিরোধ করা হবে সেজন্য তিনি পাকিস্তানের মজুত ৫ টি পূর্ণ সেনা বাহিনী কে নির্দেশে দেন আক্রমণের জন্য। ২৫ মার্চ থাকে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সাল পর্যন্ত যথা মুক্তি বাহিনীর কাছে ও ভারতীয় মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণের আগে পর্যন্ত কত মানুষ হত্যা করেছিল পাকিস্তানিরা এই ২৬৭ দিনের ভয়াল নারকীয় যুদ্ধে যাকে বলে Genocide? কিছু বিদেশী খবরের কাগজ যেমন the times, the gourdian, de monde, অনুসারে ১ মিলিয়ন মানুষ হত্যা করা হয়েছে যেখানে ছাত্র, শিক্ষক, ডাক্তার রাজনীতিবিদ, সরকারি চাকরিজীবী ও পুলিশ অন্তর্ভুক্ত। তাছাড়া, সোভিয়েত ইউনিয়ন…
-
Genocide ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ – ধারাবাহিক পর্ব -২
Genocide ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা ধারাবাহিক পর্ব-৪ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বিশেষত গণহত্যার Genocide শুধু একটি কারণ হতে পারে না এর রয়েছে অনেক দিনের নিষ্পেষণ নিপীড়ন বৈষম্য ও অত্যাচার যার ফলে বাংলাদেশের মানুষ এবার শেষ বারের মত গরজে উঠেছে। কিছু নির্দিষ্ট অতীতের ঘটনা রয়েছে যেমন; ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব, ১৯৪৭ সালের পাকিস্তানের স্বাধীনতা অর্জন, ১৯৫৪ সালের নির্বাচন ও ১৯৫৬ সালের প্রথম সংবিধান, ১৯৫৮ সালের মার্শাল আইন, ১৯৬২ সংবিধান, ১৯৬৯ সালের গন অভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালের নির্বাচন ও ১৯৭১ সালের ইয়াহিয়া মুজিব আলোচনা। প্রতিটি ঘটনার একটি নিজেস্ব ফলাফল, বৈষম্য ও তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে। ১৯৪০ সালের সর্ব ভারতীয় মুসলিম লীগ লাহোর কনফারেন্স এর মাধ্যমে একটি স্বাধীন দেশ তৈরির যে ভিত্তি ছিল যেটা লঙ্ঘন করে। সেখানে…
-
বাংলাদেশে গণহত্যা Genocide শুরুর নেপথ্যে
বাংলাদেশে গণহত্যা Genocide শুরুর নেপথ্যে বাংলাদেশ সবে মাত্র একটি করুন ও বেদনার ইতিহাস (Genocide) গড়তে শুরু করেছে। বাংলাদেশ কি একটি আদর্শ গণতান্ত্রিক দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হবে নাকি অন্যের দাস হয়ে নির্যাতিত হবে।এটা ছিল একটা জটিল সমীকরণ। বাংলাদেশের উপর দিয়ে যে অন্যায় অত্যাচার নিপীড়ন করা হয়েছে তা সত্যি ভাষায় বর্ণনা করা যায় না । শহর হয়েছে কসাইখানা, গ্রাম জ্বলছে আগুনে। পৃথিবীর কোন দেশ ও দেশের মানুষ একথা বিশ্বাস করতে পারবে না যে মানুষ কখনও এমন অমানুষ হতে পারে। মুসলিম এভাবে মুসলিমের প্রতি অত্যাচার করতে পারে। এটা ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আছে আমাদের এই বাংলাদেশে। তৎকালীন বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক কন্দলের মধ্যে বলির পাঠা হয়েছিল। ইন্ডিয়া যদিও গরিব একটি দেশ ছিল তবুও বাংলাদেশ কে…
-
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিল পত্র (১ম খণ্ড- ১৫তম খণ্ড)
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিল পত্র- ১ম খণ্ড- ১৫তম খণ্ডে মোট পৃষ্ঠা ১১৬৭১ টি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধের দলিল পত্র মোট ১৫ খণ্ডে রচিত। এখানে প্রথম খণ্ডের হু বহু কপি দেয়া হল। এই প্রথম খণ্ড মোট ১৩ টি চ্যাপটার আছে। আর প্রথম চ্যাপটার এ বাংলাদেশের ইতিহাসের ১৯০৫ সাল থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত ঘটনা বর্ণিত আছে। যাকে বলা হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পট ভূমি। ১৫ তম খণ্ডে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পূর্ণ বিজয় ও তৎ পরবর্তী ঘটনা প্রবাহ দেয়া আছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা দলিল পত্রের পূর্ণ কপি প্রথম খণ্ড থেকে ১৫ খণ্ড পর্যন্ত। মোট পৃষ্ঠা- ১১৬৭১ টি। সাইজ- ৬৭.১ MB. বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধের পূর্ণ সঠিক ইতিহাস জানার জন্য এর কোন বিকল্প নাই।
