-
বিশ্ববিদ্যালয় নাকি প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলতে হবে সর্বাগ্রে
বিশ্ববিদ্যালয় নাকি প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলতে হবে সর্বাগ্রে দেশের বর্তমানে সাড়ে ষোল কোটি জনসংখ্যা এর মধ্যে তরুণরা রয়েছে যারা বিশ্ব বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করে। ২০২০ সালের মার্চের মধ্য ভাগ থেকে বাংলাদেশে কোডিড-১৯ এর প্রার্দুভাব ৷ তারপর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা লেখাপড়া বন্ধ করে দিয়েছে। যারা অতি সচেতন তারা কেউ কেউ বিসিএস চাকুরীর পড়া চালিয়ে গেছে স্ব উদ্দোগ্যে ৷ কিন্ত তারা এখন স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ছাত্রছাত্রী একাডেমিক বা গবেষণা করা তাদের প্রথম ও প্রধান কাজ ৷ আগে স্নাতক পাশ তার পর বিসিএস ৷ কেউ কেউ বিভিন্ন কারনে মানসিক সমস্যা ও হতাশায় ভূগছে ৷ একজন শিক্ষক হিসাবে ছাত্রছাত্রীদের সাথে কথা বলে এসব জানা যায়। আমরা এই তরুণ সমাজকে হতাশায় ডুবিয়ে কি দেশের ক্ষতি করছি…
-
৬৪.৫ কোটি বছর পূর্বে বরফ যুগ Snowball Earth
৬৪.৫ কোটি বছর পূর্বে বরফ যুগ Snowball Earth প্রি ক্যাম্ব্রিয়ান সময় থেকে ক্যাম্ব্রিয়ান সময়ে পরিবর্তনের সময় লেট নিওপ্রটেরোজেয়িক সময়টি ভূত্বাতিক সময়ে একটি গুরুত্ব পুর্ন সময়। ৬৪.৫ কোটি বছর পূর্বে বরফ যুগ Snowball Earth পরবর্তী বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে প্রানে সৃষ্টির প্রক্রিয়া তরান্বিত হয়। এই সময়ের বিস্তার ৬৪.৫ কোটি থেকে ৫৩.৫ কোটি বছরে মধ্যে ৷ পৃথিবীতে প্রথম প্রানের সূচনায় এই সময়টা কিছু সৃষ্টিশীল প্রক্রিয়ায় পৃথিবীতে জলবায়ু গত ও জীবের বিবর্তন প্রক্রিয়ায় শুরু হয়। মোরানিয়ান সময়ের বরফাচ্ছাদিত যুগে (Snowball Earth) জলবায়ু ও রাসায়নিক পদার্থের পরিবর্তন সাধিত হয় ৷ যার কারণে বিবর্তন প্রক্রিয়ায় প্রানের প্রথম সূচনা হয়। প্রাগৈতিহাসিক সময়ের বিবর্তনের প্রক্রিয়া ও পৃথিবীর জলবায়ুর পরিবর্তন নিয়ে গবেষণা করেন জাপানের গবেষক ডঃ এটেনা সিজিয়া৷ তোহোকু বিশ্ববিদ্যালয়ের…
-
৩০০০ টাকা ইনকাম করুন মাত্র ১ টি একাউন্ট খুলেই | সরাসরি প্রমাণ সহ ভুয়া
৩০০০ টাকা ইনকাম করুন মাত্র ১ টি একাউন্ট খুলেই | সরাসরি প্রমাণ সহ ভুয়া ইন্টারনেট দুনিয়ার একটা খবর খুব প্রচার হয়েছে যে ৩০০০ টাকা ইনকাম করুন মাত্র ১ টি একাউন্ট খুলেই | কিন্তু আপনি যদি বাংলাদেশে বাস করেন তবে এসব সরাসরি ভুয়া। বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়। অযথা আপনার মোবাইলে আপস ডাউনলোড করে বৃথা সময় নষ্ট করেবেন না। তবে আপনি যদি বাংলাদেশ ছাড়া অন্য কোন দেশে বসবাস করেন তবে চেষ্টা করুন এখনি । পেয়ে যাবেন ৩০০০ টাকার সমপরিমাণ। তবে কয়েকটি ধাপে টাকা গুলো পাবেন। যেমন প্রথমে পাবে ৭২০ টাকার সম পরিমাণ, ইত্যাদি। App Download Link and Get 3000 BDT Bonus- এখানে ক্লিক করে ডাউনলোড করুন। Bonus Code : BD545061496 এসব মিথ্যা…
-
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরীর সার্কুলার
নোয়াখালী
-
প্রাগৈতিহাসিক গল্প: ২৫.৪ কোটি বছর পূর্বের ঘটনা
প্রাগৈতিহাসিক গল্প: ২৫.৪ কোটি বছর পূর্বের ঘটনা প্রাগৈতিহাসিক গল্প: ২৫.৪ কোটি বছর পূর্বের ঘটনা পুনরুদ্ধার বাংলাদেশি গবেষক পারমিয়ান ট্রায়াসিক গন বিলুপ্তি একটি বহুল আলোচিত দুর্যোগের মত ঘটনার পুনরুদ্ধার করেছেন । পারমিয়ান এর শেষ সময়ে ২৫.৪ কোটি বছর পূর্বে সমুদ্রের গণ বিলুপ্তির সময়ে বৃহৎ আকারে মাটি ক্ষয় সাধন বা সয়েল ইরোসন ও স্থল ভাগের ইকো সিসটেম ধ্বংস হয়। যদিও সুনির্দিষ্ট সময ও এর ক্ষয় ক্ষতির পরিমাণ এখনো সম্পর্নভাবে জানা সম্ভব হয় নি। দক্ষিণ চীনের একটি জায়গা নাম সাংশি যা কিনা পারমিয়ান সময়ের সমুদ্রজাত পাললিক শিলা মজত আছে। তাছাডা জাওহিবিয়ান নামে আরও একটি জাযগা সেখানে স্থলজ ভাগের পাললিক শিলা মজুত আছে। সেখান থেকে স্যাম্পল হিসাবে পাললিক শিলা নিয়ে তার নির্যাস বের করে…
-
বিবর্তন বাদ তত্ত্ব অনুসারে সেসব বিষয় গুলো অবশ্যই জানা উচিত 2021
বিবর্তন বাদ তত্ত্ব অনুসারে সেসব বিষয় গুলো অবশ্যই জানা উচিত পৃথিবীতে জীবনের উৎপত্তি বৈচিত্রময় এই পৃথিবীত আমরা যেসব জীবের সঙ্গে পরিচিত তাদের মধ্যে দশ লাখের বেশি প্রান প্রজাতি এবং চার লাখের মত উদ্ভিদ প্রজাতি শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে ৷ এক সময মানুষের ধারনা ছিল প্রানী বুঝি অপরিবর্তনীয় অর্থ্যাৎ সৃষ্টির আদিতে পৃথিবী যে আকার বা আয়তন ছিল এখনো সেরকমই থাছে অর্থাৎ তার কোন পরিবর্তন ঘটেনি মানুষ ভাবতো আদি জীব জগতের সঙ্গে বর্তমান কালের জীব জগতের কোন পার্থক্য নেই কিন্তু খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দী তে জেনোফেন নামের একজন বিজ্ঞানী প্রথম কতকগুলো জীবাশ্ম আবিষ্কার করেন ৷ তিনি প্রমাণ করেন যে অতীত এবং বর্তমান যুগের জীবদেহের গঠনে যথেষ্ট পরিবর্তন ঘটেছে অর্থাৎ জীব জীবদেহের আকার অপরিবর্তনীর…
-
২৫.৪ কোটি বছর আগে পর পর দুটি জীব বৈচিত্র্য ধ্বংসের ঘটনায় নতুন গবেষণা
২৫.৪ কোটি বছর আগে পর পর দুটি জীব বৈচিত্র্য ধ্বংসের ঘটনায় নতুন গবেষণা পৃথিবীতে গত ৫৪ কোটি বছর সময়ের মধ্যে পারমিয়ান ট্রিয়াসসিক সময়ের ( আজ থেকে ২৫.৪ কোটি বছর আগে) গন বিলুপ্তি ঘটনা হল সবথেকে বৃহৎ জীব বৈচিত্র্য ধ্বংসের ঘটনা । এ সময়ে প্রায় সমুদ্রের ৮০-৯০ শতাংশ প্রাণী মারা যায় এবং স্থলভাগে ৭০ শতাংশ প্রাণী মারা যায়। এই গন বিলুপ্তি জল ও স্থলভাগ উভয় স্থানেই সংগঠিত হয়েছিল। গবেষকরা এখনো স্থায়ী কোন সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি যে, স্থল ভাগের বৃক্ষ কুল ধ্বংস জলভাগের প্রাণী ধ্বংসের সাথে সাথেই ঘটেছে নাকি আগে অথবা পরে ঘটেছে। জাপানের তোহোকু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক প্রফেসর কুনিও কাইহ এর নেতৃত্বে এক দল গবেষক এই গবেষণা পরিচালিত করেন। এর মধ্যে…
-
পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদ
পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদ শুধু জলবায়ু গত প্রাকৃতিক দুর্যোগ ই নয় বর্তমানে জৈবও দুর্যোগ যেমন কভিড-১৯ বর্তমানে খুব বেশি সংশয়ের কারণ। উন্নত বিশ্ব দুর্যোগ মোকাবেলায় সক্ষম হবার পর ও এই জৈবও দুর্যোগ থেকে তারাও রেহাই পাচ্ছে না । প্রফেসর মোস্তফা জামান প্রাক্তন ডিন পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদ। তিনি বলেন আন্তরিক ভাবে সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি যারা এই অনুষদ গঠন করতে ভূমিকা রেখেছেন। অনেক স্মৃতি রয়েছে ২০০৭ সালে যখন সিডর আঘাত করে এই অঞ্চলে। অভিনন্দন ১২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে। এটা খুব ভাল যে এই অনুষদের প্রাক্তন ছাত্ররাই এখন অনুষদের শিক্ষক। কোন কোন সহকর্মী খুব ভাল করছে। জাপান থেকে যারা আজ অংশ গ্রহণ করেছেন তাদের কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমাদের…
-
পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের ESDM প্রতিষ্ঠা দিবস
পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের ESDM প্রতিষ্ঠা দিবস পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের ESDM প্রতিষ্ঠা দিবস। পৃথিবী যখন বিপর্যয়ে রয়েছে । তখন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। 23 , August 2009 is the birthday of Environmental Science and Disaster Management of Patuakhali Science and Technology University, Dumki, Patuakhali. আজকের এই দিনেই এই অনুষদ যাত্রা শুরু করেছিল। প্রথমে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের একটি বিভাগ হিসাবে যাত্রা শুরু করে। তাই এক হিসাবে বলা যায়। আজ পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ESDM বিভাগের জন্ম দিন। পরবর্তীতে বিভাগ থেকে শুধু দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদ হিসাবে গান সৃষ্টি ও গ্রাজুয়েট তৈরি করেছে । এর পর বর্তমান বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে পরিবেশ…
-
Oxfam ও পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের সমঝোতা চুক্তি
Oxfam ও পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের সমঝোতা চুক্তি আজ পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের ১২ তম প্রতিষ্ঠা দিবস। এই দিনে বাংলাদেশের মানবাধিকার ও দুর্যোগ নিয়ে কাজ করা স্বনামধন্য আন্তর্জাতিক NGO Oxfam ও পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের সমঝোতা সাক্ষর সম্পন্ন। আগামী দুই বছর দুর্যোগ ব্যবস্থা গবেষণা , ছাত্র ছাত্রীদের ইন্টার্নশিপ এর বিষয়ে এক সাথে কাজ করবে মর্মে এই সমঝোতা সাক্ষর সম্পন্ন হয়। উক্ত সমঝোতা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অনুষদের ডিন ডঃ আহমেদ পারভেজ ও বিভাগের চেয়ারম্যান বৃন্দ, শিক্ষক বৃন্দ ও Oxfam অক্সফাম এর কর্মরত অত্র অনুষদের ছাত্র ইমন ও অন্যান্য কর্মকর্তা বৃন্দ। Oxfam ও পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের সমঝোতা চুক্তির কিছু স্মৃতিচারণমূলক ফটো Apply for…
-
আজ পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের ১২ তম প্রতিষ্ঠা দিবস
আজ পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের ১২ তম প্রতিষ্ঠা দিবস। দক্ষিণ বঙ্গের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ৮ জুলাই ২০০০ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় । ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর সংগঠিত “সিডর” এ গোটা জাতি বিহ্বল হয়ে পড়ে। গোটা বিশ্ব এগিয়ে আসে এবং অধিকাংশ দুর্যোগের নিকটবর্তী হওয়ার কারণে পবিপ্রবি পরিবারে বিশেষ অনুভূতি জাগে। অতঃপর ২৩ আগস্ট ২০০৯ সালে শুধু একাডেমিক ইন্টারেস্ট নয়, তীব্র সংকট পূর্ণ মুহূর্তে জাতীয় ও মানবিক বোধ থেকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের যাত্রা শুরু হয়। বাংলাদেশের দুর্যোগ এর ইতিহাস যত দীর্ঘ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ইতিহাস তত দীর্ঘ নয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা ছিল…
-
কারাগারের রোজনামচা – শেখ মুজিবুর রহমান Pdf বই
কারাগারের রোজনামচা – শেখ মুজিবুর রহমান PDF বই এই বই টি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কারাগারে বসে লিখেছিলেন। তার জীবনের অজানা সমস্ত ঘটনা আমরা জানতে পারি এই বই থেকে। তার জীবন ঘটনা বহুল । দেশের জন্য কাজ করেছেন সারা জীবন। Download Now
-
অসমাপ্ত আত্মজীবনী শেখ মুজিবুর রহমান PDF বই
অসমাপ্ত আত্মজীবনী শেখ মুজিবুর রহমান PDF বই Download সার্ভারঃ ১ Download সার্ভারঃ ১ ডাউনলোড করুনঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী শেখ মুজিবুর রহমান PDF বই
-
ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড ৮৫টি প্রশ্ন ব্যাংক ও উত্তর
ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড ৮৫টি প্রশ্ন ব্যাংক ও উত্তর ড্রাইভিং_লাইসেন্স_করতে_চাচ্ছেন? ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড ৮৫টি প্রশ্ন ব্যাংক ও উত্তরঃ =========================০১. প্রশ্ন : মোটরযান কাকে বলে ?উত্তরঃ মোটরযান আইনে মোটরযান অর্থ কোনো যন্ত্রচালিত যান, যার চালিকাশক্তি বাইরের বা ভিতরের কোনো উৎস হতে সরবরাহ হয়ে থাকে। ০২. প্রশ্ন : গাড়ি চালনার আগে করণীয় কাজ কী কী ?উত্তরঃ ক. গাড়ির হালনাগাদ বৈধ কাগজপত্র (রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট, ট্যাক্সটোকেন, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ইনসিওরেন্স (বিমা) সার্টিফিকেট, রুট পারমিট ইত্যাদি) গাড়ির সঙ্গে রাখা।খ. গাড়িতে জ্বালানি আছে কি না পরীক্ষা করা, না থাকলে পরিমাণ মতো নেওয়া।গ. রেডিয়েটর ও ব্যাটারিতে পানি আছে কি না পরীক্ষা করা, না থাকলে পরিমাণ মতো নেওয়া।ঘ. ব্যাটারি কানেকশন পরীক্ষা করা।ঙ. লুব/ইঞ্জিন…
-
৩০ বছর বয়সে ত্বকের যত্ন করনীয় টিপস
৩০ বছর বয়সে ত্বকের যত্ন ও স্বাস্থ্যের জন্য অবশ্যই করনীয় টিপস ৩০ বছর বয়সে ত্বকের যত্ন: ত্বক আমাদের শরীরের সব থেকে গুরুত্ব পূর্ণ অঙ্গ বিশেষ করে মেয়েদের কাছে এবং যারা সৌন্দর্য সচেতন। আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন যে সুন্দরী মেয়েরা একটা যোগ্যতা নিয়েই জন্ম গ্রহণ করেছে তা হল তাদের সৌন্দর্য। তাই বয়স বেড়ে গেলে বিশেষ করে ৩০ বছর বয়সে ত্বকের যত্ন নেয়া আমাদের অবশ্য কর্তব্য। তাই কিভাবে যত্ন নিবেন আজকের বিষয় হল মেয়েদের ৩০ বছর বয়সে ত্বকের যত্ন। ৩০ বছর বয়সের পর ত্বকের যত্ন নেওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। কারণ এই সময় থেকে ত্বকে বয়সের ছাপ পড়া শুরু হতে পারে। তবে সঠিক যত্নের মাধ্যমে আপনি আপনার ত্বককে সুন্দর ও…
-
বেহুলা র বাসর ঘর কি আসলেই বগুড়াতে ছিল
বেহুলা র বাসর ঘর কি আসলেই বগুড়াতে ছিল বগুড়া শহর থেকে দশ কিলোমিটার উত্তরে এবং মহাস্থান গড় থেকে দুই কিলোমিটার দক্ষিণে গোকুল গ্রামের দক্ষিণ পশ্চিম দিকে যে ঢিবিটি আছে তাকেই বেহুলা র বাসর ঘর বলে অভিহিত করা হয়। স্থায়ীয় ভাবে গোকুলের মেড় বলা হয়। প্রত্ন তত্ত্ব অধিদপ্তরের দর্শনীয় স্থান গুলোর মধ্যে এটি একটি। বেহুলার বাসর ঘর কে কেন্দ্র করে নানা প্রশ্ন কৌতূহল দিন দিন বেড়েই চলেছে। এই স্থান কে নিয়ে অনেকে মানত করেন। কেউ বা এখানে এসে নিজ স্বার্থ সিদ্ধির জন্য প্রার্থনা করে এ স্থানে বসে থাকে। হিন্দু সম্প্রদায়ের মনসা ভক্ত নারী পুরুষ এখানে পূজা দিয়ে থাকে। আবার অনেকে বেহুলার বাসর ঘরের স্থান থেকে উদ্ধার করা প্রস্তর খণ্ডের কাছে এসে…
-
আকাশ তোমায় কোন রূপে মন চিনতে পারে
আকাশ তোমায় কোন রূপে মন চিনতে পারে আকাশ তোমায় কোন রূপে মন চিনতে পারে তাই ভাবি যে বারে বারে গহন রাতে চন্দ্র তোমার মোহন ফাঁদে স্বপন দিয়ে মন কে বাঁধে প্রভাত সূর্য শুভ্র জ্যোতির তরবারে ছিন্ন করি ফেলে তারে বসন্ত বায় পরান ভুলায় চুপে চুপে বৈশাখী ঝড় গরজি উঠে রুদ্র রূপে শ্রাবণ মেঘের নিবিড় সজল কাজল ছায়া দিক দিগন্তে ঘনায় মায়া আশ্বিনে এই অমল আলোর কিরণ ধারে যায় নিয়ে কোন মুক্তি পারে আকাশ তোমায় কোন রূপে মন চিনতে পারে ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯২৬ রবীন্দ্র সঙ্গীত লিরিক্স সহ গান বাংলা বাংলা সব ক্যাটাগরি
-
আকাশ হতে আকাশ পথে হাজার স্রোতে
Rezwana Choudhury Bannya
-
আকাশ আমায় ভরল আলোয় আকাশ আমি ভরব গানে
Lopamudra Mitra
-
ও আমার দেশের মাটি তোমার পরে ঠেকাই মাথা
ও আমার দেশের মাটি | Rabindra Sangeet | Iman Chakraborty
-
সন্তানের মঙ্গলের জন্য সন্তানের প্রতি পিতামাতার কর্তব্য
সন্তানের মঙ্গলের জন্য সন্তানের প্রতি পিতামাতার কর্তব্য ১। সন্তানের মঙ্গলের জন্য সন্তান লালন পালনে বাবার ভুমিকা সন্তান জন্ম দেয়া একটি মহৎ কাজ ৷ দশ মাস দশ দিন ধরে কোন নারী সন্তান জন্ম দেয় ৷ এ মহৎ কাজের পুন্য সম্পুনই নারীর প্রাপ্য ৷ সন্তান জন্মের পরেই নারীর কর্তব্য শেষ হয়ে যায়না ৷ সন্তান নিজে কোন কাজ করতে পারবে অথবা বললে কাজ একাই করতে পারে এই পর্যন্ত যে কোন মা সন্তানের দেখাশুনা লালন পালন করে থাকে। এই লালন পালন কাজটি অনেক কঠিন একটি কাজ ৷ এজন্য মায়েরা সর্বদা পূজনীয়। সন্তানের মঙ্গলের জন্য মাকে সন্তানের সমস্ত দিকে খেয়াল রাখতে হয় ৷ তাই যে কোন নারীকে অনেক ধৈর্য্যশীল হতে হয়। সন্তান জন্মদানের পর অনেক…
-
আমারে করো জীবন দান
আমারে করো জীবন দান প্রেরণ করো অন্তরে তব আহবান আসিছে কত যায় কত পাই শত হারাই শত তেমনি পায়ে রাখ অচল মোর প্রাণ দাও মোরে মঙ্গল ব্রত স্বার্থ করো দুরে প্রহত থামায়ে বিফল সন্ধান জাগাও চিত্তে সত্য জ্ঞান লাভে ক্ষতিতে সুখে শেকে অন্ধকারে দিবা আলোকে নির্ভয়ে বহি নিশ্চল মনে তবে বিধান আমারে করো জীবন দান রবীন্দ্র সঙ্গীত 70+ অনুপ্রেরণামূলক উক্তি রেজয়ানা চৌধুরী বন্যা
-
ধীরে ধীরে ধীরে বও ওগো উতল হাওয়া
Rezwana Choudhury Bannya
-
আমার বেলা যে যায় সাঁঝ বেলাতে
আমার বেলা যে যায় সাঁঝ বেলাতে তোমার সুরে সুরে সুর মেলাতে এক তারাটির একটি তারে গানের বেদন ব্যয়িতে নারে তোমার সাথে বারে বারে হার মেনেছি এই খেলাতে তোমার সুরে সুরে সুর মেলাতে এ তার বাঁধা কাছের সুরে ঐ বাঁশি যে বাজে দুরে গানের লীলার সেই কিনারে যোগ দিতে কি সবাই পারে বিশ্ব হৃদয় পারাবারে রাগরাগিণীর জাল ফেলাতে তাম্র সুরে সুর মেলাতে আষাঢ় ১৩২৬ (১৯১৯)
-
তুমি যে সুরের আগুন লাগিয়ে দিলে মোর প্রাণে
তুমি যে সুরের আগুন লাগিয়ে দিলে তুমি যে সুরের আগুন লাগিয়ে দিলে মোর প্রাণে এ আগুন ছড়িয়ে গেল সব খানে যত সব মরা গাছের ডালে ডালে নাচে আগুন তালে তালে রে আকাশে হাত তোলে সে কার পানে আঁধারের তারা যত অবাক হয়ে রয় চেয়ে কোথাকার পাগল হাওয়া ববয় ধেয়ে নিশীথের বুকের মাঝেএই যে অমল উঠল ফুটে স্বর্ণ কমল রে আগুনের কি গুণ আছে কে জানে তুমি যে সুরের আগুন লাগিয়ে দিলে লিরিক্স গান ও লিরিক্স সকল রবীন্দ্র সঙ্গীত সকল লালনগীতি ভাবসম্প্রসারন নীতি কথার ব্যাখ্যা
-