-
মুক্তিযুদ্ধের একটি সোনালী পাতা
মুক্তিযুদ্ধের একটি সোনালী পাতা 1971 সাল। মার্চ মাস। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিলেন । শুরু হলো মুক্তিযুদ্ধ। সারাদেশে চলছিল যুদ্ধ। স্বাধীনতার জন্য মুক্তিসেনারা লড়াই করছিলেন। তখন জুন মাস। এদেশেরই একটি গ্রাম। ওই গ্রামে ছিল জঙ্গল ঘেরা পুরনো এক জমিদার বাড়ি। সেখানে একদল মুক্তিসেনা ঘাঁটি গেড়েছেন সঙ্গে ছিলেন তাদের দলনেতা। পাশের গ্রামে ছিল পাকিস্তানী মুক্তিসেনারা। হঠাৎ তারা গুলি চালাতে লাগলো মুক্তিসেনাদের দিকে। বিপদ টের পেলেন দলনেতা। শত্রুরা তখন খুবই কাছে। গুলি ছুটে আসতে লাগলো চারিদিক থেকে, কি করবেন মুক্তিসেনারা। মুক্তিসেনাদের পিছনে ছিল একটা বড় গ্রাম। সেখানে অনেক মানুষের বাস। পিছুহটে গেলে শত্রুরা সহজেই গ্রামটি ধ্বংস করবে। এতে ঘরবাড়ি পূর্বে অনেক মানুষ মরবে।তা তো হতে দেয়া যায় না। জীবন দিয়ে…
-
স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন ও তার দেশপ্রেম
স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন ও তার দেশপ্রেম যিনি তার মেয়ে জামাইকে পর্যন্ত বিদেশে স্থায়ী ভাবে বসবাসের জন্য রাজি হন নি। বলেছেন বাবা তুমি যদি বিদেশে থাক তবে আমার সাথে যোগাযোগ করো না। এমন ই দেশপ্রেম তার। এখন জামাই দেশেই থাকে। এমন অনেক গল্প আছে তার দেশপ্রেমের। স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন, ২৫শে মার্চে গণহত্যা শুরুর দু’দিন আগেও তাঁর মা আপ্রান চেষ্টা করেছিলেন তাঁকে ইংল্যান্ডে নিয়ে যেতে। কিন্তু জন্মভূমির চরম দুঃসময়ে তিনি স্বদেশ ছেড়ে নিরাপদে বিলেতে চলে যাননি। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) স্থাপত্য বিভাগে শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। বিয়ে করেছিলেন এবং স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরুর পূর্বেই তিনি হয়েছিলেন সন্তানের পিতা । আজ ২০১৮ সালে দাঁড়িয়ে, আমি এক পিতা হয়ে ভাবতেও পারিনা সন্তান ও…
-
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ যেসব অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিলো
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যে সব অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল তার মধ্যে AK 47, Sten Gun, SLR, Mortar, Artillery, Indian SLR, Chinese Sub machine-gun ইত্যাদি। রাইফেল এর মধ্যে জি ৩। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ ছিল মূলত একটা গনযুদ্ধ নারী পুরুষ সবাই অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছে। মুক্তিযুদ্ধে অনেক আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের এর স্বাধীনতা। ৩০৩ রাইফেল ছিল সব থেকে ভাল গেরিলা যুদ্ধের জন্য। https://www.youtube.com/watch?v=Y9iXlBoAasQ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিল পত্র (১ম খণ্ড- ১৫তম খণ্ড) সমস্ত ইতিহাস একসাথে ১৪-১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ; নেপথ্যে মর্মান্তিক ঐতিহাসিক সত্য মুক্তিযুদ্ধের একটি সোনালী পাতা Genocide ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ – ধারাবাহিক পর্ব -২ মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা লড়াই, যা ১৯৭১…
-
বাংলাদেশের সৃষ্টির ইতিহাস






