দাঁড়িয়ে আছ তুমি আমার গানের ও পারে
দাঁড়িয়ে আছ তুমি আমার গানের ও পারে দাঁড়িয়ে আছ তুমি আমার গানের ও পারে আমার সুর গুলি পায় চরণ আমি পাই নে তোমারে বাতাস বহে মরি মরি আর বেঁধে রেখো না তরী এসো এসো পার হয়ে মোর হৃদয় মাঝারে তোমার সাথে গানের খেলা দুরের খেলা যে বেদনাতে বাঁশি বাঁজায় সকল বেলা যে কবে নিয়ে আমার বাঁশি বাজাবে গো আপনি আসি আনন্দ ময় নীরব রাতের নিবিড় আঁধারে দাঁড়িয়ে আছ তুমি আমার গানের ও পারে লিরিক্স ফাল্গুন ১৩২০ (১৯১৪) গান ও লিরিক্স সকল রবীন্দ্র সঙ্গীত সকল লালনগীতি ভাবসম্প্রসারন নীতি কথার ব্যাখ্যা
-
আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে দেখতে আমি পাইনি
আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে দেখতে আমি পাইনি তোমায় দেখতে আমি পাইনি বাহির পানে চোখ মেলেছি আমার হৃদয় পানে চাই নি আমার সকল ভালবাসায় সকল আঘাত সকল আশায় তুমি ছিলে আমার কাছে তোমার কাছে যাইনি তুমি মোর আনন্দ হয়ে ছিলে আমার খেলায় আনন্দে তাই ভুলে ছিলেম কেটেছে দিন হেলায় গোপন রহি গভীর প্রাণে আমার দুঃখ সুখের গানে সুর দিয়েছ তুমি আমি তোমার গান তো গাইনি।। চৈত্র ১৩২০ (১৯১৪)
-
কেন চোখের জ্বলে ভিজিয়ে দিলেম না শূকনো ধুলো যত
কেন চোখের জ্বলে ভিজিয়ে দিলেম না শূকনো ধুলো যত কে জানিত আসবে তুমি গো অনাহুতের মত পার হয়ে এসেছ মরু নাই যে সেথায় ছায়া তরু পথের দুঃখ দিলেম তোমায় গো এমন ভাগ্যহত আলসেতে বসে ছিলেম আমি আপন ঘরের ছায়ে জানি নাই যে তোমার কত ব্যথা বাজবে পায়ে পায়ে ঐ বেদনা আমার বুকে বেজেছিল গোপন দুখে দাগ দিয়েছে মর্মে আমার গো গভীর হৃদয় ক্ষত। চৈত্র ১৩২০ (১৯১৪)
-
ভেঙ্গে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবি কে আমারে
ভেঙ্গে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবি কে আমারে ও বন্ধু আমার না পেয়ে তোমার দেখা একা একা দিন যে আমার কাটে নারে বুঝি গো রাত পোহাল বুঝি ঐ রবির আলো আভাসে দেখা দিল গগন পারে সমুখের ঐ হেরি পথ তোমার কি রথ পৌঁছাবে না মোর দুয়ারে আকাশের যত তারা চেয়ে রয় নিমেষ হারা বসে রয় রাত প্রভাতের পথের ধারে তোমারি দেখা পেলে সকল ফেলে ডুববে আলোক পারাবারে প্রভাতের পথিক সবে এলো কি কলরবে গেল কি গান গেয়ে ঐ সারে সারে বুঝি বা ফুল ফুটেছে সুর উঠেছে অরুণ বীণার তারে তারে।। ভেঙ্গে মোর ঘরের চাবি লিরিক্স পৌষ ২০ ১৩২৪ (১৯১৮)
-
ও অকুলের কুল ও অগতির গতি
ও অকুলের কুল ও অগতির গতি ও অকুলের কুল ও অগতির গতি ও অনাথের নাথ ও পতিতের পতি ও নয়নের আলো ও রসনার মধু ও রতনের হার ও পরানের বধূ ও অপরূপ রূপ ও মনোহর কথা ও চরমের সুখ ও মরমের ব্যথা ও ভিখারির ধন ও অবলার বোল ও জনমের দোলা ও মরণের কোল।। রেজয়ানা চৌধুরী বন্যা আশ্বিন ১৩১৮ ( ১৯১১) ও অকুলের কুল ও অগতির গতি বীন্দ্র সঙ্গীত 70+ অনুপ্রেরণামূলক উক্তি
-
আইল আজি পরান সখা
আইল আজি পরান সখা দেখ রে নিখিল জন আসন বিছাইল নিশীথিনী গগনতলে গ্রহ তারা সভা ঘেরিয়া দাঁড়াইল নীরবে বন গিরি আকাশে রহিল চাহিয়া থামাইল ঘরা দিবস কোলাহল ফাল্গুল ১২৯১ (১৮৮৫) রবীন্দ্র সঙ্গীত
-
শ্রাবণের ধারার মত পড়ুক ঝরে পড়ুক ঝরে
শ্রাবণের ধারার মত পড়ুক ঝরে পড়ুক ঝরে তোমারি সুর টি আমার মুখের পরে বুকের পরে পুরবের আলোর সাথে পড়ুক প্রাতে দুই নয়নে নিশীথের অন্ধকারে গভীর ধারে পড়ুক প্রাণে নিশিদিন এই জীবনের সুখের পরে দুখের পরে শ্রাবণের ধারার মত পড়ুক ঝরে পড়ুক ঝরে যে শাখায় ফুল ফোটে না ফল ধরে না একেবারে তোমারি ঐ বাদল বায়ে দিক জাগায়ে সেই শাখারে যা কিছু জীর্ণ আমার দীর্ণ আমার জীবন হারা তাহারি স্তরে স্তরে পড়ুক ঝরে সুরের ধারা নিশিদিন এই জীবনের তৃষার পরে ভুখের পরে শ্রাবণের ধারার মত পড়ুক ঝরে পড়ুক ঝরে।। ১৫ ফাল্গুন ১৩২০ ( ১৯১৪) শ্রাবণের ধারার মত পড়ুক ঝরে পড়ুক ঝরে (শুনুন)
-
বরিষ ধরা মাঝে শান্তির বারি
বরিষ ধরা মাঝে শান্তির বারি বরিষ ধরা মাঝে শান্তির বারি শুষ্ক হৃদয় লয়ে আছ দাঁড়াইয়ে ঊর্ধ্ব মুখে নরনারী না থাকে অন্ধকার না থাকে মোহপাপ না থাকে শোক পরিতাপ হৃদয় বিমল হোক প্রাণ সবল হোক বিধ্ন দাও অপসারি কেন এ হিংসা দ্বেষ কেন এ ছদ্মবেশ কেন এ মান- অভিমান বিতর বিতর প্রেম পাষাণ হৃদয়ে জয় জয় হোক তোমারি।। বরিষ ধরা মাঝে লিরিক্স জ্যৈষ্ঠ ১২৯১ (১৮৮৪) গান ও লিরিক্স সকল রবীন্দ্র সঙ্গীত সকল লালনগীতি ভাবসম্প্রসারন নীতি কথার ব্যাখ্যা
-
আজ জ্যোৎস্না রাতে সবাই গেছে বনে
বীন্দ্র সঙ্গীত 70+ অনুপ্রেরণামূলক উক্তি রেজয়ানা চৌধুরী বন্যা আজ জ্যোৎস্না রাতে সবাই গেছে বনে বসন্তের এই মাতাল সমীরণে যাব না গো যাব না যে রইনু পড়ে ঘরের মাঝে এই নিরালায় রব আপন কোনে যাব না এই মাতাল সমীরণে আমার এ ঘর বহু যতন করে ধূতে হবে মুছতে হবে মোরে আমারে যে জাগতে হবে কি জানি সে আসবে কবে যদি আমায় পড়ে তাহার মনে বসন্তের এই মাতাল সমীরণে ২২ চৈত্র ১৩২০ ( ১৯১৪) আজ জ্যোৎস্না রাতে সবাই গেছে বনে
-
আগুনের পরশ মনি ছোঁয়াও প্রাণে
আগুনের পরশ মনি আগুনের পরশ মনি ছোঁয়াও প্রাণে এ জীবন পুণ্য করো দহন দানে আমাই এই দেহ খানি তুলে ধরো তোমার ঐ দেবালয়ের প্রদীপ করো নিশি দিন আলোক শিখা জ্বলুক গানে আঁধারের গায়ে গায়ে পরশ তব সারা রাত ফোটাক তারা নব নব নয়নের দৃষ্টি হতে ঘুচবে কালো যেখানে পড়বে সেথায় দেখবে আলো ব্যথা মোর উঠবে জ্বলে ঊর্ধ্বে পানে ১১ ভাদ্র ১৩২১ ( ১৯১৪) আগুনের পরশ মনি
-
ক্লান্তি আমায় ক্ষমা করো প্রভু
ক্লান্তি আমায় ক্ষমা করো ক্লান্তি আমায় ক্ষমা করো প্রভু পথে যদি পিছিয়ে পড়ি কভু এই যে হিয়া থর থর কাঁপে আজি এমন তরো এই বেদনা ক্ষমা করো ক্ষমা করো ক্ষমা করো প্রভু এই দীনতা ক্ষমা করো প্রভু পিছন পানে তাকাই যদি কভু দিনের তাপে রৌদ্র জ্বালায় শুকায় মালা পূজার থালায় সেই ম্লানতা ক্ষমা করো ক্ষমা করো ক্ষমা করো প্রভু।। ১৬ আশ্বিন ১৩২১ (১৯১৪) ক্লান্তি আমায় ক্ষমা করো বীন্দ্র সঙ্গীত 70+ অনুপ্রেরণামূলক উক্তি রেজয়ানা চৌধুরী বন্যা
-
যে রাতে মোর দুয়ার গুলি ভাঙল ঝড়ে
যে রাতে মোর দুয়ার গুলি ভাঙল ঝড়ে জানি না তো তুমি এলে আমার ঘরে সব যে হয়ে গেল কালো নিবে গেল দীপের আলো আকাশ পানে হাত বাড়ালেম কাহার তরে আন্ধকারে রইনু পড়ে স্বপন মানি ঝড় যে তোমার জয়ধ্বজা তাই কি জানি সকাল বেলা চেয়ে দেখি দাঁড়িয়ে আছ তুমি এ কি ঘর ভরা মোর শূন্যতারই বুকের পরে।। ২৩ ফাল্গুন ১৩২০ ( ১৯১৪) যে রাতে মোর দুয়ার গুলি ভাঙল ঝড়ে (YouTube)
-
বিপদে মোরে রক্ষা করো এ নহে মোর প্রাথনা
বিপদে মোরে রক্ষা করো এ নহে মোর প্রাথনা বিপদে মোরে রক্ষা করো এ নহে মোর প্রাথনা বিপদে আমি না যেন করি ভয় দুঃখ তাপে ব্যথিত চিত্তে নাই বা সান্ত্বনা দুঃখে যেন করিতে পারি জয় সহায় মোর না যদি জুটে নিজের বল না যেন টুটে সংসারেতে ঘটিলে ক্ষতি লভিলে শুধু বঞ্চনা নিজের মনে না যেন মানি ক্ষয় আমারে তুমি করিবে ত্রাণ এ নহে মোর প্রার্থনা তরিতে পারি শকতি যেন রয় আমার ভার লাঘব করি নাই বা দিলে সান্ত্বনা বহিতে পারি এমনি যেন হয় নম্র শিরে সুখের দিনে তোমারি মুখ লইব চিনে দুঃখের রাতে নিখিল ধরা যে দিন করে বঞ্চনা তোমারে যেন না করি সংশয় বিপদে মোরে রক্ষা করো এ নহে মোর…
-
এ দিন আজি কোন ঘরে গো খুলে দিল দ্বার
এ দিন আজি কোন ঘরে গো এ দিন আজি কোন ঘরে গো খুলে দিল দ্বার আজি প্রাতে সূর্য ওঠা সফল হল কার? কাহার অভিষেকের তরে সোনার ঘটে আলোক ভরে ঊষা কাহার আশিস বহি হল আঁধার পার বনে বনে ফুল ফুটেছে দোলে নবীন পাতা কার হৃদয়ের মাঝে হল তাদের মালা গাঁথা বহু যুগের উপহার বরন করি নিলো কারে কার জীবনে প্রভাত আজি ঘুচায় অন্ধকার ২৪ আশ্বিন ১৩২১ ( ১৯১৪) এ দিন আজি কোন ঘরে গো https://www.youtube.com/watch?v=-BoYOiee4fQ রবীন্দ্র সঙ্গীত রেজয়ানা চৌধুরী বন্যা
-
মাঝে মাঝে তব দেখা পাই চিরদিন কেন পাইনা
মাঝে মাঝে তব দেখা পাই মাঝে মাঝে তব দেখা পাই চিরদিন কেন পাইনা কেন মেঘ আসে হ্রদয় আকাশে তোমারে দেখিতে দেয় না মোহ মেঘে তোমারে দেখিতে দেয় না অন্ধ করে রাখে তোমারে দেখিতে না।। ক্ষণিক আলোকে আখির পলকে তোমায় যবে পাই দেখিতে হারাই হারাই সদা ভয় হয় হারাইয়া ফেলি চকিতে আশ না মিটিতে হারাইয়া পলক না পড়িতে হারাইয়া হৃদয় না জুড়াতে হারাইয়া ফেলি চকিতে।। কি করিলে বলো পাইব তোমারে রাখিব আখিতে আঁখিতে এতো প্রেম আমি কোথা পাবো নাথ তোমারে হ্রদয়ে রাখিতে আমার সাধ্য কিবা তোমারে দয়া না করিলে কে পারে তুমি আপনি না এলে কে পারে হৃদয় রাখিতে।। আর কারো পানে চাহিব না আর করিব হে আমি প্রাণপণ তুমি যদি…
-
আনন্দ লোকে মঙ্গলা লোকে বিরাজ সত্য সুন্দর
আনন্দ লোকে মঙ্গলা লোকে আনন্দ লোকে মঙ্গলা লোকে বিরাজ সত্য সুন্দর মহিমা তব উদ্ভাসিত মহা গগন মাঝে বিশ্ব জগত মনি ভূষণ বেষ্টিত চরণে গ্রহ তারক চন্দ্র তপন ব্যকুল দ্রুত বেগে করিছে পান করিছে স্নান অক্ষয় কিরণে ধরণীর পর ঝরে নির্ঝর মোহন মধু শোভা ফুল পল্লব গীতগন্ধ সুন্দর বরনে বহে জীবন রজনীদিন চির নুতুন ধারা করুণা তব অবিশ্রাম জনমে মরণে স্নেহ প্রেম দয়া ভক্তি কোমল করে প্রাণ কত সান্ত্বন করো বর্ষণ সন্তাপ হরণে জগতে তব কী মহোৎসব বন্দন করে বিশ্ব শ্রী সম্পদ ভুমাস্পদ নির্ভয়শরণে।। ফাল্গুন ১২ ৯৯ ( ১৮৯৩) আনন্দ লোকে মঙ্গলা লোকে রেজয়ানা চৌধুরী বন্যা রবীন্দ্র সঙ্গীত
-
আমার এই পথ চাওয়াতেই আনন্দ
আমার এই পথ চাওয়াতেই আনন্দ আমার এই পথ চাওয়াতেই আনন্দ খেলে যায় রৌদ্র ছায়া বর্ষা আসে বসন্ত কারা এই সমুখ দিয়ে আসে যায় খবর নিয়ে খুশি রই আপন মনে বাতাস বহে সুমন্দ সারাদিন আঁখি মেলে দুয়ারে রব একা শুভক্ষণ হটাৎ এলে তখন পাবো দেখা ততখন ক্ষণে ক্ষণে হাসি গাই আপন মনে ততক্ষণ রহি রহি ভেসে ভেসে আসে সুগন্ধ।। ১৭ব চৈত্র ১৩১৮ ( ১৯১১-১৯১২) আমার এই পথ চাওয়াতেই আনন্দ Sanchita Choudhuri রেজয়ানা চৌধুরী বন্যা
-
অসীম সংসারে যার কেহ নাহি কাঁদিবার
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ অসীম সংসারে যার কেহ নাহি কাঁদিবার সে কেন গো কাঁদিছে অশ্রুজল মুছিবার নাহিরে অঞ্চল যার সেও কেন কাঁদিছে কেহ যার দুঃখ গান শুনিয়ে পাতে না কান বিমুখ সে হয় যারে শুনাইতে চায় সে আর কিসের আশে রয়েছে সংসার পাশে জ্বলন্ত পরান বহে কিসের আশায় বৈশাখ ১২৯২ 9(১৮৮৫
-
অসীম ধন তো আছে তোমার তাহে সাধ না মেটে
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ মিতা হক অসীম ধন তো আছে তোমার তাহে সাধ না মেটে নিতে চাও তা আমার হাতে কণায় কণায় বেঁটে।। দিয়ে রতন মনি দিয়ে তোমার রতন মনি আমায় করলে ধনী। এখন দ্বারে এসে ডাক রয়েছি দ্বার এঁটে আমায় তুমি করবে দাতা আপনি ভিক্ষু হবে বিশ্ব ভুবন মাতল যে তাই হাসির কলরবে তুমি রইবে না ওই রথে তুমি রইবে না রথে নামবে ধুলা পথে যুগ যুগান্তর আমার সাথে চলবে হেঁটে হেঁটে।। ভাদ্র ১৩২০ ( ১৯১২-১৯১৩) অসীম ধন তো আছে তোমার তাহে সাধ না মেটে -শুনুন
-
অসীম কাল সাগরে ভুবন ভেসে চলেছে
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ Swagatalakshmi Dasgupta অসীম কাল সাগরে ভুবন ভেসে চলেছে অমৃত ভবন কোথা আছে তাহা কে জানে হেরো আপন হৃদয় মাঝে ডুবিয়ে একি শোভা অমৃত ময় দেবতা সতত বিরাজে এই মন্দিরে এই সুধানিকেতনে আগ্রহায়ন ১২৯১ ( ১৮৮৪)
-
অসীম আকাশে অগণ্য কিরণ কত গ্রহ উপগ্রহ
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ Ritu Guha অসীম আকাশে অগণ্য কিরণ কত গ্রহ উপগ্রহ কত চন্দ্র তপন ফিরিছে বিচিত্র আলোক জ্বালায়ে তুমি কোথায় তুমি কোথায় ? হায় সকলই অন্ধকার চন্দ্র সূর্য সকল কিরণ আঁধার নিখিল বিশ্বজগত তোমার প্রকাশ হ্রদয় মাঝে সুন্দর মোর নাথ মধুর প্রেম আলোকে তোমারি মাধুরী তোমারে প্রকাশে।। ফাল্গুন ১২৯৪ ( ১৮৮৮) অসীম আকাশে অগণ্য কিরণ Listen on Youtube
-
অশ্রু ভরা বেদনা দিকে দিকে জাগে
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা অশ্রু ভরা বেদনা দিকে দিকে জাগে আজি শ্যামল মেঘের মাঝে বাজে কার কামনা চলিছে ছুটিয়া অশান্ত বায় ক্রন্দন কার তার গানে ধ্বনিছে করে কে সে বিরহী বিফল সাধনা ভাদ্র ১৩৩২ ( ১৯২৫) অশ্রু ভরা বেদনা দিকে দিকে Listen on Youtube
-
অশ্রু নদীর সুদূর পারে ঘাট দেখা যায় তোমার দ্বারে
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ শ্রীকান্ত আচার্য অশ্রু নদীর সুদূর পারে ঘাট দেখা যায় তোমার দ্বারে নিজের হাতে নিজে বাধা ঘরে আধা বাইরে আধা এবার ভাসাই সন্ধ্যা হাওয়ায় আপনারে কাটল বেলা হাটের দিনে লোকের কথার বোঝা কিনে কথার সে ভার নামা রে মন নীরব হয়ে শোন দেখি শোন পারের হাওয়ায় গান বাজে কোন বীণার তারে।। আশ্বিন ১৩২৫ (১৯১৮) অশ্রু নদীর সুদূর পারে Listen on Youtube
-
অশান্তি আজ হানল একি দহন জ্বালা
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ হেমন্ত মুখোপাধ্যায় অশান্তি আজ হানল একি দহন জ্বালা বিঁধল হৃদয় নিদয় বানে বেদন ঢালা বক্ষে জ্বালায় অগ্নি শিখা চক্ষে কাঁপায় মরীচিকা মরণ সুতোয় গাঁথল কে মোর বরন মালা চেনা ভুবন হারিয়ে গেল স্বপন ছায়াতে ফাগুন দিনের পলাশ রঙের রঙ্গিন মায়াতে যাত্রা আমার নিরুদ্দেশে পথ হারানোর লাগল নেশা অচিন দেশে এবার আমার যাবার পালা ১৯৩৯ খিঃ অশান্তি আজ হানল একি দহন জ্বালা (Listen on Youtube)
-
অল্প লইয়া থাকি তাই মোর যাহা যায় তাহা যায়
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ সুবিনয় রায় অল্প লইয়া থাকি তাই মোর যাহা যায় তাহা যায় কণা টুকু যদি হারায় তা লয়ে প্রাণ করে হায় হায় নদী তট সম কেবলই বৃথাই প্রবাহ আঁকড়ি রাখিবারে চাই একে একে বুকে আঘাত করিয়া ঢেউগুলি কোথা ধায় যাহা যায় আর যাহা কিছু থাকে সব যদি দেই সপিয়া তোমাকে তবে নাহি ক্ষয় সবই জেগে রয় তব মহা মহিমায় তোমাতে রয়েছে কত শশী ভানু হারায় না কভু অণু পরমাণু আমারই ক্ষুদ্র হারাধন গুলি রবে না কি তব পায়।। ১৩০৭ (১৯০১) অল্প লইয়া থাকি তাই মোর যাহা যায় তাহা যায় (Listen on Youtube)
-
অলি বার বার ফিরে যায় অলি বার বার ফিরে আসে
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ Iman Chakraborty অলি বার বার ফিরে যায় অলি বার বার ফিরে আসে তবে তো ফুল বিকাশে কলি ফুটিতে চাহে ফোটে না মরে লাজে মরে ত্রাসে ভুলি মান অপমান দাও মন প্রাণ নিশিদিন রহো পাশে ওগো আশা ছেড়ে তবু আশা রেখে দাও হৃদয় রতন আশে ফিরে এসো ফিরে এসো বন মোদিত ফুল বাসে আজি বিরহ রজনী ফুল্ল কুসুম শিশির সলিলে ভাসে।। https://www.youtube.com/watch?v=C7_HEP3ZHFA&t=59s ১৮৮৮ খিঃ অলি বার বার ফিরে যায় (Liesten on Youtube)
-
অলকে কুসুম না দিয়ো শুধু শিথিল কবরী বাধিয়ো
অলকে কুসুম না দিয়ো শুধু শিথিল কবরী বাধিয়ো কাজল বিহীন সজল নয়নে হৃদয় দুয়ারে ঘা দিয়ো আকুল আঁচিলে পথিক চরণে মরণের ফাঁদ ফাঁদিয়োনা না করিয়া বাদ মনে যাহা সাধ নিদয়া নীরবে সাধিয়ো এসো এসো বীণা ভূষণেই দোষ নেই তাহে দোষ নেই যে আসে আসুক ঐ তব রূপ অযত্ন ছাদে ছাদিয়ো শুধু হাসি খানি আঁখিকোণে হানি উতলা হৃদয় ধাঁদিয়ো।। https://www.youtube.com/watch?v=yOpm4If6Jrg জ্যৈষ্ঠ ১৩০৮( ১৯০১) অলকে কুসুম না দিয়ো শুধু (Listen on Youtube)
-
অরূপ বীণা রূপের আড়ালে লুকিয়ে বাজে
অরূপ বীণা রূপের আড়ালে গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ সুচিত্রা মিত্র অরূপ বীণা রূপের আড়ালে লুকিয়ে বাজে সে বীণা আজি উঠিল বাজি হৃদয় মাঝে ভুবন আমার ভরিল সুরে ভেদ ঘুচে যায় নিকটে দুরে সেই রাগিণী লেগেছে আমার সকল কাজে হাতে পাওয়ার চোখে চাওয়ার সকল বাধন গেল কেটে আজ সফল হল সকল কাঁদন সুরের রসে হারিয়ে যাওয়া সেই তো দেখা সেই তো পাওয়া বিরহ মিলন মিলে গেল আজ সমান সাজে অরূপ বীণা রূপের আড়ালে মাঘ ১৩২৬
-
অরূপ তোমার বানী
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ শ্রীকান্ত আচার্য অরূপ তোমার বানী অরূপ তোমার বানী অঙ্গে আমার চিত্তে আমার মুক্তি দিক সে আনি নিত্যকালের উৎসব তব বিশ্বের দিপালিকা আমি শুধু তারি মাটির প্রদীপ জ্বালাও তাহার শিখা নির্বাণহীন আলোকদীপ্ত তোমার ইচ্ছাখানি যেমন তোমার বসন্তবায় গীতলেখা যায় লিখে বর্ণে বর্ণে পুষ্পে পর্ণে বনে বনে দিকে দিকে তেমনি আমার প্রাণের কেন্দ্রে নিশ্বাস দাও পুরে শূন্য তাহার পূর্ণ করিয়া ধন্য করুক সুরে বিঘ্ন তাহার পুণ্য করুক তব দক্ষিনপানি ২১ নভেম্বর ১৯২৬ অরূপ তোমার বানী রেজয়ানা চৌধুরী বন্যা
-
অয়ি ভুবন মনো মোহিনী , মা
অয়ি ভুবন মনো মোহিনী অয়ি ভুবন মনো মোহিনী , মা অয়ি নির্মল সূর্য করোজ্জল ধরণী জনক জননী নীল সিন্ধু জল ধৌত চরণ তল অনিল বিকম্বিত শ্যামল অঞ্চল অম্বর চুম্বিত ভাল হিমাচল শুভ্র তুষার কিরীটিনী প্রথম প্রভাত উদয় তব গগণে প্রথম সামবর তব তপোবনে প্রথম প্রচারিত তব বনভবনে জ্ঞান ধর্ম কত কাব্য কাহিনী চির কল্যাণময়ী তুমি ধন্য দেশ বিদেশে বিতরিছ অন্ন জাহ্নবী যমুনা বিগলিত করুণা পুণ্য পীযুষ স্তন্য বাহিনী।। ডিসেম্বর ১৮৯৬ অয়ি ভুবন মনো মোহিনী
-
অয়ি বিষাদিনী বীণা আয় সখি গা লো সেই সব পুরনো গান
অয়ি বিষাদিনী বীণা আয় সখি গা লো সেই সব পুরনো গান অয়ি বিষাদিনী বীণা আয় সখি গা লো সেই সব পুরনো গান বহুদিনের লূকান স্বপনে ভরিয়া দে না লো আধার প্রাণ হাঁ রে হত বিধি মনে পড়ে তোর সেই একদিন ছিল আমি আরয লক্ষ্মী এই হিমালয় এই বিনোদিনী বীণা করে লয়ে যে গান গেয়েছি সে গান শুনিয়া জগত চমকি উঠিয়াছিল আমি অর্জুনেরে আমি যুধিষ্ঠিরে করিয়াছি স্তন দান এই কোলে বসি বাল্মীকি করেছে পুণ্য রামায়ন গান আজ অভাগিনী আজ অনাথিনী ভয়ে ভয়ে ভয়ে লূকায়ে লুকায়ে নীরবে নীরবে কাঁদি পাছে জননীর রোদন শুনিয়া একটি সন্তান উঠে রে জাগিয়া কাঁদিতে কেহ দেয় না বিধি হায় রে বিধাতা জানে না তাহারা সে দিন গিয়াছে…
-
অমৃতের সাগরে আমি যাব যাব রে
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ Malini Gangopadhyay অমৃতের সাগরে আমি যাব অমৃতের সাগরে আমি যাব যাব রে তৃষ্ণা জ্বলিছে মোর প্রাণে কোথা পথ বল হে বল ব্যথার ব্যথী হে কোথা হতে কলধ্বনি আসিছে কানে ১৯০৯ খিঃ অমৃতের সাগরে আমি যাব রবীন্দ্র সঙ্গীত
-
অমল ধবল পালে লেগেছে মন্দ মধুর হাওয়া
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ Shantideb Ghosh অমল ধবল পালে লেগেছে মন্দ অমল ধবল পালে লেগেছে মন্দ মধুর হাওয়া দেখি নাই কভু দেখি নাই এমন তরণী বাওয়া কোন সাগরের পাড় হতে আনে কোন সুদূরের ধন ভেসে যেতে চায় মন ফেলে যেতে চায় এই কিনারায় সব চাওয়া সব পাওয়া পিছনে ঝরিছে ঝরো ঝরো জল গুরু গুরু দেয়া ডাকে মুখে এসে পড়ে অরুণ কিরণ ছিন্ন মেঘের ফাঁকে ওগো কাণ্ডারি কে গো তুমি কার হাসিকান্নার ধন ভেবে মরে মোর মন কোন সুরে আজ বাঁধিবে যন্ত্র কি মন্ত্র হবে গাওয়া ৩ ভাদ্র ১৩১৫ (১৯০৮) অমল ধবল পালে লেগেছে মন্দ রবীন্দ্র সঙ্গীত
-
অমল কমল সহজে জলের কোলে আনন্দে রহে ফুটিয়া
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ Dwijen Mukhopadhyay অমল কমল সহজে জলের কোলে অমল কমল সহজে জলের কোলে আনন্দে রহে ফুটিয়া ফিরে না সে কভু আলয় কোথায় বলে ধুলায় ধুলায় লুটিয়া তেমনি সহজে আনন্দে হরষিত তোমার মাঝারে রব নিমগ্নচিত পূজা শতদল আপনি সে বিকশিত সব সংশয় টুটিয়া কোথা আছ তুমি পথ না খুঁজিব কভু শুধাব না কোন পথিকে তোমারি মাঝারে ভ্রমিব ফিরিব প্রভু যখন ফিরিব যে দিকে চলিব যখন তোমার আকাশে গেহে তোমার অমৃত প্রবাহ লাগিবে দেহে তোমার পবন সখার মতন স্নেহে বক্ষে আসেবে ছুটিয়া।। ১৩০৭ (১৯০১) অমল কমল সহজে জলের কোলে https://www.youtube.com/watch?v=CyMUuhPUeOI
-
অবেলায় যদি এসেছ আমার বনে দিনের বিদায় ক্ষণে
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর শিল্পীঃ Susmita Patra অবেলায় যদি এসেছ আমার অবেলায় যদি এসেছ আমার বনে দিনের বিদায় ক্ষণে গেয়ো না গেয়ো না চঞ্চল গান ক্লান্ত এ সমীরণে ঘন বকুলের ম্লান বীথিকায় শীর্ণ যে ফুল ঝরে ঝরে যায় তাই দিয়ে হার কেন গাঁথা হায় লাজ বাসি তাই মনে চেয়ো না চেয়ো না মোর দীনতায় হেলায় নয়ন কোনে এসো এসো কাল রজনী অবসানে প্রভাত আলোর দ্বারে যেয়ো না যেয়ো না অকালে হানিয়া সকালের কলিকারে এসো এসো যদি কভু সুসময় নিয়ে আসে তার ভরা সঞ্চয় চির নবীনের যদি ঘটে জয় সাজি ভরা হয় ধনে নিয়ো না নিয়ো না মোর পরিচয় এ ছায়ার আবরণে।। আষাঢ় ১৩৩২ (১৯২৫) অবেলায় যদি এসেছ আমার…
-
অন্ধ জনে দেহো আলো মৃত জনে দেহো প্রাণ
Swagatalakhsmi Dasgupta
-
অন্তরে জাগিছ অন্তর্যামী
শ্রাবণী সেন
-
অন্ধকারের মাঝে আমায় ধরেছ দুই হাত
Swagatalakshmi Dasgupta
-
অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো
Swagatalakshmi Dasgupta
-
অন্তর মও বিকশিত করো অন্তর তর হে
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ শিল্পীঃ কোরাস অন্তর মও বিকশিত করো অন্তর মও বিকশিত করো অন্তর তর হে নির্মল করো উজ্জ্বল করো নির্ভয় করো হে জাগ্রত করো উদ্যত করো নির্ভয় করো হে মঙ্গল করো নিরলস নিঃসংশয় করো হে যুক্ত করো হে সবার সঙ্গে মুক্ত করো হে বন্ধ সঞ্চার করো হে সকল কর্মে শান্ত তোমার ছন্দ চরণ পদ্মে মম চিত্ত নিস্পন্দিত করো হে নন্দিত করো নন্দিত করো নন্দিত করো হে… ২৭ অগ্রহায়ণ ১৩১৪ (১৯০৭) অন্তর মও বিকশিত করো রবীন্দ্র সঙ্গীত
-
অনেক পাওয়ার মাঝে মাঝে কবে
Chinmoy Chatterjee
-
অনেক দিয়েছ নাথ
ঋতা চক্রবর্তী
-
অনেক দিনের শূন্যতা মোর ভরতে হবে
গীতিকার ও সুরকারঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পীঃ শ্রীকান্ত আচার্য ======================= অনেক দিনের শূন্যতা মোর অনেক দিনের শূন্যতা মোর ভরতে হবে মৌন বানীর তন্ত্র আমার জাগাও সুধারবে বসন্ত সমীরে তোমার ফুল ফুটানো বানী দিক পরানে আনি ডাক তোমার নিখিল উৎসবে মিলন শতদলে তোমার প্রেমের অরূপ মূর্তি দেখাও ভুবন তলে সবার সাথে মিলাও আমায় ভুলাও অহংকার খুলাও রুদ্ধুদার পূর্ণ করো প্রণতি গৌরবে।। অনেক দিনের শূন্যতা মোর =========================== ৩ মাঘ ১৩৩৪ (১৯২৮) অনেক দিনের শূন্যতা মোর https://www.youtube.com/watch?v=jfgDSiKGcG0 রবীন্দ্র সঙ্গীত
-
অনেক দিনের মনের মানুষ যেন
মহুয়া
-
অনেক দিনের আমার যে গান
অনেক দিনের আমার যে গান অনেক দিনের আমার যে গান আমার কাছে ফিরে আসে তারে আমি শুধাই তুমি ঘুরে বেড়াও কোন বাতাসে যে ফুল গেছে সকল ফেলে গন্ধ তাহার কোথায় পেলে যার আশা আজ শূন্য হল কি সুর জাগাও তাহার আশে সকল গৃহ হারাল যার তোমার তানে তারি বাসা যার বিরহে নাই অবসান তার মিলনের আনে ভাষা শুকালো যেই নয়ন বারি তোমার সুরে কাঁদন তারি ভোলা দিনের বাহন তুমি স্বপন ভাসাও দুর আকাশে পৌষ ১৩৩৬ (১৯৩০) অনেক দিনের আমার যে গান রবীন্দ্র সঙ্গীত
-
অনেক কথা যাও যে বলে
অনেক কথা যাও যে বলে অনেক কথা যাও যে বলে কোন কথা না বলি তোমার ভাষা বোঝার আশা দিয়েছি জলাঞ্জলি যে আছ মম গভীর প্রাণে ভেদিবে তারে হাসির বানে চকিত চাহ মুখের পানে তুমি যে কুতূহলী তোমারে তাই এড়াতে ফিরিয়া যাই চলি আমার চোখে যে চাওয়া খানি ধোঁয়া সে আঁখি লোরে তোমারে আমি দেখিতে পাই তুমি না পাও মোরে তোমার মনে কুয়াশা আছে আপনি ঢাকা আপনি কাছে নিজের অগোচরেই পাছে আমারে যাও ছলি তোমারে তাই এড়াতে চাই ফিরিয়া যাই চলি।। ৪ এপ্রিল ১৯২৬ অনেক কথা যাও যে বলে https://www.youtube.com/watch?v=8KkEI_Rtv4M রবীন্দ্র সঙ্গীত
-
অনেক কথা বলেছিলাম কবে
অনেক কথা বলেছিলাম কবে অনেক কথা বলেছিলাম কবে তোমার কানে কানে কত নিশীথ অন্ধকারে কত গোপন গানে গানে সে কি তোমার মনে আছে তাই শুধাতে এলেম কাছে রাতের বুকের মাঝে তারা মিলিয়ে আছে সকলখানে ঘুম ভেঙ্গে তাই শুনি যবে দীপ নেভা মোর বাতায়নে স্বপ্নে পাওয়া বাদল হাওয়া ছুটে আসে ক্ষণে ক্ষণে বৃষ্টি ধারার ঝরঝরে ঝাউ বাগানের মর্মরে ভিজে মাটির গন্ধে হটাত সেই কথা সব মনে আনে আগ্রহায়ন ১৩২৯ (১৯২২) রবীন্দ্র সঙ্গীত অনেক কথা বলেছিলাম কবে
-
অনিমেষ আঁখি সেই কে দেখেছে
অনিমেষ আঁখি সেই কে দেখেছে যে আঁখি জগতপানে চেয়ে রয়েছে রবি শশী গ্রহ তারা হয় নাক দিশাহারা সেই আঁখি পরে তারা আঁখি রেখেছে তরাসে আধারে কেন কাঁদিয়া বেড়াই হৃদয় আকাশে পানে কেন না তাকাই দ্রুব জ্যোতি সে নয়ন জাগে সেথা অনুক্ষণ সংসারের মেঘে বুঝি দৃষ্টি ঢেকেছে।। ফাল্গুন ১২৯০ (১৮৮৪) অনিমেষ আঁখি সেই কে দেখেছে রবীন্দ্র সঙ্গীত
-
অন্তরের বানী তুমি বসন্তের মাধুরী উৎসবে
অন্তরের বানী তুমি অন্তরের বানী তুমি বসন্তের মাধুরী উৎসবে আনন্দের মুখপাত্র পরিপূর্ণ করি দিবে কবে বঞ্ছুলনি কুঞ্জ তলে সঞ্চরিবে লীলাচ্ছল চঞ্চল অঞ্চল গন্ধে বনচ্ছায়া রোমাঞ্চিত হবে মন্থর মঞ্জুল ছন্দে মঞ্জীরের গুঞ্জ কল্লোল আন্দোলিবে ক্ষণে ক্ষণে অরণ্যের হৃদয় হিন্দোল নয়ন পল্লবে হাসি হিল্ললি উঠিবে ভাসি মিলন মল্লিকা মাল্য পরাইবে প্রাণবল্লভে।। ফাল্গুন ১৩৩২ (১৯২৬) অন্তরের বানী তুমি রবীন্দ্র সঙ্গীত অন্তরের বানী তুমি
-
আয় তবে সহচরী হাতে হাত ধরি ধরি
আয় তবে সহচরী আয় তবে সহচরী হাতে হাত ধরি ধরি নাচিবি ঘিরি ঘিরি গাহিবি গান আন তবে বীণা সপ্তম সুরে বাঁধ তবে তান পাশরিব ভাবনা পাশরিব যাতনা রাখিব প্রমোদে ভোরই দিবা নিশি মনো প্রাণ আন তবে বীণা সপ্তম সুরে বাঁধ তবে তান ঢাল ঢাল শশধর ঢাল ঢাল জোছনা সমীরণ বহে যারে ফুলে ফুলে ঢলি ঢলি উলসিত তটিনী উথলিত গীত রবে খুলে দেরে মন প্রাণ।। ১২৮৬ বঙ্গাব্দ (১৮৮২) রবীন্দ্র সঙ্গীত আয় তবে সহচরী
-
অনন্ত সাগর মাঝে দাও
Salma Akbar
-
অধরা মাধুরী ধরেছি ছন্দ বন্ধনে
SUBINOY RAY
-
অজানা সুর কে নিয়ে যায় কানে কানে
Nilima sen
-
অজানা খনির নতুন মনির গেঁথেছি হার
অজানা খনির নতুন মনির অজানা খনির নতুন মনির গেঁথেছি হার ক্লান্তি বিহীনা নবীনা বীণায় বেধেছি তার যেমন নূতন বনের দুকুল যেমন নূতন আমের মুকুল মাঘের অরুণে খোলে স্বর্গের নূতন দ্বার তেমনি আমার নবীন রাগের নব যৌবনে নব সোহাগের রাগিণী উচিয়া উঠিল নাচিয়া বীণার তার যে বানী আমার কখন কারো হয়নি বলা তাই দিয়ে গানে রচিব নতুন নৃত্য কলা আজি অকারণ বাতাসে বাতাসে যুগান্তরের সুর ভেসে আসে মর্মর স্বরে বনের ঘুচিল মনের ভার যেমনি ভাঙ্গিল বানীর বন্ধ উচ্ছসি উঠে নূতন ছন্দ সুরের সাহসে আপনি চকিত বীণার তার ২৭ শ্রাবণ ১৩৩৫ (১৯২৮) অজানা খনির নতুন মনির রবীন্দ্র সঙ্গীত Youtube Video Link: অজানা খনির নতুন মনির
-
অচেনাকে কি ভয় কী আমার ওরে
অচেনাকে কি ভয় অচেনাকে কি ভয় কী আমার ওরে অচেনাকেই চিনে চিনে উঠবে জীবন ভরে জানি জানি আমার চেনা কোন কালেই ফুরাবে না চিহ্ন হারা পথে আমার টানবে অচিন ডোরে ছিল আমার মা অচেনা নিলো আমায় কোলে সকল প্রেম ই অচেনা গো তাইতো হৃদয় দোলে অচেনা এই ভুবন মাঝেকত সুরেই হৃদয় বাজে অচেনা এই জীবন আমার বেড়াই তার ই ঘোরে।। ২৩ আশ্বিন (১৯১৪) রবীন্দ্র সঙ্গীত অচেনাকে কি ভয় ইউটিউব ভিডিও লিঙ্ক
-
অগ্নিশিখা এসো এসো
অগ্নিশিখা এসো এসো অগ্নিশিখা এসো এসো, আনো আনো আলো দুঃখে সুখে ঘোরে ঘোরে গৃহ দ্বীপ জ্বালো।। আনো শক্তি আনো দীপ্তি আনো শান্তি আনো তৃপ্তি আনো স্নিগ্ধ ভালবাসা আনো নিত্য ভাল এসো পুণ্য পথ বেয়ে এসো হে কল্যাণী- শুভ সুপ্তি শুভ জাগরণ দেহো আনি দুঃখ রাতে মাতৃ বেশে জেগে থাক নির্নিমেষে আনন্দ উৎসবে তব শুভ্র হাসি ঢাল।। ৪ বৈশাখ ১৩৩০ (১৯২৩) অগ্নিশিখা এসো এসোঃ ইউটিউব ভিডিও লিঙ্ক রবীন্দ্র সঙ্গীত
-
অগ্নি বীণা বাজাও তুমি কেমন করে
অগ্নি বীণা বাজাও তুমি কেমন করে আকাশ কাঁপে তারার আলোর গানের ঘোরে তেমনি করে আপন হাতে ছুলে আমার বেদনাতে নতুন সৃষ্টি জাগল বুঝি জীবন পরে বাজে বলেই বাজাও তুমি সেই গরবে ওগো প্রভু আমার প্রাণে সকল সবে বিষম তোমার বহ্নি ঘাতে বারে বারে আমার রাতে জ্বালিয়ে দিলে নতুন তারা ব্যথ্যায় ভরে।। ১৩ আশ্বিন ১৩২১ (১৯১৪) অগ্নি বীণা বাজাও তুমি কেমন করে Video; ধন্য ধন্য বলি তারে আমার নিজের কণ্ঠে গান।। আমায় ফুলেরা বলল // Amay Fulera Bollo Ami jeno Bagane Na niye Jai tomay// SD Rubel Song// RamanBiswas ১৩ আশ্বিন ১৩২১ (১৯১৪) অগ্নি বীণা বাজাও তুমি কেমন করে Video; ধন্য ধন্য বলি তারে আমার নিজের কণ্ঠে গান।। আমায় ফুলেরা বলল…
-
অকারণে অকালে মোর পড়ল যখন ডাক
অকারণে অকালে মোর অকারণে অকালে মোর পড়ল যখন ডাক তখন আমি ছিলাম শয়ন পাতি। বিশ্ব তখন তারার আলোয় দাঁড়ায়ে নির্বাক ধরায় তখন তিমির গহন রাতি। ঘরের লোকে কেঁদে কইল মোরে আধারে পথ চিনবে কেমন করে আমি কইনু, চলব আমাই নিজের আলো ধরে হাতে আমার এইযে আছে বাতি বাতি যতই উচ্চ শিক্ষায় জ্বলে আপন তেজে চোখে ততই লাগে আলোর বাধা ছায়ায় মিশে চারিদিকে মায়া ছড়ায় সে যে আধেক দেখা করে আমায় আধা। গর্ভ ভোরে যতই চলি বেগে আকাশ তত ঢাকে ধুলার মেঘে শিখা আমার কেঁপে ওঠে অধীর হাওয়া লেগে পায়ে পায়ে সৃজন করে ধাঁদা।। হঠাৎ শিরে লাগল আঘাত বনের শাখাজালে হঠা ৎ হাতে নিবল আমার বাতি।। চেয়ে দেখি পোথা হারিয়ে ফেলেছি…

















































































